📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 গায়রুল্লাহ্র নামে যবেহ করা

📄 গায়রুল্লাহ্র নামে যবেহ করা


আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে পশু যবেহ ও বলি দেয়া শিরকে আকবর বা বড় শিরক- এর অন্যতম। আল্লাহ বলেন, فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ 'আপনার প্রভুর উদ্দেশ্যে ছালাত আদায় করুন এবং যবেহ করুন' (কাওছার ২)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, لَعَنَ اللَّهُ مَنْ ذَبَحَ لِغَيْرِ الله যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে যবেহ করে তার উপর আল্লাহ্র লা'নত'।৮
যবেহ-এর সঙ্গে জড়িত হারাম দু'প্রকার। যথাঃ (১) আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে যবেহ করা। যেমন- দেবতার কৃপা লাভের জন্য (২) আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নাম নিয়ে যবেহ করা। উভয় প্রকার যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া হারাম।
জাহেলী আরবে জিনের উদ্দেশ্যে প্রাণী যবেহ-এর রেওয়ায ছিল, যা আজও বিভিন্ন আঙ্গিকে কোন কোন মুসলিম দেশে চালু আছে। সে সময়ে কেউ বাড়ী ক্রয় করলে কিংবা তৈরী করলে অথবা কূপ খনন করলে তাদের উপরে জিনের উপদ্রব হতে পারে ভেবে পূর্বাহ্নেই তারা সেখানে বা দরজার চৌকাঠের উপরে প্রাণী যবেহ করত। এরূপ যবেহ সম্পূর্ণরূপে হারাম।৯

টিকাঃ
৮. মুসলিম হা/১৯৭৮; মিশকাত হা/৪০৭০।
৯. আমাদের দেশে এক শ্রেণীর মানুষ সন্তান লাভ, রোগমুক্তি, মুশকিল আসান, মামলা-মোকদ্দমায় জয়লাভ কিংবা অন্যবিধ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য দরগা, মাযার ও কুদরতী মসজিদে (?) গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগী, চাউল, মিষ্টান্ন, টাকা-পয়সা প্রভৃতি দিয়ে থাকে। তারা বিশ্বাস করে যে, এসব জায়গায় এগুলি দেওয়ার ফলে দরগাহ ও মাযারের সাথে সংশ্লিষ্ট মৃত মহাজন বা কুদরতী মসজিদ তাদের সব সমস্যা দূর করে দেবে। এরূপ বিশ্বাস সরাসরি শিরক। দেবতার নামে নরবলী দেওয়ার প্রথাও নানা ধর্মে অতীতকাল থেকেই চালু আছে। কেউ তা করলে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত হবে- অনুবাদক।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল মনে করা

📄 হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল মনে করা


কোন কিছু হালাল কিংবা হারাম করার একচ্ছত্র মালিক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। কোন মানুষ আল্লাহ্র দেওয়া হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল করার অধিকার রাখে না। তবুও অনধিকার চর্চা বশে মানুষ কর্তৃক আল্লাহকৃত হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল করণের বহু দৃষ্টান্ত দেখা যায়। নিঃসন্দেহে এটি একটি হারাম কাজ। আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হালাল-হারাম করার অধিকার আছে বলে বিশ্বাস করাও শিরক। জাহেলী তথা অনৈসলামী আইন-কানুন দ্বারা পরিচালিত বিচারালয়ের নিকট সন্তুষ্ট চিত্তে, স্বেচ্ছায় ও বৈধ জ্ঞানে বিচার প্রার্থনা করা এবং এরূপ বিচার প্রার্থনার বৈধতা আছে বলে আক্বীদা পোষণ করা বড় শিরকের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে এই মারাত্মক শিরক প্রসঙ্গে বলেন,
اتَّخَذُوا أَحْبَرَاهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِّنْ دُوْنِ اللَّهِ -
'আল্লাহ্র পরিবর্তে তারা তাদের আলেম ও সাধু-দরবেশদেরকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে' (তওবা ৩১)।
আদী বিন হাতেম (রাঃ) আল্লাহ্ নবীকে এ আয়াত পাঠ করতে শুনে বলেছিলেন, إِنَّهُمْ لَمْ يَكُونُوا يَعْبُدُونَهُمْ ‘তারা তো তাদের ইবাদত করে না'। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছিলেন, وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا أَحَلُّوا لَهُمْ شَيْئًا اسْتَحَلُّوهُ وَإِذَا حَرَّمُوا عَلَيْهِمْ شَيْئًا حَرَّمُوهُ 'তা বটে। কিন্তু আল্লাহ যা হারাম করেছেন তারা ওদেরকে তা হালাল করে দিলে ওরা তা হালালই মনে করে। একইভাবে আল্লাহ যা হালাল করেছেন তারা ওদেরকে তা হারাম করে দিলে ওরা তা হারামই মনে করে। এটাই তাদের ইবাদত করা'।১০
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে মুশরিকদের আচরণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,
وَلَا يُحَرِّمُوْنَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُوْنَ دِينَ الْحَقِّ
'আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা হারাম করেছেন তারা তাকে হারাম গণ্য করে না এবং সত্য দ্বীনকে তাদের দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে না' (তওবা ২৯)।
অন্যত্র তিনি বলেন,
قُلْ أَرَأَيْتُمْ مَّا أَنْزَلَ اللهُ لَكُم مِّن رِّزْقٍ فَجَعَلْتُمْ مِّنْهُ حَرَاماً وَحَلالاً قُلْ اللَّهُ أَذِنَ لَكُمْ أَمْ عَلَى اللَّهِ تَفْتَرُونَ
'আপনি বলুন, আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে যে রূযী দান করেছেন, তন্মধ্যে তোমরা যে সেগুলির কতক হারাম ও কতক হালাল করে নিয়েছ, তা কি তোমরা ভেবে দেখেছ? আপনি বলুন, আল্লাহ কি তোমাদেরকে এতদ্বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন, নাকি তোমরা আল্লাহ্ নামে মনগড়া কথা বলছ' (ইউনুস ৫৯)।১১

