📄 কাজের প্রতি আন্তরিকতা
জীবনের প্রধান অঙ্গ হল কাজ। কাজ ছাড়া মানুষ ভালোরূপে বাঁচতে পারে না। তবে সে কাজ হতে হবে মানুষের আন্তরিক। জীবনে তুমি যে কাজই কর, সেই কাজ বৈধ হলে তার প্রতি তোমার আন্তরিকতা থাকা চাই। থাকা চাই আন্তরিক ভালবাসা, আকর্ষণ ও প্রবণতা।
যদিও সে কাজে তুমি কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও নানা বকুনি খাও, তবুও সে কাজের প্রতি তোমার মন ভাঙ্গা উচিত নয়। আমি জানি, কাজের উপর খামোখা বকাঝকা হলে অথবা অপ্রয়োজনীয় চাপাচাপি হলে অথবা অতিরিক্ত কাজে বাধ্য করা হলে কর্মীর অন্তর থেকে কর্মের প্রতি আন্তরিকতা অনায়াসে বিলীন হয়ে যায়। তবুও চেষ্টা রাখো, যাতে আসল কর্তব্যে কোন প্রকার ত্রুটি না হয়ে বসে।
যে কাজ তুমি কর, সে কাজ যদি তোমার গৌরবের বিষয় হয়, তাহলে গৌরবলাভের পথে যে কোন প্রকারের কষ্ট হোক, সে কষ্ট বড় মিষ্ট। সে কাজে তুমি পার্থিব পারিশ্রমিক না পেলেও পারলৌকিক পারিশ্রমিকের আশা রেখো।
জ্ঞানীদের অভিজ্ঞতায় বলা হয়েছে যে, 'করণীয় কাজের জন্য গর্ববোধ থাকলে সেই কাজের উৎকর্ষ বৃদ্ধি পায়। প্রত্যেক কর্মের মধ্যে কর্মীর দক্ষতা ও মনোভাবের ছায়া থাকে---তাতে তা যে ধরনেরই কাজ হোক না কেন?'
পুরুষ যে কাজ করে, তাতে তার মর্যাদাবোধ থাকা উচিত। মহিলা যে কাজ করে, তাতেও তার মর্যাদবোধ থাকা উচিত। স্ত্রী হয়ে সংসারের কাজে, শ্বশুর-শাশুড়ীর খিদমতে, স্বামী ও সন্তানের খিদমতে নিজের বিশেষ মর্যাদাবোধ থাকা উচিত। নচেৎ হীনম্মন্যতার শিকার হয়ে বসলে মনে বড় কষ্ট হবে।
পক্ষান্তরে সংসারের কাজ-কর্ম স্বহস্তে সম্পাদন ক'রে মর্যাদাবোধ করলে এবং তাতে মহান আল্লাহর কাছে সওয়াবের আশা রাখলে মানুষকে খোশ করা যায় এবং তারই মাধ্যমে আল্লাহকেও।
তুমি ভাবতে পার, তুমি তোমার কাজের মাধ্যমে দেশের, দশের, পরিবারের অথবা দ্বীনের কোন খিদমত করছ। আর তাতে তোমার আংশিকভাবে নিজের খিদমত থাকলেও সে কাজের উৎকৃষ্টতা অধিক হবে। আর তাতেই তোমার মনে গর্ববোধ হবে। সেই কাজ ক'রে তুমি তৃপ্তি পাবে।
📄 তকদীরে ঈমান
কাজ পাওনা তুমি? উপার্জনের পথ বন্ধ তোমার? বড় দুঃখে ও দুশ্চিন্তায় কালাতিপাত করছ তুমি?
যে তকদীরে ঈমান রাখে, তার আবার দুশ্চিন্তা কীসের? যে এ কথা বিশ্বাস করে, 'আল্লাহ বান্দার জন্য যা কিছু করেন, তা তার মঙ্গলের জন্য করেন' তার আবার দুঃখ ও উৎকণ্ঠা কীসের? যে বিশ্বাস করে, 'বিধির কোন লীলা নেই', 'আল্লাহর কোন খেলা নেই', 'ভাগ্যের কোন পরিহাস নেই', তার আবার দুর্ভাবনা কীসের?
