📄 গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি এবং বিশ্বমানবতার মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকানোর বিষয়টি যে ভাবে জানা যায়
১. 'ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত এক ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরি' বইয়ের তথ্য:
হ্যামফের (Hampher) নামক ব্রিটিশ গোয়েন্দার একটি ডায়েরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের হাতে আসে। পরে এটি তুরস্কের 'হাকিকত কিতাবেভী' প্রকাশনী থেকে Confessions of a British Spy নামে প্রকাশিত হয়। ডায়েরির কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিম্নরূপ—
মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি বলেছিলেন, মুসলমানদের অধঃপতিত করে আমরা যে ফল খাচ্ছি তা পূর্বপুরুষেরা বপন করেছিল। মুসলমানদের মধ্যে উপদল সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমাকে মিশর, ইরাক ও ইস্তাম্বুলে প্রেরণ করা হয়। একটি জাতির মধ্যে উপদল সৃষ্টির সর্বোত্তম পন্থা হলো তাদের শিক্ষার ভিতরে ভুল ঢুকিয়ে দেয়া। আমি আহম্মদ ইফেন্দি নামক এক বৃদ্ধ পণ্ডিতের কাছে দুই বছরে সমগ্র কুরআন অধ্যয়ন শেষ করি। সেক্রেটারি জানান পরবর্তী মিশনে আমার কাজ হলো মুসলমানদের দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে বের করা এবং তাদের জোড়াগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া। গোয়েন্দারা ইসলামী বিশেষজ্ঞদের ধোঁকা দিয়ে বা নিজেরা বিশেষজ্ঞ সেজে ইসলামের শিক্ষায় ভুল ঢোকায়। তারা মুসলিমদের সাথে মিশে মাদরাসা খুলত এবং মাদরাসার সিলেবাস ও পাঠ্যবই দখল করত। সেখানে তারা অধ্যক্ষ, মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও মুফতি হিসেবে দায়িত্ব নিত।
২. দৈনিক ইনকিলাবে (০২.০৪.৯৮) প্রকাশিত 'বৃটেনের মাটির তলায় খ্রীস্টানদের গোপন মাদরাসা' প্রতিবেদন:
ভারতের নওয়াব ছাতারী বৃটেনে গিয়ে এক গোপন স্থাপনা দেখেন। সেখানে গভীর অরণ্যে এক অতিকায় প্রাসাদের ভেতর আরবী পোশাক পরিহিত ছাত্ররা মাদরাসার মতো কুরআন, বুখারী ও মুসলিম শরীফের সবক নিচ্ছে। তাদের শিক্ষক আরবী ও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে উত্তর দিচ্ছেন। কিন্তু তারা কেউই মুসলিম ছিল না, সবাই ছিল খৃস্টান মিশনারী। সেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করে তাদের মুসলিম বিশ্বে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা সেখানে গিয়ে মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মুহাদ্দিস বা মুফতি হিসেবে নিয়োগ পায়। যেহেতু তারা ইসলামী বিষয়ে পারদর্শী, তাই তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়। তারা কৌশলে ইসলামের জ্ঞানের মধ্যে ভুল ঢুকিয়ে বিভেদ এবং অনৈক্য সৃষ্টি করে।
৩. 'তথ্য সন্ত্রাসের কবলে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ' পুস্তিকায় উল্লিখিত তথ্য:
