📘 জান্নাতি জীবন > 📄 ১. ইসলামি ভ্রাতৃত্ব নষ্ট করা

📄 ১. ইসলামি ভ্রাতৃত্ব নষ্ট করা


মুসলিমরা সত্যিকারের ঈমান ও ইসলাম নিয়ে টিকে থাকার জন্য যে সমস্ত বিষয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফরজ-তার অন্যতম একটি হলো, মুসলিমদের মধ্যকার পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বন্ধন। একে আমরা ঈমানি বন্ধন বলি। এই বন্ধনের ওপর আমাদের ঈমান টিকে থাকে। যেমন একটি পরিবারের লোকদের ভেতর যদি সম্পর্ক থাকে, তাহলে পরিবার টিকে থাকে; ঠিক তদ্রূপ মুসলিমদের মাঝে যদি ভ্রাতৃত্ব বন্ধন থাকে, তাহলে পুরো মুসলিমদের জামাআত টিকে থাকে। আর যদি কোনো পরিবারের লোকদের মাঝে সম্পর্ক না থাকে, সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ওই পরিবার টিকে থাকে না; তদ্রূপ যখন মুসলিমদের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ব বন্ধন নষ্ট হয়ে যায়, তখন আর মুসলিমরা পুরোপুরি দ্বীন-ঈমান নিয়ে টিকে থাকতে পারে না।
ভাবুন, একেবারে সর্বোচ্চ আপনজন স্বামী-স্ত্রী, এদের মাঝেও যদি একে অপরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়, তাহলে এ সম্পর্ক টিকে না; বরং এমন তিক্ততার জন্ম নেয় যে, একজন আরেকজনকে একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তদ্রূপ মুসলিমদের মাঝে সম্পর্ক নষ্ট হলে একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারে না। তখন আর মুসলিম নিধনের জন্য কাফিরদের দরকার হয় না; বরং মুসলিমরা নিজেরাই নিজেদেরকে খতম করতে পারে। আর অপপ্রচারের কারণে ঈমানের ভ্রাতৃত্ব নষ্ট হয়ে যায়; আপন পর হয়।
এবার ভাবুন-যখন একজন সাধারণ মুসলিমকে কেন্দ্র করে একটি অপপ্রচার হয়, সেই অপপ্রচারের কারণে ঈমানি বন্ধনের ওপর আঘাত আসে। আর সেটি যদি কোনো নেককার আলিমকে কেন্দ্র করে হয়, তাহলে তা কত মারাত্মক হবে! অথচ পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিন নারী এবং পুরুষদেরকে লক্ষ্য করে গুরুত্ব সহকারে ইরশাদ করেন,
وَالْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَتُ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ
'মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী—এরা সবাই পরস্পরের বন্ধু ও সহযোগী। [২৭]
অর্থাৎ, মুমিন পরিচয়দানকারী পুরুষ হোক কিংবা নারী হোক, একজন আরেকজনের সর্বোচ্চ আন্তরিক অভিভাবক, বন্ধু। এরপরেই আল্লাহ তাআলা বলছেন,
يَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَيُقِيمُونَ الصَّلوةَ وَيُؤْتُونَ الزَّكُوةَ وَ يُطِيعُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ
'তারা ভালো কাজের আদেশ দেয়, আর অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে। আর তারা নামাজ কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। [২৮]
আল্লাহ তাআলা মুমিনদের পরিচয় দিতে গিয়ে বলছেন, মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী একজন আরেকজনের বন্ধু। সর্বোচ্চ আপনজন। যারা একজন আরেকজনকে শরীয়তের নির্দেশিত যে পথ, সে পথের আদেশ করে; আর নিষিদ্ধ বিষয় থেকে বিরত রাখে।
এখানে আল্লাহ সম্পর্কের কথা আগে বলেছেন। এবং সম্পর্কের ফলাফল, সম্পর্কের ভিত্তিতে ভালো কাজে একজন আরেকজনকে যে এগিয়ে নেয়, খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে-তা বলেছেন। এরপর আল্লাহ নামাজের কথা বলেছেন। তাহলে ঈমানের যে সম্পর্ক, এই সম্পর্কের ভিত্তিতে আমাদের যে নামাজ হবে, এই নামাজই আসলে আল্লাহর কাছে মাকবুল নামাজ।
যখন সাধারণ মুসলিমের ব্যাপারে অপপ্রচার হবে, তখন এই ঈমানি ভ্রাতৃত্বে আঘাত হবে। ভালো করে বোঝার বিষয় এই যে, ঈমানি ভ্রাতৃত্ব নষ্ট হওয়াটা ছোট পর্যায়ের কবীরা গুনাহ, নাকি সর্বোচ্চ পর্যায়ের কবীরা গুনাহ।
নামাজের যথার্থতা নির্ভর করে আমাদের পারস্পরিক দ্বীনি সম্পর্কের ওপর। দ্বীনি সম্পর্ক কী বিষয়, কিভাবে তা আদায় হবে এবং পবিত্র কুরআনে এটির ওপর কেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে-এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্য সময় করা হবে। আল্লাহ তাওফীক দিন। কিন্তু বোঝানোর জন্য বলছি যে, আমার আর আপনার মধ্যে যে ঈমানি সম্পর্ক, তা অপপ্রচারের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। আর ঈমানি সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়াটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের কবীরা গুনাহ, ঈমান-বিরোধী বিষয়। আর এ ভ্রাতৃত্ব নষ্টের সূচনা হয় অপপ্রচারের কারণে। অতএব, অপপ্রচার একটা বড় গুনাহের পথ উন্মুক্ত করে দিলো। তাই এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

