📘 যেমন ছিলেন তাঁরা 📄 নামাজের প্রাণ

📄 নামাজের প্রাণ


খুশু হলো, নামাজের প্রাণ এবং তার সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য। তাই খুশুহীন নামাজ হলো, প্রাণহীন দেহের ন্যায়। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব রহ. এক ব্যক্তিকে নামাজের মধ্যে অযথা কাজে লিপ্ত হতে দেখে বললেন, এই লোকের কলব বিনয়ী হলে, তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও বিনয়ী হতো।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা 📄 মুনাফেকী (কপটতাপূর্ণ) বিনয়

📄 মুনাফেকী (কপটতাপূর্ণ) বিনয়


আবু ইয়াহইয়া রহ. থেকে বর্ণিত, তাঁর নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, আবু দারদা রাযি. অথবা আবু হুরায়রা রাযি. বলেন, তোমরা কপটতাপূর্ণ বিনয় থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা কর। জিজ্ঞেস করা হলো, সেটা কেমন? তিনি উত্তর দিলেন, শরীর বিনয়াবনত হতে দেখা গেলেও অন্তর বিনয়ী না হওয়াই হলো, নিফাকপূর্ণ বিনয়।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা 📄 কীভাবে আমরা খুশু অবলম্বনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারব?

📄 কীভাবে আমরা খুশু অবলম্বনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারব?


প্রথমতঃ: তুমি নামাজে তোমার ওঠা-বসা, কিরাত পাঠ, দাঁড়ানো, বসা সবকিছুতে ‘আল্লাহ তোমাকে দেখছেন’ এ কথা মনে রাখবে। খুশু শুধু নামাজের সাথে নির্দিষ্ট নয়। এটি একটি অন্তরের ইবাদত, প্রতিটি অবস্থায় এর প্রভাব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রকাশ পায়।
দ্বিতীয়তঃ: রবের পরিচয় পরিপূর্ণভাবে জানা। কেননা, তা অন্তরে রবের মহত্ত্ব সৃষ্টি করবে।
তৃতীয়তঃ: তুমি মনে করবে ও একথা ভাববে যে, তুমি জাহান্নামের ওপর ‘পুলসিরাত’-এ আছ; যেন তুমি তোমার চোখের সামনে জান্নাত ও জাহান্নام দেখছ, যেন তুমি আল্লাহর সামনে হিসাব দেওয়ার জন্য দণ্ডায়মান আছ।

📘 যেমন ছিলেন তাঁরা 📄 ঈমানী খুশু ও কপটতাপূর্ণ খুশুর মাঝে পার্থক্য

📄 ঈমানী খুশু ও কপটতাপূর্ণ খুশুর মাঝে পার্থক্য


ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেন, ঈমানী খুশু হলো- আল্লাহর মহত্ত্ব, বড়ত্ব, গাম্ভীর্যতা, তাঁর প্রতি ভয় ও লজ্জায় অন্তর নত ও বিনয়ী হওয়া। মুমিনের অন্তরে যখন ভয়, অনুতাপ, ভালোবাসা ও লজ্জা থাকবে আর সে আল্লাহর নেয়ামতরাজি প্রত্যক্ষ করে এবং নিজ নিজ অপরাধকর্মের প্রতি লক্ষ করে আল্লাহর জন্য সিজদাবনত হবে, তখন তার অন্তর আবশ্যকীয়ভাবেই নত ও বিনয়ী হবে। আর এর ফলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও বিনয়ী হবে। পক্ষান্তরে কপটতাপূর্ণ বিনয় কৃত্রিমভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রকাশ পাবে বটে; কিন্তু অন্তর নত ও বিনয়ী হবে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية