📄 দুআর মধ্যে দৃঢ়তা থাকা এবং ইন-শাআল্লাহ’র সাথে সম্পৃক্ত না করার আবশ্যকতা
কারণ এটা কাঙ্ক্ষিত বিষয়টির গুরুত্ব না থাকা এবং আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশে দুর্বলতা বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ এমন বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে তাওফীক দান করুন! অথবা কাউকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন; যদি তিনি চান। অথ বা এরূপ বলা, আল্লাহ আমাদের হিদায়াতও দেবেন; যদি তিনি চান। বরং দৃঢ়ভাবে দুআ করবে, তাতে ইন-শাআ’ল্লাহ তথা যদি আল্লাহ চান, এরূপ শব্দ ব্যবহার করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন–
لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي إِنْ شِئْتَ وَلْيَعْزِمْ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ لَا مُكْرِهَ لَهُ
“তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি চাইলে আমার প্রতি রহম করুন, আপনি চাইলে আমাকে রিযিক দান করুন! বরং দৃঢ়ভাবে চাইবে। কারণ, তিনি তো যা নিজে ইচ্ছা করেন; তাই দেবেন। তাকে তো কেউ বাধ্যকারী নেই।”
টিকাঃ
৬৩. বুখারী, মুসলিম
কারণ এটা কাঙ্ক্ষিত বিষয়টির গুরুত্ব না থাকা এবং আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশে দুর্বলতা বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ এমন বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে তাওফীক দান করুন! অথবা কাউকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন; যদি তিনি চান। অথ বা এরূপ বলা, আল্লাহ আমাদের হিদায়াতও দেবেন; যদি তিনি চান। বরং দৃঢ়ভাবে দুআ করবে, তাতে ইন-শাআ’ল্লাহ তথা যদি আল্লাহ চান, এরূপ শব্দ ব্যবহার করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন–
لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي إِنْ شِئْتَ وَلْيَعْزِمْ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ لَا مُكْرِهَ لَهُ
“তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি চাইলে আমার প্রতি রহম করুন, আপনি চাইলে আমাকে রিযিক দান করুন! বরং দৃঢ়ভাবে চাইবে। কারণ, তিনি তো যা নিজে ইচ্ছা করেন; তাই দেবেন। তাকে তো কেউ বাধ্যকারী নেই।”
টিকাঃ
৬৩. বুখারী, মুসলিম
📄 যে বিষয়টি সকল ইবাদতের মাঝে পাওয়া যায়
আন্তরিক ও বাহ্যিক সকল আমলের ব্যাপারে কেউ চিন্তা করলে দেখবে, সবগুলোর মধ্যেই আল্লাহর প্রতি দীনতা প্রকাশ করার বিষয়টি রয়েছে। তাই এটি সকল ইবাদতের সমন্বয়ক। সুতরাং ইবাদতের মধ্যে বান্দার দীনতা প্রকাশের পরিমাণ অনুযায়ী তার প্রভাব পড়বে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তার জন্য উপকারী হবে। আপনি শুধু সর্ববৃহৎ কার্যগত ইবাদত– নামাজের মধ্যেই চিন্তা করুন। নামাজে বান্দা তার রবের সামনে শান্ত, ভীত-সন্ত্রস্ত, বিনয়ী ও অবনত মস্তকে দাঁড়িয়ে থাকে, সিজদার স্থানে দৃষ্টি রাখে। আর তা শুরু করে তাকবীরের মাধ্যমে যা আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করে। আর বান্দার দীনতার পরিচয় প্রমাণ করে।
আল্লাহর নিকট দীনতা প্রকাশ আল্লাহর প্রতি ঈমানকে শক্তিশালী করে।
আন্তরিক ও বাহ্যিক সকল আমলের ব্যাপারে কেউ চিন্তা করলে দেখবে, সবগুলোর মধ্যেই আল্লাহর প্রতি দীনতা প্রকাশ করার বিষয়টি রয়েছে। তাই এটি সকল ইবাদতের সমন্বয়ক। সুতরাং ইবাদতের মধ্যে বান্দার দীনতা প্রকাশের পরিমাণ অনুযায়ী তার প্রভাব পড়বে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তার জন্য উপকারী হবে। আপনি শুধু সর্ববৃহৎ কার্যগত ইবাদত– নামাজের মধ্যেই চিন্তা করুন। নামাজে বান্দা তার রবের সামনে শান্ত, ভীত-সন্ত্রস্ত, বিনয়ী ও অবনত মস্তকে দাঁড়িয়ে থাকে, সিজদার স্থানে দৃষ্টি রাখে। আর তা শুরু করে তাকবীরের মাধ্যমে যা আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করে। আর বান্দার দীনতার পরিচয় প্রমাণ করে।
আল্লাহর নিকট দীনতা প্রকাশ আল্লাহর প্রতি ঈমানকে শক্তিশালী করে।
📄 কীভাবে আল্লাহর সামনে দীনতা প্রকাশ করা যায়?
