📄 স্ত্রীর অন্যান্য অধিকার
১. উত্তম সঙ্গী
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ.
"আর তোমরা তাদের সাথে সৎভাবে জীবনযাপন করবে।”¹
২. শিক্ষা। একজন নারীকে দীনের প্রয়োজনীয় সকল ইলম শিক্ষা দিতে হবে।
৩. সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুর'আনে বলেন-
وَأْمُرْأَهْلَكَ بِالصَّلُوةِ وَاصْطَبِرْ عَلَيْهَا.
"আর তোমার পরিবারবর্গকে সালাতের আদেশ দাও এবং তাতে অবিচল থাক."²
يَأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا قُوا أَنفُسَكُم وَأَهْلِيكُم نَارًا وَقُودُهَا النَّاسِ وَالْحِجَارَةُ.
“হে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার পরিজনকে রক্ষা কর অগুন হতে, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর।”³
৪. ঈর্ষার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা।
৫. দেনমহর। وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً فَإِن طِبْنَ لَكُمْ عَن شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا.
"তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর সন্তুষ্ট মনে দিয়ে দাও, পরে তারা খুশী মনে মোহরের কিয়দংশ ছেড়ে দিলে তোমরা তা স্বাচ্ছন্দে ভোগ কর।”⁴
৬. ভরণ-পোষণ। وَعَلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ لَا تُكَلِّفُ نَفْسٌ إِلَّا وُسْعَهَا.
"আর পিতার উপর কর্তব্য, বিধি মোতাবেক মা'দের খোর-পোষের দায়িত্ব নেওয়া। সাধ্যের অতিরিক্ত কোন ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয় না।”⁵
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "খাদ্যের অপচয় করা একজন মহিলার জন্য পাপ হিসেবে যথেষ্ট হবে।”
৭. যদি একাধিক স্ত্রী থাকে তবে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
إِذَا كَانَ عِنْدَ الرَّجُلِ امْرَأَتَانِ فَلَمْ يَعْدِلْ بَيْنَهُمَا جَاءَ يَوْمَ القِيَامَةِ وَشِقُهُ سَاقِطٌ.
“যদি একজন মানুষের দুইজন স্ত্রী থাকে, এবং সে তাদের মাঝে ইনসাফ রক্ষা করে না, তাহলে পুনরুত্থানের দিন তার এক পাশ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে।”⁶
৮. মন্দ আচরণ না করা, এবং তার আবেগের সম্মান করা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবসময় পরিবারকে সাহায্য করতেন, তিনি নিজের জুতা নিজে সেলাই করতেন, নিজের কাপড় সেলাই করতেন, নিজেই মেঝে পরিষ্কার করতেন। হাদিসে এসেছে-
كَانَ يَخِيطُ ثَوْبَهُ، وَيَخْصِفُ نَعْلَهُ، وَيَعْمَلُ مَا يَعْمَلُ الرِّجَالُ فِي بيوتهم.
“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় সেলাই করতেন, জুতাকে তালি লাগাতেন। এছাড়াও অন্যান্য কাজ করতেন, যেগুলো গৃহে অন্যান্য পুরুষেরা করেনা।”⁷
আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলেন, "রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে কি করেন? আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তিনি ঘরোয়া কাজকর্মে ব্যস্ত থাকেন, নামাজের সময় হলে নামাজ পড়তে যান। আয়েশা রাদিয়াল্লাহুকে আরো প্রশ্ন করা হলো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে কী করেন? আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তিনি তো তোমাদের মতই মানুষ। তিনি নিজ কাপড়ে তালি লাগান। বকরীর দুধ দোহন করেন, এবং নিজের যত্ন নেন।”⁸
৯. তার গোপনীয়তা ফাঁস না করা, এবং তার দোষ ত্রুটি অন্যের নিকট না বলা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ الرَّجُلَ يُفْضِي إِلَى امْرَأَتِهِ، وَتُفْضِي إِلَيْهِ، ثُمَّ يَنْشُرُ سِرَّهَا.
