📄 সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত
সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদতের অন্যতম হলো, বান্দার অন্তর আনুগত্যের আগ্রহে কানায় কানায় ভরপুর থাকা। যখন অন্তর ইবাদতের আগ্রহে পরিপূর্ণ থাকবে, তখন অন্তরের অনুগত হয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও আমল করবে। অন্তরে ইবাদতের আগ্রহ না থাকলে, কখনো কখনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ইবাদত করতে থাকে; তবে অন্তর নিষ্কর্মই থাকে।
📄 সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদতের বর্ণনায় কতিপয় সালাফে সালেহীন
আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদতে উদাসীনতা প্রদর্শন করে থাক। আর তা হচ্ছে ‘তাওরাবু’ (বিনয়)।
হাসান বসরী রহ. বলেন, সর্বোত্তম ইবাদত হলো- গভীর রাতের নামাজ। এটা বান্দার জন্য আল্লাহর নৈকট্য লাভের নিকটতম পথ। আমি এর চেয়ে কঠিন ইবাদত আর কিছুই পাইনি।
উমর ইবনে আব্দুল আজীজ রহ. বলেন, সর্বোত্তম ইবাদত হলো- ফরয বিধানগুলো আদায় করা, হারামসমূহ থেকে বেঁচে থাকা।
ইবনুল সাম্মাক রহ. তাঁর ভাইয়ের উদ্দেশে লেখেন, সর্বোত্তম ইবাদত হলো- গুনাহ থেকে বিরত থাকা, কামনা-বাসনা নিয়ন্ত্রণ করা। আর সর্বনিকৃষ্ট লোভ হলো— আখিরাতের কাজের মাধ্যমে দুনিয়া অন্বেষণ করা।
জনৈক বুযুর্গ বলেন, ইবাদতের মূল হলো— আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্য কারও নিকট প্রয়োজনীয় কোনো কিছুই না চাওয়া।
📄 কীভাবে আল্লাহর দিকে অগ্রসর হবে?
ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, প্রাপ্ত নেয়ামতরাজির প্রতি মনোযোগ সহকারে দৃষ্টি দেওয়া ও নিজের ত্রুটি-বিচ্যুতি পর্যবেক্ষণ করার মাধ্যমে একজন বান্দা আল্লাহর দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
📄 আল্লাহ থেকে লজ্জা করা
ভয় ও একাগ্রতাহীন নামাজ দিয়ে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে বান্দার লজ্জাবোধ করা উচিত। কারণ, এ লজ্জাবোধ বান্দাকে ইবাদত নিপুণ করতে এবং ভয় ও একাগ্রতাপূর্ণ নামাজ দিয়ে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সাহায্য করে।