টিকাঃ
[২৭] সূরা তাওবা, ৯: ৭১।
[২৮] সূরা তাওবা, ৯: ৭১।

📘 জান্নাতি জীবন > 📄 ২. শত্রুতা সৃষ্টি করা

📄 ২. শত্রুতা সৃষ্টি করা


অপপ্রচারের ফলে দ্বিতীয় যে মারাত্মক গুনাহের মাঝে শয়তান আমাদেরকে লিপ্ত করে, সেটি হলো পরস্পরের মাঝে শত্রুতার বীজ বপন করা। কারণ, সম্পর্ক নষ্ট হবার পর যা হয়, তা হলো পারস্পরিক শত্রুতায় লিপ্ত হওয়া। ইতিপূর্বে যাকে সে সবচেয়ে ভালো জানত, অপপ্রচারের কারণে এখন তাকেই সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে। বন্ধুত্বের পরিবর্তে তার সাথে শত্রুতা করে। এটা কত ভয়ংকর কথা যে, যেখানে এক মুসলিম আরেক মুসলিমকে ইসলামকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে ভালোবাসবে, বন্ধু বানাবে; সেখানে কিনা মুসলিমরা অপপ্রচারের কারণে বিভ্রান্ত হয়ে একজন আরেকজনের সাথে শত্রুতা করছে। অথচ মুসলিমদের শত্রুতা প্রকৃতপক্ষে কার সাথে হওয়া উচিত? কাফিরদের সাথে, নাকি মুসলিমদের সাথে? অবশ্যই কাফিরদের সাথে। এ কথা কে না জানে।
এবার পবিত্র কুরআনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবাদের যে গুণাবলির আলোচনা করা হয়েছে-তা দেখে নিই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাদের যেই মৌলিক পরিচয় পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন তা হলো :
مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ وَالَّذِينَ مَعَهُ أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ تَرَهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانًا
'মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আর যারা তাঁর সাথে আছে, তারা কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠোর এবং নিজেরা পরস্পর দয়াপরবশ। তোমরা যখনই দেখবে, তখন তাদেরকে রুকু ও সিজদা এবং আল্লাহর করুণা ও সন্তুষ্টি কামনায় তৎপর পাবে।[২৯]
এখানে আল্লাহ তাআলা 'যারা নবিজির সাথে ঈমান এনেছে'-এমন কথা বলেননি। বরং বলেছেন, 'যারা তাঁর সঙ্গী।' এটিই সর্বোচ্চ পরিচয়। তাঁদের গুণাবলি একত্রে বর্ণনা করা হয়েছে-তাঁরা কাফিরদের ব্যাপারে কঠোর, আর পরস্পর নিজেদের ব্যাপারে আন্তরিক। তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবাদের মৌলিক পরিচয় হলো, তাঁরা সবচেয়ে বেশি কঠোর কাফিরদের ব্যাপারে; আর সবচেয়ে বেশি আন্তরিক নিজেদের ব্যাপারে। এখন, একজন মুমিন হয়ে আমি যদি আরেক মুমিনের সাথে শত্রুতা করি অপপ্রচারের ভিত্তিতে, তাহলে আমার পরিচয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাদের সাথে মিলবে না।
