📄 সালাতুল খাওফ শিক্ষাদান
২৪৯. আবুল আলিয়াহ রহ. বলেন, "আবু মূসা আশআরী রা. ইসপাহানে অবস্থানকালে একদিন তার বাহিনীর লোকজনকে দুই সারিতে বিভক্ত করলেন। তখন অবশ্য তাদের তেমন ভয়ভীতি ছিল না। কিন্তু তিনি তার সাথিদের দ্বীনের বিধিবিধান (সালাতুল খাওফ) শেখাতে চাইলেন। তিনি একদলকে সাথে নিয়ে এক রাকআত আদায় করলেন অপর দল তখন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শত্রুর মোকাবিলায় অবস্থান গ্রহণ করে। এক রাকআত পড়ে প্রথম দলটি (কিবলার দিকে ফিরেই) পেছনে হেঁটে এসে নিজেদের সঙ্গীদের স্থানে অবস্থান নেয়। তখন দ্বিতীয় দলটি তাদের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে আবু মূসা আশআরী রা.-এর সাথে সালাতের অপর রাকআত আদায় করে। দু-রাকআত শেষে তিনি সালাম ফেরান। তখন প্রত্যেকেই দাঁড়িয়ে একাকী নিজের বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন।
হাদীসে একাকী শব্দ নেই। তাই এখানে মূলত ইমামের দুই রাকআত পূর্ণ হয় আর মুসল্লীদের প্রত্যেকেই জামাআতের সাথে এক রাকআত আদায় করে (আরেক রাকআত নিজে নিজে পড়ে নেয়)। "
টিকাঃ
৩১৭. সনদ মাওকৃষ্ণ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭৪।
২৪৯. আবুল আলিয়াহ রহ. বলেন, "আবু মূসা আশআরী রা. ইসপাহানে অবস্থানকালে একদিন তার বাহিনীর লোকজনকে দুই সারিতে বিভক্ত করলেন। তখন অবশ্য তাদের তেমন ভয়ভীতি ছিল না। কিন্তু তিনি তার সাথিদের দ্বীনের বিধিবিধান (সালাতুল খাওফ) শেখাতে চাইলেন। তিনি একদলকে সাথে নিয়ে এক রাকআত আদায় করলেন অপর দল তখন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শত্রুর মোকাবিলায় অবস্থান গ্রহণ করে। এক রাকআত পড়ে প্রথম দলটি (কিবলার দিকে ফিরেই) পেছনে হেঁটে এসে নিজেদের সঙ্গীদের স্থানে অবস্থান নেয়। তখন দ্বিতীয় দলটি তাদের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে আবু মূসা আশআরী রা.-এর সাথে সালাতের অপর রাকআত আদায় করে। দু-রাকআত শেষে তিনি সালাম ফেরান। তখন প্রত্যেকেই দাঁড়িয়ে একাকী নিজের বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন।
হাদীসে একাকী শব্দ নেই। তাই এখানে মূলত ইমামের দুই রাকআত পূর্ণ হয় আর মুসল্লীদের প্রত্যেকেই জামাআতের সাথে এক রাকআত আদায় করে (আরেক রাকআত নিজে নিজে পড়ে নেয়)। "
টিকাঃ
৩১৭. সনদ মাওকৃষ্ণ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭৪।
📄 আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা. বর্ণিত পদ্ধতি
২৫০. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা. বলেন, "রাসূল ﷺ (রণক্ষেত্রে ভীতিকালে) সালাত আদায় করেছেন তখন তার পেছনে এক সারি ছিল আর অন্য সারিটি শত্রুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তিনি তাকবীর পাঠ করলে তারাও তাকবীর পাঠ করেন। এভাবে তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করেন। তখন প্রথম দলটি দ্বিতীয় দলের স্থানে গিয়ে দাঁড়ায় আর তারা এগিয়ে এসে রাসূল-এর সাথে এক রাকআত সালাত আদায় করে। সালাত শেষে রাসূল ﷺ সালাম ফিরিয়ে নিলে তার পেছনে থাকা দলটি নিজেদের সালাতের স্থানে দাঁড়িয়েই বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন। এর পর তারা আগের স্থানে গিয়ে অবস্থান নেন। তখন সেখানে থাকা (প্রথম রাকআত জামাআতে পড়া) দলটি সেখানে দাঁড়িয়েই তাদের বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন।
সুফিয়ান ইবনু ওয়াইনাহ রহ. বলেন, 'আমরা হাম্মাদ ইবনু সালামাহ রহ. বর্ণিত পদ্ধতিতেই সালাতুল খাওফ আদায় করে থাকি। এই সালাতে আগে প্রথম দল এবং পরে দ্বিতীয় দল পদ্ধতি বজায় থাকবে।"
টিকাঃ
৩১৮. সনদ হাসান।
২৫০. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা. বলেন, "রাসূল ﷺ (রণক্ষেত্রে ভীতিকালে) সালাত আদায় করেছেন তখন তার পেছনে এক সারি ছিল আর অন্য সারিটি শত্রুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তিনি তাকবীর পাঠ করলে তারাও তাকবীর পাঠ করেন। এভাবে তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করেন। তখন প্রথম দলটি দ্বিতীয় দলের স্থানে গিয়ে দাঁড়ায় আর তারা এগিয়ে এসে রাসূল-এর সাথে এক রাকআত সালাত আদায় করে। সালাত শেষে রাসূল ﷺ সালাম ফিরিয়ে নিলে তার পেছনে থাকা দলটি নিজেদের সালাতের স্থানে দাঁড়িয়েই বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন। এর পর তারা আগের স্থানে গিয়ে অবস্থান নেন। তখন সেখানে থাকা (প্রথম রাকআত জামাআতে পড়া) দলটি সেখানে দাঁড়িয়েই তাদের বাকি এক রাকআত আদায় করে নেন।
