📄 তাকওয়ার স্থান
ইবনে রজব রহ. বলেন, তাকওয়া বা পাপাচরের মূল উৎস হলো অন্তর। তাইই যখন অন্তর নেক ও তাকওয়াবান হয়ে যায়, তখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও নেককার হয়ে যায়। আর যখন অন্তর পাপাচারী হয়, তখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও পাপাচারী হয়ে যায়।
ইবনে রজব রহ. বলেন, তাকওয়া বা পাপাচরের মূল উৎস হলো অন্তর। তাইই যখন অন্তর নেক ও তাকওয়াবান হয়ে যায়, তখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও নেককার হয়ে যায়। আর যখন অন্তর পাপাচারী হয়, তখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও পাপাচারী হয়ে যায়।
📄 তাকওয়া কী?
আবু হুরায়রা রাযি. কে প্রশ্ন করা হলো, তিনি বললেন, তুমি কি কখনও কণ্টকময় ভূমি অতিক্রম করেছ? লোকটি বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তখন তুমি কী কর? লোকটি বলল, আমি তার থেকে আত্মরক্ষা করি। তখন তিনি বললেন, ঠিক এভাবে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হচ্ছে তাকওয়া।
আবু হুরায়রা রাযি. কে প্রশ্ন করা হলো, তিনি বললেন, তুমি কি কখনও কণ্টকময় ভূমি অতিক্রম করেছ? লোকটি বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তখন তুমি কী কর? লোকটি বলল, আমি তার থেকে আত্মরক্ষা করি। তখন তিনি বললেন, ঠিক এভাবে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হচ্ছে তাকওয়া।
📄 বেশি আমল, আবার বেশি গুনাহ
জনৈক লোক ইবনে আব্বাস রাযি. কে বলল, কোন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়; যে কম আমল করে এবং কম গুনাহ করে, নাকি যে বেশি গুনাহ করে এবং বেশি আমল করে? তিনি বললেন, আমি কোনো কিছুকে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সমতুল্য মনে করি না।
জনৈক লোক ইবনে আব্বাস রাযি. কে বলল, কোন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়; যে কম আমল করে এবং কম গুনাহ করে, নাকি যে বেশি গুনাহ করে এবং বেশি আমল করে? তিনি বললেন, আমি কোনো কিছুকে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সমতুল্য মনে করি না।
📄 মুত্তাকীদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য
তারা নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য উপস্থাপন করার পূর্বে স্বতাকে স্বীকার করে নেয়, জেনে নেয় এবং তা আদায় করে নেয়। আর বাতিলকে প্রত্যাখ্যান করে, তা থেকে বেঁচে থাকে এবং সেই মহান রব আল্লাহকে ভয় করে; যাঁর নিকট কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকে না।
তারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমল করে। কিতাব যা কিছুকে হারাম করেছে, তাকে হারাম বলে এবং যা হালাল করেছে, তাকে হালাল বলে। যারা আমানতের খেয়ানত করে না, পিতামাতার অবাধ্যতা করে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে না, প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না, স্বীয় মুসলিম ভাইদের মারধর করে না। যারা তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তারা তাদের সাথে সম্পর্ক জুড়ে রাখে।
যারা তাদের বঞ্চিত করে, তারা তাদের দান করে। যারা তাদের প্রতি জুলুম করে, তারা তাদের ক্ষমা করে দেয়।
তাদের থেকে সর্বদা কল্যাণের প্রত্যাশা করা হয়। তাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার অকল্যাণ আসবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যায়। তারা মিথ্যা বলে না, গীবত, কপটতা, চোগলখুরী কিংবা হিংসা করে না। লোক দেখানো কোনো কিছু করে না, মানুষকে সন্দেহে ফেলে না, মানুষের ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে না।
রবকে না দেখেই সত্যিকার অর্থেই তাঁকে ভয় করে এবং কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ অবস্থার ব্যাপারেও শঙ্কিত থাকে।
তারা নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য উপস্থাপন করার পূর্বে স্বতাকে স্বীকার করে নেয়, জেনে নেয় এবং তা আদায় করে নেয়। আর বাতিলকে প্রত্যাখ্যান করে, তা থেকে বেঁচে থাকে এবং সেই মহান রব আল্লাহকে ভয় করে; যাঁর নিকট কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকে না।
তারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমল করে। কিতাব যা কিছুকে হারাম করেছে, তাকে হারাম বলে এবং যা হালাল করেছে, তাকে হালাল বলে। যারা আমানতের খেয়ানত করে না, পিতামাতার অবাধ্যতা করে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে না, প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না, স্বীয় মুসলিম ভাইদের মারধর করে না। যারা তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তারা তাদের সাথে সম্পর্ক জুড়ে রাখে।
যারা তাদের বঞ্চিত করে, তারা তাদের দান করে। যারা তাদের প্রতি জুলুম করে, তারা তাদের ক্ষমা করে দেয়।
তাদের থেকে সর্বদা কল্যাণের প্রত্যাশা করা হয়। তাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার অকল্যাণ আসবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যায়। তারা মিথ্যা বলে না, গীবত, কপটতা, চোগলখুরী কিংবা হিংসা করে না। লোক দেখানো কোনো কিছু করে না, মানুষকে সন্দেহে ফেলে না, মানুষের ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে না।
রবকে না দেখেই সত্যিকার অর্থেই তাঁকে ভয় করে এবং কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ অবস্থার ব্যাপারেও শঙ্কিত থাকে।