📄 কখন তুমি সত্যবাদিতা থেকে বঞ্চিত হবে?
সাহল আত-তাস্তারী রহ. বলেন, যে অনর্থক কথাবার্তা বলে, সে-ই সত্য থেকে বঞ্চিত হয়।
সর্বনিম্ন সত্যবাদিতা: কুশাইরী রহ. বলেন, সর্বনিম্ন সত্য হলো, ভেতর এবং বাহির এক রকম হওয়া।
সত্যই শ্রেষ্ঠ সহায়ক: শাইখুল ইসলাম রহ. বলেন, যার মাঝে আল্লাহ সত্য পেয়েছেন, তিনি তাকে সাহায্য করবেন।
সত্যবাদিতার কিছু নিদর্শন: বিপদাপদ এবং ইবাদাতও সবই গোপন রাখা এবং মানুষ এ ব্যাপারে অবগত হোক–এটাকে অপছন্দ করা।
সর্বাধিক উপকারী সত্যবাদিতা: আল্লাহর নিকট নিজের দোষ-ত্রুটি স্বীকার করা। আর সর্বাধিক উপকারী লজ্জা হলো, তুমি তার কাছে এমন কিছু প্রার্থনা করতে লজ্জাবোধ কর, যা তুমি ভালোবাস আর তিনি অপছন্দ করেন।
সুস্থ হিসাব: আবদে উম্মে রাবেয়া আশ-শামিয়া রহ. বলেন, আমার আল্লাহকেআল্লাহ বলার মাঝে সত্যবাদিতার কমতির কারণে আমি পুনরায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
📄 স্বপ্নে সত্যবাদিতার প্রতিক্রিয়া
শাইখুল ইসলাম রহ. বলেন, নেককারদের স্বপ্ন বেশির ভাগ সত্য হয়। কখনও তাতে এমন কিছুও ঘটে; যা ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন হয় না।
ইবনুল কাইয়িম রহ. বলেন, যে চায়, তার স্বপ্ন সত্য হোক; সে যেন সর্বদা সত্য বলে। এর প্রমাণ হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই হাদীস – إِنَّ اللَّهَ أَصْدَقُ الرَّاجِمٍ وَأَثْقَلُ الْكَلَامِ “তোমাদের মধ্যে তার স্বপ্ন সর্বাধিক সত্য, যে তার কথায় সর্বাধিক সত্যবাদী।""
টিকাঃ
১৭. সহীহ মুসলিম: ২২৬৩
📄 সত্য কথা কখনও কখনও কবীরা গুনাহকেও মিটিয়ে দেয়
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, কখন একটি নেক কাজের সাথে সত্যবাদিতা ও দৃঢ় বিশ্বাস যুক্ত থাকার কারণে তা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, তা অনেক কবীরা গুনাহকে মিটিয়ে দেয়।
📄 কীভাবে তুমি তোমার নামাজে সত্যনিষ্ঠ হবে?
ইবনুল কাইয়িম রহ. বলেন, সত্যনিষ্ঠতা ও কল্যাণকামিতার নিদর্শন হলো, নামাজে অন্তর আল্লাহর জন্য নিবিষ্ট থাকা। আল্লাহর প্রতি মনোযোগ ফেরানোর জন্য পূর্ণ চেষ্টা করা, স্বীয় অন্তরকে নামাজেই নিবদ্ধ রাখা এবং বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণভাবে সর্বোত্তম ও পূর্ণরূপে নামাজ আদায় করা। কারণ, নামাজের একটি প্রকাশ্য ও একটি ভেতরগত দিক আছে।