📄 আলিমদের সমালোচনা করার ভয়াবহতা
: مخاطر الطعن في العلماء
• تعطيل الانتفاع بعلمهم - 1
نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن سب الديك فقال: ((لا تسبوا الديك؛ فإنه يوقظ للصلاة))؛ (رواه أبو داود)، فكيف بسب ورثة الأنبياء الداعين إلى الله عز وجل، وأفضل الخلق بعد الرسل والأنبياء؟! قال تعالى: ﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلاً مِّمَّن دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحاً وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ ) [فصلت: 33] ."! قال أبو الدرداء رضي الله عنه: "ما نحن لولا كلمات الفقهاء؟ •
وكان الحسن البصري رحمه الله تعالى يقول: "الدنيا كلها ظلمة، إلا مجالس العلماء"؟ . .((جامع بيان العلم : ص 236
وقال الإمام رحمه الله تعالى : "إنما الناس بشيوخهم، فإذا ذهب الشيوخ فمع من . العميش ؟ !"
: ( جرح شهود الشرع (العلماء) جرح المشهود به (القرآن والسنة -2
فالقدح في الحامل يفضي إلى القدح بما يحمله من الشرع والدين؛ ولهذا أطبق العلماء على أن من أسباب الإلحاد: القدح في العلماء
وذكر ابن كثير في "تفسيره" (2/ 193) عن عبدالله بن عمر رضي الله عنهما . قال: قال رجل في غزوة تبوك في مجلس : ما رأيت مثل قرائنا هولاء أرغب بطونا ولا أكذب النا ولا أجبن عند اللقاء، فقال رجل في المسجد : كذبت، ولكنك منافق، لاخبرن رسول اللہ صلی الله عليه وسلم، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، فنزل قوله تعالى: ﴿ وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ * لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ إِنْ نَعْفُ عَنْ طَائِفَةٌ مِنْكُمْ تُعَذِّبُ طَائِفَةٌ بِأَنَّهُمْ كَانُوا مُجْرِمِينَ ﴾ [التوبة: 65، 66] ، فقال عبدالله بن عمر رضي الله عنهما: أنا رأيته متعلقا بحقب ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم تنكبه الحجارة، وهو يقول: يا رسول الله، إنما كنا نخوض ونلعب، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ﴿أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ ﴾ [التوبة: 65] ... الآيات "؛ اه
: ويقول العلامة بكر بن عبدالله أبو زيد رحمه الله تعالى
. بادرة ملعونة... وهي تكفير العلماء، والحط من أقدارهم، فهذا من عمل الشيطان، وباب" ضلالة وراضلال، وفساد وإفساد، وإذا جرح شهود الشرع جرح المشهود به، لكن الاغرار لا يفقهون ولا يثبتون "؛ اه
فالعلماء عقول الامة، والامة التي لا تحترم عقولها غير جديرة بالبقاء؛ (حرمة أهل العلم للمقدم - حفظه الله - : ص 319 - 320) بتصرف واختصار
১. তাঁদের ইলম দ্বারা উপকৃত হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোরগকেও গালি দিতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,
لَا تَسُبُّوا الدِّيكَ فَإِنَّهُ يُوقِظُ لِلصَّلَاةِ
'তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না; কারণ সে নামাজের জন্য জাগিয়ে দেয়।[২২]
তাহলে কিভাবে একজন আলিমকে গালি দেওয়া যেতে পারে, যিনি কিনা রাসূলের উত্তরসূরি, আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী, নবি-রাসূলগণের পর যিনি সৃষ্টির সেরা? আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِمَّنْ دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ )
'ওই ব্যক্তির কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে? যিনি আল্লাহর দিকে আহ্বান করেন এবং সৎকর্ম করেন এবং বলেন, “আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত।”[২৩]
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'যদি ফকীহদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা না থাকত, তাহলে আমরা হারিয়ে যেতাম।'
হাসান বাসরি রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, 'আলিমদের মজলিস ছাড়া পুরো দুনিয়াটাই অন্ধকার।'
তিনি আরও বলেন, 'আলিমদের কারণেই মানুষ টিকে আছে। হায়! আলিমগণ না থাকলে মানুষের কী অবস্থা হবে!'