টিকাঃ
১০. তিরমিযী হা/৩০৯৫, সনদ হাসান।
১১. অধুনা অনেক মুসলিম দেশে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, জাতীয়তাবাদ ইত্যাদি মানব রচিত মতবাদের স্বার্থে কুরআন-সুন্নাহকে সম্পূর্ণ পাশ কাটিয়ে আইন পরিষদে এমন সব আইন পাশ করা হচ্ছে, যার ফলে আল্লাহ্ দেয়া বহু হারাম হালাল হয়ে যাচ্ছে এবং বহু হালাল হারাম হয়ে যাচ্ছে। যেমন মদ- জুয়া, বেশ্যাবৃত্তি, লটারী, সূদ-ঘুষ ইত্যাদিকে লাইসেন্সের মাধ্যমে বৈধ করা হয়েছে। অথচ ইসলামে এগুলি কঠোরভাবে হারাম। অপরদিকে শরী'আহ মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা, ইসলামী ফৌজদারী ও দেওয়ানী আইন, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ ইত্যাদি হালাল ও যরূরী বিষয়কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সকল আইন প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনের অধিকাংশই মুসলিম বলে নিজেদেরকে দাবী করে। যাদের উপর এসব আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে তারাও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম। তারা কেউ ইসলাম বিরোধী এসব আইনের প্রতিবাদ করে না; বরং স্বাচ্ছন্দ্যে এগুলি গ্রহণ করে নিচ্ছে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে আমরা কি মুসলিম? -অনুবাদক।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 জাদু ও ভাগ্যগণনা

