📘 জাতির উত্থান পতন > 📄 শিক্ষাহীনতা

📄 শিক্ষাহীনতা


জ্ঞান-বিজ্ঞান জাতির মেরুদন্ড। সুতরাং যে জাতির তা নেই, সে জাতি কি উঠে দাঁড়াতে পারে? যে জাতির কেবল একটাই জীবন নয়, বরং দু'দুটো জীবন, সেই জাতি যদি জীবন ধারণের জ্ঞান শিক্ষা না করে, তাহলে ধ্বংস হবে না কি?

যে জাতির সর্বপ্রথম ইলাহী আদেশ ছিল, 'পড়', সে জাতি পড়াতেই যদি মরা হয়, তাহলে ধ্বংসই তার ভাগ্য হবে না কি?

যে জাতির আবির্ভাব ঘটেছিল অপরকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য, সেই জাতি যদি জ্ঞান-বিজ্ঞানে অপর জাতির মুখাপেক্ষী হয়, তাহলে তার পরিণতি অধঃপতন নয় কি?

যে জাতির পরশমণি হয়ে থাকার কথা ছিল, সেই জাতি যদি অন্যের পরশে মরিচা-পড়া লোহা হয়ে যায়, তাহলে কর্মকারের হাপরে স্থান পাওয়ার উপযুক্ত নয় কি?

অজ্ঞানতা যে জাতিকে তার দ্বীন থেকে পিছিয়ে দিয়েছে, অলসতা যে জাতিকে পার্থিব জ্ঞান-বিজ্ঞানেও অনুন্নত ক'রে রেখেছে, সে জাতির অভ্যুত্থান কীভাবে হতে পারে?

যে জাতি বিজাতির পদলেহন ক'রে বাঁচতে অভ্যস্ত হয়, সে জাতির জ্ঞান-বুদ্ধির কি ঋদ্ধি-বৃদ্ধি হতে পারে?

যে জাতি কেবল এক সৃষ্টিকর্তার গোলামি জানত, সে জাতি যদি সৃষ্টির গোলামি ক'রে গর্ববোধ করে, তাহলে তার পরিণামে কি জ্ঞানের বিকাশ হতে পারে?

যে জাতি অপরের জ্ঞান দেখে মুগ্ধ, সে জাতি কি নিজের জ্ঞান-বিবেকের উপর আস্থা রাখতে পারে?

উল্টা হতভাগ্য এই জাতির কিছু লোক ধারণা করে যে, তাদেরকে তাদের দ্বীনই জ্ঞান-বিজ্ঞানের পথে পিছিয়ে রেখেছে। অথচ কোন বেদ্বীন ব্যক্তি বা জাতিও তো সে পথে অগ্রসর হতে পারছে না। দ্বীন তো দ্বীনদারকে জ্ঞানচর্চা করতে অনুপ্রাণিত করে। দ্বীন তো বিজ্ঞানের বিরোধী নয়। আর বিজ্ঞানী হওয়ার জন্যেও নাস্তিক হওয়া জরুরী নয়। তাহলে নিজের অপারগতার জন্য দায় সারার এ জবাব কেন?

যুগে যুগে জাতির সম্পদ যে লোকেরা একা একা ভোগ করেছে, সেই ভোগ-বিলাসীরাই পারত সেই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দ্বীন-দুনিয়ার উন্নতি সাধন করতে। যারা বিবির জন্য তাজমহল বানিয়েছে, কিন্তু জাতির জন্য কোন জ্ঞানমন্দির বানায়নি, যারা গদি পেয়ে নিজ পরিবারের আখের গুছিয়েছে, কিন্তু পতনোন্মুখ জাতির কথা ভেবেও দেখেনি, দোষ তো তাদেরই।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাথে অর্থের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। অতএব জাতির অর্থ যাদের হাতে, তারাই কি জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অনুন্নত এই জাতির অধঃপতনের জন্য সর্বাংশে দায়ী নয়?