ইহুদী-খৃস্টান চক্র মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। সাবেক ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী মানাহেম বেগান মিশরের সিলেবাস থেকে এমন আয়াত বাদ দেওয়ার দাবি করেছিলেন যা ইসরাইলের নিন্দা করে। আমেরিকা শর্ত আরোপ করেছিল যে, যেসব মুসলিম দেশ তাদের শিক্ষা সিলেবাস পরিবর্তন করবে কেবল তাদেরকেই সাহায্য দেয়া হবে। ১৯৮১-২০০১ সাল পর্যন্ত কেবল শিক্ষা উন্নয়নের জন্য মিশরকে ১৮৫ মিলিয়ন ডলার সাহায্য দেয়া হয়। তেলআবিবে এক সেমিনারে ইসরাইলী নেতৃত্ব সরাসরি দাবি করে যে, ঐ সব মাদরাসা ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হোক যেখানে কুরআন পড়ানো হয়।
সারসংক্ষেপ:
* ইসলামের শত্রুরা হাজার হাজার গোয়েন্দাকে ইসলামী বিশেষজ্ঞের সান্নিধ্যে রেখে ইসলাম শিখিয়ে মুসলিম দেশে পাঠায়।
* গোপনে মাদরাসা বানিয়ে অমুসলিম শিশুদের গোয়েন্দা আলেম হিসেবে তৈরি করা হয়।
* এই গোয়েন্দা আলেমারা মুসলিম বিশ্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল, মুফাস্সির বা মুফতি হিসেবে চাকরি নেয়।
* তারা মুসলিম বিশেষজ্ঞদের ধোঁকা দিয়ে বা নিজেরা বিশেষজ্ঞ সেজে ভুল তথ্য তৈরি করে।
* এই ভুল তথ্যগুলো ফিকাহ শাস্ত্র ও মাদরাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে মুসলিম সমাজে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়।
* ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই এই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে এবং তা এখনও চলমান।
📄 ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত এক ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরী, বৃটেনের মাটির তলায় খৃস্টানদের গোপন মাদ্রাসার প্রতিবেদন এবং তথ্য সন্ত্রাসের কবলে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ পুস্তিকার সারসংক্ষেপ
* ইসলামের শত্রুরা, ইসলামের মূল শিক্ষায় ভুল ঢুকিয়ে মুসলমানদের ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার গোয়েন্দাকে মুসলিম বিশেষজ্ঞদের সান্নিধ্যে রেখে ইসলাম শেখার জন্য হিজাজ (মক্কা-মদিনা), মিশর, ইরাক, ইস্তাম্বুল ইত্যাদি মুসলিম দেশে পাঠায়।
* এরপর গোপনে মাদ্রাসা বানিয়ে অমুসলিম শিশুদেরকে, মুসলিম বিশেষজ্ঞদের সান্নিধ্যে থেকে ইসলাম শিখে আসা গোয়েন্দাদের দ্বারা শিক্ষা দিয়ে কুরআন, হাদীস ও শরীয়ায় পারদর্শী গোয়েন্দা আলিম তৈরী করে।
* অতঃপর গোয়েন্দারা আলিম হিসেবে মুসলিম দেশ, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল, শিক্ষক, মুফাস্সির, মুহাদ্দীস, মুফতি, মসজিদের খতিব, শিশুদের আরবী গৃহশিক্ষক প্রমুখ হিসেবে চাকরি নেয়।
* ঐ গোয়েন্দা আলিমরা মুসলিম দেশ, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশেষজ্ঞদের ধোঁকা দিয়ে কুরআন-হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করিয়ে বা নিজে বিশেষজ্ঞ সেজে ভুল ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে ভুল তথ্য তৈরি করে।
* গোয়েন্দা আলিমরা মুসলমানদের সাথে মিলেমেশে মাদ্রাসা তৈরি করে।
* অতঃপর তৈরি করা ভুল তথ্যগুলো বিভিন্নভাবে, বিশেষ করে ফিকাহ শাস্ত্র ও মাদ্রাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে মুসলিম সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচার ও গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ব্যবস্থা করে।
* ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই তারা এ কাজ শুরু করে এবং ঐ কাজ এখনো চলছে।
📄 ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরী, ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিবেদন এবং তথ্য সন্ত্রাসের কবলে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ পুস্তিকার অধিকাংশ বক্তব্য সত্য হওয়ার প্রমাণ
আল্লাহ তা'য়ালা ও রাসূলুল্লাহ (সা.) ভিন্ন অন্য কারো বক্তব্য অন্ধভাবে মেনে নেয়া সকল মুসলিমের জন্য শিরক অথবা কুফরীর গুনাহ। একজন মুসলিম যদি কোন ব্যক্তিকে এ কারণে মেনে নেয় যে— ব্যক্তিটি অত্যন্ত জ্ঞানী তাই তার সকল কথা নির্ভুল, তবে তার শিরকের গুনাহ হবে। কারণ, নির্ভুলতা শুধু আল্লাহর গুণ। আর একজন মুসলিম যদি কোন ব্যক্তিকে এ কারণে মেনে নেয় যে— ব্যক্তিটি অত্যন্ত জ্ঞানী পক্ষান্তরে তার নিজের ইসলামের কোন জ্ঞান নেই, তবে তার আল্লাহ প্রদত্ত একটি বড় নিয়ামত Common sense-কে অস্বীকার করার (কুফরীর) গুনাহ হবে। তথ্যগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের যে প্রমাণ পাওয়া গেছে তার কয়েকটি হলো:
প্রমাণ-১: মুসলিমদের সাথে মিলেমিশে গোয়েন্দাদের মাদ্রাসা তৈরি করা এবং মাদ্রাসার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো দখল করার প্রমাণ।
ঢাকা আলিয়া মাদরাসার প্রথম ২৬ জন প্রিন্সিপাল ছিল খৃস্টান। ১৮৫০ খৃঃ থেকে ১৯২৭ খৃঃ পর্যন্ত তারা ঐ পদে ছিল। ঐ প্রিন্সিপালদের নাম হলো:
১. ড. এ. স্প্রেংগার, ২. স্যার উইলিয়াম নাসসান লীজ, ৩. মিস্টার জে. স্ট্যাকলিপ, ৪. মিস্টার হেনরী ফার্ডিন্যান্ড ব্লকম্যান, ৫. মিস্টার এ. ই. গ্যাফ, ৬. ড. এ. এফ. আর হর্নেল, ৭. মিস্টার এইচ. প্রথেরো, ৮. ড. এ. এফ. আর হর্নেল, ৯. মিস্টার. এফ. জে. রৌ, ১০. ড. এ. এফ. আর হর্নেল, ১১. মিস্টার এফ. জে. রৌ, ১২. ড. এ. এফ. আর হর্নেল, ১৩. মিস্টার এফ. জে. রৌ, ১৪. মিস্টার এফ. সি. হিল, ১৫. স্যার আর্ল স্টেইন, ১৬. মিস্টার এইচ. এ. স্টার্ক, ১৭. লে. কর্নেল জি. এম. এ. রেংকিং, ১৮. মিস্টার এইচ. এ. স্টার্ক, ১৯. স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিসন রস, ২০. এইচ. ই. স্টেপলটন, ২১. স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিসন রস, ২২. মিস্টার চ্যাপম্যান, ২৩. স্যার এডওয়ার্ড ড্যানিসন রস, ২৪. মিস্টার আলেকজান্ডার হেমিলটন হালী, ২৫. মিস্টার এম. জে. বটমলী, ২৬. মিস্টার আলেকজান্ডার হেমিলটন হালী।
ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরি অনুযায়ী, তারা মুসলমানদের সাথে মিশে মাদ্রাসা খুলত। তারা প্রিন্সিপাল হওয়ার পর নিশ্চিত করেছে যেন সিলেবাসে প্রয়োজনীয় মৌলিক ভুল ঢোকানো হয়। যখন তা সফল হয়েছে, তখন প্রিন্সিপালের দায়িত্ব মুসলিমদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
প্রমাণ-২: ইসলাম বিধ্বংসী বিভিন্ন কথা বানিয়ে সেগুলোকে রাসূল (সা.) বা ইসলামী মণীষীদের নামে প্রচার করার প্রমাণ।
