📄 চুরি করা
আল্লাহ তা'আলা এরশাদ করেন,
وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا جَزَاءً بِمَا كَسَبَا نَكَالاً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
'পুরুষ ও নারী চোর চুরি করলে তোমরা তাদের উভয়ের হাত কেটে দাও। এটা তাদের কৃতকর্মের ফল এবং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত আদর্শদণ্ড। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়' (মায়েদা ৩৮)।
চুরির মধ্যে মহাচুরি হ'ল, হজ্জ ও ওমরার উদ্দেশ্যে বায়তুল্লাহ শরীফে আগমনকারীদের দ্রব্যাদি চুরি করা। পৃথিবীর সর্বোত্তম স্থানে চুরি করা আল্লাহ্ বিধানের প্রতি চরমভাবে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন। এতে আল্লাহ্র বিধানকে থোড়াই কেয়ার করা হয়। এজন্য মহানবী (ছাঃ) সূর্য গ্রহণের ছালাতের ঘটনায় বলেছিলেন,
لَقَدْ جِيءَ بِالنَّارِ وَذَلِكُمْ حِينَ رَأَيْتُمُونِي تَأَخَّرْتُ مَخَافَةَ أَنْ يُصِيبَنِي مِنْ لَفْحِهَا وَحَتَّى رَأَيْتُ فِيهَا صَاحِبَ الْمِحْجَنِ يَجُرُّ قُصْبَهُ فِي النَّارِ، كَانَ يَسْرِقُ الْحَاجَ بِمِحْجَنِهِ فَإِنْ فُطِنَ لَهُ قَالَ إِنَّمَا تَعَلَّقَ بِمِحْجَنِي، وَإِنْ غُفِلَ عَنْهُ ذَهَبَ بِهِ-
'(আমার সামনে) জাহান্নামকে হাযির করা হয়। এটা সেই সময়ে হয়েছিল যখন তোমরা আমাকে পিছু হটতে দেখছিলে, আমি উহার লেলিহান শিখায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে পিছিয়ে আসছিলাম। এমনি সময় আমি উহার মধ্যে একজন বাঁকা মাথা বিশিষ্ট লাঠিওয়ালাকে দেখতে পেলাম, যে আগুনের মধ্যে তার পেট ধরে টানছে। সে বাঁকা মাথাবিশিষ্ট লাঠি দিয়ে হাজীদের জিনিসপত্র চুরি করত। ধরা পড়লে বলত, আমার লাঠির সাথে চলে এসেছিল বলে এমন হয়েছে। আর না ধরা পড়লে তা নিয়ে কেটে পড়ত'।৯০
সরকারী সম্পদ চুরি করাও বড় আকারের চুরির অন্তর্ভুক্ত। কিছু লোক এ জাতীয় চুরিতে অভ্যস্ত। তারা বলে থাকে, অন্যরা চুরি করে তাই আমরাও করি। অথচ তারা জানেনা, এতে সকল মুসলমান বা জনগণের সম্পদ চুরি করা হচ্ছে। আর যারা আল্লাহকে ভয় করে না তাদের কাজ কোন দলীল হতে পারে না; তাদের অনুকরণও করা যাবে না।
কেউ কেউ কাফিরদের সম্পদ এ যুক্তিতে চুরি করে যে, লোকটা কাফির, তার সম্পদ মুসলমানের জন্য মুবাহ। অথচ তাদের ধারণা ভ্রান্তিপূর্ণ। কেননা যে সকল কাফির মুসলমানদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত কেবল তাদের সম্পদ মুসলমানদের জন্য বৈধ। কাফিরদের সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
অন্য লোকের পকেট থেকে কিছু তুলে নেওয়া বা পকেটমারাও চুরি। অনেকেই কারো সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়ীতে যায় এবং চুরি করে আসে। অনেকে মেহমানদের ব্যাগ হাতড়িয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে নেয়। আবার অনেক চোর বিপণীবিতানগুলোতে প্রবেশ করে পকেট কিংবা থলিতে দু'একটা দ্রব্য তুলে নেয়। অনেক মহিলা আছে, যারা তাদের পরিধেয়ের মধ্যে অনেক কিছুই লুকিয়ে নিয়ে যায়। কেউ কেউ সামান্য কিংবা সস্তা কোন কিছু চুরি করাকে অপরাধ মনে করেন না। অথচ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
