📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক ও ফাসিকদের সঙ্গে উঠাবসা করা

📄 খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক ও ফাসিকদের সঙ্গে উঠাবসা করা


দুর্বল ঈমানের অনেক মানুষই পাপাচারী ও দুস্কৃতিকারীদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় উঠাবসা করে। এমনকি আল্লাহ্র দ্বীন ও তার অনুসারীদের প্রতি যারা অহরহ ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে, তাদের সঙ্গেও তারা দহরম-মহরম সম্পর্ক রেখে চলে, তাদের মোসাহেবী করে। অথচ এ কাজ যে হারাম তাতে কোন সন্দেহ নেই। আল্লাহ তা'আলা এরশাদ করেন,
وَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِنَا فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ حَتَّى يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ وَإِمَّا يُنْسِيَنَّكَ الشَّيْطَانُ فَلَا تَقْعُدْ بَعْدَ الذِّكْرَى مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ -
'যখন আপনি তাদেরকে আমার কোন আয়াত বা বিধান সম্পর্কে উপহাসমূলক আলোচনায় মগ্ন দেখতে পান তখন আপনি তাদের থেকে সরে থাকুন, যে পর্যন্ত না তারা অন্য প্রসঙ্গে লিপ্ত হয়। আর যদি শয়তান আপনাকে ভুলিয়ে দেয়, তাহলে স্মরণে আসার পর যালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে আপনি আর বসবেন না' (আন'আম ৬৮)।
সুতরাং ফাসিক-মুনাফিকদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক যত গভীরই হৌক কিংবা তাদের সাথে সমাজ-সামাজিকতায় যতই মজা লাগুক এবং তাদের কণ্ঠ যতই মধুর হৌক তাদের সঙ্গে উঠাবসা করা বৈধ নয়।
হাঁ, যে ব্যক্তি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান করে, তাদের বাতিল আক্বীদার প্রতিবাদ করে কিংবা তাদেরকে অন্যায় থেকে নিষেধ করার জন্য তাদের নিকট গমনাগমন করে সে উক্ত নির্দেশের আওতাভুক্ত হবে না। স্বেচ্ছায়, খুশীমনে ও কোন কিছু না বলে নীরবে তাদের সাথে মিলতাল রাখাতেই সব গোল। অন্যত্র আল্লাহ তা'আলা বলেন,
فَإِنْ تَرْضَوْا عَنْهُمْ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَرْضَى عَنِ الْقَوْمِ الْفَاسِقِينَ
'যদি তোমরা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাক, তবে (জেনে রেখ) আল্লাহ ফাসিক বা দুষ্কৃতিকারী সম্প্রদায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নন' (তওবা ৯৬)।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 ছালাতে ধীরস্থিরতা পরিহার করা

📄 ছালাতে ধীরস্থিরতা পরিহার করা


সবচেয়ে বড় চুরি হচ্ছে ছালাতে চুরি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
أَسْوَأُ النَّاسِ سَرِقَةً الَّذِي يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ. قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ يَسْرِقُ مِنْ صَلَاتِهِ قَالَ : لَا يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَلَا سُجُودَهَا -
'সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সেই ব্যক্তি যে ছালাতে চুরি করে। ছাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে কিভাবে ছালাতে চুরি করে? তিনি বললেন, সে রুকু-সিজদা পরিপূর্ণভাবে করে না'।২৮
আজকাল অধিকাংশ মুছল্লীকে দেখা যায় যে তারা ছালাতে ধীরস্থির ভাব বজায় রাখে না। ধীরে-সুস্থে রুকু-সিজদা করে না। রুকু থেকে যখন মাথা তোলে তখন পিঠ সোজা করে দাঁড়ায় না এবং দু'সিজদার মাঝে পিঠ টান করে বসে না। খুব কম মসজিদই এমন পাওয়া যাবে যেখানে এ জাতীয় দু'চারজন পাওয়া যাবে না। অথচ ছালাতে ধীরস্থিরতা বজায় রাখা ছালাতের অন্যতম রুকন। স্বেচ্ছায় তা পরিহার করলে কোন মতেই ছালাত শুদ্ধ হবে না। সুতরাং বিষয়টি বেশ গুরুতর। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
لا تُجْزِئُ صَلَاةُ الرَّجُلِ حَتَّى يُقِيمَ ظَهْرَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
'কোন ব্যক্তি যে পর্যন্ত না রুকু-সিজদায় তার পৃষ্ঠদেশ সোজা করবে, সে পর্যন্ত তার ছালাত যথার্থ হবে না'।২৯
কাজটি যে অবৈধ এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। যে মুছল্লী এরূপ করে সে ভর্ৎসনার যোগ্য। আবু আব্দুল্লাহ আশ'আরী (রাঃ) বর্ণিত একটি হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা ছাহাবীদের সাথে ছালাত আদায়ের পর তাদের একটি দলের সাথে বসেছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে ছালাতে দাঁড়াল। সে রুকু করছিল আর সিজদায় গিয়ে ঠোকর মারছিল। তা দেখে নবী করীম (ছাঃ) বললেন, 'তোমরা কি এই লোকটিকে লক্ষ্য করেছ? এভাবে ছালাত আদায় করে কেউ যদি মারা যায়, তবে সে মুহাম্মাদের মিল্লাত থেকে খারিজ হয়ে মারা যাবে। কাক যেমন রক্তে ঠোকর মারে সে তেমনি করে তার ছালাতে ঠোকর মারছে। যে ব্যক্তি রুকু করে আর সিজদায় গিয়ে ঠোকর মারে তার দৃষ্টান্ত সেই ক্ষুধার্ত লোকের ন্যায়, যে একটি দু'টির বেশী খেজুর খেতে পায় না। দু'টি খেজুরে তার কতটুকু ক্ষুধা মিটাতে পারে?'।৩০