জীবনে যা কিছু ঘটে, তা সৃষ্টিকর্তার হুকুমে ঘটে। তা রদ করার ক্ষমতা নেই কারও। তিনি যা ঘটান, তাতে বান্দার মঙ্গল থাকে, যদিও বান্দা সেটাকে নিজের জন্য মন্দ ভেবে থাকে। সুতরাং দুঃখে কোন প্রকার আক্ষেপ ও হা- হুতাশ করা উচিত নয় বান্দার। যেমন উচিত নয়, সুখ পেয়ে আনন্দে গর্ব প্রকাশ করা। মহান আল্লাহ বলেছেন,
مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَبْرَأَهَا إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ (۲۲) لِكَيْلَا تَأْسَوْا عَلَى مَا فَاتَكُمْ وَلَا تَفْرَحُوا بِمَا آتَاكُمْ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُور} (۲۳) سورة الحديد
অর্থাৎ, পৃথিবীতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর যে বিপর্যয় আসে, আমার তা সংঘটিত করার পূর্বেই তা লিপিবদ্ধ থাকে, নিশ্চয় আল্লাহর পক্ষে তা খুবই সহজ। এটা এ জন্য যে, তোমরা যা হারিয়েছ তাতে যেন তোমরা বিমর্ষ না হও এবং যা তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন তার জন্য আনন্দিত না হও। গর্বিত ও অহংকারীদেরকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। (হাদীদঃ ২২-২৩)
বলা বাহুল্য, বিপদে তকদীরে ঈমান রেখে ধৈর্য ধরা এবং মহান আল্লাহর ফায়সালায় সন্তুষ্ট হওয়া উচিত। উদ্ধার চাইলে কেবল তাঁর কাছেই চাওয়া উচিত। আল্লাহর ফায়সালার বিরুদ্ধে কোন সৃষ্টি মানুষের কোন উপকার করতে পারে না।
ইবনে আব্বাস বলেন, আমি একদা (সওয়ারীর উপর) রাসূলুল্লাহ-এর পিছনে (বসে) ছিলাম। তিনি বললেন, "ওহে কিশোর! আমি তোমাকে কয়েকটি (গুরুত্বপূর্ণ) কথা শিক্ষা দেব (তুমি সেগুলো স্মরণ রেখো)। তুমি আল্লাহর (বিধানসমূহের) রক্ষণাবেক্ষণ কর, (তাহলে) আল্লাহও তোমার রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তুমি আল্লাহর (অধিকারসমূহ) স্মরণ রাখো, তাহলে তুমি তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে। যখন তুমি চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাও। আর যখন তুমি সাহায্য প্রার্থনা কর, তখন একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। আর এ কথা জেনে রাখ যে, যদি সমগ্র উম্মত তোমার উপকার করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার (ভাগ্যে) লিখে রেখেছেন। আর তারা যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার (ভাগ্যে) লিখে রেখেছেন। কলমসমূহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ (ভাগ্যলিপি) শুকিয়ে গেছে।” (তিরমিযী ২৫১৬নং)
তিরমিযী ব্যতীত অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, “আল্লাহর (অধিকারসমূহের) খেয়াল রাখ, তাহলে তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে। সুখের সময় আল্লাহকে চেনো, তবে তিনি দুঃখ ও কষ্টের সময় তোমাকে চিনবেন। আর জেনে রাখ যে, তোমার ব্যাপারে যা ভুলে যাওয়া হয়েছে (অর্থাৎ যে সুখ-দুঃখ তোমার ভাগ্যে নেই), তা তোমার নিকট পৌঁছবে না। আর যা তোমার নিকট পৌঁছবে, তাতে ভুল হবে না। আর জেনে রাখ যে, বিজয় বা সাহায্য আছে ধৈর্যের সাথে, মুক্তির উপায় আছে কষ্টের সাথে এবং কঠিনের সঙ্গে সহজ জড়িত আছে।” (সিঃ সহীহাহ ২৩৮২নং)
হাসান বাসরী বলেছেন, 'আশ্চর্য তার প্রতি, যে তকদীরে ঈমান রাখে অথচ সে চিন্তিত হয়। আশ্চর্য তার প্রতি, যে মৃত্যুকে বিশ্বাস করে অথচ সে আনন্দিত হয়। আশ্চর্য তার প্রতি, যে দুনিয়া ও তার বিবর্তনের কথা জানে অথচ সে তার প্রতি অনুরক্ত ও সন্তুষ্ট হয়।'
একদা ইব্রাহীম বিন আদহম এক দুশ্চিন্তাগ্রস্ত লোকের নিকট গিয়ে বললেন, 'আমি তোমাকে ৩টি প্রশ্ন করব, তার উত্তর দেবে কি?' লোকটি বলল, 'অবশ্যই।' তিনি বললেন, 'এ জগতে কি এমন কিছু ঘটছে, যাতে আল্লাহর ইচ্ছা নেই?'
