📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 শহীদদের সর্ববৃহৎ মর্যাদা

📄 শহীদদের সর্ববৃহৎ মর্যাদা


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
مَا أَحَدٌ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يُحِبُّ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا وَلَهُ مَا عَلَى الْأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا الشَّهِيْدُ يَتَمَنَّى أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا فَيُقْتَلُ عَشْرَ مَرَّاتٍ؛ لِمَا يَرَى مِنَ الْكَرَامَةِ
“কেউ জান্নাতে প্রবেশ করে আর ফিরে আসতে চাইবে না; যদিও তাকে দুনিয়ার সবকিছু দেওয়া হয়, একমাত্র শহীদ ব্যতীত। শাহাদাতের মর্যাদা প্রত্যক্ষ করে সে কামনা করবে দুনিয়াতে ফিরে আসতে এবং অন্তত দশবার শাহাদাত বরণ করতে চাইবে।”

টিকাঃ
৩৩. সহীহ বুখারী: ২৮১৭; সহীহ মুসলিম: ১৮৮৯

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 জিহাদের মাঝে রয়েছে প্রকৃত জীবন

📄 জিহাদের মাঝে রয়েছে প্রকৃত জীবন


আল্লাহ তায়ালা বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ
“হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ডাকে সাড়া দাও, যখন তিনি তোমাদের সে কাজের প্রতি আহ্বান করেন, যা তোমাদের জীবন্ত করবে।”
ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, দুনিয়া, কবর ও আখিরাতে জীবনদানকারী সর্ববৃহৎ মাধ্যমটির অন্যতম হলো- জিহাদ।
দুনিয়ায় জীবন দান তথা শত্রুদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের শক্তি ও ক্ষমতা জিহাদের মাধ্যমেই লাভ হয়।
আর কবরে জীবন লাভের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন-
وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ
“যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাঁদের তোমরা মৃত ধারণা করো না; বরং তাঁরা জীবিত। তাঁরা তাঁদের রবের নিকট রিযকপ্রাপ্ত।”
আর আখিরাতে জীবন লাভের স্বরূপ হলো: পরকালের জীবনে আল্লাহর নেয়ামত প্রাপ্তি ও পুরস্কার অন্যজনের চেয়ে অনেক বেশি মহান ও মর্যাদাপূর্ণ হবে।

টিকাঃ
৩৪. সূরা আনফাল: ২৪
৩৫. সূরা আলে ইমরান: ১৬৯

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 মুজাহিদের মহাপ্রতিদান

📄 মুজাহিদের মহাপ্রতিদান


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
... فَإِنَّ مُقَامَ أَحَدِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَفْضَلُ مِن صَلَاتِهِ فِي بَيْتِهِ سَبْعِينَ عَامًا، أَلا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ ، وَيُدْخِلُكُمْ الْجَنَّةَ ؟ اغْزُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، مَنْ قَاتَلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فُوَاقَ نَاقَةٍ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ
“আরও আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে অবস্থান করা স্বীয় ঘরে ৭০ বছর নফল নামাজ পড়া থেকে উত্তম। তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করে দিন এবং জান্নাতে প্রবেশ করান? তা হলে আল্লাহর পথে জিহাদ কর। যে আল্লাহর পথে উষ্ট্রীর দুধ দোহন পরিমাণ সময় যুদ্ধ করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।”

টিকাঃ
৩৬. সুনানে তিরমিযী: ১৬৫০

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 জিহাদের সমতুল্য কোনো ইবাদত নেই

📄 জিহাদের সমতুল্য কোনো ইবাদত নেই


قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يَعْدِلُ الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ؟ قَالَ لاَ تَسْتَطِيعُونَ ؛ فَأَعَادُوا عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا كُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ لَا تَسْتَطِيعُونَ ثُمَّ قَالَ مَثَلُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ الصَّائِمِ الْقَائِمِ الْقَانِتِ بِآيَاتِ اللَّهِ لَا يَفْتُرُ مِنْ صِيَامٍ وَلاَ صَلاةٍ حَتَّى يَرْجِعَ الْمُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! জিহাদের সমতুল্য কি আছে? তিনি উত্তর দিলেন, তোমরা সেটা করতে পারবে না। এভাবে দু’বার কি তিনবার প্রশ্ন করা হলো। তিনিও প্রতিবারই বললেন, তোমরা সেটা করতে সক্ষম নও। তারপর তিনি বললেন- আল্লাহর পথে জিহাদকারীর উদাহরণ হলো, ধারাবাহিকভাবে রোজা পালনকারী ও রাত্রি জাগরণ করে নামাজে কুরআন তিলাওয়াতকারীর ন্যায়, যে তার রোজা ও নামাজে একটুও বিরতি দেয় না, যতক্ষণ না আল্লাহর পথের মুজাহিদ গৃহে ফিরে আসে।”

টিকাঃ
৩৭. সহীহ বুখারী: সহীহ মুসলিম

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00