টিকাঃ
২৮. আহমাদ, মিশকাত হা/৮৮৫।
২৯. আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৯৭৮।
৩০. ছহীহ ইবনে খুযায়মা হা/৬৬৫; আলবানী, ছিফাতু ছালাতিন নাবী, পৃঃ ১৩১।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 ছালাতে অনর্থক কাজ ও বেশী বেশী নড়াচড়া করা

📄 ছালাতে অনর্থক কাজ ও বেশী বেশী নড়াচড়া করা


ছালাতে অনর্থক কাজ ও বেশী বেশী নড়াচড়া করা এমন এক আপদ, যা থেকে অনেক মুছল্লীই বাঁচতে পারে না। কারণ তারা আল্লাহ্ নিম্নোক্ত আদেশ প্রতিপালন করে না- وَقُومُوْا لِلَّهِ قَانِتِينَ ‘তোমরা আল্লাহ্ জন্য অনুগত হয়ে দাঁড়াও' (বাক্বারাহ ২৩৮)।
মহান আল্লাহ বলেন,
قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ
'নিশ্চয়ই সেই সকল মুমিন সফলকাম, যারা নিজেদের ছালাতে বিনীত থাকে' (মুমিনূন ১-২)।
কিন্তু উক্ত লোকেরা আল্লাহ্র এ বাণীর গূঢ়ার্থ বুঝে না। তাই ছালাতে আদবের পরিপন্থী অনেক কিছুই তারা করে থাকে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে সিজদার মধ্যে মাটি সমান করা যাবে কি-না জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেন,
لاَ تَمْسَحْ وَأَنْتَ تُصَلَّى فَإِنْ كُنْتَ لاَ بُدَّ فَاعِلاً فَوَاحِدَةً تَسْوِيَةَ الْحَصَى -
'ছালাত অবস্থায় তুমি কিছু মুছতে পারবে না। একান্তই যদি করতেই হয় তাহলে কংকরাদি একবার সমান করতে পারবে'।৩৩
আলেমগণ বলেছেন, ছালাতে নিষ্প্রয়োজনে বেশী মাত্রায় লাগাতারভাবে নড়াচড়া করলে ছালাত বাতিল হয়ে যাবে। সুতরাং যারা ছালাতে নিরর্থক খেলায় লিপ্ত হয় তাদের অবস্থা কেমন হতে পারে? তাদের তো দেখা যায়, তারা আল্লাহ্র সামনে দাঁড়িয়েছে। অথচ ঘড়ির সময় নিরীক্ষণ করছে কিংবা কাপড় সোজা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। অথবা আঙ্গুল দিয়ে নাক পরিষ্কার করছে। অনেকে আবার ছালাতে দাঁড়িয়ে ডানে-বামে অথবা উপরের দিকে তাকাতে থাকে। অথচ তাদের চোখ যে উপড়ে ফেলা হতে পারে কিংবা শয়তান ছালাতে তাদের মনোযোগ নষ্ট করে দিতে পারে, সে সম্পর্কে তাদের মনে কোনই উদ্বেগ নেই।৩৪

টিকাঃ
৩৩. আবুদাঊদ হা/৯৪৬; ছহীহুল জামে' হা/৭৪৫২।
৩৪. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৯৮২-৮৩, 'ছালাতে অসিদ্ধ ও সিদ্ধ কর্ম সমূহ' অনুচ্ছেদ-১৯।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 ছালাতে ইচ্ছাপূর্বক ইমামের আগে মুক্তাদীর গমন