لَعَنَ اللهُ السَّارِقَ ، يَسْرِقُ الْبَيْضَةَ فَتُقْطَعُ يَدُهُ، وَيَسْرِقُ الْحَبْلَ فَتُقْطَعُ يَدُهُ -
'সে চোরের উপর আল্লাহ্র লা'নত, যে একটি ডিম চুরি করার ফলে তার হাত কাটা হয় এবং যে এক গাছি রশি চুরি করার ফলে তার হাত কাটা যায়'।৯১
যে যাই চুরি করুক না কেন আল্লাহ্র নিকটে তওবা করার সাথে সাথে তাকে ঐ চুরির দ্রব্য মালিকের নিকটে ফিরিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। চাই প্রকাশ্যে হৌক কিংবা গোপনে হৌক, সরাসরি হৌক কিংবা কারো মাধ্যমে হৌক। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরও যদি মালিক কিংবা তার ওয়ারিছদের খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে চুরির মাল মালিকের নামে দান করে দিতে হবে।
টিকাঃ
৯০. মুসলিম, মিশকাত হা/২৯৪২।
৯১. বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৩৫৯২।
📄 জমি আত্মসাৎ করা
যখন মানুষের মন থেকে আল্লাহভীতি উঠে যায় তখন তার শক্তি, বুদ্ধি সবই তার জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়। সে এগুলিকে নির্বিচারে যুলুম-নিপীড়নে ব্যবহার করে। যেমন শক্তির বলে অন্যের সম্পদ কুক্ষিগত করা। ভূমি জবরদখল এরই একটি অংশ। এর পরিণাম খুবই মারাত্মক। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
مَنْ أَخَذَ مِنَ الْأَرْضِ شَيْئًا بِغَيْرِ حَقِّهِ خُسِفَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى سَبْعِ أَرَضِينَ
'যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো জমির কিয়দংশ জবরদখল করবে, ক্বিয়ামত দিবসে এজন্য তাকে সপ্ত যমীন পর্যন্ত পুঁতে দেওয়া হবে'।৯২
ইয়ালা ইবনু মুররাহ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
أَيُّمَا رَجُلٍ ظَلَمَ شِبْراً مِنَ الأَرْضِ كَلَّفَهُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَحْفِرَهُ حَتَّى يَبْلُغَ آخِرَ سَبْعِ أَرَضِينَ ثُمَّ يُطَوَّقَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ-
'যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি জবরদখল করবে আল্লাহ তাকে যমীনের সপ্ত স্তর পর্যন্ত তা খনন করতে বাধ্য করবেন। অতঃপর ক্বিয়ামত দিবসে তা তার গলায় বেড়ী করে রাখা হবে, যে পর্যন্ত না মানুষের মাঝে বিচারকার্য শেষ হয়'।৯৩
জমির সীমানা বা আইল পরিবর্তন করাও এ হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে। এ সম্পর্কে নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, لَعَنَ اللَّهُ مَنْ غَيَّرَ مَنَارَ الْأَرْضِ 'যে ব্যক্তি জমির নিশানা বা আইল পরিবর্তন করে আল্লাহ তার উপর অভিসম্পাত করেন'।৯৪
টিকাঃ
৯২. বুখারী; মিশকাত হা/২৯৫৮।
৯৩. আহমাদ, মিশকাত হা/২৯৬০, সনদ ছহীহ।
৯৪. মুসলিম, মিশকাত হা/৪০৭০।
📄 ঘুষ
