📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 মুত্তাকীদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য

📄 মুত্তাকীদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য


তারা নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য উপস্থাপন করার পূর্বে স্বতাকে স্বীকার করে নেয়, জেনে নেয় এবং তা আদায় করে নেয়। আর বাতিলকে প্রত্যাখ্যান করে, তা থেকে বেঁচে থাকে এবং সেই মহান রব আল্লাহকে ভয় করে; যাঁর নিকট কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকে না।
তারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমল করে। কিতাব যা কিছুকে হারাম করেছে, তাকে হারাম বলে এবং যা হালাল করেছে, তাকে হালাল বলে। যারা আমানতের খেয়ানত করে না, পিতামাতার অবাধ্যতা করে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে না, প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না, স্বীয় মুসলিম ভাইদের মারধর করে না। যারা তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তারা তাদের সাথে সম্পর্ক জুড়ে রাখে।
যারা তাদের বঞ্চিত করে, তারা তাদের দান করে। যারা তাদের প্রতি জুলুম করে, তারা তাদের ক্ষমা করে দেয়।
তাদের থেকে সর্বদা কল্যাণের প্রত্যাশা করা হয়। তাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার অকল্যাণ আসবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যায়। তারা মিথ্যা বলে না, গীবত, কপটতা, চোগলখুরী কিংবা হিংসা করে না। লোক দেখানো কোনো কিছু করে না, মানুষকে সন্দেহে ফেলে না, মানুষের ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে না।
রবকে না দেখেই সত্যিকার অর্থেই তাঁকে ভয় করে এবং কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ অবস্থার ব্যাপারেও শঙ্কিত থাকে।

তারা নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য উপস্থাপন করার পূর্বে স্বতাকে স্বীকার করে নেয়, জেনে নেয় এবং তা আদায় করে নেয়। আর বাতিলকে প্রত্যাখ্যান করে, তা থেকে বেঁচে থাকে এবং সেই মহান রব আল্লাহকে ভয় করে; যাঁর নিকট কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকে না।
তারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমল করে। কিতাব যা কিছুকে হারাম করেছে, তাকে হারাম বলে এবং যা হালাল করেছে, তাকে হালাল বলে। যারা আমানতের খেয়ানত করে না, পিতামাতার অবাধ্যতা করে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে না, প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না, স্বীয় মুসলিম ভাইদের মারধর করে না। যারা তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তারা তাদের সাথে সম্পর্ক জুড়ে রাখে।
যারা তাদের বঞ্চিত করে, তারা তাদের দান করে। যারা তাদের প্রতি জুলুম করে, তারা তাদের ক্ষমা করে দেয়।
তাদের থেকে সর্বদা কল্যাণের প্রত্যাশা করা হয়। তাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার অকল্যাণ আসবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যায়। তারা মিথ্যা বলে না, গীবত, কপটতা, চোগলখুরী কিংবা হিংসা করে না। লোক দেখানো কোনো কিছু করে না, মানুষকে সন্দেহে ফেলে না, মানুষের ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে না।
রবকে না দেখেই সত্যিকার অর্থেই তাঁকে ভয় করে এবং কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ অবস্থার ব্যাপারেও শঙ্কিত থাকে।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 তাকওয়ার মর্মবাণী

📄 তাকওয়ার মর্মবাণী


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
لَا تَبْلُغُ الْعَبْدُ أَنْ يَكُونَ مِنَ الْمُتَّقِينَ حَتَّى يَدَعَ مَالَا بَأْسَ بِهِ حَذَرًا لِمَا بِهِ بَأْسٌ
“বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকী হতে পারবে না; যতক্ষণ না সে সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য তন্দ্রাভীতি ভাবীকারী সমস্যাহীন বস্তুগুলোকে পরিত‍্যাগ করবে।”

টিকাঃ
১০. সুনানে তিরমিযী: ২৪৫৮; সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২১৫

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
لَا تَبْلُغُ الْعَبْدُ أَنْ يَكُونَ مِنَ الْمُتَّقِينَ حَتَّى يَدَعَ مَالَا بَأْسَ بِهِ حَذَرًا لِمَا بِهِ بَأْسٌ
“বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকী হতে পারবে না; যতক্ষণ না সে সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য তন্দ্রাভীতি ভাবীকারী সমস্যাহীন বস্তুগুলোকে পরিত‍্যাগ করবে।”