সে বলল, 'না।' বললেন, 'তোমার রুযীর এতটুকু কি কম হবে, যা আল্লাহ তোমার জন্য নির্ধারিত ক'রে রেখেছেন?'
বলল, 'না।' বললেন, 'তোমার আয়ু থেকে কি এতটুকুও কম করা হবে, যা আল্লাহ তোমার জন্য নির্দিষ্ট করেছেন?'
বলল, 'না।' তিনি বললেন, 'তবে আবার দুশ্চিন্তা ও দুঃখ কীসের?'
জীবনের যত দুঃখ-জ্বালা আছে, তকদীরের প্রতি পূর্ণ ঈমান থাকলে তা পানি হয়ে যায়। চোখে পানি এলেও সে ফায়সালা মেনে নিয়ে ভাগ্য ও ভাগ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তাতে কী মঙ্গল আছে, সীমিত জ্ঞানে বুঝতে না পারলেও তাতে অবশ্যই মঙ্গল আছে বলে পূর্ণ প্রত্যয় রাখতে হয়। অপ্রিয় কোন ঘটনা ঘটলে, অপছন্দনীয় কিছু বরণ করতে হলে, বিপদে আঘাত খেলেও তাতে কল্যাণ আছে জানতে হবে। কোন কোন ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেছেন,
{وَعَسَى أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ وَعَسَى أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ} (٢١٦) سورة البقرة অর্থাৎ, তোমরা যা পছন্দ কর না, সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ কর, সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। (বাক্বারাহঃ ২১৬) {فَإِن كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَى أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَيَجْعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا} (۱۹) سورة النساء অর্থাৎ, তোমরা যদি তাদেরকে ঘৃণা কর, তাহলে এমনও হতে পারে যে, আল্লাহ যাতে প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন, তোমরা তাকে ঘৃণা করছ। (নিসাঃ ১৯)
সুতরাং তুমি যদি পরকালে বিশ্বাসী আল্লাহর বান্দা হও, তাহলে জীবনের সকল সুখে-দুঃখে আল্লাহ-অভিমুখী হও, তাহলে ঠকবে না। তখন দেখবে, অনেক নোকসানের পানির মাঝেও শত লাভের শতদল প্রস্ফুটিত আছে।
তকদীরে সুখ থাকলে মানুষ সুখ পায়, দুঃখ থাকলে দুঃখ। অবশ্য তদবীর করতে হয়, যাতে সুখ আসে এবং দুঃখ দূর হয়। কিন্তু বন্ধু আমার! তদবীর ও চেষ্টা ক'রে রুযী, অর্থ, সুখ ইত্যাদি আনয়ন করতে পার, কিন্তু তদবীর ও চেষ্টার বলে সুখের সাথী মনের মতো পিতা-মাতা, স্ত্রী-সন্তান আনতে পার না।
'স্বপ্ন পূরণের জন্য ভাগ্য থাকা দরকার।' 'যখন যা পাওয়ার, তখনই তা পাওয়া যায়; তার আগেও না, পরেও না।" ভাগ্যের সঙ্গে লড়াই চলে না, তার কাছে পরাজয় স্বীকার করতেই হয়।'
অনেকে ভাগ্যকে অবিশ্বাস ও অস্বীকার করে। কিন্তু 'মানুষ যখন হেরে যায়, তখন ভাগ্যকে বিশ্বাস করা ছাড়া আর কোন গতি থাকে না।'
📄 আল্লাহ-ভরসা
জীবনে যে কোন ভাল কাজের জন্য পরিকল্পনা থাকা চাই। আর সেই সাথে থাকা চাই দৃঢ় মনোবল তথা নিজের উপর আস্থা। তবে আত্মবিশ্বাস সমৃদ্ধ করতে আবশ্যক হল ঈমানী বল। আর তা হল মহান আল্লাহর উপর একক ভরসা।
