📄 মুসলিম দাস-দাসী মুক্তির ফযীলত
২২৫. আবু নাজীহ সুলামী রা. বলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন,
أَيْمَا رَجُلٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ رَجُلًا مُسْلِمًا، فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلٌ جَاعِلٌ وِقَاءَ كُلِّ عَظْمٍ مِنْ عِظَامِهِ عَظْمًا مِنْ عِظَامِ مُحَرَرِهِ مِنَ النَّارِ، وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ مُسْلِمَةٍ أَعْتَقَتِ امْرَأَةً مُسْلِمَةٌ، فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ جَاعِلٌ وِقَاءَ كُلِّ عَظْمٍ مِنْ عِظَامِهَا عَظْمًا مِنْ عِظَامٍ مُحَرِّرِهَا مِنَ النَّارِ
“যেকোনো মুসলিম পুরুষ তার মুসলিম দাসকে মুক্ত করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ কিয়ামতের দিন এ কৃতদাসের প্রতিটি হাড়ের বিনিময়ে মুক্তিদাতার প্রতিটি হাড়কে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। আর যেকোনো মুসলিম নারী তার মুসলিম কৃতদাসীকে মুক্ত করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ এ দাসীর প্রতিটি হাড়ের বিনিময়ে কিয়ামতের দিন মুক্তিদাত্রীর প্রতিটি হাড়কে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন।”
টিকাঃ
২৮৬. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সুনানু আবি দাউদ, ৩৯৬৫। সনদ সহীহ।
📄 উমর রা.-এর দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়
২২৬. উমার ইবনুল খাত্তাব রা. বলেন, 'লাউলা সালাসুন: লাউলা আন আসিরা ফি সাবিলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা, আউ ইউগাব্বিরা জাবিনি ফিস সুজুদি, আউ উক্কাউইদা ক্বাওমান ইয়ানতাকুনা তয়্যিবাল কালামি, কামা ইউনতাক্বা তয়্যিবাল সামারি; লাআহবাবতু আন আকুনা ক্বাদ লাহিতকু বিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা।
“যদি তিনটি বিষয় না থাকত তবে আমি (মৃত্যুবরণ করে) আল্লাহ তাআলার সাথে মিলিত হওয়াকেই বেশি পছন্দ করতাম। (১) যদি আল্লাহর রাস্তায় সফর না থাকত (২) সিজদায় কপাল ধুলায় ধূসরিত করার সুযোগ না থাকত, আর (৩) যদি এমন লোকজনের সাথে বসার সুযোগ না থাকত, যারা এমনভাবে বেছে বেছে উত্তম কথা বলেন যেভাবে উত্তম ফল বাছাই করা হয়।”
টিকাঃ
২৮৭. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: ইমান আহমাদ, কিতাবুয যুহদ, ৬০৭।
📄 তিনটি প্রিয় আমল
২২৭. হাসান বসরী রহ. বলেন, ‘উগনিইয়া আলা রাজুলিন মিনাস সিদরিল আউওয়ালি, ফাবাকা, ফাশতাদ্দা বুকাউহু, ফাক্বলু লাহু: ইন্নাল্লাহা আযযা ওয়া জাল্লা রহিমুন, ইন্নাহু গফুরুন, ওয়া ইন্নাহু... ফাক্বলা: আমা ওয়াল্লাহি মা তারাকতু বা’দি শাইয়ান আবকি আলাইহি ইল্লা সালাসা খিসালিন: যমা হাজিরাতিন ফি ইয়াওমিন বাইদিন মা বাইনাত তরাফাইনি, আউ লাইলাতান ইয়াবিতুর রাজুলু ইয়ালুহু বাইনা জানবাইহি ওয়া ক্বাদামাইহি, আউ গাদওয়াতান, আউ রাওহাতান ফি সাবিলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা।
"পূর্ববর্তী যুগের এক ব্যক্তি মৃত্যুকালে অচেতন হয়ে পড়ে। যখন জ্ঞান ফিরল সে কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিল। তখন লোকজন বলল, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা অতি দয়ালু। তিনি ক্ষমাশীল ইত্যাদি...।' তখন লোকটি বলল, আমি যা কিছু রেখে যাচ্ছি তার জন্য কাঁদছি না। আমি কাঁদছি তিনটি আমলের জন্য (১) দূরবর্তী দু- প্রান্তবিশিষ্ট (দীর্ঘ) দিনের পিপাসার (সিয়ামের সাওয়াবের) জন্য (২) সেই রাতের জন্য, যে রাতে একজন ব্যক্তি তার পার্শ্বদেশ আর দু-পায়ের মাঝে আসা-যাওয়া করে (ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ আদায় করে), আর (৩) আল্লাহ তাআলার রাস্তায় কাটানো সকাল কিংবা সন্ধ্যার জন্য।"
টিকাঃ
২৮৮. সনদ মাওকুফ সহীহ। আরও রয়েছে: ইবনু আবিদ দুনিয়া, আল মুহতাযিরুন, ৩৩২।
📄 আল্লাহর রাস্তায় এক বেলার ফযীলত
২২৮. আবু আইয়ূব আনসারী রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, 'গাদওয়াতান ফি সাবিলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা আউ রাওহাতান খাইরুম মিম্মা তলা’আত আলাইহিশ শামসু ওয়া গারাবাত'
"আল্লাহর রাস্তায় এক সকাল অথবা এক বিকাল বের হওয়া সেসব কিছু থেকে উত্তম, যার ওপর সূর্য উদিত হয় অথবা অস্ত যায়।”
টিকাঃ
২৮৯. সনদ মুরসাল সহীহ। মারফু সনদে রয়েছে: সহীহ মুসলিম, ১৮৮৩।