📘 যেমন হবে উম্মাহর দাঈগণ > 📄 নবম গুণ: الصدق (সততা)

📄 নবম গুণ: الصدق (সততা)


يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাক।” [সুরা তাওবা- ১১৯]

আভিধানিকভাবে 'সিদ্‌ক' অর্থ: সত্য কথা বলা। অতীতকালে হোক, ভবিষ্যৎকালে হোক। শত্রু হোক বা অন্য কেউ হোক। এটা কেবল সংবাদমূলক কথাবার্তায় হয়।

পরিভাষায়- 'সিদ্‌ক' হল গোপন-প্রকাশ্য ও জাহির-বাতিন একরকম হওয়া। যেন বান্দার অবস্থা তার কাজকে এবং তার কাজ তার অবস্থাকে মিথ্যা প্রমাণিত না করে। সিদক বা সততা প্রকৃত মুমিনের গুণ। আর এতেও কোন সন্দেহ নেই যে, মানুষের মাঝে এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার সর্বাধিক উপযুক্ত ব্যক্তি হল নেতা বা শাসক। কারণ আল্লাহ তাকে যে স্থানে অধিষ্ঠিত করেছেন, সে অবস্থানে এর প্রয়োজন অত্যধিক। কারণ আল্লাহর তাওফীক ও সাহায্য ছাড়া তার এক মুহূর্তও চলা সম্ভব নয়। আর কোন মিথ্যাবাদীর পক্ষে আল্লাহ তা'আলার সাহায্য আসাটা সৃষ্টিজীবের ক্ষেত্রে আল্লাহ তা'আলার সুপ্রতিষ্ঠিত নীতির বিরোধী। এমন ব্যক্তির ভাগ্যে তো শুধু আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চনাই জুটবে, যদিও কিছুকাল পরে হয়। সুতরাং যে কাজের মাঝে মিথ্যা অনুপ্রবেশ করেছে, যার কর্তা কথা, কাজ বা নিয়্যতে মিথ্যা অবলম্বন করেছে, কখনো দেখবেন না যে, উক্ত কাজে বরকত লাভ হয়েছে।

কিন্তু কখনো এদের পক্ষেও কিছু আবর্তন ঘটবে এবং আল্লাহ তা'আলা তার নেককার বান্দাদেরকে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারাও তার কিছু লাভ করবে বা এ জাতীয় আরও কিছু ঘটবে; কিন্তু তা সাময়িক সময়ের জন্য। আর এটা আল্লাহর বিশেষ হিকমতের কারণে, যা কেবল তিনিই জানেন। যারা সত্যবাদী নয়, আল্লাহ তাদেরকে কোন কল্যাণ বা ক্ষমতা দেন না। তাই সমগ্রীকভাবে এ সকল সত্যবাদীদের জিহাদ ও নেক আমলের কারণেই আল্লাহ তা'আলা দেশ ও মানুষের বহুবিদ কল্যাণকর বিষয়াবলী ঘটান। কখনো তার ফলাফল বহুকাল যাবত অব্যাহতও রাখেন, যেমনটা আমরা আল্লাহ তা'আলার স্থির নীতির মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এজন্য নেতাই এই মহান গুণে গুণান্বিত হওয়ার সর্বাধিক উপযুক্ত। নেতাকে প্রথমে তার রবের সাথে সত্যবাদী হতে হবে। আল্লাহর সাথে সততা আর তার প্রতি একনিষ্ঠতা দু'টি ভিন্ন জিনিস। তবে পরস্পরের মাঝে আবশ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। সততা হয় আবেদন বা আকাঙ্খার ক্ষেত্রে, আর ইখলাস বা একনিষ্ঠতা হয় কাঙ্খিত বিষয়ের ক্ষেত্রে।

ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন- 'সততা ও ইখলাসের মাঝে পার্থক্য হল, বান্দার কিছু আকাঙ্খা ও কিছু কাঙ্খিত বিষয় থাকে। ইখলাস হল কাঙ্খিত বিষয়টি শুধু আল্লাহর জন্য হওয়া। আর সততা হল আকাঙ্খাটি শুধু আল্লাহর জন্য হওয়া।'

সুতরাং ইখলাস হল কাঙ্খিত বিষয়টি বিভাজ্য না হওয়া। আর সততা হল আকাঙ্খাটি বিভাজ্য না হওয়া। তাই সততা হল চেষ্টা ও পরিশ্রম করা। আর ইখলাস হল কাঙ্খিত লক্ষ্যটি একক হওয়া। একারণে নেতাকে পূর্ণ চেষ্টা করতে হবে এবং সর্বসাধ্য ব্যয় করতে হবে আল্লাহর প্রতিশ্রুতি নিজের মধ্যে বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে। এটাই হল আকাঙ্খার মধ্যে সততা। আর এ লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য নেতার উচিত, কোন উপকরণের প্রতি ঝুঁকে না পড়া বা তা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়ে না পড়া। এটা হল আল্লাহর সাথে সততার দিক। আর আল্লাহই প্রকৃত তাওফীকদাতা। এটাই মূল বিষয়। কেননা বান্দা যদি তার রবের সাথে সততা দেখাতে পারে, তাহলে সে স্বীয় প্রজাদের সাথেও সততা দেখাতে পারবে।