টিকাঃ
১০. সুনানে তিরমিযী: ২৪৫৮; সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২১৫

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 মর্যাদার মানদণ্ড তাকওয়া

📄 মর্যাদার মানদণ্ড তাকওয়া


আল্লাহর নিকট মর্যাদার মানদণ্ড হলো তাকওয়া। আল্লাহ বলেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক তাকওয়াবান।”
আল্লামা সা’দী রহ. বলেন: আল্লাহর নিকট মর্যাদা তাকওয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। তাই মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাবান সে, যে সর্বাধিক তাকওয়াবান: তথা সর্বাধিক আনুগত্যকারী, গুনাহ থেকে দূরত্ব অবলম্বনকারী। অধিক আত্মীয়-স্বজন বা অধিক লোকবিশিষ্ট গোত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বাধিক মর্যাদাবান নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন, কে গোপন-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করে? আর কে শুধু প্রকাশ্যে ভয় করে, গোপনে ভয় করে না? তারপর তিনি প্রত্যেককে আপন আপন প্রাপ্য অনুযায়ী প্রতিদান দেবেন।
উপরোক্ত বিষয়টি বোঝার পর এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর আদেশসমূহ পালন করা এবং নিষিদ্ধ বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাকা। সুতরাং মুত্তাকী তারাই, আল্লাহ যাদের সেই কাজে দেখতে পান, যে কাজের জন্য তিনি তাঁদের আদেশ করেছেন। আর যে কাজ থেকে তিনি বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা সে কাজের দিকে অগ্রসর হয় না।

টিকাঃ
১২. সূরা হুজুরাত: ১৩

আল্লাহর নিকট মর্যাদার মানদণ্ড হলো তাকওয়া। আল্লাহ বলেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক তাকওয়াবান।”
আল্লামা সা’দী রহ. বলেন: আল্লাহর নিকট মর্যাদা তাকওয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। তাই মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাবান সে, যে সর্বাধিক তাকওয়াবান: তথা সর্বাধিক আনুগত্যকারী, গুনাহ থেকে দূরত্ব অবলম্বনকারী। অধিক আত্মীয়-স্বজন বা অধিক লোকবিশিষ্ট গোত্রের অধিকারী ব্যক্তি সর্বাধিক মর্যাদাবান নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন, কে গোপন-প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করে? আর কে শুধু প্রকাশ্যে ভয় করে, গোপনে ভয় করে না? তারপর তিনি প্রত্যেককে আপন আপন প্রাপ্য অনুযায়ী প্রতিদান দেবেন।
উপরোক্ত বিষয়টি বোঝার পর এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর আদেশসমূহ পালন করা এবং নিষিদ্ধ বিষয়াদি থেকে বেঁচে থাকা। সুতরাং মুত্তাকী তারাই, আল্লাহ যাদের সেই কাজে দেখতে পান, যে কাজের জন্য তিনি তাঁদের আদেশ করেছেন। আর যে কাজ থেকে তিনি বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা সে কাজের দিকে অগ্রসর হয় না।

টিকাঃ
১২. সূরা হুজুরাত: ১৩

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা > 📄 তাকওয়া এবং স্বপ্নে তার প্রতিক্রিয়া

📄 তাকওয়া এবং স্বপ্নে তার প্রতিক্রিয়া


হিশাম ইবনে হাসসান রহ. বলেন, ইবনে সীরীন রহ. কে শত শত স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হতো। এর উত্তরে তিনি কেবল এ কথাই বলতেন যে, আল্লাহকে ভয় করো। জাগ্রত অবস্থায় ভালো কাজ করো। কারণ, তুমি স্বপ্নে যা দেখছ, তা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না।

হিশাম ইবনে হাসসান রহ. বলেন, ইবনে সীরীন রহ. কে শত শত স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হতো। এর উত্তরে তিনি কেবল এ কথাই বলতেন যে, আল্লাহকে ভয় করো। জাগ্রত অবস্থায় ভালো কাজ করো। কারণ, তুমি স্বপ্নে যা দেখছ, তা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00