মদ, জুয়া, মূর্তিপূজা-এগুলো আল্লাহ তাআলা হারাম করেছেন। এর একটি কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ
'হে ঈমানদারগণ! এ মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক তিরসমূহ-এ সমস্তই হচ্ছে ঘৃণ্য শয়তানি কার্যকলাপ। এগুলো থেকে দূরে থাকো, আশা করা যায় তোমরা সফলতা লাভ করবে। শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও হিংসা-বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে। [৩০]
মদ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য, জুয়া-এসব হারাম হবার কারণ কী? এগুলো শত্রুতা পয়দা করে। তাহলে শত্রুতা এত ভয়ংকর যে, নেশা এবং জুয়ার ভেতর এটি একটি বড় প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ, ঈমানদারদের মাঝে পারস্পরিক শত্রুতা, নেশা ও জুয়ার চাইতেও ভয়ংকর। কিন্তু অপপ্রচারের কারণে যে আমার বন্ধু ছিল, তাকেও আমি শত্রু বানিয়ে ফেলি।
এভাবেই শয়তান অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রথমে আমাদের মধ্যকার ঈমানি ভ্রাতৃত্বে আঘাত হেনে নষ্ট করেছে। দ্বিতীয়ত, আমাদের পারস্পরিক যে সম্পর্ক ছিল, তার পরিবর্তে শত্রুতা পয়দা করে দিয়েছে।

টিকাঃ
[২৯] সূরা ফাতহ, ৪৮: ২৯।
[৩০] সূরা মায়িদা, ৫: ৯০-৯১।

📘 জান্নাতি জীবন > 📄 ৩. হিংসার বীজ বপন করা

📄 ৩. হিংসার বীজ বপন করা


কারও ব্যাপারে অপপ্রচার করা হলে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে শয়তান আমাদের অন্তরে হিংসার বীজ বপন করে। হিংসা এমন এক বিষয়-যার কারণে শয়তান মৌলিকভাবে জান্নাত থেকে বঞ্চিত হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إِيَّاكُمْ وَالْحَسَدَ فَإِنَّ الْحَسَدَ يَأْكُلُ الْحَسَنَاتِ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْخَطَبَ أَوْ قَالَ الْعُشْبَ
'হিংসা থেকে আত্মরক্ষা করবে। কারণ হিংসা এমনভাবে নেককর্ম ধ্বংস করে ফেলে, যেমনভাবে আগুন কাঠ বা লাকড়িকে পুড়িয়ে ফেলে।[৩১]
শয়তান যে ধ্বংস হয়েছে, তার বড় একটি কারণ হচ্ছে হিংসা। তদ্রূপ, নেককারদের বিরুদ্ধে শয়তান যখন অপপ্রচার করে, তখন এ অপপ্রচারের মাধ্যমে একজনকে আরেকজনের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে বিভ্রান্ত করে ফেলে। এর ফলে তাদের মাঝে আর ভালোবাসা বাকি থাকে না; বরং তা হিংসায় রূপান্তরিত হয়।