নেতার উচিত স্বীয় কথায় সত্যবাদী হওয়া এবং কাজকর্মে আমানতদার হওয়া। জাতির হিসাবের মধ্যে কারো প্রতি শৈথিল্য না করা। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভর্ৎসনাকারীর ভর্ৎসনাকে ভয় না করা। স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত, নীতি ও পথ অবলম্বন করা। তার চরিত্র ও আচার-আচরণই তার সততার প্রমাণ দিবে।

উম্মাহ্র সুবিধার প্রতি লক্ষ্য রাখবে, যদিও এতে তার অনেক সময় ব্যয় করতে হয় ও পরিশ্রম করতে হয়। কাউকে উপেক্ষা করবে না। উম্মাহকে ধোঁকা দিবে না। এমন ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিবে না, যার ব্যাপারেও সে নির্বিকার; নিজ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালায় না।

প্রকৃত নেতা সেই, যে স্বীয় উম্মাহ্র সম্মান ও গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফিরিয়ে আনে। উম্মাহ্র প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু হয়। জনগণ কর্তৃক নেতাকে ভালবাসা এবং তার পাশে ভেড়ার ক্ষেত্রে শাসকের সততার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। আর এমনটা তো হবেই। যেহেতু তারা দেখছে, সে কখনো তাদের সাথে মিথ্যা বলেনি, তাদেরকে ধোঁকা দেয়নি, প্রতারিত করেনি। আর কোন সন্দেহ নেই যে, এই জনগণই তার সাহায্যকারী হবে এবং তার পিছনে থাকবে। কখনো তাকে সপে দিবে না, তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে না বা তার সহযোগীতা ছেড়ে দিবে না।

পক্ষান্তরে যদি সে মিথ্যার ব্যাপারে পরিচিত হয়, তাহলে ধারণার চেয়েও দ্রুত সময়ে তার রাজত্বের ভীত ক্ষসে পড়বে, যদিও পূর্বোক্ত ছয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন-
أَفَمَنْ أَسَّسَ بُنْيَانَهُ عَلَى تَقْوَى مِنَ اللَّهِ وَرِضْوَانٍ خَيْرٌ أَم مَّنْ أَسَّسَ بُنْيَانَهُ عَلَى شَفَا جُرُفٍ هَارٍ فَانْهَارَ بِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ.
“আচ্ছা, সেই ব্যক্তি উত্তম, যে আল্লাহভীতি ও তার সন্তুষ্টির উপর নিজ গৃহের ভিত্তি স্থাপন করেছে, না সেই ব্যক্তি, যে তার গৃহের ভিত্তি স্থাপন করে এক খাদের পতনোন্মুখ কিনারায়। ফলে সেটি তাকে নিয়ে জাহান্নামের আগুনে পতিত হয়। আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়াতপ্রাপ্ত করেন না।” [সুরা তাওবা- ১০৯]

সততা সমাজের বন্ধন দৃঢ় করে, তার মাঝে ভারসাম্যতা আনয়ন করে। ফলে দুনিয়ার কোন কিছুই তাকে টলাতে পারে না। কোন ফেৎনাই তার মাঝে অনুপ্রবেশ করতে পারে না। নিশ্চয়ই সততা হল মানুষকে আল্লাহর দিকে পরিচালনাকারী নবীদের একটি বৈশিষ্ট্য। হেদায়াতের নবী মুহাম্মদ নবুওয়াত লাভের পূর্বেই 'সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত' উপাধি লাভ করেছিলেন। ফলে তার জাতি তার আনিত বিষয়ের ব্যাপারে তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা সত্ত্বেও অন্য সকল বিষয়ে তাকে বিশ্বাস করতো।

সায়ীদ ইবনে জুবায়ের রহ. ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন-
صَعِدَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ عَلَى الصَّفَا فَقَالَ يَا صَبَاحَاهُ. فَاجْتَمَعَتْ إِلَيْهِ قُرَيْشُ فَقَالُوا: مَا لَكَ؟ قَالَ: أَرَأَيْتَكُمْ أَنْ لَوْ أَخْبَرْتُكُمْ أَنَّ الْعَدُوَّ مُصَبِّحُكُمْ أَوْ مُمَشِيكُمْ، أَكُنْتُمْ تُصَدِّقُونِي؟ قَالُوا : بَلَى، قَالَ فَإِنِّي نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَيْ عَذَابٍ شَدِيدٍ. فَقَالَ أَبُو لَهَبٍ: تَبًّا لَكَ، أَلِهَذَا دَعَوْتَنَا جَمِيعًا، فَأَنزَلَ اللَّهُ تَعَالَى تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ إِلَى آخِرِهَا.

"একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ সাফা পাহাড়ে আরোহন করলেন। অতঃপর তার কওমকে লক্ষ্য করে বললেন- হায় প্রভাতি আক্রমণ! ফলে কুরাইশের সকল লোক জমা হল। তারা তাকে বলল, আপনার কি হয়েছে? তিনি বললেন, তোমরা বল তো! আমি যদি তোমাদেরকে সংবাদ দেই- তোমাদের শত্রুরা সকাল বেলা বা বিকাল বেলা তোমাদের উপর আক্রমণ করবে, তাহলে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে না? তারা বলল, অবশ্যই। তখন তিনি বললেন, তাহলে আমি তোমাদেরকে আসন্ন আযাবের সম্পর্কে সতর্ক করছি। আবু লাহাব বলে উঠল, ধ্বংস তোমার! তুমি আমাদেরকে এজন্য একত্রিত করেছো?! তখন আল্লাহ আয়াত নাযিল করেছেন: تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ “আবু লাহাবের দু' হাত ধ্বংস হোক!...” [সুনানে নাসাঈ- ১০৭৫৩]

রাসূলুল্লাহ ﷺ তার কওমকে জিজ্ঞেস করার পর তার কওম যা বলেছিল, আমরা তার মাধ্যমে দলিল পেশ করছি। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমরা বল তো, আমি যদি তোমাদেরকে সংবাদ দেই যে, তোমাদের শত্রুরা সকাল বেলা বা বিকাল বেলা তোমাদের উপর আক্রমণ করবে, তাহলে তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে না? আর তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে পূর্বে যেমনটা অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল, সে হিসাবেই উত্তর দিয়েছে, হ্যাঁ। অর্থাৎ তারা তার উক্ত কথায় তাকে সত্যায়ন করেছে। নেতাকেও এমন গুণেই সজ্জিত হতে হবে। যেন তার শত্রু-মিত্র সকলেই তাকে সত্যবাদী বলে বিশ্বাস করে। শত্রুরাও কখনো তার থেকে মিথ্যা দেখতে না পায় এবং বন্ধুরাও না।

ফলে তার কথা নির্দ্বিধায় সত্য; মিথ্যার লেশ মাত্র নেই। অতএব সততা হল নববী চরিত্রের একটি মহান বৈশিষ্ট্য। এটি এমন একটি ভিত্তি, যা তাকওয়াকে অবশ্যম্ভাবী করে। সুতরাং যে-ই আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যের জন্য কাজ করে, তার জন্য এ বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্টমণ্ডিত হওয়া অত্যাবশ্যক।

قَالَ اللَّهُ هَذَا يَوْمُ يَنفَعُ الصَّادِقِينَ صِدْقُهُمْ لَهُمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا رَّضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ ذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ.
“আল্লাহ বলবেন, এটা সেই দিন, যেদিন সত্যবাদীদেরকে তাদের সততা উপকৃত করবে। তাদের জন্য রয়েছে এমন সব উদ্যান, যার তলদেশে নহর প্রবাহমান। তাতে তারা সর্বদা থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটাই মহাসাফল্য।” [সুরা মায়িদা- ১১৯]

রাসূলুল্লাহ তাঁর সাহাবীদেরকে সততার প্রতি উৎসাহ দিতেন।
ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলূল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ বলেন-
عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ صِدِّيقًا، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا.

"তোমরা সততাকে আঁকড়ে ধর। কেননা সততা নেক কাজের পথ দেখায় আর নেক কাজ জান্নাতের পথ দেখায়। বান্দা সত্য বলতে থাকে এবং সত্যকে অন্বেষণ করতে থাকে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সিদ্দীক হিসাবে তার নাম লিখিত হয়। আর তোমরা মিথ্যা থেকে বেঁচে থাক। কারণ মিথ্যা পাপাচারের পথ দেখায়। আর পাপাচার জাহান্নামের পথ দেখায়। বান্দা মিথ্যা বলতে থাকে এবং মিথ্যা অন্বেষণ করতে থাকে। অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম কায্যাব (মিথ্যাবাদী) হিসাবে লিখিত হয়।" [সহিহ মুসলিম- ২৬০৭]

পরিশেষে সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।
সমাপ্ত

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তোমাদের মাঝে নবুওয়াত থাকবে, যতদিন আল্লাহ চান তা থাকুক। অতঃপর যখন আল্লাহ তা উঠিয়ে নিতে চাইবেন, তখন তা উঠিয়ে নিবেন। তারপর আসবে খেলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াহ। যতদিন আল্লাহ চান তা থাকুক, ততদিন তা থাকবে। অতঃপর যখন আল্লাহ তা উঠিয়ে নিতে চাইবেন, তখন উঠিয়ে নিবেন। তারপর আসবে কামড়ে থাকা রাজত্ব। যতদিন আল্লাহ চান তা থাকুক, ততদিন তা থাকবে। অতঃপর যখন তা উঠিয়ে নিতে চাইবেন, তখন উঠিয়ে নিবেন। তারপর আসবে স্বেচ্ছাচারি শাসন। অতঃপর যতদিন আল্লাহ চান তা থাকুক, ততদিন তা থাকবে। অতঃপর যখন আল্লাহ তা উঠিয়ে নিতে চাইবেন, তখন উঠিয়ে নিবেন। তারপর আবার আসবে খেলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াহ। এই বলে তিনি চুপ রইলেন।"
[মুসনাদে আহমাদ- ১৮৪০৬]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00