ইমাম বুখারী (রহ.) ছয় লক্ষ হাদীস যাচাই করে তার গ্রন্থে মাত্র তিন হাজার হাদীস পেয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে কী বিশাল পরিমাণ জাল হাদীস তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়া ফিকাহশাস্ত্রের ইতিহাসে দেখা যায়, এমন সব তথ্য যুক্ত করা হয়েছে যা কুরআনের সরাসরি বিপরীত। যেমন: কওমী মাদ্রাসার সিলেবাসে আল্লামা রূমীর নামে একটি জাল শের চালিয়ে দিয়ে বিজ্ঞান শিক্ষাকে 'আল্লাহ বিস্মৃত হওয়ার কারণ' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
প্রমাণ-৩: ইসলামের প্রকৃত মণীষীদের নাম ব্যবহার করে ভুল তথ্য স্থায়ী করা।
ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-কে শাসকরা পছন্দমতো ফতোয়া না দেওয়ার কারণে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিল। যারা তাকে হত্যা করেছিল, তারা অবশ্যই তার লেখনিগুলোও পরিবর্তন করেছিল। বাগদাদ ও স্পেনের পতনের সময় মুসলিম লাইব্রেরিগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল যেন আসল বইগুলো সরিয়ে নতুন জাল বই প্রচার করা যায়।
প্রমাণ-৪: বর্তমান মুসলিম সমাজের মাঠ পর্যায়ের পর্যালোচনা।
কুরআন রিসার্চ ফাউন্ডেশন ৩৩টি মৌলিক বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছে যেখানে দেখা যায় অধিকাংশ মুসলিমের ধারণা কুরআন ও হাদীসের তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত।
প্রমাণ-৫: বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যে কুরআনের অর্থের পরিবর্তন।
সৌদি আরবের বাদশা ফাহাদ কমপ্লেক্স থেকে প্রকাশিত ইংরেজি তাফসীরে সূরা বাকারার ৩০ নং আয়াতে 'খলিফা' শব্দের অর্থ 'প্রতিনিধি'-র পরিবর্তে 'generation after generation' (বংশানুক্রমিক মানুষ) লেখা হয়েছে, যা কুরআনের প্রকৃত শিক্ষার পরিপন্থী।
প্রমাণ-৬: মুসলিমদের বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হওয়া।
মুসলিমদের সৃষ্টিকর্তা, মূল কিতাব ও রাসূল এক হওয়া সত্ত্বেও তারা অসংখ্য দলে বিভক্ত। এটি সম্ভব হয়েছে জ্ঞানের ভেতর কৌশলে ভুল ঢুকিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে।
📄 ইসলামের মূল শিক্ষায় ভুল ঢুকানো এবং তা স্থায়ী করার জন্য গোয়েন্দারা যে সকল স্তরে কাজ করেছে
প্রচলিত ফিকাহশাস্ত্র, হাদীসশাস্ত্র এবং বর্তমান মুসলিমদের জ্ঞান ও আমল পর্যালোচনা করলে সহজে বুঝা যায়, নয়টি স্তরে কাজ করে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের মিশন সম্পন্ন করেছে। স্তর নয়টি হলো—
১. জ্ঞানের উৎসের তালিকা ও নীতিমালায় ভুল ঢুকিয়ে দেয়া।
২. কুরআনের জ্ঞান থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া।
৩. সুন্নাহর জ্ঞান থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া।
৪. কুরআনের চেয়ে হাদীসকে বেশি গুরুত্ব দেয়া।
৫. অভিনব পদ্ধতিতে ভুল তথ্য তৈরি করা।
৬. ভুল তথ্যগুলো ফিকাহ শাস্ত্র ও মাদ্রাসায় সিলেবাসে ঢুকিয়ে ব্যাপক প্রচার ও গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৭. মাদ্রাসায় সরাসরি কুরআন ও হাদীস পড়ানোর পরিবর্তে ফিকাহশাস্ত্র পড়ে ইসলাম শিখতে বাধ্য ও উৎসাহিত করা।
৮. ফিকাহ শাস্ত্রের সংস্করণ বন্ধ করে ঢুকিয়ে দেয়া মিথ্যা কথাগুলোর সংস্কারের পথ রুদ্ধ করা।
৯. ভুল তথ্যগুলো মুসলিমদের বিনাদ্বিধায় মেনে নেয়ার জন্য অন্ধ অনুসরণ (তাকলীদ) চালু করা।