📄 মর্যাদার মানদণ্ড তাকওয়া
আল্লাহর নিকট মর্যাদার মানদণ্ড হলো তাকওয়া। আল্লাহ বলেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক তাকওয়াবান।”
আল্লামা সা’দী রহ. বলেন: আল্লাহর নিকট মর্যাদা তাকওয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। তাই মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাবান সে, যে সর্বাধিক তাকওয়াবান: তথা সর্বাধিক আনুগত্যকারী, গুনাহ থেকে দূরত্ব অবলম্বনকারী। অধিক আত্মীয়-স্বজন বা অধিক লোকবিশিষ্ট গোত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বাধিক মর্যাদাবান নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন, কে গোপন-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করে? আর কে শুধু প্রকাশ্যে ভয় করে, গোপনে ভয় করে না? তারপর তিনি প্রত্যেককে আপন আপন প্রাপ্য অনুযায়ী প্রতিদান দেবেন।
উপরোক্ত বিষয়টি বোঝার পর এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর আদেশসমূহ পালন করা এবং নিষিদ্ধ বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাকা। সুতরাং মুত্তাকী তারাই, আল্লাহ যাদের সেই কাজে দেখতে পান, যে কাজের জন্য তিনি তাঁদের আদেশ করেছেন। আর যে কাজ থেকে তিনি বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা সে কাজের দিকে অগ্রসর হয় না।
টিকাঃ
১২. সূরা হুজুরাত: ১৩
আল্লাহর নিকট মর্যাদার মানদণ্ড হলো তাকওয়া। আল্লাহ বলেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক তাকওয়াবান।”
আল্লামা সা’দী রহ. বলেন: আল্লাহর নিকট মর্যাদা তাকওয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। তাই মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাবান সে, যে সর্বাধিক তাকওয়াবান: তথা সর্বাধিক আনুগত্যকারী, গুনাহ থেকে দূরত্ব অবলম্বনকারী। অধিক আত্মীয়-স্বজন বা অধিক লোকবিশিষ্ট গোত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বাধিক মর্যাদাবান নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন, কে গোপন-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করে? আর কে শুধু প্রকাশ্যে ভয় করে, গোপনে ভয় করে না? তারপর তিনি প্রত্যেককে আপন আপন প্রাপ্য অনুযায়ী প্রতিদান দেবেন।
উপরোক্ত বিষয়টি বোঝার পর এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর আদেশসমূহ পালন করা এবং নিষিদ্ধ বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাকা। সুতরাং মুত্তাকী তারাই, আল্লাহ যাদের সেই কাজে দেখতে পান, যে কাজের জন্য তিনি তাঁদের আদেশ করেছেন। আর যে কাজ থেকে তিনি বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা সে কাজের দিকে অগ্রসর হয় না।
টিকাঃ
১২. সূরা হুজুরাত: ১৩
📄 তাকওয়া এবং স্বপ্নে তার প্রতিক্রিয়া
হিশাম ইবনে হাসসান রহ. বলেন, ইবনে সীরীন রহ. কে শত শত স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হতো। এর উত্তরে তিনি কেবল এ কথাই বলতেন যে, আল্লাহকে ভয় করো। জাগ্রত অবস্থায় ভালো কাজ করো। কারণ, তুমি স্বপ্নে যা দেখছ, তা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না।
হিশাম ইবনে হাসসান রহ. বলেন, ইবনে সীরীন রহ. কে শত শত স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হতো। এর উত্তরে তিনি কেবল এ কথাই বলতেন যে, আল্লাহকে ভয় করো। জাগ্রত অবস্থায় ভালো কাজ করো। কারণ, তুমি স্বপ্নে যা দেখছ, তা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না।
📄 আল্লাহকে ভয় কর
হযরত লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, হে বৎস! আল্লাহকে ভয় কর। আর শোন! সম্মান কুড়ানো মানুষের দেখাতে যাবে না যে, তুমি মুত্তাকী হয়ে গেছ। অথচ প্রকৃত অর্থে, তুমি এক পাপিষ্ঠ আত্মাই রয়ে গেছ।
জা’ফর রহ. বলেন, আল্লাহকে ভয় কর। দীনের ব্যাপারে তোমার নিজস্ব খেয়াল মতো যুক্তি খাটিও না। কারণ, সর্বপ্রথম যুক্তি খাটিয়েছে ইবলিস। আল্লাহ যখন আদমকে সিজদা করতে আদেশ করলেন, তখন সে বলেছিল-
أَنَا خَيْرٌ مِنْهُ خَلَقْتَنِي مِنْ نَارٍ وَخَلَقْتَهُ مِنْ طِينٍ
“আমি তো তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা।”
ইমাম সুদ্দী রহ. আল্লাহর এ বাণীর ব্যাপারে বলেন-
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ
“মুমিন তো তারাই যাদের সামনে আল্লাহর কথা স্মরণ করা হলে তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে ওঠে।”
অর্থাৎ এমন ব্যক্তি, যে জুলুম করতে ইচ্ছা করে অথবা গুনাহ করতে ইচ্ছা করে, তখন তাকে বলা হয়- আল্লাহকে ভয় করো! তখন তার অন্তর কেঁপে ওঠে।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি.-এর কাছে দুজন ব্যক্তি মাঝে মাঝে কিছু বস্ত্র বিক্রয় করত। তাদের একজন বেশি বেশি শপথ করত। সে একদিন কিছু বিক্রয় করতে আসলে তখন বারবার শপথ করছিল। এরই মাঝে এক ব্যক্তি তাদের এ অবস্থা দেখে বিক্রেতাকে বলল, আল্লাহকে ভয় করো। অধিক শপথ তোমার রিজিক বৃদ্ধি করবে না, আর কসম না করলেও তোমার রিজিক হ্রাস পাবে না।
ইমাম আবু হানীফা রহ.কে বলা হলো, আল্লাহকে ভয় করুন। তখন তাঁর শরীর কেঁপে উঠল। তার চেহারা মলিন হয়ে গেল। তিনি মাথা নিচু করে ফেললেন। বললেন, আল্লাহ তো আমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
টিকাঃ
১৩. সূরা আ’রাফ: ১২
১৪. সূরা আনফাল: ০২
হযরত লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, হে বৎস! আল্লাহকে ভয় কর। আর শোন! সম্মান কুড়ানো মানুষের দেখাতে যাবে না যে, তুমি মুত্তাকী হয়ে গেছ। অথচ প্রকৃত অর্থে, তুমি এক পাপিষ্ঠ আত্মাই রয়ে গেছ।
জা’ফর রহ. বলেন, আল্লাহকে ভয় কর। দীনের ব্যাপারে তোমার নিজস্ব খেয়াল মতো যুক্তি খাটিও না। কারণ, সর্বপ্রথম যুক্তি খাটিয়েছে ইবলিস। আল্লাহ যখন আদমকে সিজদা করতে আদেশ করলেন, তখন সে বলেছিল-
أَنَا خَيْرٌ مِنْهُ خَلَقْتَنِي مِنْ نَارٍ وَخَلَقْتَهُ مِنْ طِينٍ
“আমি তো তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা।”
ইমাম সুদ্দী রহ. আল্লাহর এ বাণীর ব্যাপারে বলেন-
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ
“মুমিন তো তারাই যাদের সামনে আল্লাহর কথা স্মরণ করা হলে তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে ওঠে।”
অর্থাৎ এমন ব্যক্তি, যে জুলুম করতে ইচ্ছা করে অথবা গুনাহ করতে ইচ্ছা করে, তখন তাকে বলা হয়- আল্লাহকে ভয় করো! তখন তার অন্তর কেঁপে ওঠে।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি.-এর কাছে দুজন ব্যক্তি মাঝে মাঝে কিছু বস্ত্র বিক্রয় করত। তাদের একজন বেশি বেশি শপথ করত। সে একদিন কিছু বিক্রয় করতে আসলে তখন বারবার শপথ করছিল। এরই মাঝে এক ব্যক্তি তাদের এ অবস্থা দেখে বিক্রেতাকে বলল, আল্লাহকে ভয় করো। অধিক শপথ তোমার রিজিক বৃদ্ধি করবে না, আর কসম না করলেও তোমার রিজিক হ্রাস পাবে না।
ইমাম আবু হানীফা রহ.কে বলা হলো, আল্লাহকে ভয় করুন। তখন তাঁর শরীর কেঁপে উঠল। তার চেহারা মলিন হয়ে গেল। তিনি মাথা নিচু করে ফেললেন। বললেন, আল্লাহ তো আমাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
টিকাঃ
১৩. সূরা আ’রাফ: ১২
১৪. সূরা আনফাল: ০২