'সাবাক পড় ফির স্বাদাক্বাত কা আদালাত কা শাজাআত কা, কাম লিয়া জায়েগা তুঝ সে ফির দুনিয়া কী ইমামাত কা।'

📘 জাতির উত্থান পতন > 📄 হীনমন্যতা

📄 হীনমন্যতা


পরাজয়ের একটি কারণ হীনম্মন্যতা। কোন কোন মানুষ ভাবে, সে বড় কাজের যোগ্য নয়, সে বিজয় লাভের উপযুক্ত নয়। অনেকে চাইলে গোটা ফুল বাগান পেত, কিন্তু তারা গোটা কতক ফুল নিয়েই সন্তুষ্ট হয়ে গেছে।

কত বুযুর্গ বুখারীর তাদরীস ছেড়ে দুনিয়ার লোভে সরকারী স্কুলে 'আলিফ-বা' পড়াচ্ছেন। কত বড় বড় ডিগ্রী অর্জন ক'রে পরিশেষে প্রাইমারীর শিক্ষকতা করছেন! তাঁরা তাঁদের ইলমের যাকাতও বের করেন না। ঐ হীনম্মন্যতার শিকারে পরিণত হন, 'আমাদের সে ক্ষমতা নেই সাহেব!' অবশ্য তাঁরা পার্থিব বিষয়ে মহা-বিজয় লাভ করেন।

অনেকে চাকরি না পেয়ে বসে বসে অথবা চাষ-ব্যবসা নিয়ে নিজের শিক্ষা বিনষ্ট ক'রে ফেলছেন। অনেকের ক্ষমতা আছে কলমের জিহাদ করা, অথচ হীনম্মন্যতার শিকার হয়ে সে প্রতিভা হেলায় নষ্ট ক'রে দিচ্ছেন। অনেকের মনে কিছু করার সৎ সাহস নেই, মনে উদ্দীপনা ও উৎসাহ নেই। তাই ঝিমিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। ফলে জাতির কোন কল্যাণে তাঁদেরকে দেখা যায় না। শ্রেষ্ঠ জাতির মধ্যে শামিলও হতে চান না। অথচ তাঁদের উপর জাতির হক আছে।

পাহাড়ে চড়তে হলে সাহস লাগে। আর সাহস না থাকলে, উঁচু মন না থাকলে, হিম্মত না থাকলে গর্তের মধ্যেই থেকে যেতে হয়। আরবী কবি বলেন, 'ওয়ামান ইয়াতাহাইয়্যাব সুঊদাল জিবালি ইয়াঈশ আবাদাদ্দাহরি বাইনাল হুফার।' অর্থাৎ, যে ব্যক্তি পাহাড় চড়তে ভয় পায়, সে চিরদিন গর্তের মধ্যেই বাস করে।

📘 জাতির উত্থান পতন > 📄 ভীতি ও ত্রাস

📄 ভীতি ও ত্রাস


অধঃপতনের মূলে এটিও একটি কারণ। যেহেতু মৃত্যুর ত্রাসে সন্ত্রস্ত হলে মানুষ মরার আগেই মরতে বসে। আর ভয় পাওয়ার কারণ, সে বিজাতির শক্তি, বিজাতির শৌর্য-বীর্য ও প্রভাব-প্রতিপত্তি দেখে ভীষণভাবে প্রভাবান্বিত হয়। ফলে তখন সে নিজের আসল পরিচয় দিতেও ভয় পায়। আত্মগোপন ক'রে বাঁচতে চায়। যাতে সে কোন ফিতনা ও পরীক্ষার সম্মুখীন না হয়। সে ভাবে ঈমানের পথ কুসুমাস্তীর্ণ। অথচ তা নয়। ঈমানের পথ কণ্টকাকীর্ণ ও দুর্গম। মহান আল্লাহ বলেন, [أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ (২) وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ] (৩) سورة العنكبوت

অর্থাৎ, মানুষ কি মনে করে যে, 'আমরা বিশ্বাস করি' এ কথা বললেই ওদেরকে পরীক্ষা না ক'রে ছেড়ে দেওয়া হবে? আমি অবশ্যই এদের পূর্ববর্তীদেরকেও পরীক্ষা করেছিলাম; সুতরাং আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্যবাদী ও কারা মিথ্যাবাদী। (আনকাবুতঃ ২-৩)

মহান আল্লাহ ঈমানী সত্যতার পরীক্ষা গ্রহণ করবেন। আর মু'মিনকে শত বাধা উল্লংঘন ক'রে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কিন্তু যে জাতি সেই পরীক্ষার সম্মুখীন হতেই চায় না, সেই জাতির অবস্থায় কি উচ্চ মর্যাদা আসতে পারে? যে জাতি নিজের অধিকার আদায়ে মানুষের সমালোচনাকে ভয় পায়, গালি-প্রহারকে ভয় পায়, জেল যেতে ভয় পায়, শহীদ হতে ভয় পায়, সে জাতি কি উন্নতির মুখ দেখতে পায়? যে জাতি বাঁচার জন্য মরতে ভয় পায়, সে জাতি কি বাঁচার অধিকার লাভ করতে পারে?

