📄 জূহ্দই স্বস্তি
জনৈক দুনিয়াবির্মুখ সালাফ বলতেন, দুনিয়া বিমুখতা মন ও দেহের শক্তি। আর দুনিয়ার প্রতি আগ্রহ চিন্তা ও পেরেশানির উদ্বেগ ঘটায়।
📄 এ দুটি একত্রিত হয় না
বলা হয়ে থাকে– আল্লাহ তাআলা দাউদ আ. এর নিকট ওহী পাঠালেন: আমি অন্তরসমূহের ওপর হারাম করেছি যে, একই অন্তরে আমার ভালোবাসা আর দুনিয়ার ভালোবাসা একত্রিত হওয়াকে। হে দাউদ! তুমি যদি আমাকে ভালোবাস; তাহলে অন্তর থেকে দুনিয়ার ভালোবাসা দূর করে ফেল। কারণ, আমার ভালোবাসা আর দুনিয়ার ভালোবাসা এক অন্তরে থাকতে পারে না। হে দাউদ! যারা আমাকে ভালোবাসে, তারা সেই সময় আমার সামনে দাঁড়িয়ে তাহাজ্জুদ পড়ে, যখন অলস লোকেরা ঘুমিয়ে পড়ে এবং তারা নির্জনে আমাকে স্মরণ করে, যখন গাফেলরা বিতোর থাকে।
📄 দুনিয়ার বিবরণ
আলী রাযি. কে বলা হলো, আমাদের জন্য দুনিয়ার বর্ণনা তুলে ধরুন। তিনি বললেন, সংক্ষেপে না দীর্ঘ করব? তারা বলল, সংক্ষেপে। তিনি বললেন, দুনিয়ার হালালগুলোর হিসাব দিতে হবে আর হারামগুলোর জন্য আযাব হবে।
📄 জূহ্দের সুফল
১. আল্লাহর সাক্ষাতের প্রতি আগ্রহ।
২. দুনিয়ার সাথে সম্পৃক্ত না হওয়া এবং তার জন্য অনুতাপ না থাকা।
৩. নেতৃত্ব ও পদের লোভ থেকে মুসলিমদের সুরক্ষা।
৪. মানুষকে দেখানো ও খ্যাতি অর্জনের ফেতনা থেকে মুসলিমদের সুরক্ষা, যা আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ থেকে মন ফিরিয়ে রাখে।
৫. নারীদের ফেতনা থেকে সুরক্ষা।
৬. হারামে লিপ্ত হওয়া থেকে সুরক্ষা এবং এমন সন্দেহ ও সংশয়পূর্ণ জিনিস থেকে দূরে থাকতে সহায়ক; যা হারামে পৌঁছে দেয়।
৭. ফুযাইল ইবনুল ইয়ায় রহ. বলেন, তোমাদের কলবে কিছুতেই ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা দুনিয়াবিরাগী হবে।