📘 যে কেউ কোন জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে > 📄 প্রথমত: ধর্মের ক্ষেত্রে বিভিন্নতা।

📄 প্রথমত: ধর্মের ক্ষেত্রে বিভিন্নতা।


সর্বপ্রথম কাফিরদের সাথে সামঞ্জস্য বিধানের ব্যাপারে শরী'আতে স্পষ্টভাবে যে নিষেধাজ্ঞাসূচক বক্তব্য এসেছে, তা হলো দীনের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। আর এ ব্যাপারে কুরআন ও সুন্নাহয় অনেক বক্তব্য রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন: ﴿وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ﴾ [ال عمران: ১০৫] "আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০৫]

অনুরূপভাবে এ উম্মতের বিভক্তির ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বলেন: «افترقت اليهود على احدى وسبعين فرقة، وافترقت النصارى على اثنتين وسبعين فرقة، وتفترق هذه الأمة على ثلاث وسبعين فرقة»। “ইয়াহূদীরা একাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে, আর খ্রীষ্টানরা বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে আর এ উম্মাত বিভক্ত হবে তিহাত্তর দলে"। বস্তুত এ বিভক্তির ব্যাপারে কুরআন ও সুন্নাহর বক্তব্য নিষেধাজ্ঞামূলক ও সাবধানতাসূচক।

📘 যে কেউ কোন জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে > 📄 দ্বিতীয়ত: কবর উঁচু করা ও তার ওপর স্মৃতিসৌধ বানানো।

📄 দ্বিতীয়ত: কবর উঁচু করা ও তার ওপর স্মৃতিসৌধ বানানো।


কবর উঁচু করা, তার ওপর স্মৃতিসৌধ বানানো, তাকে মাসজিদ বানানো, ভাস্কর্য বানানো এবং ছবি উত্তোলন করা। আর এ বিষয়গুলো হাদীসের অনেক ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে; তার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:

ইমাম মুসলিম রহ. ও অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «أمرني رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ أَدَعَ قَبْرًا مُشْرِفًا إِلَّا سَوَّيْتُهُ, وَلَا تِمْثَالاً إِلَّا طَمَسْتُهُ »। “আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমি যাতে সকল উঁচু কবরকে ভেঙ্গে দেই এবং সকল ভাষ্কর্যকে বিলুপ্ত করি”।

ইবন 'আসেম রহ. সহীহ সনদে মু'আবিয়া রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «إن تسوية القبور من السنن وقد رفعت اليهود والنصارى فلا تتشبهوا بهم»। “কবরসমূহকে সমান করে দেওয়া সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত আর ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানরা কবরকে উঁচু করেছে। সুতরাং তোমরা তাদের অনুকরণ করো না”। অর্থাৎ তোমরা কবরের ওপর উঁচু ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে তাদের অনুকরণ করো না। আর এ দুর্যোগ অর্থাৎ কবরের ওপর উঁচু ভবন নির্মাণ করা অথবা প্রকৃত অর্থে কবরকে উঁচু করা হলো অন্যতম মহাদূর্যোগ, যার দ্বারা আজকের দিনে মুসলিমগণ তাদের অধিকাংশ অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছে; আর এটা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসেরই যথার্থ প্রতিধ্বনি, তিনি বলেছেন: «لتركَبُنَّ سَنَنَ من كان قبلكم»। “তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতি-নীতি পুরোপুরি অনুসরণ করবে"।

আর এ মহাদূর্যোগের অন্যতম আরেকটি দূর্যোগ হলো নবীদের কবরসমূহকে মসজিদ বানানো। তাঁদের কবরসমূহকে মসজিদ বানানোর অর্থ হলো, তার ওপর ভবন নির্মাণ করা, মসজিদ বানানো এবং এসব মসজিদে সালাত আদায় করা। অনুরূপভাবে সেটার অন্তর্ভুক্ত হবে, সৎকর্মশীলদের কবরের উপর ভবন নির্মাণ করা, অথবা মাসজিদসমূহে সৎকর্মশীলদের দাফন করা, যদিও তা নির্মাণ কাজের পরবর্তীতে হউক না কেন, এর প্রত্যেকটিই উক্ত নিষিদ্ধের আওতাভুক্ত হবে। অনুরূপভাবে সেটার অন্তর্ভুক্ত হবে, কবরের নিকট দো'আ করার উদ্দেশ্যে অথবা আল্লাহ ব্যতীত কবরবাসীকে ডাকার উদ্দেশ্য অথবা তার নৈকট্য অর্জনের উদ্দেশ্য ভ্রমণ করা। আর এ সকল কর্মকাণ্ডের সবই ইয়াহূদী ও খ্রিষ্টানদের কর্মকাণ্ড ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসব কাজ থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন।