আল্লাহর রসূল বলেন, "অনতি দূরে সকল বিজাতি তোমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে, যেমন ভোজনকারীরা ভোজপাত্রের উপর একত্রিত হয়। (এবং চারিদিক থেকে ভোজন ক'রে থাকে।)” একজন বলল, 'আমরা কি তখন সংখ্যায় কম থাকব, হে আল্লাহর রসূল?' তিনি বললেন, "বরং তখন তোমরা সংখ্যায় অনেক থাকবে। কিন্তু তোমরা হবে তরঙ্গতাড়িত আবর্জনার ন্যায় (শক্তিহীন, মূল্যহীন)। আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের বক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি ভীতি তুলে নেবেন এবং তোমাদের হৃদয়ে দুর্বলতা সঞ্চার করবেন।” একজন বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! দুর্বলতা কী?' তিনি বললেন, “দুনিয়াকে ভালোবাসা এবং মরতে না চাওয়া।” (আবু দাউদ ৪২৯৭, মুসনাদে আহমাদ ৫/২৭৮)

জেনে রাখা ভাল যে, শত্রুর অবস্থানের বহু ক্রোশ দূর থেকে বীরত্ব প্রকাশ করা যেমন আসলে ভীরুতা, তেমনি নিরপরাধ সাধারণ মানুষের মনে ত্রাস সৃষ্টি ক'রে সন্ত্রাস প্রয়োগ করাও বড় ভীরুতা। শক্তিমত্তার সাথে শত্রুর সম্মুখে দাঁড়িয়ে রণাঙ্গনে মোকাবিলা করাই হল আসল বীরত্ব।

📘 জাতির উত্থান পতন > 📄 দেশগত জাতীয়তাবাদ

📄 দেশগত জাতীয়তাবাদ


জাতীয়তাবাদের অভিশাপে পড়ে মুসলিম উম্মাহ বিচ্ছিন্নতার শিকার হয়ে অধঃপতনের অতল তলে তলিয়ে যেতে পারে। মুসলিমদের শত্রুরা জানে, জাতীয়তাবাদের কুঠারে মুসলিমদেরকে বিভিন্ন খন্ডে ছিন্ন ছিন্ন করা যায়। আর তাই তারা জাতীয়তাবাদের নামে তাদেরকে উস্কানি দিয়ে পরস্পরকে শত্রুভাবাপন্ন ক'রে তুলতে সার্থক হয়েছে। আরবী জাতীয়তাবাদ, তুর্কী জাতীয়তাবাদ, কুর্দী জাতীয়তাবাদ, আফ্রিকী জাতীয়তাবাদ ইত্যাদি নাম দিয়ে এককে অপরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে ক্ষেপিয়ে তুলে ফায়দা লুটার শত চেষ্টা করা হচ্ছে। আর তার ফলে মুসলিম জাতি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

অথচ ইসলাম এসেছে কেবল 'মুসলিম' জাতীয়তাবাদের নাম নিয়ে। তওহীদের পতাকাতলে সকল উম্মাহকে সুসংহত জাতিরূপে প্রতিষ্ঠা করতে। ইসলামে কোন বর্ণ-বৈষম্য নেই। সাদা-কালোর ভেদাভেদ নেই। ভৌগলিক সীমারেখার বিচ্ছিন্নতা নেই। ইসলাম 'আরব' বা 'আরবী' দেশ বা ভাষার নাম নিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি। ইসলাম 'মক্কা' বা 'মদীনা' শহরের নাম নিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি। ইসলাম 'কুরাইশ' গোত্রের নাম নিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি। বরং মদীনায় প্রসিদ্ধ দু'টি গোত্র ছিল, আওস ও খাযরাজ। তাদের মাঝে গোত্রীয় কোন্দল প্রায় লেগেই থাকত। ইসলাম এসে তাদের সে আপোস-বিরোধ দূরীভূত ক'রে সুন্দর ঐক্য সৃষ্টি করল।

