📄 বিশেষ ক্ষেত্রে পদাতিক, সওয়ারি অবস্থায় এবং ইশারায় সালাতের অনুমতি
২৫২. আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ. বলেন, عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ فِي قَوْلِهِ : {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।' এর ব্যাখ্যায় আব্দুল মালিক ইবনু আবি সুলাইমান রহ. বলেন, 'আয়াতে বর্ণিত অবস্থায় শুধু ফরয সালাত আদায় করবে। পদাতিক হোক বা সাওয়ারিতে থাকুক। সাওয়ারি যেদিকে ফিরেই চলুক।"
২৫৩. রজা ইবনু হাইওয়াহ রহ. বলেন, "একবার তারা এক বাহিনীতে ছিলেন। তাদের আমীর ছিলেন সিমত ইবনু ছাবিত অথবা সাবিত ইবনু সিমত রহ.। সেই অভিযানে ভীতিকর পরিস্থিতি থাকায় তারা সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করেন। সালাতের পর আমীর লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখেন আশতার নামক এক ব্যক্তি সাওয়ারি হতে নেমে সালাত আদায় করছেন। তখন তিনি বললেন, 'সে কী কারণে নামল?' বলা হলো, 'সালাত আদায় করতে নেমেছে।' তিনি বললেন, 'সে (জামাআতের) বিপরীত কাজ করেছে, তার সাথেও বিপরীত কাজ করা হবে।"
২৫৪. যমরাহ ইবনু হাবীব এবং তার ভাই মুহাসির রহ. বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। যখন সালাতের সময় হলো তখন তিনি সাওয়ারির পিঠেই ছিলেন। তিনি সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করে নেন। কিন্তু তার সাথে থাকা আব্দুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা রা. সাওয়ারি হতে নেমে জমিনে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট আসেন। তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেন, 'হে ইবনু রাওয়াহা, তুমি কি আমার (অনুগামী হয়ে) সালাত আদায় করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে নাকি?' তিনি বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার বিষয়টি আপনার মতো নয়। আপনি খুব দ্রুত চলছিলেন। আমরা অবশ্য ধীরে চলছিলাম। এরপর রাসূল ﷺ তাকে এ জন্য আর কিছু বললেন না।"
২৫৫. বর্ণনাকারী আরও বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। তার সঙ্গীগণ সাওয়ারির পিঠেই সালাত আদায় করেন। এক ব্যক্তি নিজেকে অযথা কষ্ট দিয়ে জমিনে সালাত আদায় করে। এই দেখে রাসূল ﷺ বলেন, 'সে বিপরীত কাজ করেছে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে বিপরীত কাজ করবেন।' অবশেষে লোকটি ইসলাম ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করে।”
টিকাঃ
৩২০. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩১১. সনদ মাওকূফ সহীহ। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৯১।
৩২২. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭০।
৩২৩. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
৩২৪. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
২৫২. আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ. বলেন, عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ فِي قَوْلِهِ : {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।' এর ব্যাখ্যায় আব্দুল মালিক ইবনু আবি সুলাইমান রহ. বলেন, 'আয়াতে বর্ণিত অবস্থায় শুধু ফরয সালাত আদায় করবে। পদাতিক হোক বা সাওয়ারিতে থাকুক। সাওয়ারি যেদিকে ফিরেই চলুক।"
২৫৩. রজা ইবনু হাইওয়াহ রহ. বলেন, "একবার তারা এক বাহিনীতে ছিলেন। তাদের আমীর ছিলেন সিমত ইবনু ছাবিত অথবা সাবিত ইবনু সিমত রহ.। সেই অভিযানে ভীতিকর পরিস্থিতি থাকায় তারা সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করেন। সালাতের পর আমীর লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখেন আশতার নামক এক ব্যক্তি সাওয়ারি হতে নেমে সালাত আদায় করছেন। তখন তিনি বললেন, 'সে কী কারণে নামল?' বলা হলো, 'সালাত আদায় করতে নেমেছে।' তিনি বললেন, 'সে (জামাআতের) বিপরীত কাজ করেছে, তার সাথেও বিপরীত কাজ করা হবে।"