ইমাম মুসলিম রহ. বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে বলেছেন: «إِنِّي أَبْرَأُ إِلَى اللَّهِ أَنْ يَكُونَ لِي مِنْكُمْ خَلِيلٌ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَدِ اتَّخَذَنِي خَلِيلاً كَمَا اتَّخَذَ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلاً وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا مِنْ أُمَّتِي خَلِيلاً لاَ تَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلিলًا أَلَا وَإِنَّ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَانُوا يَتَّخِذُونَ قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ وَصَالِحِيهِمْ مَسَاجِدَ أَلاَ فَلَا تَتَّخِذُوا الْقُبُورَ مَسَاجِدَ إِنِّي أَنْهَاكُمْ عَنْ ذَلِكَ !!»। “তোমাদের কেউ আমার খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হওয়া থেকে আমি আল্লাহর কাছে নিষ্কৃতি চেয়েছি। কারণ, আল্লাহ তা'আলা আমাকে তাঁর খলীলরূপে গ্রহণ করেছেন, যেমনিভাবে তিনি খলীলরূপে গ্রহণ করেছিলেন ইবরাহীম আলাইহিস সালামকে। আমি যদি আমার উম্মতের মধ্য থেকে কাউকে খলীলরূপে গ্রহণ করতাম, তবে আবু বকরকেই খলীলরূপে গ্রহণ করতাম। জেনে রাখ, তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের নবী ও সৎলোকদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান! তোমরা কবরগুলোকে মাসজিদ বানিও না। আমি তোমাদেরকে তা থেকে নিষেধ করছি"!!

আর সহীহ বুখারী ও মুসলিমে এসেছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «قاتل اللَّهُ الْيَهُودَ اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»। “আল্লাহ ইয়াহুদীদেরকে ধ্বংস করুন, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে”। সহীহ মুসলিমের ভাষায়: «لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ»। "ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের প্রতি আল্লাহ অভিশাপ বর্ষণ করুন, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।”

সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু 'আনহা ও আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু 'আনহুমা থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেন: «لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم (مرض موته) طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم بها كشفها عن وجهه وقال : وهو كذلك لعنة الله على اليهود والنصارى, اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد». يحذر ما صعنوا»। “যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত নিকটবর্তী হলো, তখন তিনি চাদর দিয়ে তাঁর চেহারা ঢাকতে লাগলেন। অতঃপর যখন তাঁর শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো, তখন তিনি তাঁর চেহারা থেকে তা সরিয়ে ফেললেন; আর তিনি অসুস্থতার এমন অবস্থায় বললেন: "ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের প্রতি আল্লাহ অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদে পরিণত করেছে। (এ বলে) তারা যে (বিদ'আতী) কার্যকলাপ করত, তা থেকে তিনি সতর্ক করলেন"।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু সালমা ও উম্মু হাবিবা রাদিয়াল্লাহু 'আনহুমার কাহিনীতে বলেন, যখন তাঁরা হাবশায় তাদের দেখা একটি গির্জার সৌন্দর্য বর্ণনা করলেন, যাতে বেশ কিছু ছবিও ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন: «أولئك قوم إذا مات فيهم العبد الصالح أو الرجل الصالح بنوا على قبره مسجدا، وصوروا فيه تلك الصور ، أولئك شرار الخلق عند الله عز وجل»। “এরা এমন সম্প্রদায় যে, এদের মধ্যে কোনো সৎ বান্দা অথবা বলেছেন কোনো সৎ লোক মারা গেলে তার কবরের উপর তারা মসজিদ বানিয়ে নিত আর তাতে ঐসব ব্যক্তির প্রতিচ্ছবি স্থাপন করত; এরা হলো আল্লাহ তা'আলার কাছে নিকৃষ্টতম সৃষ্টি”।

টিকাঃ
১৯ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৯৬৯।
২০ ইবন তাইমিয়্যাহ, ইকতিদাউস সিরাতিল মুসতাকীম: ১/৩৪২
২১ তার তথ্যসূত্র পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
২২ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৫৩২
২৩ সহীহ বুখারী ফাতহুল বারী, হাদীস নং- ৪৩৭
২৪ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৫৩০
২৫ সহীহ বুখারী ফাতহুল বারী, হাদীস নং- ৪৩৫, ৪৩৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৫৩১
২৬ সহীহ বুখারী/ফাতহুল বারী, হাদীস নং- ৪২৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৫২৮।

📘 যে কেউ কোন জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে > 📄 তৃতীয়ত: নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া।