"বিচার দিবসে আল্লাহর নিকট মানুষদের মধ্যে সবচে' নিকৃষ্ট ঐ মানুষ হবে, যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, অতঃপর তার (স্ত্রীর) গোপনীয়তা ফাঁস করে।”⁹
১০. তার পিতামাতা, পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সাথে দেখা সাক্ষাতের অনুমতি দেয়া।
১১. স্ত্রীকে অসৎ নারীদের সাথে মেলামেশা করতে না দেয়া। যে সকল নারী নোংরা এবং পাপ কাজ করে, তাদের থেকে স্ত্রীকে দূরে রাখা। অশালীন ম্যাগাজিন, বই, নোংরা ও অশ্লীল মুভি ইত্যাদি দেখা, শোনা ও পড়ার অনুমতি না দেয়া।
১২. রাতে অত্যাধিক বিলম্বে বাসায় না ফেরা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
وَإِنَّ لِزَوْجِكَ عَلَيْكَ حَقًّا.
"তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে।”¹⁰
১৩. স্ত্রী যদি (দ্বীনের ভিতর সীমাবদ্ধ থেকে) কাজ করে তাহলে তার বেতন না নেয়া, মিরাস সূত্রে যদি সে সম্পদ পায় তাও না নেয়া।
টিকাঃ
¹সুরা নিসা: ১৯।
²সুরা তাহা: ১৩২।
³সুরা আত তাহরিম: ৬।
⁴সুরা নিসা : ৪।
⁵সুরা বাকারা: ২৩৩।
⁶সুনানু তিরমিযি: ১১৪১। সনদ সহিহ।
⁷মুসনাদে আহমাদ: ২৪৯০৩। সনদ সহিহ।
⁸সহিহ বুখারি: ৬৭২।
⁹সহিহ মুসলিম: ১৪৩৭।
¹⁰সহিহ মুসলিম: ৫১৯৯।
📄 স্বামী-স্ত্রীর যৌথ অধিকার
১. ভুল, ও দোষ ত্রুটি উপেক্ষা করা, বিশেষ করে অজান্তে যে সকল ভুল হয় তা মার্জনা করা।
২. সুখে-দুঃখে একে অপরকে সহানুভূতি দেখানো।
৩. একে অপরকে আন্তরিকভাবে নসিহত করা।
৪. গোপনীয়তা রক্ষা করা। স্বামী স্ত্রীর দোষ ত্রুটি তৃতীয় ব্যক্তির নিকট না বলা।
৫. সম্মানের সাথে বসবাস করা, এটা তাদের চরিত্র রক্ষা করবে।
৬. যথাযথ কাপড় পরিধান করা।
৭. একে অপরের প্রশংসা করা, এবং সম্মান করা।
৮. ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ি সন্তানদের যথাযথ তারবিয়াত দেয়া। অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া, বিশেষভাবে কন্যার শিক্ষার প্রতি। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
مَنْ عَالَ جَارِيَتَيْنِ حَتَّى تَبْلُغَا، جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَا وَهُوَ وَضَمَّ أَصَابِعَهُ.