দীনতা প্রকাশ একটি উদ্দীপক। তা বান্দাকে সর্বদা তাকওয়া ও আল্লাহর আনুগত্যে নিয়োজিত থাকতে প্রেরণা যোগায়। আর এ দীনতা প্রকাশ কতগুলো জিনিসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
০১. সৃষ্টিকর্তার বড়ত্ব ও মহত্ত্ব উপলব্ধি করা: যখনই বান্দা আল্লাহর ব্যাপারে, আল্লাহর নাম ও গুণাবলির ব্যাপারে সর্বাধিক জানবে, তখন সে আল্লাহর সামনে সর্বাধিক দীনতা প্রকাশকারী ও বিনয়ী হবে।
০২. মাখলুকের দুর্বলতা ও অক্ষমতার উপলব্ধি: কেউ যখন নিজেকে পরিমাপ করতে পারবে এবং এবং বুঝতে পারবে যে– সে সম্মান, ক্ষমতা ও সম্পদে যে স্থানেই পৌঁছে যাক না কেন, প্রকৃতপক্ষে সে দুর্বল, অক্ষম, নিজের ভালো-মন্দ কিছুটি করার ক্ষমতা তার নেই। তখন সে নিজেকে ছোট মনে করবে, তার অহংকার শেষ হয়ে যাবে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নড়ু হয়ে পড়বে, তার মনিবের সমীপে দীনতা প্রকাশ এবং তার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা ও কাকুতি-মিনতি বৃদ্ধি পাবে।
দীনতা প্রকাশ একটি উদ্দীপক। তা বান্দাকে সর্বদা তাকওয়া ও আল্লাহর আনুগত্যে নিয়োজিত থাকতে প্রেরণা যোগায়। আর এ দীনতা প্রকাশ কতগুলো জিনিসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
০১. সৃষ্টিকর্তার বড়ত্ব ও মহত্ত্ব উপলব্ধি করা: যখনই বান্দা আল্লাহর ব্যাপারে, আল্লাহর নাম ও গুণাবলির ব্যাপারে সর্বাধিক জানবে, তখন সে আল্লাহর সামনে সর্বাধিক দীনতা প্রকাশকারী ও বিনয়ী হবে।
০২. মাখলুকের দুর্বলতা ও অক্ষমতার উপলব্ধি: কেউ যখন নিজেকে পরিমাপ করতে পারবে এবং এবং বুঝতে পারবে যে– সে সম্মান, ক্ষমতা ও সম্পদে যে স্থানেই পৌঁছে যাক না কেন, প্রকৃতপক্ষে সে দুর্বল, অক্ষম, নিজের ভালো-মন্দ কিছুটি করার ক্ষমতা তার নেই। তখন সে নিজেকে ছোট মনে করবে, তার অহংকার শেষ হয়ে যাবে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নড়ু হয়ে পড়বে, তার মনিবের সমীপে দীনতা প্রকাশ এবং তার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা ও কাকুতি-মিনতি বৃদ্ধি পাবে।
📄 আল্লাহ তাআলা’র কাছে মুখাপেক্ষী হওয়ার কিছু আলামত
১. পূর্ণ ভালোবাসা নিয়ে আল্লাহর সামনে চূড়ান্ত পরিণত নত হওয়া।
২. আল্লাহ ও তাঁর প্রিয়জনদের সাথে সম্পর্ক রাখা।
৩. সর্বদা ও সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির ও ইস্তিগফারে রত থাকা।
৪. নেক আমল কবুল না হওয়ার আশঙ্কায় থাকা।
৫. গোপনে-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করা।
৬. আল্লাহর আদেশ-নিষেধসমূহকে বড় মনে করা।
১. পূর্ণ ভালোবাসা নিয়ে আল্লাহর সামনে চূড়ান্ত পরিণত নত হওয়া।
২. আল্লাহ ও তাঁর প্রিয়জনদের সাথে সম্পর্ক রাখা।
৩. সর্বদা ও সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির ও ইস্তিগফারে রত থাকা।
৪. নেক আমল কবুল না হওয়ার আশঙ্কায় থাকা।
৫. গোপনে-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করা।
৬. আল্লাহর আদেশ-নিষেধসমূহকে বড় মনে করা।