📘 যে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি > 📄 পুস্তিকার তথ্যের উৎসসমূহ

📄 পুস্তিকার তথ্যের উৎসসমূহ


আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানের উৎস হলো তিনটি— কুরআন, সুন্নাহ এবং common sense। কুরআন হলো মূল প্রমাণিত জ্ঞান। সুন্নাহ হলো প্রমাণিত জ্ঞান। তবে এটি মূল জ্ঞান নয়, এটি কুরআনের ব্যাখ্যা। আর common sense হলো সাধারণ বা অপ্রমাণিত জ্ঞান। কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এ তিনটি উৎসের যথাযথ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক. আল কুরআন
কোন কিছু পরিচালনার বিষয়সমূহের নির্ভুল উৎস হলো ঐটি, যা তার সৃষ্টিকারক লিখে দেন। ইঞ্জিনিয়াররা কোন জটিল যন্ত্র বানালে তার সাথে ম্যানুয়াল পাঠান। আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করে দুনিয়ায় পাঠানোর সময় তাদের জীবন পরিচালনার ম্যানুয়াল হিসেবে আসমানী কিতাব পাঠিয়েছেন। এর সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে আল কুরআন। রাসূল (সা.)-এর পর আর কোনো নবী আসবেন না, তাই কুরআনের আয়াতগুলো নাযিল হওয়ার সাথে সাথে লিখে ও মুখস্থ করে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাজার বছর পরেও মানুষ যদি তাদের জীবন পরিচালনার মূল বিষয় নির্ভুলভাবে জানতে চায়, তবে কুরআন মাজীদ বুঝে পড়লেই তা জানতে পারবে। ইমাম ইবনে তাইমিয়া ও ইমাম ইবনে কাসীর বলেছেন— 'কুরআন তাফসীরের সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে কুরআনের তাফসীর কুরআন দ্বারা করা।' সূরা নিসার ৮২ নং আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ জানিয়েছেন— কুরআনে পরস্পর বিরোধী কোন কথা নেই।

খ. সুন্নাহ (হাদীস)
সুন্নাহ হলো কুরআনের বক্তব্যের বাস্তব রূপ বা ব্যাখ্যা। রাসূল (সা.) আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো কথা, কাজ বা সমর্থন করতেন না। তাই সুন্নাহও প্রমাণিত জ্ঞান। ব্যাখ্যা মূল বক্তব্যের সম্পূরক হয়, বিরোধী হয় না। সূরা আল হাক্কাহ-এর ৪৪-৪৭ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন— 'সে যদি আমার বিষয়ে কোনো কথা বানিয়ে বলতো, তবে আমি তার জীবন-ধমনী কেটে দিতাম।' হাদীস থেকেও সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে ঐ বিষয়ের সকল হাদীস পাশাপাশি রেখে পর্যালোচনা করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে শক্তিশালী হাদীসকে যেন দুর্বল হাদীস রহিত না করে।

গ. Common sense
কুরআন ও সুন্নাহ যে আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানের উৎস তা সবাই জানে, কিন্তু common sense যে একটি উৎস তা অনেকে ভুলে গেছে। সঠিক ও ভুল জ্ঞান পার্থক্য করার জন্য আল্লাহ জন্মগতভাবে মানুষকে বোধশক্তি বা আকল দিয়েছেন। সূরা শামসের ৭ ও ৮ নং আয়াতে বলা হয়েছে— 'কসম মনের এবং তাঁর যিনি তাকে সঠিকভাবে গঠন করেছেন। অতপর তাকে ইলহাম করেছেন তার অন্যায় ও ন্যায় (পার্থক্য করার শক্তি)।' এটিই হলো common sense।

রাসূল (সা.) ওয়াবেছা (রা.)-কে বলেছিলেন— 'তোমার মন ও অন্তরের নিকট উত্তর জিজ্ঞাসা করো। যা তোমার মনে প্রশান্তি দেয় তা নেকী, আর যা মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে তা পাপ, যদিও মানুষ তোমাকে ফতোয়া দেয়।' তবে শিক্ষা ও পরিবেশের কারণে মানুষের common sense পরিবর্তিত হতে পারে। তাই একে কুরআন ও সুন্নাহ দিয়ে যাচাই করে নিতে হবে। আল্লাহ বলেছেন— 'নিশ্চয় আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম জীব হচ্ছে সেই সব বধির ও বোবা যারা common sense কে কাজে লাগায় না।' (আনফাল ৮:২২)।