“যে ব্যক্তি দু'টি কন্যাকে তারা সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে, কিয়ামতের দিন আমি এবং সে এ দু'টি আঙ্গুলের মতো পাশাপাশি আসবো (অতঃপর তিনি তার আঙ্গুলগুলি মিলিত করে দেখালেন)।” ¹
এক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্ত বিষয় খেয়াল রাখতে পারি-
* মেয়েদের হিজাব পড়তে উৎসাহিত করা।
* অশালীন পোশাক পড়তে নিরুৎসাহিত করা।
* অবসর সময়গুলো ইসলামিক বই এবং ইসলামিক শিক্ষা দিয়ে সাজানো।
* বাদ্য-বাজনা, মুভি, ড্রামা ইত্যাদি দেখা, শোনা ও কেনা থেকে দূরে রাখা।
টিকাঃ
¹সহিহ মুসলিম: ২৬৩১।
📄 জীবনসঙ্গিনীর প্রতি স্নেহশীল ও সহানুভূতিশীল আচরণ
স্বামী অবশ্যই স্ত্রীকে ভালোবাসবে। স্ত্রী অবশ্যই স্বামীর ভালোবাসা, আদর, স্নেহ পাবে। তাকে সবচে' সুন্দর নামে ডাকবে, এবং তার সাথে স্নেহশীল আচরণ করবে। স্ত্রীর পরিবারের সাথেও স্বামীকে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে, তাদের প্রতি ভালো ব্যবহার করতে হবে। স্ত্রীর সামনে তার পরিবারের প্রশংসা করা উচিত। একে অপরের বাসায় আসা যাওয়া উচিত। উচিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উপলক্ষে তাদের আমন্ত্রণ জানানো। অবশ্য স্বামী তার জীবন সঙ্গিনীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে, তার মতামতকে সম্মান করবে, এবং যদি সঠিক হয় তাহলে তার উপদেশ গ্রহণ করবে। সংক্ষেপে বললে, আমাদের উচিত দীন দিয়ে বৈবাহিক জীবন সাজানো।
এছাড়াও স্ত্রীর প্রতি সর্বাধিক উত্তম বৈশিষ্ট্যের আচরণ করতে হবে, সহনশীল হতে হবে, পারস্পরিক সমস্যায় একে অপরকে ছাড় দিতে হবে, দুর্দিন সহ্য করে টিকে থাকতে হবে। সে রেগে গেলে, বা অবিবেচক মূলক শব্দ ব্যবহার করলে তুমি তার সাথে কোমল আচরণ করবে। তোমাকে তার সাথে রসিকতা করতে হবে, খেলা করতে হবে, এতে সে প্রফুল্ল ও আনন্দিত হবে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে রসিকতা করতেন। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “পুরুষের উচিত স্ত্রীর সাথে বাচ্চামিসূলভ ব্যবহার করা, কিন্তু যখন স্ত্রীদের তার প্রয়োজন হবে তখন সে একজন পুরুষের মত আচরণ করবে।”
স্ত্রীদের মেজাজ বুঝতে হবে, যাতে তাদের আনন্দ দেয়া যায়, তাদের ব্যাথা দূর করা যায়, জীবনের বিভিন্ন বোঝা লাঘব করে তাদের কাজ সহজ করে দেয়া যায়, এভাবে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালোবাসার বন্ধন আরো মজবুত ও দৃঢ় হবে এবং একে অপরের প্রতি সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
যে সকল কারণে দাম্পত্যজীবনে সমস্যা দেখা দেয়:
১. পাপ এবং নোংরা কাজ।
২. একে অপরকে অবহেলা করা।
৩. দায়িত্ব পালন না করা।
৪. আত্মীয় বা তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ করা।
৫. সন্দেহ।
৬. ঠেস মেরে কথা বলা।
৭. অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ করা।
৮. অবিশ্বাস।
৯. দম্পতিদের মধ্যে কারোর অভিভাবকের অন্যায় হস্তক্ষেপ।
১০. একে অপরকে ভুল বুঝা।
১১. মিথ্যা বিশ্বাস।
১২. প্রতিদিন একঘেয়ে এবং বিরক্তিকর ভাব কাটানো।
১৩. অশ্লীল ও অশালীন ম্যাগাজিন, ড্রামা মুভি দেখা, পড়া।
১৪. আন্তরিকতার অভাব থাকা, সত্যবাদিতা না থাকা।
১৫. পরিবারে প্রতিবেশির কর্তৃত্ব থাকা।
১৬. দুনিয়াবি বিষয়ে অতৃপ্তিতে ভোগা।
১৭. সোসাল ক্লাস আলাদা আলাদা হওয়া।
১৮. শিক্ষায় পার্থক্য থাকলে।
১৯. বয়সে অত্যাধিক পার্থক্য হলে।
২০. নারী পুরুষের মিক্স পরিবেশ।
২১. স্ত্রীদের মধ্যে সমতার বিধান না করলে।
২২. বাড়ি থেকে প্রায়শ দূরে থাকলে।
২৩. প্রায়শ রাতে বাহিরে থাকলে।
২৪. সন্তানদের মধ্যে কাউকে অধিক প্রাধান্য দিলে।
২৫. অনৈতিক উদ্দেশ্যে বিদেশে ভ্রমণ করলে।
📄 পাপের ছড়াছড়ি
মুসলিম সমাজ আজ পাপে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে, চারদিকে পাপের ছড়াছড়ি, পঙ্কিলতার অতল গহ্বরে আমরা ডুবে যাচ্ছি। অবশ্যই বৈবাহিক সমস্যা তৈরিতেও পাপ এবং নিষিদ্ধ কাজ হল সবচে' বড় কারণ। আল্লাহর কাছে পাপীদের যেমন কোনো গুরুত্ব নেই, সৎ মানুষদের মাঝেও পাপীদের কোনো সম্মান নেই।
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেন-
"পাপ কর্মের ফলে অনেক ধরনের শাস্তি নেমে আসে, তার মধ্যে অন্যতম হল বরকত উঠিয়ে নেয়া এবং অন্যান্য দুর্ভাগ্য নেমে আসা। আল্লাহর বান্দারা পাপের কারণে আল্লাহর বরকত হারিয়ে ফেলে, এবং পাপ কর্ম করার সময় সে অভিশপ্ত হয়।”
পাপীরা পাপের কারণে আরো যে সকল শাস্তি পায়-সে আল্লাহর সামনে তার মাকাম ও অবস্থান হারিয়ে ফেলে, কেননা আল্লাহর নিকট ঐ বান্দাই পবিত্র, যে আল্লাহকে সর্বাধিক ভয় করে ঐ বান্দাই আল্লাহর নিকটতর, যে সকল ক্ষেত্রে আল্লাহকে মান্য করে, এবং আল্লাহর নিকট বান্দার মর্যাদা আল্লাহর বিধানের প্রতি বান্দার আত্মসমর্পণের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠা পায়। যদি সে আল্লাহর বিধানকে অমান্য করে, তাহলে সে নিজেকে অনুগত বান্দা হওয়ার স্থান থেকে নামিয়ে ফেলে, এবং আল্লাহও তাকে তার একান্ত অনুগত বান্দার অবস্থান থেকে নিচে নামিয়ে দেন। ফলস্বরূপ সেও দুর্ভাগ্যপূর্ণ, অযোগ্য, অসম্মানজনক, নিঃস্ব ও অসুখী মানুষের কাতারে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
কিছু স্ত্রীরা প্রায়শ অভিযোগ করে বলেন, তাদের স্বামীরা আগের মত ব্যবহার করছে না, তারা পরিবর্তন হয়ে গেছে। তারা তাদের পূর্বের সময়ের স্মৃতিচারণ করে-তখন স্বামীরা তাদের প্রতি খুব অনুরাগী ছিল, উত্তম ব্যবহার করত, স্বামী স্ত্রীর মাঝে তখন অনেক ভালোবাসা বিরাজ করছিল, কিন্তু এখন স্বামীরা স্ত্রী-সন্তানের প্রতি তেমন যত্নশীল নয়।
শাইখ আহমাদ আল-কাত্তান রহিমাহুল্লাহ বলেন, "স্বামীর এই আকস্মিক পরিবর্তনের জন্য স্ত্রীরা দায়ি। স্ত্রীর উচিত নিজেকে জিজ্ঞেস করা এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই আয়াতে কি বলেছেন তা অনুধাবন করা-
إِنَّ اللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنفُسِهِمْ.
"নিশ্চয় আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে।” ¹
হয়ত স্ত্রী বা স্বামী কোনো নিষিদ্ধ কাজ করেছে তাই স্বামীর মধ্যে আকস্মিক পরিবর্তন এসেছে।
টিকাঃ
¹সুরা রাদ: ১১।