📄 বহুল ব্যবহৃত চিহ্ন
‘সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম'। আল্লাহ তাঁর উপর করুণা ও শান্তি বর্ষণ করুন! (মুহাম্মাদ ﷺ-এর নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘আলাইহিস সালাম’। তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক! (সাধারণত নবিদের নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘আলাইহাস সালাম’। তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক! (মহীয়সী নারীর নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘আলাইহিমাস সালাম’। উভয়ের উপর শান্তি বর্ষিত হোক! (দুজন নবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘আলাইহিমুস সালাম’। তাঁদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক! (দুয়ের অধিক নবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘রদিয়াল্লাহু আনহু’। আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন! (সাহাবির নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘রদিয়াল্লাহু আনহা’। আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন! (মহিলা সাহাবির নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘রদিয়াল্লাহু আনহুমা’। আল্লাহ উভয়ের উপর সন্তুষ্ট হোন! (দুজন সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘রদিয়াল্লাহু আনহুম’। আল্লাহ তাঁদের উপর সন্তুষ্ট হোন! (দুয়ের অধিক সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
‘রদিয়াল্লাহু আনহুন্না’। আল্লাহ তাঁদের উপর সন্তুষ্ট হোন! (দুয়ের অধিক মহিলা সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।)
📄 শামসুল আইম্মা সারাখ্ন্সি রহ.-এর ভূমিকা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি বিশ্বজগতের অধিপতি। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ ﷺ, তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের সকলকে তাঁর করুণার চাদরে ঢেকে নিন!
দুনিয়া-বিরাগী ও প্রথিতযশা ইমাম শাইখ সামসুল আইম্মা ফখরুল ইসলাম আবূ বাকর সারাখসি ছাত্রদের লেখার নির্দেশ দিয়ে বলেন: “তোমরা আমার কাছে চেয়েছিলে, আমি যেন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ﷺ-এর রচনাবলিতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, হাকিম শহীদের 'আল-কাফী/ আল-মুখতাসার' গ্রন্থটির ব্যাখ্যা তোমাদের দিয়ে লিখিয়ে নেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করি। আমি তোমাদের অনুরোধে সাড়া দিয়েছি। এখন আমি চাই ﷺ-এর সঙ্গে 'কিতাবুল কাস্-ব' গ্রন্থের ব্যাখ্যা জুড়ে দিই, যে গ্রন্থটি মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান থেকে মুহাম্মাদ ইবনু সামাআ বর্ণনা করেছেন। লিপিবদ্ধ করার কাজটি অবশ্য তোমাদেরই করতে হবে।
এ গ্রন্থটি ইমাম মুহাম্মাদ ﷺ-এর সামগ্রিক রচনাবলিরই অংশ; তবে এটি খুব বেশি প্রসিদ্ধি লাভ করেনি। এর কারণ হলো, তার কাছ থেকে আবূ হাফ্স ও সুলাইমানের কেউই এ গ্রন্থের বর্ণনা শোনেননি। আর এজন্য হাকিম শহীদও তার 'আল-মুখতাসার' গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেননি।
গ্রন্থটিতে জ্ঞানের এমন কিছু বিষয় আছে, যে-ব্যাপারে অজ্ঞ থাকার কোনও সুযোগ নেই; না জেনে বসে থাকারও কোনও উপায় নেই। উপার্জনকারীদের সঙ্গে উপার্জন-কর্মে যোগ দিয়ে, নিজের হাতের উপার্জন থেকে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য গ্রন্থটিতে নিঃস্ব লোকদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। এ বইয়ে যদি জ্ঞানের এতসব উপকরণ না থেকে শুধু এটুকুই থাকত, তাতেও এ ধরনের জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া প্রত্যেকের জন্য বাধ্যতামূলক হতো।
আমাদের শিক্ষক ইমাম শামসুল আইম্মা হালওয়ানি পূর্বসূরীদের জ্ঞান উল্লেখ করার অংশ হিসেবে, এ গ্রন্থের কিছু অংশের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তার কাছ থেকে শ্রুত বিষয়ের বরকত হিসেবে, আমি সেগুলো উল্লেখ করব; আর এর সঙ্গে জুড়ে দেবো উসূল-বিশেষজ্ঞগণের বক্তব্য এবং বিভিন্ন শব্দের অর্থ ও তাৎপর্য।”