বিজ্ঞান ও ইজমা-কিয়াস
বিজ্ঞান হলো common sense-এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত জ্ঞান। বিজ্ঞানের কোনো তত্ত্ব নির্ভুল হলে তা কুরআনের তথ্যের সাথে এক হবে (সূরা হা-মিম-াস-সিজদা ৪১:৫৩)। কিয়াস ও ইজমা আল্লাহ প্রদত্ত সরাসরি উৎস নয়; বরং এগুলো কুরআন, সুন্নাহ ও common sense ব্যবহার করে কোনো যুগের জ্ঞানী ব্যক্তিদের গবেষণার ফল। এগুলো অপরিবর্তনীয় নয়।

নির্ভুল জ্ঞান অর্জনের ইসলামী নীতিমালা
যেকোন বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য প্রথমে common sense বা বিজ্ঞানের আলোকে প্রাথমিক ধারণা নিতে হবে। এরপর তাকে কুরআন দ্বারা যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সম্ভব না হলে সুন্নাহ দ্বারা যাচাই করতে হবে। সবশেষে মনীষীদের ইজমা-কিয়াস দ্বারা যাচাই করে অধিক তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

📘 যে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি > 📄 আল্লাহ প্রদত্ত তিনটি উৎস ব্যবহার করে নির্ভুল জ্ঞান অর্জনের ইসলামী নীতিমালা

📄 আল্লাহ প্রদত্ত তিনটি উৎস ব্যবহার করে নির্ভুল জ্ঞান অর্জনের ইসলামী নীতিমালা


যেকোন বিষয়ে নির্ভুল জ্ঞান অর্জন করা বা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য আল্লাহ প্রদত্ত উৎস কুরআন, সুন্নাহ ও common sense ব্যবহারের নীতিমালাটি মহান আল্লাহ সার-সংক্ষেপ আকারে জানিয়ে দিয়েছেন সূরা নিসার ৫৯ নং এবং সূরা নূরের ১৫, ১৬ ও ১৭ নং আয়াতের মাধ্যমে। আর আয়েশা (রা.)-এর চরিত্র নিয়ে ছড়ানো প্রচারণাটির (ইফকের ঘটনা) ব্যাপারে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পদ্ধতির মাধ্যমে রাসূল (সা.) নীতিমালাটি বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখিয়ে দিয়েছেন।

নীতিমালাটির সংক্ষিপ্ত চলমান চিত্র এখানে উপস্থাপন করা হলো—
যেকোন বিষয়ে:
১. Common sense {আল্লাহ প্রদত্ত সাধারণ (অপ্রমাণিত) জ্ঞান} বা বিজ্ঞান (common sense এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত জ্ঞান) এর আলোকে সঠিক বা ভুল বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
২. কুরআন (আল্লাহ প্রদত্ত মূল প্রমাণিত জ্ঞান) দ্বারা যাচাই করে প্রাথমিক সিদ্ধান্তকে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা বর্জন করা।
৩. সম্ভব না হলে সুন্নাহ (আল্লাহ প্রদত্ত ব্যাখ্যামূলক প্রমাণিত জ্ঞান) দ্বারা যাচাই করে প্রাথমিক সিদ্ধান্তকে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা বর্জন করা।
৪. অতঃপর বিষয়টিতে মনীষীদের ইজমা-কিয়াস উপস্থিত থাকলে তা দ্বারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকে যাচাই করে অধিক তথ্যভিত্তিকটি গ্রহণ করা যেতে পারে।