সুফিয়ান ইবনু ওয়াইনাহ রহ. বলেন, 'আমরা হাম্মাদ ইবনু সালামাহ রহ. বর্ণিত পদ্ধতিতেই সালাতুল খাওফ আদায় করে থাকি। এই সালাতে আগে প্রথম দল এবং পরে দ্বিতীয় দল পদ্ধতি বজায় থাকবে।"
টিকাঃ
৩১৮. সনদ হাসান।
📄 ইবরাহীম নাখাঈ রহ. বর্ণিত পদ্ধতি
২৫১. ইবরাহীম নাখাঈ রহ. বলেন, "সালাতুল খাওফ আদায়কালে একটি দল শত্রুর মোকাবিলায় অবস্থান নেবে। তারা সালাতে শামিল হবে না। অপর দলটি ইমামের পেছনে দাঁড়াবে। ইমাম তাদের নিয়ে এক রাকআত আদায় করবেন। তখন প্রথম রাকাআত আদায়কারী দলটি শত্রুর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দলটির জায়গায় চলে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয় দলটি এসে ইমামের সাথে এক রাকআত আদায় করবে এবং পাহারায় থাকা দলটির জায়গায় চলে যাবে। তখন প্রথম দলটি নিজেদের জায়গায় ফিরে আসবে এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ এক রাকআত আদায় করে নেবে।"
টিকাঃ
৩১৯. সনদ মাওকুফ সহীহ। সমার্থক বর্ণনা রয়েছে: মুসান্নাফু আব্দির রাযযাক, ৪২৪৬।
২৫১. ইবরাহীম নাখাঈ রহ. বলেন, "সালাতুল খাওফ আদায়কালে একটি দল শত্রুর মোকাবিলায় অবস্থান নেবে। তারা সালাতে শামিল হবে না। অপর দলটি ইমামের পেছনে দাঁড়াবে। ইমাম তাদের নিয়ে এক রাকআত আদায় করবেন। তখন প্রথম রাকাআত আদায়কারী দলটি শত্রুর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দলটির জায়গায় চলে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয় দলটি এসে ইমামের সাথে এক রাকআত আদায় করবে এবং পাহারায় থাকা দলটির জায়গায় চলে যাবে। তখন প্রথম দলটি নিজেদের জায়গায় ফিরে আসবে এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ এক রাকআত আদায় করে নেবে।"
টিকাঃ
৩১৯. সনদ মাওকুফ সহীহ। সমার্থক বর্ণনা রয়েছে: মুসান্নাফু আব্দির রাযযাক, ৪২৪৬।
📄 বিশেষ ক্ষেত্রে পদাতিক, সওয়ারি অবস্থায় এবং ইশারায় সালাতের অনুমতি
২৫২. আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ. বলেন, عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ فِي قَوْلِهِ : {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।' এর ব্যাখ্যায় আব্দুল মালিক ইবনু আবি সুলাইমান রহ. বলেন, 'আয়াতে বর্ণিত অবস্থায় শুধু ফরয সালাত আদায় করবে। পদাতিক হোক বা সাওয়ারিতে থাকুক। সাওয়ারি যেদিকে ফিরেই চলুক।"
২৫৩. রজা ইবনু হাইওয়াহ রহ. বলেন, "একবার তারা এক বাহিনীতে ছিলেন। তাদের আমীর ছিলেন সিমত ইবনু ছাবিত অথবা সাবিত ইবনু সিমত রহ.। সেই অভিযানে ভীতিকর পরিস্থিতি থাকায় তারা সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করেন। সালাতের পর আমীর লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখেন আশতার নামক এক ব্যক্তি সাওয়ারি হতে নেমে সালাত আদায় করছেন। তখন তিনি বললেন, 'সে কী কারণে নামল?' বলা হলো, 'সালাত আদায় করতে নেমেছে।' তিনি বললেন, 'সে (জামাআতের) বিপরীত কাজ করেছে, তার সাথেও বিপরীত কাজ করা হবে।"
২৫৪. যমরাহ ইবনু হাবীব এবং তার ভাই মুহাসির রহ. বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। যখন সালাতের সময় হলো তখন তিনি সাওয়ারির পিঠেই ছিলেন। তিনি সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করে নেন। কিন্তু তার সাথে থাকা আব্দুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা রা. সাওয়ারি হতে নেমে জমিনে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট আসেন। তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেন, 'হে ইবনু রাওয়াহা, তুমি কি আমার (অনুগামী হয়ে) সালাত আদায় করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে নাকি?' তিনি বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার বিষয়টি আপনার মতো নয়। আপনি খুব দ্রুত চলছিলেন। আমরা অবশ্য ধীরে চলছিলাম। এরপর রাসূল ﷺ তাকে এ জন্য আর কিছু বললেন না।"
