📄 আল্লাহভীতির প্রকৃত অর্থ
হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং সন্দেহজনক বিষয় থেকে দূরে থাকা।
ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, আল্লাহভীতিকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেন, পরকালের জন্য যা কিছু ক্ষতিকর; সেগুলো পরিহার করার নামই তাকওয়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আল্লাহভীতি: « عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِتَمْرَةٍ مَسْقُوطَةٍ فَقَالَ: لَوْلَا أَنْ تَكُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ لَأَكَلْتُهَا আনাস রামি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন, একটি খেজুর পড়ে আছে। তখন তিনি বললেন, “যদি এটি সদকার খেজুর বলে সংশয় না থাকত; তবে আমি তা (উঠিয়ে) খেয়ে নিতাম।”
টিকাঃ
৩. সহীহ বুখারী: ২০৫৯; সহীহ মুসলিম: ১০৭১
📄 কীভাবে কারও আল্লাহভীতি বোঝা যাবে?
ইবনুল ইবনে উবাইদ রহ. বলেন, কোনো ব্যক্তির তাকওয়া বোঝা যায় তার কথা থেকে। যখন সে কথা বলে, তার কথার মাঝে তাকওয়া থাকা না থাকার বিষয়টি ফুটে ওঠে।
📄 সবচেয়ে কঠিন আমল
বিশর ইবনুল হারিস রহ. বলেন, সর্বাধিক কঠিন আমল হলো তিনটি: ১. অসচ্ছল অবস্থায় দান করা। ২. নির্জনে তাকওয়া অবলম্বন করা। ৩. এমন ব্যক্তির সামনে হক কথা বলা, যার থেকে আশা ও আশঙ্কা দুটোই করা হয়।
📄 তিনটি বিষয় ইলমের অন্তর্ভুক্ত
ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ রহ. বলেন, তিনটি বিষয় ইলমের অন্তর্ভুক্ত: ১. এমন আল্লাহভীতি, যা তাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখে। ২. এমন চরিত্র, যা মাধ্যমে সে মানুষের সাথে সদাচরণ করে। ৩. এমন সহনশীলতা, যার মাধ্যমে সে মূর্খের মূর্খতাতে প্রতিহত করে।