📘 যে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি > 📄 মূল বিষয়

📄 মূল বিষয়


আজ হতে পাঁচ থেকে সাত শত বছর পূর্বে মুসলিম জাতি জীবনের সকল দিকে পৃথিবীর অন্য সকল জাতির চেয়ে শ্রেষ্ঠ ছিল। আজ মুসলিমরা জীবনের সকল দিকে পৃথিবীর অন্য সকল জাতির চেয়ে অবিশ্বাস্য রকমভাবে পিছিয়ে পড়েছে। এটি বাস্তব সত্য; কারো পক্ষে এটি অস্বীকার করার উপায় নেই। অর্থাৎ মুসলিম জাতি আজ চরমভাবে অধঃপতিত।

এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, একটি জাতিকে চরমভাবে অধঃপতিত করার সর্বাধিক ফলপ্রসূ পদ্ধতি কোনটি?
১. সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা
২. মূল শিক্ষায় ভুল ঢুকিয়ে দেয়া
৩. ছোট-খাট শিক্ষায় ভুল ঢুকিয়ে দেয়া
৪. অন্যকিছু।

পৃথিবীর Common sense থাকা সকল মানুষই এ প্রশ্নের উত্তর দ্বিতীয়টি দিবেন। আবার যদি প্রশ্ন করা হয় মুসলিম জাতির বর্তমান চরম অধঃপতনের মূল কারণ কোনটি? তবে উত্তর হবে— মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকে যাওয়া। কারণ কমপক্ষে অর্ধেকের বেশি মুসলমানের মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকেছে। এ সংখ্যা যদি অর্ধেকের কম হতো তবে সঠিক আমলকারীরা অন্যদের ধরে রাখতে পারতো। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো এ সংখ্যা অনেক ক্ষেত্রে প্রায় একশত ভাগ।

কুরআন অবিকৃত থাকা সত্ত্বেও ইসলামের মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকে যাওয়ার কারণ হলো— গভীর ষড়যন্ত্র করে কুরআনের প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ষড়যন্ত্রে শুধু মুসলিম জাতি নয়, বরং বিশ্বমানবতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুরআন বিশ্ববাসীর কিতাব। আজ সারা বিশ্বে যে অশান্তি, অবিচার, সন্ত্রাস ও বৈষম্য বিরাজমান, তার মূল কারণ হলো এই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানব জীবন সম্পর্কিত নির্ভুল জ্ঞান তথা কুরআনের জ্ঞান থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বর্তমান প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য হলো ঐ গভীর ষড়যন্ত্রটি কি এবং কিভাবে সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা তুলে ধরা। এটি জানতে পারলে মুসলিম জাতি ও বিশ্বমানবতার পক্ষে ঐ ষড়যন্ত্রের প্রতিটি স্তর মোকাবিলা করার পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।

📘 যে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি > 📄 গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি এবং বিশ্বমানবতার মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকানোর বিষয়টি যে ভাবে জানা যায়

📄 গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম জাতি এবং বিশ্বমানবতার মূল শিক্ষায় ভুল ঢোকানোর বিষয়টি যে ভাবে জানা যায়


১. 'ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত এক ব্রিটিশ গোয়েন্দার ডায়েরি' বইয়ের তথ্য:
হ্যামফের (Hampher) নামক ব্রিটিশ গোয়েন্দার একটি ডায়েরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের হাতে আসে। পরে এটি তুরস্কের 'হাকিকত কিতাবেভী' প্রকাশনী থেকে Confessions of a British Spy নামে প্রকাশিত হয়। ডায়েরির কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিম্নরূপ—
মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি বলেছিলেন, মুসলমানদের অধঃপতিত করে আমরা যে ফল খাচ্ছি তা পূর্বপুরুষেরা বপন করেছিল। মুসলমানদের মধ্যে উপদল সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমাকে মিশর, ইরাক ও ইস্তাম্বুলে প্রেরণ করা হয়। একটি জাতির মধ্যে উপদল সৃষ্টির সর্বোত্তম পন্থা হলো তাদের শিক্ষার ভিতরে ভুল ঢুকিয়ে দেয়া। আমি আহম্মদ ইফেন্দি নামক এক বৃদ্ধ পণ্ডিতের কাছে দুই বছরে সমগ্র কুরআন অধ্যয়ন শেষ করি। সেক্রেটারি জানান পরবর্তী মিশনে আমার কাজ হলো মুসলমানদের দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে বের করা এবং তাদের জোড়াগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া। গোয়েন্দারা ইসলামী বিশেষজ্ঞদের ধোঁকা দিয়ে বা নিজেরা বিশেষজ্ঞ সেজে ইসলামের শিক্ষায় ভুল ঢোকায়। তারা মুসলিমদের সাথে মিশে মাদরাসা খুলত এবং মাদরাসার সিলেবাস ও পাঠ্যবই দখল করত। সেখানে তারা অধ্যক্ষ, মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও মুফতি হিসেবে দায়িত্ব নিত।

