📄 পরিশিষ্ট
হয়তো আমি প্রসঙ্গটিকে প্রয়োজনের চেয়ে অধিক দীর্ঘ করেছি। তবে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বিভিন্ন দিকের পরিচয় তুলে ধরাও জরুরী। এজন্য অন্তরের বিষয়াদিতে আল্লাহ -কে ভয় করুন; আল্লাহ -কে ভয় করুন। অন্তরের সাথে দয়ার আচরণ করুন এবং তাকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করুন। কলবের যত্ন নিন এবং ক্ষতিকর বিষয়াদি থেকে তাকে রক্ষা করুন।
মানুষ যখন দৈহিক হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে অবগত হয়, তখন সে কতই না পেরেশান হয়ে পড়ে। পাপ-পঙ্কিলতার রোগব্যাধিতে আত্মা রুগ্ন এবং যখম হয়ে সকালসন্ধ্যা পরীক্ষায় নিপতিত হলে কি আমরা সেরকম পেরেশান হই?
সুতরাং অন্তরের ব্যাপারে আমরা যেন আল্লাহ ﷻ-কে ভয় করি। অন্তর ঠিক হওয়ার মধ্যেই মানুষের মুক্তি।
﴿يَوْمَ لَا يَنْفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ﴿۸﴾ إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ﴾
সে দিন সম্পদ ও সন্তানসন্তুতি কোন উপকার দিবে না; তবে যে আল্লাহর কাছে আসবে সুস্থ অন্তর নিয়ে। [সুরা শুআরা : ৮৮-৮৯]
আজ অনেক গুনাহ মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। যেমন সুদ খাওয়া, সুদের জন্য সাহায্য করা, ঘুষ নেওয়া, দেওয়া, মানুষের গীবত-শেকায়েতে লিপ্ত হওয়া, ইত্যাদি। যেগুলো কোন গণনাকারীর পক্ষে গুণে শেষ করা সম্ভব নয়, এগুলো সম্পর্কে আমরা কি আল্লাহ ﷻ-কে ভয় করি?
আসুন, আমরা এই কলবের উপর একটু দয়া করি। একে আমরা আল্লাহ ﷻ-এর আনুগত্যে ব্যবহার করি। বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করি। কুরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করি। নফল এবাদত বাড়াই। বেশি বেশি করে সদকা এবং আল্লাহ ﷻ-এর যিকির করি। তা হলে নিরাপদ, সুস্থ ও তওবাকারী দিল নিয়ে আমরা আল্লাহ ﷻ-এর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারব। যেসব লোকের কলব গাফেল, তাদের সংসর্গের ব্যাপারে ভয় জাগরিত করি; তাদের থেকে নাজাত কামনা করি।
হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে দীনের উপর অবিচল থাকার হিম্মত এবং হেদায়েতের উপর দৃঢ়তা কামনা করি। তোমার নেয়ামতের শুকর আদায় করার এবং সুন্দর করে এবাদত করার তৌফিক প্রার্থনা করি। তোমার চাই সেই কল্যাণ, যা শুধু তুমিই জানো। আশ্রয়ও চাই সেই অনিষ্ট থেকে, যার তথ্য আছে শুধু তোমার কাছে। আমাদের অজ্ঞানতার জন্য আমরা তোমার কাছে ক্ষমা চাই। হে আল্লাহ! আমাদেরকে দান করো সুস্থ কলব এবং সত্য বলার যবান।
وَصَلَّى اللَّهُ وَسَلَّمَ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ.
সমাপ্তি
হয়তো আমি প্রসঙ্গটিকে প্রয়োজনের চেয়ে অধিক দীর্ঘ করেছি। তবে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বিভিন্ন দিকের পরিচয় তুলে ধরাও জরুরী। এজন্য অন্তরের বিষয়াদিতে আল্লাহ -কে ভয় করুন; আল্লাহ -কে ভয় করুন। অন্তরের সাথে দয়ার আচরণ করুন এবং তাকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করুন। কলবের যত্ন নিন এবং ক্ষতিকর বিষয়াদি থেকে তাকে রক্ষা করুন।
মানুষ যখন দৈহিক হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে অবগত হয়, তখন সে কতই না পেরেশান হয়ে পড়ে। পাপ-পঙ্কিলতার রোগব্যাধিতে আত্মা রুগ্ন এবং যখম হয়ে সকালসন্ধ্যা পরীক্ষায় নিপতিত হলে কি আমরা সেরকম পেরেশান হই?
সুতরাং অন্তরের ব্যাপারে আমরা যেন আল্লাহ ﷻ-কে ভয় করি। অন্তর ঠিক হওয়ার মধ্যেই মানুষের মুক্তি।
﴿يَوْمَ لَا يَنْفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ﴿۸﴾ إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ﴾
সে দিন সম্পদ ও সন্তানসন্তুতি কোন উপকার দিবে না; তবে যে আল্লাহর কাছে আসবে সুস্থ অন্তর নিয়ে। [সুরা শুআরা : ৮৮-৮৯]
আজ অনেক গুনাহ মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। যেমন সুদ খাওয়া, সুদের জন্য সাহায্য করা, ঘুষ নেওয়া, দেওয়া, মানুষের গীবত-শেকায়েতে লিপ্ত হওয়া, ইত্যাদি। যেগুলো কোন গণনাকারীর পক্ষে গুণে শেষ করা সম্ভব নয়, এগুলো সম্পর্কে আমরা কি আল্লাহ ﷻ-কে ভয় করি?
আসুন, আমরা এই কলবের উপর একটু দয়া করি। একে আমরা আল্লাহ ﷻ-এর আনুগত্যে ব্যবহার করি। বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করি। কুরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করি। নফল এবাদত বাড়াই। বেশি বেশি করে সদকা এবং আল্লাহ ﷻ-এর যিকির করি। তা হলে নিরাপদ, সুস্থ ও তওবাকারী দিল নিয়ে আমরা আল্লাহ ﷻ-এর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারব। যেসব লোকের কলব গাফেল, তাদের সংসর্গের ব্যাপারে ভয় জাগরিত করি; তাদের থেকে নাজাত কামনা করি।
হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে দীনের উপর অবিচল থাকার হিম্মত এবং হেদায়েতের উপর দৃঢ়তা কামনা করি। তোমার নেয়ামতের শুকর আদায় করার এবং সুন্দর করে এবাদত করার তৌফিক প্রার্থনা করি। তোমার চাই সেই কল্যাণ, যা শুধু তুমিই জানো। আশ্রয়ও চাই সেই অনিষ্ট থেকে, যার তথ্য আছে শুধু তোমার কাছে। আমাদের অজ্ঞানতার জন্য আমরা তোমার কাছে ক্ষমা চাই। হে আল্লাহ! আমাদেরকে দান করো সুস্থ কলব এবং সত্য বলার যবান।
وَصَلَّى اللَّهُ وَسَلَّمَ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ.
সমাপ্তি