কারো হক বিনষ্ট করা কিংবা কোন অন্যায়কে কার্যকর করার জন্য বিচারক কিংবা শাসককে ঘুষ দেওয়া মারাত্মক অপরাধ। কেননা ঘুষের ফলে বিচারক প্রভাবিত হয়, হকদারের প্রতি অবিচার করা হয়, বিচার ও প্রশাসন ব্যবস্থায় ধস নেমে আসে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَلَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْباطِلِ وَتُدْلُوا بِهَا إِلَى الْحُكَّامِ لِتَأْكُلُوا فَرِيقًا مِنْ أَمْوَالِ النَّاسِ بِالْإِثْمِ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ
'তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ ভক্ষণ করো না এবং জেনে-বুঝে মানুষের সম্পদ হতে ভক্ষণের জন্য বিচারকদের দরবারে উহার আরযী পেশ করো না' (বাক্বারাহ ১৮৮)।
আবু হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, لَعَنَ اللَّهُ الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِىَ فِي الْحُكْمِ 'বিচার-ফায়ছালায় ঘুষ দাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়ের উপরে আল্লাহ তা'আলা লা'নত করেছেন'।৯৫
তবে যদি ঘুষ প্রদান ব্যতীত নিজের পাওনা বা অধিকার আদায় সম্ভব না হয় কিংবা ঘুষ না দিলে যুলুম-অত্যাচারের শিকার হতে হয় তবে ঐ অধিকার আদায় ও যুলুম নিরোধ কল্পে ঘুষ দিলে ঘুষদাতা উক্ত শাস্তির আওতায় পড়বে না।
বর্তমানে ঘুষের বিস্তার রীতিমত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমনকি অনেক চাকুরের নিকট মূল বেতনের চেয়ে তা রীতিমত আয়ের এক বড় উৎস। অনেক অফিস ও কোম্পানী নানা নামে-উপনামের ছদ্মাবরণে ঘুষকে আয়ের বাহানা বানিয়ে নিয়েছে। অনেক কাজই এখন ঘুষ ছাড়া শুরু ও শেষ হয় না। এতে গরীব ও অসহায়রা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক চুক্তি ও প্রতিশ্রুতি ঘুষের কারণে ভঙ্গ হয়ে যায়। ঘুষ না দিলে ভাল সার্ভিসের আশা করা বাতুলতা মাত্র। যে ঘুষ দিতে পারে না তার জন্য নিকৃষ্ট মানের সার্ভিস অপেক্ষা করে। হয়ত তাকে বারবার ঘুরানো হয়, নয়ত তার দরখাস্ত বা ফাইল একেবারে গায়েব করে দেওয়া হয়। আর যে ঘুষ দিতে পারে সে পরে এসেও ঘুষ দিতে অক্ষম ব্যক্তির নাকের ডগার উপর দিয়ে বহু আগেই কাজ সমাধা করে চলে যায়। অথচ ঘুষের কারণে যে অর্থ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার কথা ছিল তা তাদের হাতে না পৌঁছে বরং ঘুষখোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর পকেটস্থ হয়।
এসব নানাবিধ কারণে নবী করীম (ছাঃ) ঘুষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবার বিরুদ্ধে বদ দো'আ করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হতে বর্ণনা করেন, لَعْنَةُ اللهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِى ‘ঘুষদাতা ও গ্রহীতা উভয়ের উপর আল্লাহ্র লা'নত'।৯৬
টিকাঃ
৯৫. আহমাদ হা/৯০১১; ছহীহুল জামে' হা/৫০৯৩।
৯৬. ইবনু মাজাহ হা/২৩১৩; ছহীহুল জামে' হা/৫১১৪।
📄 সুফারিশের বিনিময়ে উপহার গ্রহণ
মানুষের মান-মর্যাদা ও পদাধিকার বান্দার উপর আল্লাহ্র অনুগ্রহরাজির অন্যতম। এই অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করা কর্তব্য। মুসলমানদের উপকারে তাদের পদ ও মর্যাদাকে কাজে লাগানো উক্ত শুকরিয়ারই অংশবিশেষ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يَنْفَعَ أَخَاهُ فَلْيَفْعَلْ 'তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার ভাইকে উপকার করতে সক্ষম, সে যেন তা করে'।৯৭
