📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 আল্লাহর নিকট উসীলা পেশ করার ক্ষেত্রে যে জিনিসটি সর্বোত্তম

📄 আল্লাহর নিকট উসীলা পেশ করার ক্ষেত্রে যে জিনিসটি সর্বোত্তম


বান্দা সর্বোত্তম যে জিনিসের দ্বারা আল্লাহর নিকট উসীলা পেশ করবে; তা হলো সর্বাবস্থায় তাঁর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করা, সকল কাজে দৃঢ়ভাবে সুন্নাহর অনুসরণ করা, হালাল পন্থায় রিযিক অন্বেষণ করা।

বান্দা সর্বোত্তম যে জিনিসের দ্বারা আল্লাহর নিকট উসীলা পেশ করবে; তা হলো সর্বাবস্থায় তাঁর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করা, সকল কাজে দৃঢ়ভাবে সুন্নাহর অনুসরণ করা, হালাল পন্থায় রিযিক অন্বেষণ করা।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 কীভাবে তুমি তোমার প্রয়োজন পূরণ করবে?

📄 কীভাবে তুমি তোমার প্রয়োজন পূরণ করবে?


ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন: যে ব্যর্থ হয়েছে সে কেবল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা এবং দুআ ও দীনতা প্রকাশে অবহেলা করার কারণেই ব্যর্থ হয়েছে। আর আল্লাহর ইচ্ছা ও সাহায্যে যে সফল হয়েছে, সে কেবল শোকর আদায়, সর্বান্তকরণে দুআ ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করার কারণেই সফল হয়েছে।
একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত:
ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, আমি শাইখুল ইসলাম রহ. কে দেখেছি– তিনি যখন বিভিন্ন মাসআলা বুঝতেন না বা কঠিন মনে করতেন, তখন দ্রুত তাওবা, ইস্তেগফার, আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা ও কাকুতি-মিনতি করতে চলে যেতেন। আল্লাহর নিকট সঠিক সিদ্ধান্ত কামনা করতেন এবং তাঁর রহমতের খাযানাসমূহ খোলার দুআ করতেন। অতঃপর অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর ওপর আল্লাহর অবারিত রহমত নাযিল হত। আল্লাহর সাহায্য একের পর এক এমনভাবে আসতে থাকত যে, তিনি কোনটা দিয়ে শুরু করবেন– এ ভাবনার সম্মুখীন হতেন।

ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন: যে ব্যর্থ হয়েছে সে কেবল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা এবং দুআ ও দীনতা প্রকাশে অবহেলা করার কারণেই ব্যর্থ হয়েছে। আর আল্লাহর ইচ্ছা ও সাহায্যে যে সফল হয়েছে, সে কেবল শোকর আদায়, সর্বান্তকরণে দুআ ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করার কারণেই সফল হয়েছে।
একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত:
ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, আমি শাইখুল ইসলাম রহ. কে দেখেছি– তিনি যখন বিভিন্ন মাসআলা বুঝতেন না বা কঠিন মনে করতেন, তখন দ্রুত তাওবা, ইস্তেগফার, আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা ও কাকুতি-মিনতি করতে চলে যেতেন। আল্লাহর নিকট সঠিক সিদ্ধান্ত কামনা করতেন এবং তাঁর রহমতের খাযানাসমূহ খোলার দুআ করতেন। অতঃপর অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর ওপর আল্লাহর অবারিত রহমত নাযিল হত। আল্লাহর সাহায্য একের পর এক এমনভাবে আসতে থাকত যে, তিনি কোনটা দিয়ে শুরু করবেন– এ ভাবনার সম্মুখীন হতেন।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 আউযু বিল্লাহ বলার মধ্যেও দীনতার প্রকাশ রয়েছে

📄 আউযু বিল্লাহ বলার মধ্যেও দীনতার প্রকাশ রয়েছে


আউযু বিল্লাহ’র মধ্যে পরিপূর্ণ দীনতা, আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা, বান্দার জন্য তিনিই যথেষ্ট হওয়ার প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং বর্তমান-ভবিষ্যৎ, ছোট-বড়, মানব-অমানব সৃষ্ট সকল অনিষ্ট থেকে হেফাজতের ব্যাপারে আল্লাহই যথেষ্ট– এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর দলীল হলো, আল্লাহর বাণী–
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ . مِن شَرِّ مَا خَلَقَ . وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ . وَمِن شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ . وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
“পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে, বলুন, আমি প্রভাতের পালনকর্তার আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তাঁর অনিষ্ট হতে এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে, যখন তা ছেয়ে যায়। এবং গিরায় ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট হতে এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।”
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ . مَلِكِ النَّاسِ . إِلٰهِ النَّاسِ . مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ . الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ . مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
“পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে, বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি, সমস্ত মানুষের প্রতিপালকের। সমস্ত মানুষের অধিপতির। সমস্ত মানুষের উপাস্যের। সেই কুমন্ত্রণার অনিষ্ট হতে, যে পেছনে আত্মগোপন করে। যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। সে জিনদের মধ্য হতে হোক বা মানুষের মধ্য হতে।”