মহান আল্লাহ বলেছেন, {فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ} (١٥٩) آل عمران অর্থাৎ, অতঃপর তুমি কোন সংকল্প গ্রহণ করলে আল্লাহর প্রতি নির্ভর কর। নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর উপর) নির্ভরশীলদের ভালবাসেন। (আলে ইমরানঃ ১৫৯)
জ্ঞানিগণ বলেন, 'পরিকল্পনার অসফলতা, অসফলতারই এক পরিকল্পনা।' সুতরাং কাজের আগে মনকে প্রস্তুত করা চাই। তবে 'সবচেয়ে কঠিন কাজ হল, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।'
কিন্তু সেই কঠিনতা উল্লংঘন ক'রে সংকল্পবদ্ধ হতে হবে। নচেৎ জেনে রেখো যে, 'বিফল মানুষ দুই শ্রেণীর; এক শ্রেণীর মানুষ করার ভাবনা-চিন্তা ক'রে কাজ না ক'রে বিফল হয়। আর অন্য শ্রেণীর মানুষ চিন্তা-ভাবনা না ক'রে কাজ করার ফলে বিফল হয়।'
কাজের পরিণাম না ভেবে কাজ করলে অনেক সময় অসফল ও লাঞ্ছিত হতে হয়। সুতরাং দ্বীনের কাজ হোক অথবা দুনিয়ার কাজ, পূর্ব-পরিকল্পনা গ্রহণ ক'রে কর এবং পূর্বাপর ভরসা রাখো মহান আল্লাহর উপর। তাহলে তুমি তাঁর ইচ্ছায় সফল হবে।
📄 ত্যাগ-স্বীকার
দুনিয়ার একটি চিরন্তন নীতি, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। বড় কিছু পেতে হলে কিছুটাও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। জীবনের কোন উচুতে উঠতে হলে একটু নিচুতে নামতে হয়।
তুমি কোন কোন গাড়িকে দেখবে, প্রথমবারে উঁচু জায়গায় চড়তে পারে না। সামান্য উচুতে গিয়ে গতির শক্তি হারিয়ে থেমে গিয়ে ফিরে নেমে আসে। অতঃপর পিছনে ফিরে গিয়ে যথেষ্ট গতি নিয়ে অগ্রসর হয়ে অবশেষে সেই উঁচু পথ চড়তে ও অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।
জীবনে কোন জায়গায় আটকে গেলে, ধাক্কা খেলে, বাধা পেলে চলার গতি থামিয়ে দিয়ো না। কিছু ত্যাগ স্বীকার করতে হলেও, অনেকটা পিছিয়ে গিয়ে ছুটে আসতে হলেও বারবার চেষ্টা কর, সফল হবে।
পিপীলিকার পাল দেখেছ। নিজের দেহের চাইতে কত গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে। তা নিয়ে উঁচু প্রাচীরগাত্রে ওঠার সময় কতবার পড়ে যায়, কতবার পিছে হটে, তবুও নিরুদ্যম হয় না।
মহৎ কিছু করতে গেলে কখনো কখনো এক-আধটুকু আঘাত সহ্য করতে হয়। বাধা উল্লংঘন করতে গিয়ে ত্যাগ-স্বীকার করতে হয়। কিছু পাওয়ার বিনিময়ে কিছু দিতে হয়। জানই তো, এ সংসার চলছে বিনিময়-ভিত্তিক লেনদেনের সহযোগিতায়।
তা বলে কিছু পাওয়ার বিনিময়ে বেশি কিছু দিয়ে বসো না। দুনিয়ার বিনিময়ে আখেরাতকে, সম্মান বা অর্থের বিনিময়ে ঈমানকে, দৌলতের বিনিময়ে ইজ্জতকে দিয়ে ফেলো না।
প্রয়োজনে স্বার্থ ত্যাগ কর, আরাম, বিলাস ও সুনিদ্রা ত্যাগ কর, মোহ ও মমতা ত্যাগ কর, আর সেই ত্যাগের মাধ্যমে সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছতে সচেষ্ট হও।