২. দৈনিক ইনকিলাবে (০২.০৪.৯৮) প্রকাশিত 'বৃটেনের মাটির তলায় খ্রীস্টানদের গোপন মাদরাসা' প্রতিবেদন:
ভারতের নওয়াব ছাতারী বৃটেনে গিয়ে এক গোপন স্থাপনা দেখেন। সেখানে গভীর অরণ্যে এক অতিকায় প্রাসাদের ভেতর আরবী পোশাক পরিহিত ছাত্ররা মাদরাসার মতো কুরআন, বুখারী ও মুসলিম শরীফের সবক নিচ্ছে। তাদের শিক্ষক আরবী ও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে উত্তর দিচ্ছেন। কিন্তু তারা কেউই মুসলিম ছিল না, সবাই ছিল খৃস্টান মিশনারী। সেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করে তাদের মুসলিম বিশ্বে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা সেখানে গিয়ে মসজিদের ইমাম, মাদরাসার মুহাদ্দিস বা মুফতি হিসেবে নিয়োগ পায়। যেহেতু তারা ইসলামী বিষয়ে পারদর্শী, তাই তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়। তারা কৌশলে ইসলামের জ্ঞানের মধ্যে ভুল ঢুকিয়ে বিভেদ এবং অনৈক্য সৃষ্টি করে।

৩. 'তথ্য সন্ত্রাসের কবলে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ' পুস্তিকায় উল্লিখিত তথ্য:
ইহুদী-খৃস্টান চক্র মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। সাবেক ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী মানাহেম বেগান মিশরের সিলেবাস থেকে এমন আয়াত বাদ দেওয়ার দাবি করেছিলেন যা ইসরাইলের নিন্দা করে। আমেরিকা শর্ত আরোপ করেছিল যে, যেসব মুসলিম দেশ তাদের শিক্ষা সিলেবাস পরিবর্তন করবে কেবল তাদেরকেই সাহায্য দেয়া হবে। ১৯৮১-২০০১ সাল পর্যন্ত কেবল শিক্ষা উন্নয়নের জন্য মিশরকে ১৮৫ মিলিয়ন ডলার সাহায্য দেয়া হয়। তেলআবিবে এক সেমিনারে ইসরাইলী নেতৃত্ব সরাসরি দাবি করে যে, ঐ সব মাদরাসা ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হোক যেখানে কুরআন পড়ানো হয়।

সারসংক্ষেপ:
* ইসলামের শত্রুরা হাজার হাজার গোয়েন্দাকে ইসলামী বিশেষজ্ঞের সান্নিধ্যে রেখে ইসলাম শিখিয়ে মুসলিম দেশে পাঠায়।
* গোপনে মাদরাসা বানিয়ে অমুসলিম শিশুদের গোয়েন্দা আলেম হিসেবে তৈরি করা হয়।
* এই গোয়েন্দা আলেমারা মুসলিম বিশ্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল, মুফাস্সির বা মুফতি হিসেবে চাকরি নেয়।
* তারা মুসলিম বিশেষজ্ঞদের ধোঁকা দিয়ে বা নিজেরা বিশেষজ্ঞ সেজে ভুল তথ্য তৈরি করে।
* এই ভুল তথ্যগুলো ফিকাহ শাস্ত্র ও মাদরাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে মুসলিম সমাজে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়।
* ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই এই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে এবং তা এখনও চলমান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00