টিকাঃ
৬১. সূরা ফালাক: ১-৫
৬২. সূরা নাস: ১-৬

আউযু বিল্লাহ’র মধ্যে পরিপূর্ণ দীনতা, আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা, বান্দার জন্য তিনিই যথেষ্ট হওয়ার প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং বর্তমান-ভবিষ্যৎ, ছোট-বড়, মানব-অমানব সৃষ্ট সকল অনিষ্ট থেকে হেফাজতের ব্যাপারে আল্লাহই যথেষ্ট– এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর দলীল হলো, আল্লাহর বাণী–
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ . مِن شَرِّ مَا خَلَقَ . وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ . وَمِن شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ . وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
“পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে, বলুন, আমি প্রভাতের পালনকর্তার আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তাঁর অনিষ্ট হতে এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে, যখন তা ছেয়ে যায়। এবং গিরায় ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট হতে এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।”
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ . مَلِكِ النَّاسِ . إِلٰهِ النَّاسِ . مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ . الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ . مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
“পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে, বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি, সমস্ত মানুষের প্রতিপালকের। সমস্ত মানুষের অধিপতির। সমস্ত মানুষের উপাস্যের। সেই কুমন্ত্রণার অনিষ্ট হতে, যে পেছনে আত্মগোপন করে। যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। সে জিনদের মধ্য হতে হোক বা মানুষের মধ্য হতে।”

টিকাঃ
৬১. সূরা ফালাক: ১-৫
৬২. সূরা নাস: ১-৬

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 দুআর মধ্যে দৃঢ়তা থাকা এবং ইন-শাআল্লাহ’র সাথে সম্পৃক্ত না করার আবশ্যকতা

📄 দুআর মধ্যে দৃঢ়তা থাকা এবং ইন-শাআল্লাহ’র সাথে সম্পৃক্ত না করার আবশ্যকতা


কারণ এটা কাঙ্ক্ষিত বিষয়টির গুরুত্ব না থাকা এবং আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশে দুর্বলতা বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ এমন বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে তাওফীক দান করুন! অথবা কাউকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন; যদি তিনি চান। অথ বা এরূপ বলা, আল্লাহ আমাদের হিদায়াতও দেবেন; যদি তিনি চান। বরং দৃঢ়ভাবে দুআ করবে, তাতে ইন-শাআ’ল্লাহ তথা যদি আল্লাহ চান, এরূপ শব্দ ব্যবহার করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন–
لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي إِنْ شِئْتَ وَلْيَعْزِمْ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ لَا مُكْرِهَ لَهُ
“তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি চাইলে আমার প্রতি রহম করুন, আপনি চাইলে আমাকে রিযিক দান করুন! বরং দৃঢ়ভাবে চাইবে। কারণ, তিনি তো যা নিজে ইচ্ছা করেন; তাই দেবেন। তাকে তো কেউ বাধ্যকারী নেই।”

টিকাঃ
৬৩. বুখারী, মুসলিম

কারণ এটা কাঙ্ক্ষিত বিষয়টির গুরুত্ব না থাকা এবং আল্লাহর নিকট মুখাপেক্ষিতা প্রকাশে দুর্বলতা বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ এমন বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে তাওফীক দান করুন! অথবা কাউকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন; যদি তিনি চান। অথ বা এরূপ বলা, আল্লাহ আমাদের হিদায়াতও দেবেন; যদি তিনি চান। বরং দৃঢ়ভাবে দুআ করবে, তাতে ইন-শাআ’ল্লাহ তথা যদি আল্লাহ চান, এরূপ শব্দ ব্যবহার করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন–
لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي إِنْ شِئْتَ وَلْيَعْزِمْ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ لَا مُكْرِهَ لَهُ
“তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি চাইলে আমার প্রতি রহম করুন, আপনি চাইলে আমাকে রিযিক দান করুন! বরং দৃঢ়ভাবে চাইবে। কারণ, তিনি তো যা নিজে ইচ্ছা করেন; তাই দেবেন। তাকে তো কেউ বাধ্যকারী নেই।”

টিকাঃ
৬৩. বুখারী, মুসলিম

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00