টিকাঃ
[৩১] আবু দাউদ: ৪৯০৩।

📘 জান্নাতি জীবন > 📄 ৪. একজন আরেকজনকে তিরস্কার করা

📄 ৪. একজন আরেকজনকে তিরস্কার করা


অপপ্রচারের মাধ্যমে ব্যক্তিকে নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা শুরু হয়। কথায় কথায় তাকে নিয়ে তিরস্কার করা হয়। অভিযুক্তকে নিয়ে যা মনে আসে, তা-ই বলা হয়। ভালো করে বুঝুন, এই এক অপপ্রচার দিয়ে শুরু হয় কত বড় বড় কবীরা গুনাহ। এ তো গেল সাধারণ মুসলিমের বিরুদ্ধে যখন অপপ্রচার হয়, তখনকার কথা। কিন্তু যখন আমাদের মাঝে নেতৃস্থানীয়-উলামায়ে কেরام, দ্বীনদার-এদের ব্যাপারে অপপ্রচার হয়, তখন তো পুরো মাঠ সরগরম। ব্যস, তিরস্কার আর তিরস্কার! মনে হয় যেন তিরস্কারের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
এবার পবিত্র কুরআনের ভাষায় আমরা দেখব যে, আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে কিভাবে তিরস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
এখানে বলে রাখা ভালো, আল্লাহ তাআলা কুরআনে খুব কম জায়গায় নারী-পুরুষকে আলাদাভাবে সম্বোধন করেছেন। পবিত্র কুরআনে সম্বোধন করা হয় সাধারণত পুরুষদেরকে। পুরুষদের অধীনে নারীদেরকেও শামিল করা হয়। এখানে আল্লাহ তাআলা তিরস্কারের ব্যাপারে এভাবে সম্বোধন করছেন,
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِنْ قَوْمٍ عَسَى أَنْ يَكُونُوا خَيْرًا مِنْهُمْ
'হে ঈমানদারগণ! পুরুষরা যেন অন্য পুরুষদেরকে তিরস্কার না করে। হতে পারে তারাই এদের চেয়ে উত্তম।[৩২]
তিরস্কারের কারণে তিরস্কারকারীর অবস্থান নিচে নামিয়ে দেওয়া হবে। আর যার তিরস্কার করা হচ্ছে, তাকে ওপরে উঠিয়ে দেওয়া হবে।
এই অপপ্রচারের কারণে আমরা বড়দের ব্যাপারেও মন খুলে তিরস্কার করতে শুরু করি। তাতে আমাদের মর্যাদা হ্রাস পায়। হতে পারে আমরা যার তিরস্কার করছি, তার মর্যাদা আল্লাহর কাছে আমাদের চাইতে বেশি। কিন্তু আমরা হয়তো তা জানি না।
তারপর এখানে নারীদেরকে সম্বোধন করে আল্লাহ বলছেন,
وَلَا نِسَاءٌ مِنْ نِسَاءٍ عَسَى أَنْ يَكُنَّ خَيْرًا مِنْهُنَّ
'আর মহিলারাও যেন অন্য মহিলাদেরকে বিদ্রূপ না করে। হতে পারে তারাই এদের চেয়ে উত্তম। [৩৩]
তিরস্কার করার সাথে সাথেই, শত ইবাদত-বন্দেগি থাকার পরেও, যার তিরস্কার করা হয়েছে, তার চাইতে তিরস্কারকারী নিচে নেমে যাবে। অর্থাৎ অপপ্রচারের দ্বারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা আল্লাহর কাছে তাদের অবস্থান হারায়। এভাবেই অপপ্রচারের কারণে তিরস্কারের যাত্রা শুরু হয়।

টিকাঃ
[৩২] সূরা হুজুরাত, ৪৯: ১১।
[৩৩] সূরা হুজুরাত, ৪৯ : ১১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00