২৫৫. বর্ণনাকারী আরও বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। তার সঙ্গীগণ সাওয়ারির পিঠেই সালাত আদায় করেন। এক ব্যক্তি নিজেকে অযথা কষ্ট দিয়ে জমিনে সালাত আদায় করে। এই দেখে রাসূল ﷺ বলেন, 'সে বিপরীত কাজ করেছে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে বিপরীত কাজ করবেন।' অবশেষে লোকটি ইসলাম ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করে।”
টিকাঃ
৩২০. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩১১. সনদ মাওকূফ সহীহ। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৯১।
৩২২. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭০।
৩২৩. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
৩২৪. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
২৫২. আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ. বলেন, عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ فِي قَوْلِهِ : {فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا} [البقرة: ২৩৯] ক্বলা: "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতঃপর যদি তোমাদের কারও ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই (সালাত) আদায় করে নাও অথবা সাওয়ারির ওপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।' এর ব্যাখ্যায় আব্দুল মালিক ইবনু আবি সুলাইমান রহ. বলেন, 'আয়াতে বর্ণিত অবস্থায় শুধু ফরয সালাত আদায় করবে। পদাতিক হোক বা সাওয়ারিতে থাকুক। সাওয়ারি যেদিকে ফিরেই চলুক।"
২৫৩. রজা ইবনু হাইওয়াহ রহ. বলেন, "একবার তারা এক বাহিনীতে ছিলেন। তাদের আমীর ছিলেন সিমত ইবনু ছাবিত অথবা সাবিত ইবনু সিমত রহ.। সেই অভিযানে ভীতিকর পরিস্থিতি থাকায় তারা সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করেন। সালাতের পর আমীর লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখেন আশতার নামক এক ব্যক্তি সাওয়ারি হতে নেমে সালাত আদায় করছেন। তখন তিনি বললেন, 'সে কী কারণে নামল?' বলা হলো, 'সালাত আদায় করতে নেমেছে।' তিনি বললেন, 'সে (জামাআতের) বিপরীত কাজ করেছে, তার সাথেও বিপরীত কাজ করা হবে।"
২৫৪. যমরাহ ইবনু হাবীব এবং তার ভাই মুহাসির রহ. বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। যখন সালাতের সময় হলো তখন তিনি সাওয়ারির পিঠেই ছিলেন। তিনি সাওয়ারিতে বসেই সালাত আদায় করে নেন। কিন্তু তার সাথে থাকা আব্দুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা রা. সাওয়ারি হতে নেমে জমিনে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট আসেন। তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেন, 'হে ইবনু রাওয়াহা, তুমি কি আমার (অনুগামী হয়ে) সালাত আদায় করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে নাকি?' তিনি বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার বিষয়টি আপনার মতো নয়। আপনি খুব দ্রুত চলছিলেন। আমরা অবশ্য ধীরে চলছিলাম। এরপর রাসূল ﷺ তাকে এ জন্য আর কিছু বললেন না।"
২৫৫. বর্ণনাকারী আরও বলেন, "রাসূল ﷺ একবার এক অভিযানে বের হলেন। তার সঙ্গীগণ সাওয়ারির পিঠেই সালাত আদায় করেন। এক ব্যক্তি নিজেকে অযথা কষ্ট দিয়ে জমিনে সালাত আদায় করে। এই দেখে রাসূল ﷺ বলেন, 'সে বিপরীত কাজ করেছে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে বিপরীত কাজ করবেন।' অবশেষে লোকটি ইসলাম ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করে।”
টিকাঃ
৩২০. সূরা বাকারা, ২:২৩৯
৩১১. সনদ মাওকূফ সহীহ। আরও রয়েছে: তাফসীরুত তাবারী, ৪/৩৯১।
৩২২. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবাহ, ৮২৭০।
৩২৩. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।
৩২৪. সনদ মুরসাল এবং দুর্বল। আরও রয়েছে: ইবনুল আসাকীর, তারীখু মাদীনাতি দিমাশক ২৮/৮৬।