📄 আল্লাহর প্রতি সুধারণার তাৎপর্য
তা হচ্ছে আল্লাহর প্রতি এমন ধারণা পোষণ করা, যা তার জন্য উপযুক্ত এবং এমন বিশ্বাস রাখা, যা তার মহত্ত্ব এবং উত্তম নামসমূহ ও সুউচ্চ গুণাবলির যথার্থতা অনুযায়ী হয়। যা মুমিনের জীবনে এমন প্রভাব সৃষ্টি করবে, আল্লাহ যাতে সন্তুষ্ট হন। আলী ইবনে আবী তালিব রাযি. বলেন, আল্লাহর প্রতি সুধারণা হলো– তুমি কেবলমাত্র আল্লাহর থেকেই আশা করবে, আর তোমার গুনাহের ব্যাপারে ভয় করবে।
📄 আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না
তোমার গুনাহ যেন তোমার কাছে এমন বিশাল মনে না হয় যে, সেটা তোমাকে আল্লাহর প্রতি সুধারণা করা থেকে ফিরিয়ে রাখে এবং তার রহমত থেকে নিরাশ করে। কারণ, যে স্বীয় রবকে এবং তার দয়া ও উদারতাকে জেনেছে, সে তার দয়া ও ক্ষমার সামনে নিজের গুনাহকে ছোটই মনে করবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন–
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
“বলুন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজ আত্মার ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।""
টিকাঃ
১৮. সূরা জুমার: ৫৩
📄 মৃত্যুর সময় সুধারণা রাখা
ইমাম ইশবিলী রহ. বলেন, মৃত্যুর সময় আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখা ওয়াজিব। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন–
لَا يَمُوتَنَّ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ يُحْسِنُ الظَّنَّ بِاللَّهِ
“তোমাদের কেউ যেন আল্লাহর ওপর সুধারণা পোষণ না করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ না করে।""
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. বলেন, যখন তোমরা দেখবে, কারও মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, তখন তাকে সুসংবাদ দেবে; যাতে সে স্বীয় রবের প্রতি সুধারণা রাখা অবস্থায় তার সাথে সাক্ষাৎ করে। আর যখন সে জীবিত থাকে, তখন তাকে তার রবের ব্যাপারে ভয় দেখাবে এবং তার কঠিন শাস্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।
টিকাঃ
১৯. সহীহ মুসলিম: ২৮৭৭
📄 আল্লাহর প্রতি সুধারণার একটি নিদর্শন
আল্লাহর ইবাদাতে কঠোর পরিশ্রম করা।