📄 জাদু ও ভাগ্যগণনা


জাদু ও ভাগ্যগণনা কুফর ও শিরকের পর্যায়ভুক্ত হারাম। জাদু তো পরিষ্কার কুফর এবং সাতটি ধ্বংসাত্মক কবীরা গুনাহ্র অন্যতম। জাদু শুধু ক্ষতিই করে, কোন উপকার করে না। জাদু শিক্ষা করা প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ 'তারা এমন জিনিস (জাদু) শিক্ষা করে, যা তাদের অপকারই করে, কোন উপকার করে না' (বাক্বারাহ ১০২)।
তিনি আরো বলেন, وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى 'জাদুকর যেভাবেই আসুক না কেন সে সফল হবে না' (ত্বোয়াহা ৬৯)।
জাদু চর্চাকারী কাফের। মহান আল্লাহ বলেন,
وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا أُنزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوتَ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ -
'সুলায়মান কুফরী করেননি। কিন্তু কুফরী করেছে শয়তানেরা। তারা মানুষকে শিক্ষা দেয় জাদু এবং বাবেলে হারূত-মারূত নামের দু'জন ফেরেশতার উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছিল তা। ঐ ফেরেশতাদ্বয় কাউকে একথা না বলে কিছু শিক্ষা দেয়নি যে, আমরা এক মহাপরীক্ষার জন্য। সুতরাং তুমি (জাদু শিখে) কুফরী করো না' (বাক্বারাহ ১০২)।
ইসলামী বিধানে জাদুকরকে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে। জাদুকরের উপার্জন অপবিত্র ও হারাম। জ্ঞানপাপী, অত্যাচারী ও দুর্বল ঈমানের লোকেরা অন্যের সঙ্গে শত্রুতা ও জিঘাংসা চরিতার্থ করার জন্য জাদুকরদের নিকটে যায়।
অনেকে আবার জাদুর ক্রিয়া দূর করার জন্য জাদুকরের শরণাপন্ন হয়। এজন্যে যাওয়াও হারাম। বরং তাদের উচিত ছিল আল্লাহ্র শরণাপন্ন হওয়া এবং আল্লাহ্র কালাম যেমন সূরা নাস, ফালাক্ব ইত্যাদি দিয়ে আরোগ্য লাভের চেষ্টা করা।
গণক ও ভবিষ্যদ্বক্তা উভয়েই আল্লাহ তা'আলাকে অস্বীকারকারী কাফিরদের দলভুক্ত। কারণ তারা উভয়েই গায়েব বা অদৃশ্যের কথা জানার দাবী করে। অথচ আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানে না।
অনেক সময় তারা সরলমনা লোকদের সম্পদ লুটে নেয়ার জন্য তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে ফেলে। এজন্য তারা বালুর উপর আঁকি-ঝুঁকি, চটা (বাটি বা থালা) চালান, হাতের তালুতে ফুঁক, চায়ের পেয়ালা, কাঁচের গুলী, আয়না ইত্যাদি উপকরণ ব্যবহার করে থাকে। এসব লোকের কথা একটা যদি সত্য হয় তো নিরানব্বইটাই হয় মিথ্যা। কিন্তু গাফিলরা এসব ধোঁকাবাজ-মিথ্যুকদের এক সত্যকেই হাযার সত্য গণ্য করে নিজেদের ভবিষ্যৎ ভাগ্য, বিয়ে-শাদী, ব্যবসা-বাণিজ্যের শুভাশুভ তাদের নিকট জানতে চায়। তারা হারানো জিনিস কোথায় কিভাবে পাওয়া যাবে তা জানার জন্য তাদের নিকটে ছুটে যায়। যারা তাদের কাছে গিয়ে তাদের কথা বিশ্বাস করে, তারা কাফের এবং ইসলাম থেকে বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
مَنْ أَتَى كَاهِناً أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ -
'যে ব্যক্তি গণক কিংবা ভবিষ্যদ্বক্তার নিকটে যায় এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করে, সে নিশ্চিতভাবেই মুহাম্মাদের উপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করে'।১২
যে ব্যক্তি তারা গায়েব জানে না বলে বিশ্বাস করে কিন্তু অভিজ্ঞতা কিংবা অনুরূপ কিছু অর্জনের জন্য তাদের নিকটে যায় সে কাফির হবে না বটে, তবে তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
'যে ব্যক্তি কোন ভবিষ্যদ্বক্তার নিকটে যায় এবং তাকে কিছু জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না'।১৩ তবে তাকে ছালাত অবশ্যই আদায় করতে হবে এবং বিশেষভাবে তওবা করতে হবে।

টিকাঃ
১২. আহমাদ হা/৯৫৩২; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩৩৮৭।
১৩. মুসলিম হা/২২৩০; মিশকাত হা/৪৫৯৫।

📘 যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে > 📄 রাশিফল ও মানব জীবনের উপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব সম্পর্কিত বিশ্বাস

📄 রাশিফল ও মানব জীবনের উপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব সম্পর্কিত বিশ্বাস


যায়েদ বিন খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হুদায়বিয়াতে এক রাতে আকাশে একটি চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়। সেদিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফজর ছালাত শেষে লোকদের দিকে ফিরে বসেন এবং বলেন, 'তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন তা কি তোমরা জান'? তারা বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, আল্লাহ বলেছেন, 'আমার কিছু বান্দা আমার উপর বিশ্বাসী হয়ে এবং কিছু বান্দা অবিশ্বাসী হয়ে ভোরে ওঠে। যারা বলে, আল্লাহ্র দয়া ও অনুগ্রহে বৃষ্টি হয়েছে তারা আমার প্রতি বিশ্বাসী ও গ্রহ-নক্ষত্রে অবিশ্বাসী। আর যারা বলে, অমুক অমুক গ্রহের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে তারা আমার প্রতি অবিশ্বাসী ও গ্রহ-নক্ষত্রে বিশ্বাসী'।১৪
গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ার কথা বিশ্বাস করা যেমন কুফরী, তেমনি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত রাশিফলের আশ্রয় নেওয়াও কুফরী। যে ব্যক্তি রাশিফলের উপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাবের কথা বিশ্বাস করবে, সে সরাসরি মুশরিক হয়ে যাবে। পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকে রাশিফলের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে সেগুলি পাঠ করা শিরক। তবে বিশ্বাস না করে কেবল মানসিক সান্ত্বনা অর্জনের জন্য পড়লে তাতে শিরক হবে না বটে, কিন্তু সে গোনাহগার হবে। কেননা শিরকী কোন কিছু পাঠ করে সান্ত্বনা লাভ করা বৈধ নয়। তাছাড়া শয়তান কর্তৃক তার মনে উক্ত বিশ্বাস জন্মিয়ে দিতে কতক্ষণ? তখন এ পড়াই তার শিরকের মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে।

টিকাঃ
১৪. বুখারী হা/৮৪৬; মিশকাত হা/৪৫৯৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00