একদা আনসারের উক্ত গোত্র-দু'টি কোন এক মজলিসে এক সাথে বসে আলাপ-আলোচনা করছিল। ইত্যবসরে শাস বিন ক্বাইস ইয়াহুদী তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের পারস্পরিক এই সৌহার্দ্য দেখে জ্বলে উঠল। যারা একে অপরের কঠোর শত্রু ছিল, তারা আজ ইসলামের বর্কতে দুধে চিনির মত পরস্পর অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়েছে! সে একজন যুবককে দায়িত্ব দিল যে, তুমি তাদের মাঝে গিয়ে সেই 'বুআষ' যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দাও, যা হিজরতের পূর্বে তাদের মাঝে সংঘটিত হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে যে বীরত্ব প্রকাশক কবিতাগুলো পড়েছিল, তা ওদেরকে শুনাও। সে যুবক গিয়ে তা-ই করল। ফলে উভয় গোত্রের পূর্বের আক্রোশ-আগুন পুনরায় জ্বলে উঠলো এবং পরস্পরকে গালাগালি করতে লাগল। এমনকি অস্ত্র ধারণের জন্য একে অপরকে ডাকাডাকি শুরু ক'রে দিল। তারা আপোসে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে পড়েছিল। এমন সময় রসূল উপস্থিত হয়ে তাদেরকে বুঝালেন। তারা বিরত হয়ে গেল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ বলেছেন,

[وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ الله جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا وَاذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنتُمْ أَعْدَاء فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُم بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا وَكُنتُمْ عَلَى شَفَا حُفْرَةٍ مِّنَ النَّارِ فَأَنقَذَكُم مِّنْهَا كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ] (১০৩) سورة آل عمران

অর্থাৎ, তোমরা সকলে আল্লাহর রশি (ধর্ম বা কুরআন) কে শক্ত ক'রে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ কর; তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে, অতঃপর তিনি তোমাদের হৃদয়ে প্রীতির সঞ্চার করলেন। ফলে তোমরা তাঁর অনুগ্রহে পরস্পর ভাই-ভাই হয়ে গেলে। তোমরা অগ্নিকুন্ডের (দোযখের) প্রান্তে ছিলে, অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তা হতে তোমাদেরকে উদ্ধার করেছেন। এরূপে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শন স্পষ্টভাবে বিবৃত করেন, যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার। (আলে ইমরানঃ ১০৩)

বর্তমানে দলে দলে বিভক্ত হওয়ার দৃশ্য আমাদের সামনেই রয়েছে। কুরআন ও হাদীস বোঝার এবং তার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ নিয়ে পারস্পরিক কিছু মতপার্থক্য থাকলেও তা কিন্তু দলে দলে বিভক্ত হওয়ার কারণ নয়। এ ধরনের বিরোধ তো সাহাবী ও তাবেঈনদের যুগেও ছিল, কিন্তু তাঁরা ফির্কাবন্দী সৃষ্টি করেননি এবং দলে দলে বিভক্ত হয়েও যাননি। কারণ, তাঁদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সকলের আনুগত্য ও আক্বীদার মূল কেন্দ্র ছিল একটাই। আর তা হল, কুরআন এবং হাদীসে রসূল (সা.)। কিন্তু যখন ব্যক্তিত্বের নামে চিন্তা ও গবেষণা কেন্দ্রের আবির্ভাব ঘটল, তখন আনুগত্য ও আক্বীদার মূল কেন্দ্র পরিবর্তন হয়ে গেল। আপন আপন ব্যক্তিবর্গ এবং তাদের উক্তি ও মন্তব্যসমূহ প্রথম স্থান দখল করল এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উক্তিসমূহ দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হল। আর এখান থেকেই মুসলিম উম্মাহর মাঝে পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা শুরু হল; যা দিনে দিনে বাড়তেই লাগল এবং বড় শক্তভাবে জাতির মনে বদ্ধমূল হয়ে গেল। (আহসানুল বায়ান)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00