📄 ছালাতে ইচ্ছাপূর্বক ইমামের আগে মুক্তাদীর গমন


যে কোন কাজে তাড়াহুড়া করা মানুষের জন্মগত স্বভাব। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, كَانَ الْإِنْسَانُ عَجُولًا 'মানুষ খুব দ্রুততা প্রিয়' (বণী ইসরাঈল ১১)। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, الْأَنَاةُ مِنَ اللهِ وَالْعَجَلَةُ مِنَ الشَّيْطَانِ ‘ধীরস্থিরতা আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আর তাড়াহুড়া শয়তানের পক্ষ থেকে'।৩৫
জামা'আতের মধ্যে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ডানে-বামে অনেক মুছল্লী ইমামের রুকু-সিজদায় যাওয়ার আগেই রুকু-সিজদায় চলে যাচ্ছে। এমনকি লক্ষ্য করলে নিজের মধ্যেও এই প্রবণতা দেখা যায়। উঠা-বসার তাকবীরগুলিতে তো এটা হরহামেশাই হতে দেখা যায়। এমনকি অনেকে ইমামের আগে সালামও ফিরিয়ে ফেলে। বিষয়টি অনেকের নিকটই গুরুত্ব পায় না। অথচ নবী করীম (ছাঃ) এজন্য কঠোর শাস্তির হুমকি শুনিয়েছেন। তিনি বলেন,
أَمَا يَخْشَى الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ -
'সাবধান! যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা তোলে তার কি ভয় হয় না যে, আল্লাহ তার মাথাটা গাধার মাথায় রূপান্তরিত করতে পারেন?'৩৬
একজন মুছল্লীকে যখন ধীরে-সুস্থে ছালাতে উপস্থিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং তাড়াতাড়ি বা দ্রুত পায়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে,৩৭ তখন স্বীয় ছালাত যে ধীরে-সুস্থে আদায় করতে হবে তাতে আর সন্দেহ কি? আবার কিছু লোকের নিকট ইমামের আগে গমন ও পিছনে পড়ে থাকার বিষয়টি তালগোল পাকিয়ে যায়। তাই মুজতাহিদগণ এজন্য একটি সুন্দর নিয়ম উল্লেখ করেছেন। তা হ'ল, ইমাম যখন তাকবীর শেষ করবেন মুক্তাদী তখন নড়াচড়া শুরু করবে। ইমাম 'আল্লাহু আকবার' এর ‘র' বর্ণ উচ্চারণ করা মাত্রই মুক্তাদী রুকু-সিজদায় যাওয়ার জন্য মাথা নীচু করা শুরু করবে। অনুরূপভাবে রুকূ হতে মাথা তোলার সময় ইমামের 'সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ'-এর 'হ' বর্ণ উচ্চারণ শেষ হলে মুক্তাদী মাথা তুলবে। এর আগেও করবে না, পরেও না। এভাবে সমস্যাটা দূর হয়ে যাবে।
ছাহাবীগণ যাতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর আগে চলে না যান সে বিষয়ে খুব সতর্ক ও সচেষ্ট থাকতেন। বারা বিন আযিব (রাঃ) বলেন, ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পিছনে ছালাত আদায় করতেন। যখন তিনি রুকু হতে মাথা তুলতেন তখন আমি এমন একজনকেও দেখিনি যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কপাল মাটিতে রাখার আগে তার পিঠ বাঁকা করেছে। তিনি সিজদায় গিয়ে সারলে তারা তখন সিজদায় লুটিয়ে পড়তেন।৩৮
নবী করীম (ছাঃ) যখন একটু বুড়িয়ে যান এবং তাঁর নড়াচড়ায় মন্থরতা দেখা দেয় তখন তিনি তাঁর পিছনের মুক্তাদীদের এই বলে সতর্ক করে দেন যে, يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي قَدْ بَدَّنْتُ فَلاَ تَسْبِقُونِي بِالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ ‘হে লোকসকল! আমি মোটাসোটা হয়ে গেছে। সুতরাং তোমরা রুকু-সিজদায় আমার আগে চলে যেও না'।৩৯
অপরদিকে ইমামকেও ছালাতের তাকবীরে সুন্নাত মুতাবেক আমল করা যরূরী। এ সম্পর্কে আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত একটি হাদীছে এসেছে,
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ يُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْكَعُ ..... ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَهْوِي ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَسْجُدُ ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ ، ثُمَّ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي الصَّلَاةِ كُلِّهَا حَتَّى يَقْضِيَهَا ، وَيُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ مِنَ الثَّنْتَيْنِ بَعْدَ الْجُلُوسِ -
‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন ছালাতে দাঁড়াতেন তখন শুরুতে তাকবীর বলতেন। তারপর যখন রুকুতে যেতেন তখন তাকবীর বলতেন। যখন সিজদায় যেতেন তখন তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন (দ্বিতীয়) সিজদায় যেতেন তখন তাকবীর বলতেন, সিজদা থেকে মাথা তুলতে তাকবীর বলতেন। এভাবে ছালাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকবীর বলতেন। আর দ্বিতীয় রাক'আতে বৈঠক শেষে দাঁড়ানোর সময়ও তাকবীর বলতেন'।৪০
সুতরাং এভাবে ইমাম যখন ছালাতে উঠা-বসার সঙ্গে তার তাকবীরকে সমন্বিত করে একই সাথে আদায় করবেন এবং মুক্তাদীগণও উল্লিখিত নিয়ম মেনে চলবে তখন সবারই জামা'আতের বিধান ঠিক হয়ে যাবে।

টিকাঃ
৩৫. তিরমিযী, মিশকাত হা/৫০৫৫; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৭৯৫।
৩৬. বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/১১৪১।
৩৭. বুখারী হা/৬৩৬, আহমাদ হা/১০৯০৬।
৩৮. মুসলিম হা/৪৭৪।
৩৯. বায়হাক্বী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৭২৫।
৪০. বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭৯৯।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00