📄 তৃতীয়ত: নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া।


মুসলিমগণ কাফেরদের সাথে যে বিষয়ে সবচেয়ে বড় ও বিপদজনক পর্যায়ে অনুসরণ-অনুকরণের মাধ্যমে সামঞ্জস্যতা বিধান করছে তা হলো, নারীদের মাধ্যমে ফেতনায় নিপতিত হওয়া। কেননা, এটা কাফিরদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নারীদের মাধ্যমে ফেতনায় নিপতিত হওয়া দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, তাদেরকে তাদের নির্দিষ্ট বলয় থেকে এবং তাদের পর্দা ও শালীনতা থেকে বের করা, যাতে তাদের প্রতি পুরুষগণ আকৃষ্ট হয়।

আর এসব বিষয়ে নারীদেরকে বিশেষভাবে গ্রহণ করার কারণ:
১. নারীগণ দুনিয়ার চাকচিক্যের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।
২. তারা এ ক্ষেত্রে অতিবেশি অনুসরণ, অনুকরণ ও অতিরঞ্জন প্রিয়।
৩. নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পুরুষকে প্রলুব্ধ করা ও তার জন্য সাজগোজ করার স্বভাব দিয়ে। আর পুরুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে শালীনতাবিহীন, পর্দাহীন সুসজ্জিতা নারীর প্রতি ঝুঁকে পড়ার স্বভাব দিয়ে।

আর আহলে কিতাব ও কাফিরদের বহু স্বভাব, চরিত্র ও উৎসবের অনুসরণ- অনুকরণ প্রথমেই নারীরা করে থাকে, অতঃপর শিশু ও সাদাসিধে বোকা লোকেরা করে থাকে। আর দুঃখের বিষয় যে, এ প্রবণতা অর্থাৎ নারীদের ফেতনায় নিপতিত হওয়া, এ যুগের মুসলিমগণের অধিকাংশ পুরুষ এতে জড়িয়ে পড়েছে। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন: «... فَاتَّقُوا الدُّنْيَا وَاتَّقُوا النِّسَاءَ فَإِنَّ أَوَّلَ فِتْنَةِ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَتْ فِي النِّسَاءِ »। "...সুতরাং তোমরা দুনিয়াকে ভয় কর, আর ভয় কর নারীদেরকে; কারণ, বনী ইসরাঈলের প্রথম ফিতনা সংঘটিত হয়েছিল নারীদেরকে নিয়ে"।

সুতরাং যখন নারীকে কিছু পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং যখন পুরুষগণ নারীদের প্রতি কোমল হবে, তখন তা যেন আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক নির্ধারিত সীমার মধ্যে হয়। কিন্তু যখন তারা শালীনতা ও পর্দার মূলনীতি থেকে সরে যাবে, তখন এটা হবে ফেতনা ও বিপর্যয়ের পথ। আর সাধারণত যখনই মুসলিম জাতি এ রকম বিপর্যয়ে জড়ি পড়বে তখনই তা তাদের দীন ও দুনিয়াকে ধ্বংস করবে এবং তাদের ওপর ফেতনা-ফাসাদ ভর করবে।

টিকাঃ
২৭ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৭৪২
২৮ নারীকে সম্মান করা একটি শরী'য়ত সম্মত বিষয় আর তাকে সম্মান করার অর্থ আল্লাহর অবাধ্য হয়ে তার আনুগত্য করা নয় এবং তার জন্য পুরুষ কর্তৃক তার পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া নয়, যেমনটি আল্লাহ তা'আলা নির্দেশ দিয়েছেন।

📘 যে কেউ কোন জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে > 📄 চতুর্থত: শুভ্র কেশে রং ব্যবহার না করা।

📄 চতুর্থত: শুভ্র কেশে রং ব্যবহার না করা।


কাফিরদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্ম হওয়ার কারণে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব বিষয়ে নিষেধ করেছেন, তন্মধ্যে অন্যতম একটি হলো ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানগণের অনুকরণার্থে শুভ্র কেশে রং ব্যবহার না করা। কারণ, সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে এসেছে, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «إِنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى لَا يَصْبُغُونَ فَخَالِفُوهُمْ »। “নিশ্চয় ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানগণ (দাঁড়ি ও চুলে) রং বা খেযাব লাগায় না। অতএব, তোমরা (রং বা খেযাব লাগিয়ে) তাদের বিপরীত কাজ কর”। তবে এ ক্ষেত্রে কালো রং পরিহার করতে হবে, যেমনটি (হাদীসের) অন্যান্য ভাষ্য থেকে জানা যায়।

টিকাঃ
২৯ সহীহ বুখারী/ফাতহুল বারী, হাদীস নং- ৩৪৬২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২১০৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00