২. আলিমদেরকে খারাপ বলা মূলত কুরআন-সুন্নাহকেই খারাপ বলার নামান্তর। কোনো পাত্রকে গালমন্দ করলে পাত্রের ভেতরে অবস্থিত বস্তুকেও গালমন্দ করা হয়। তাই উলামায়ে কেরাম বলেন, মুরতাদ হয়ে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো আলিমদেরকে গালমন্দ করা।
ইবনু কাসির রাহিমাহুল্লাহ তাঁর তাফসিরে উল্লেখ করেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'এক লোক তাবুক যুদ্ধে কোনো এক মজলিসে (সাহাবায়ে কেরامকে উদ্দেশ্য করে) বলেছিল, "আমি আমাদের ক্বারীদের মতো পেটপূজারি মিথ্যুক ও যুদ্ধের ময়দানে ভীরু আর কাউকে দেখিনি।” তখন আরেকজন প্রতিবাদ করে বলল, "তুমি অবশ্যই মিথ্যা বলেছো। নিশ্চয়ই তুমি মুনাফিক। আমি বিষয়টা রাসূলকে অবহিত করব।” অতঃপর এই সংবাদ যখন রাসূলের কাছে পৌঁছল, তখন নাযিল হলো,
وَلَئِن سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُم بَعْدَ إِيمَانِكُمْ إِن نَّعْفُ عَن طَائِفَةٍ مِّنكُمْ نُعَذِّبْ طَائِفَةٌ بِأَنَّهُمْ كَانُوا مُجْرِمِينَ
“আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস করো, তবে তারা বলবে, 'আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম।' তুমি বলে দাও, 'তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম-আহকামের সাথে এবং তাঁর রাসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে?' ছলনা কোরো না, তোমরা যে কাফির হয়ে গেছো ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোনো কোনো লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দিইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেবো। কারণ, তারা ছিল গুনাহগার।”[২৪]
আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'আমি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উটের রশি ধরে বলতে শুনেছি, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা তো কেবল হাসিঠাট্টা করছিলাম।” রাসূল প্রতিউত্তরে বলছিলেন : “কী? তোমরা আল্লাহ এবং তাঁর আয়াত এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছিলে?"[২৫]
বকর বিন আবদুল্লাহ আবু যায়িদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, 'যেসব বিষয় দ্রুত অভিশাপ ডেকে আনে... আলিমদেরকে তাকফির করা। তাঁদের মানহানি করা। এটা শয়তানের কাজ। এটা চূড়ান্ত ভ্রষ্টতা ও বিশৃঙ্খলা। যদি আলিমগণ অপমানিত হন, তাহলে শরীয়তও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কিন্তু বিশৃঙ্খলকারীরা না নিজেরা বুঝে, না কারও কথা শুনে!
আলিমগণ উম্মতের প্রাণ। যদি উম্মতের প্রাণ মর্যাদা না পায়, তাহলে উম্মতের অস্তিত্ব থাকে না।[২৬]
এতক্ষণ আমরা আলোচনা করলাম, শয়তান কোন ফাঁদে ফেলে আমাদেরকে আলিমদের থেকে সরিয়ে রাখে, এরপরে ধীরে ধীরে দ্বীন থেকে সরিয়ে দেয়।
টিকাঃ
[২২] আবু দাউদ, ৫১০১।
[২৩] সূরা ফুসসিলাত, ৪১: ৩৩।
[২৪] সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৬৫-৬৬।
[২৫] তাফসিরে ইবনু কাসির, ৪/১৭১।
[২৬] فالعلماء عقول الأمة، والأمة التي لا تحترم عقولها غير جديرة بالبقاء ( حرمة أهل العلم للمقدم (2) حفظه الله - : ص 319 320) بتصرف واختصار رابط الموضوع : https://www.alukah.net