📘 যে গল্প ঈমান জাগায় 📄 হাদিসের হাফেয এমনও ছিলেন

📄 হাদিসের হাফেয এমনও ছিলেন


মুখস্থ-শক্তির নিয়ামত মুহাদ্দেসিনেকেরামের নসিব হয়েছিলো। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু দাউদ রহ. একবার ইস্পাহান গেলেন। সেখানকার ওলামায়েকেরাম জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিসের ছেলে হিসেবে তাঁকে অভ্যর্থনা জানালেন। তিনি আগমন করার পর সবাই অনুরোধ করলেন, আমাদেরকে কিছু হাদিছ শোনান। হাদিছ শোনার আগ্রহে সকলেই একত্রিত হলো। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে দাউদ রহ. সে মজলিসে ৩৫ হাজার হাদিছ শুনিয়ে দিলেন।

📘 যে গল্প ঈমান জাগায় 📄 ফকিহগণের তীক্ষ্ণ মেধা

📄 ফকিহগণের তীক্ষ্ণ মেধা


সুলাইমান ইবনে মেহরান ছিলেন বুখারির রিজালদের একজন। তিনি একবার হযরত আবু ইউসুফ রহ.-কে একটি মাসআলা জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি মাসআলাটির সমাধান বলে দিলেন। তখন তিনি আবু ইউসুফ রহ.-কে বললেন, 'আপনি এটা কোত্থেকে শুনেছেন।' তিনি বললেন, 'হযরত! আমি এ হাদিছ আপনার থেকেই শুনেছি।' তখন সুলাইমান ইবনে মেহরান বললেন, 'তোমার জন্মের পূর্ব থেকেই এ হাদিছ আমার মুখস্থ। কিন্তু তুমি বলার দ্বারা এর সারমর্ম আমি ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম হয়েছি। আসলে আমরা তো হলাম ফার্মেসীর ন্যায় আর তোমরা হলে ডাক্তারের ন্যায়।' তিনি আরো বলেন, 'আমরা হাদিছগুলো সঞ্চিত করে রাখি। আর কোন হাদিছ থেকে কী মাসআলা বের হবে এটা তো তোমরাই ভালো জানো।'

টিকাঃ
৩৬. তিনি ৬১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। ইলমে হাদিসে তাঁর বিশেষ যোগ্যতা থাকার কারণে তাঁকে শায়খুল ইসলাম বলা হতো। তিনি ১৪৮ হিজরিতে ইনতিকাল করেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px