যে ব্যক্তি তার পদের মাধ্যমে কোন মুসলিম ভাইকে যুলুম থেকে রক্ষা করে কিংবা তার কোন কল্যাণ সাধন করে এবং তা করতে গিয়ে কোন হারাম উপায় অবলম্বন করে না বা কারো অধিকার ক্ষুণ্ণ করে না, সে ব্যক্তির নিয়ত বিশুদ্ধ হলে আল্লাহ্ নিকট সে পারিতোষিক পাওয়ার যোগ্য। যেমন নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, اشْفَعُوا تُؤْجَرُوا 'তোমরা সুফারিশ কর, বিনিময়ে তোমরা ছওয়াব পাবে'।৯৮
এই সুফারিশ ও মধ্যস্থতার জন্য কোন বিনিময় গ্রহণ করা জায়েয নয়। আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
مَنْ شَفَعَ لِأَخِيهِ بِشَفَاعَةٍ فَأَهْدَى لَهُ هَدِيَّةً عَلَيْهَا فَقَبِلَهَا فَقَدْ أَتَى بَابًا عَظِيمًا مِنْ أَبْوَابِ الرِّبَا
'সুফারিশ করার দরুন যে ব্যক্তি সুফারিশকারীকে উপহার দেয় এবং (তার থেকে) সে ঐ উপহার গ্রহণ করে তাহলে সে ব্যক্তি সূদের দ্বারদেশগুলোর মধ্য থেকে একটি বৃহৎ দ্বারে উপনীত হয়'।৯৯
এক শ্রেণীর মানুষ আর্থিক স্বার্থের বিনিময়ে তাদের পদমর্যাদাকে কাজে লাগাতে চায় বা মধ্যস্থতা করতে সম্মত হয়। যেমন- কোন একজন লোককে চাকরি দেওয়া অথবা কাউকে কোন প্রতিষ্ঠান বা এলাকা হতে অন্য প্রতিষ্ঠান বা এলাকায় বদলি করে দেওয়া, কিংবা কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে চিকিৎসা করে দেওয়া ইত্যাদির জন্য অর্থলাভের শর্ত আরোপ করে। কিন্তু এরূপ স্বার্থের জন্য শর্তারোপ ও তার সুযোগ গ্রহণ করা হারাম। উপরোক্ত হাদীছই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। বরং যে কোন কিছু গ্রহণ করাই এই হাদীছের বাহ্যিক দিকের আওতায় পড়ে, চাই পূর্বে কোন কিছুর শর্ত আরোপ না করা হৌক। আসলে ভাল কাজের কর্মীর জন্য আল্লাহ্ পারিতোষিকই যথেষ্ট, যা সে ক্বিয়ামত দিবসে পাবে।
জনৈক ব্যক্তি কোন এক প্রয়োজনে হাসান বিন সাহলের নিকট এসে তাঁর সুফারিশ প্রার্থনা করে। তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করে দেন। ফলে লোকটি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে লাগল। তখন হাসান বিন সাহল তাকে বললেন, 'কি জন্য তুমি আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছ? আমরা তো মনে করি পদেরও যাকাত আছে, যেমন অর্থ-সম্পদের যাকাত আছে'।১০০
এখানে এই পার্থক্যের দিকে ইঙ্গিত করা যথার্থ হবে যে, কোন কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যক্তি বিশেষকে পারিশ্রমিক দিয়ে নিযুক্ত করা এবং শর্ত সাপেক্ষে বৈধ মজুরী প্রদান শ্রেণীভুক্ত হবে। পক্ষান্তরে আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে নিজ পদমর্যাদা ও মধ্যস্থতাকে কাজে লাগিয়ে সুফারিশের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এটা নিষিদ্ধ। মূলতঃ উভয় প্রক্রিয়া এক নয়।
টিকাঃ
৯৭. মুসলিম; মিশকাত হা/৪৫২৯।
৯৮. বুখারী হা/২৪৩২; আবুদাঊদ হা/৫১৩২।
৯৯. আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৭৫৭।
১০০. ইবনু মুফলিহ, আল-আদাবুশ শার'ঈয়্যাহ ২/১৭৬ পৃঃ।