📄 মাগফিরাত ও জান্নাতের আশায় আল্লাহর রাস্তায় সফর করা
২৩২. মাকহুল শামী রহ. বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, 'আলা তুহিব্বুনা আন ইয়াগফিরাল্লাহু লাকুম, ওয়া ইউদখিলাকুমুল জান্নাতা। ক্বলু: বালা। ক্বলা: ফাগযূ ফি সাবিলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা।
"তোমরা কি এটা পছন্দ করো না যে, আল্লাহ তাআলা তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন আর তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন? লোকজন বলল, 'অবশ্যই চাই।' তিনি বললেন, 'তাহলে তোমরা আল্লাহ তাআলার পথে জিহাদ করো।"
টিকাঃ
২৯৩. সনদ মুরসাল হাসান। মারফু সনদে রয়েছে: সুনানু তিরমিযী, ১৬৫০। সনদ হাসান।
📄 জিহাদ ও কুরবানী
২৩৩. মাকহুল শামী রহ. বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, اغْزُوا، فَضَحُوا 'তোমরা আল্লাহর রাস্তায় বের হও তারপর (পশু) কুরবানী করো।'
টিকাঃ
২৯৪. সনদ মুরসাল। বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
📄 হজ ও জিহাদ—কখন কোনটি উত্তম?
২৩৪. আব্দুর রহমান ইবনু গানাম আশআরী রহ. বলেন, حَجَّةٌ قَبْلَ غَزْوَةٍ خَيْرٌ مِنْ عَشْرِ غَزَوَاتٍ، وَغَزْوَةٌ بَعْدَ حَجَّةٍ خَيْرٌ مِنْ ثَمَانِينَ حَجَّةً 'জিহাদের পূর্বে একটি (ফরজ) হজ দশটি যুদ্ধে অংশ নেয়ার চেয়ে উত্তম। আর (ফরজ) হজ আদায় করার পর একটি জিহাদ আশিটি হজ হতে উত্তম।'
টিকাঃ
২৯৫. সনদ মুরসাল। বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। আরও রয়েছে: আল মারাসিলু লি আবি দাউদ, ৩০৩।
📄 জান্নাত তরবারির ছায়ায়
২৩৫. একবার শত্রুসেনার উপস্থিতিতে আব্দুল্লাহ ইবনু কায়স রা. বলেন, قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنْ أَبْوَابَ الْجَنَّةِ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ فَقামَ رَجُلٌ رَبُّ الْهَيْئَةِ فَقَالَ: يَا أَبَا مُوسَى، أَنْتَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُهُ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: فَجَاءَ إِلَى أَصْحَابِهِ، فَقَالَ: أَقْرَأُ عَلَيْكُمُ السَّلَامَ، ثُمَّ كَسَرَ جَفْنَ سَيْفِهِ، فَأَلْقَاهُ، ثُمَّ مَضَى بِسَيْفِهِ قُدُمًا يَضْرِبُ بِهِ حَتَّى قُتِلَ
"রাসূল ﷺ বলেছেন, 'জান্নাতের দরজাসমূহ তরবারির ছায়ায় ঘেরা।' এটা শুনে জীর্ণশীর্ণ এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, 'হে আবু মূসা, আপনি কি স্বয়ং রাসূল ﷺ-কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর লোকটি উঠে স্বীয় সঙ্গীদের নিকট গিয়ে তাদের সালাম করলেন এবং নিজের তরবারির খাপ খুলে ভেঙে ফেলে দিয়ে উন্মুক্ত তরবারি নিয়ে শত্রুর মোকাবিলায় অগ্রসর হলেন এবং অবশেষে বহু শত্রু হত্যা করে নিজে শাহাদাত লাভ করলেন।"
২৩৬. আবু ইমরান জাওনী রহ. বলেন, بَيْنَا أَبُو مُوسَى الْأَشْعَرِي مَصَافُ الْعَدُوِّ بِأَصْبَهَانَ، إِذْ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ يَقُولُ: إِنَّ أَبْوَابَ الْجَنَّةِ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ فَقَامَ شَابٌ قَدْ...، فَقَالَ: كَيْفَ قُلْتَ يَا أَبَا مُوسَى؟ فَأَعَادَ عَلَيْهِ الْحَدِيثَ، فَالْتَفَتَ الشَّابُ إِلَى أَصْحَابِهِ، فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ، ثُمَّ دَখَلَ تَحْتَهَا، أَيْ تَحْتَ السُّيُوفِ
“আবু মূসা আশআরী রা. ইসপাহানে শত্রুসেনার সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, 'আমি রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, 'জান্নাতের দরজাসমূহ তরবারির ছায়ায় ঘেরা।' এ কথা শুনে এক যুবক দাঁড়িয়ে বলল, 'হে আবু মূসা, কথাটা কীভাবে বলেছেন (আবার বলুন)?' তিনি তখন হাদীসটি আবার বললেন। যুবকটি তখন নিজের সঙ্গীদের দিকে তাকিয়ে তাদের সালাম দিলেন অতঃপর তরবারির (আক্রমণের) ভেতর ঢুকে গেলেন।”
টিকাঃ
২৯৬. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সহীহ মুসলিম, ১৯০২।
২৯৭. সনদ হাসান।