২৫৪. যমরাহ ইবনু হাবীব এবং তার ভাই মুহাসির রহ. বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। যখন সালাতের সময় হলো তখন তিনি সাওয়ারির পিঠেই ছিলেন। তিনি সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করে নেন। কিন্তু তার সাথে থাকা আব্দুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা রা. সাওয়ারি হতে নেমে জমিনে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট আসেন। তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেন, 'হে ইবনু রাওয়াহা, তুমি কি আমার (অনুগামী হয়ে) সালাত আদায় করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে নাকি?' তিনি বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার বিষয়টি আপনার মতো নয়। আপনি খুব দ্রুত চলছিলেন। আমরা অবশ্য ধীরে চলছিলাম। এরপর রাসূল ﷺ তাকে এ জন্য আর কিছু বললেন না।"
২৫৫. বর্ণনাকারী আরও বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। তার সঙ্গীগণ সাওয়ারির পিঠেই সালাত আদায় করেন। এক ব্যক্তি নিজেকে অযথা কষ্ট দিয়ে জমিনে সালাত আদায় করে। এই দেখে রাসূল ﷺ বলেন, 'সে বিপরীত কাজ করেছে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে বিপরীত কাজ করবেন।' অবশেষে লোকটি ইসলাম ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করে।”
টিকাঃ
৩২০. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩১১. সনদ মাওকূফ সহীহ। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৯১।
৩২২. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭০।
৩২৩. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
৩২৪. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
📄 যুদ্ধরত অবস্থায় ইশারায় এক রাকআত সালাত
২৫৬. শত্রুসেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায় সালাত আদায় সম্পর্কে হাসান বসরী রহ. বলেন, "ইশারায় এক রাকআত ও দুই সিজদা আদায় করবে।”
টিকাঃ
৩২৫. সনদ সহীহ। আতিয়্যাহ আওফী রহ., হতে সমার্থক বর্ণনা রয়েছে: তাফসীরু ইবনি আবি হাতিম, ২/৪৫০ [২৩৮৩]।
২৫৬. শত্রুসেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায় সালাত আদায় সম্পর্কে হাসান বসরী রহ. বলেন, "ইশারায় এক রাকআত ও দুই সিজদা আদায় করবে।”
টিকাঃ
৩২৫. সনদ সহীহ। আতিয়্যাহ আওফী রহ., হতে সমার্থক বর্ণনা রয়েছে: তাফসীরু ইবনি আবি হাতিম, ২/৪৫০ [২৩৮৩]।
📄 যুদ্ধ চলাকালীন যেকোনো দিকে ফিরে সালাত আদায় করা যাবে
২৫৭. ফায্ল ইবনু দালহাম রহ. বলেন, عَنِ الْحَسَنِ فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ: {فَرِجَالًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।'³²⁶
এর ব্যাখ্যায় হাসান বসরী রহ. বলেন, 'তরবারি চালনার সময় সালাত আদায় করলে এক রাকআত করবে। রুকু এবং সিজদা এমনভাবে হবে যেন আপনি চলছেন আর ঘোড়াকে কিংবা উটকে পদাঘাত করছেন। সাওয়ারি কিংবা আপনার চেহারা যে-মুখী হোক না কেন।"³²⁷
২৫৮. ইমাম শু'বাহ রহ. বলেন, عنِ الحَكَمِ، وَحَمَادٍ، وَقَتَادَةَ سُئِلُوا عَنْ صَلَاةٍ عِنْدَ الْمُسَائِفَةِ ক্বলু: "ইমাম হাকাম, হাম্মাদ ইবনু সালামাহ এবং কাতাদা রহ.-কে লড়াই চলাকালীন সালাত আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, 'তোমার চেহারা যেদিকে আছে সেদিকে ফিরেই এক রাকআত সালাত আদায় করবে।"³²⁸
২৫৯. ইবনু আবি নাজীহ রহ. বলেন, عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ: عِنْدَ الْمُسَايَفَةِ تَجْرِي تَكْبِيرَةً ক্বলা সুফিয়ান: "মুজাহিদ রহ. বলেন, 'লড়াই চলাকালীন (সালাতের জন্য) এক তাকবীরই যথেষ্ট। সুফিয়ান রহ. বলেন, ইশারায় দুই রাকআত করে আদায় করবে। অথবা তিনি যুওয়াইবির রহ. এর সূত্রে ইমাম যাহহাক হতে বর্ণনা করেন, দুই তাকবীরে সালাত আদায় করবে।"³²⁹
টিকাঃ
৩২৬. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩২৭. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৮৮।
৩২৮. সনদ হাসান।
৩২৯. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৮৬,৮৭।
📄 লড়াইকালীন কসর এক রাকআত
২৬০. ইয়াযিদ ইবনু সুহাইব ফাকির রহ. বলেন, সানি’তু জাবিরা বনা আবদিল্লাহ সুরিআ আ’নির রকা’তাইনি ফিস সাফারি আক্বসরহুমা? ক্বলা: "জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ রা.-কে সফরের দুই রাকআত কসর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, সফর এবং লড়াই উভয়ক্ষেত্রে কি কসর এই দুই রাকআত? তখন তাকে বলতে শুনি যে, লড়াই চলাকালে কসর হলো এক রাকআত। দুই রাকআত নয়।”³³⁰
২৬১. হাম্মাদ ইবনু সালামাহ রহ. বলেন, সায়ালতু ইবরাহীমা, আ’নির রাজুলি ইয়াতলুবু আউ ইয়ুতলাবু, ফাতুদরিকুহুস সালাতু, ক্বলা: "আমি ইবরাহীম নাখাঈ রহ.-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এক ব্যক্তি শত্রুর সন্ধানে বেরিয়েছে কিংবা শত্রু তার সন্ধানে বেরিয়েছে এমতাবস্থায় সালাতের সময় হলে সে কী করবে?' তিনি বললেন, 'সে যেদিকে ফিরে আছে সেদিকে মুখ করেই ইশারায় সালাত আদায় করবে। রুকুর তুলনায় সিজদায় একটু বেশি ঝুঁকবে। তবে অযু এবং কিরাআত (সালাতে কুরআন পাঠ) ত্যাগ করবে না।”³³¹
২৬২. মা'মার রহ. বলেন, আ’নিয যুহরী ফি ক্বউলিহি আযযা ওয়া জাল্লা: {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।'³³²
এর ব্যাখ্যায় ইমাম যুহরী রহ. বলেন, যখন শত্রু ধাওয়া করে তখন যেদিকে চেহারা আছে সেদিকে ফিরেই সালাত আদায় করা জায়িয। পদাতিক কিংবা সাওয়ারি যে অবস্থাতেই থাকুক, ইশারায় দুই রাকআত সালাত আদায় করে নেবে। কাতাদাহ রহ. বলেন, 'এক রাকআতই যথেষ্ট হবে।"³³³
২৬৩. মাকহুল শামী রহ. বলেন, আন্না শুরাহবিলা বনা হাসানাতান, আগারা আ’লা শিমাসাতা, ওয়া যালিকা ফি ওয়াজহিস সুবহি, ক্বলা: "শুরাহবিল ইবনু হাসানাহ রা. খুব ভোরে শাম্মাসার ওপর আক্রমণ চালাতে বের হন। তখন তিনি তার সঙ্গীদের বলেন, 'তোমরা তোমাদের সাওয়ারির ওপর বসেই সালাত আদায় করে নাও।' অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলেন সে জমিনে নেমে সালাত আদায় করছে। তিনি বললেন, এটা কী? সে বিপরীত করেছে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে বিপরীত আচরণ করবেন। দেখা গেল লোকটির নাম আশতার।"³³⁴
২৬৪. সাবিক বারবারী রহ. বলেন, কাতাবা মাকহুল ইলা হাসনিল বাসরী, ফাজাআ কিতাবুহু ওয়া নাহনু বিদাবিক্কা ফির রাজুলি ইয়াতলুবু আদুউওয়াহু, ওয়া হুম মুনহাযিমুনা, ফাহাদোরাতিল সোলাতু, আইয়্যুসোয়াল্লি আ’লা যাহরি ফারাসিহি? ক্বলা: "মাকহুল রহ. হাসান বসরী রহ.-এর নিকট পত্র লিখে জানতে চান যে, এক ব্যক্তি পলায়নরত শত্রুর পশ্চাদ্ধাবন করছে এমতাবস্থায় সালাতের সময় হলে সে কি সাওয়ারির পিঠেই সালাত আদায় করে নেবে? আমরা যখন দাবিক নামক এলাকায় ছিলাম তখন হাসান রহ.-এর উত্তর লেখা পত্র এসে পৌঁছায়। তিনি বলেন, 'না; বরং সে ব্যক্তি জমিনে নেমে কিবলামুখী হয়ে সালাত আদায় করবে। তবে শত্রু যদি তাকে ধাওয়া করে তবে সে সাওয়ারির পিঠে বসে ইশারাতেই সালাত আদায় করে নেবে।"³³⁵
২৬৫. আতা ইবনু ইয়াসার রহ. বলেন, "তুমি যদি (শত্রুর) সন্ধানে থাকো তাহলে (সালাতের সময় হলে) সাওয়ারি হতে নেমে সালাত আদায় করে নাও। আর যদি (শত্রুর পক্ষ হতে) তোমাকে অনুসন্ধান করা হয় তাহলে তুমি (কোথাও না থেমে) ইশারায় সালাত আদায় করে নাও।”³³⁶
টিকাঃ
৩৩০. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: মুসনাদু আবি দাউদ তয়ালিসী, ১৮৯৮।
৩৩১. সনদ হাসান।
৩৩২. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩৩৩. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৮৮৷৷
৩৩৪. সনদ হাসান।
৩৩৫. সনদ হাসান। সাবিক বারবারী হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল হলেও সাধারণ ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য।
৩৩৬. সনদ হাসান।