📄 সালমান ফারসী রা.-এর উপদেশ
২১৬. রজা ইবনু হাইওয়াহ রহ. বলেন, أَنْ سَلْمَانَ، قَالَ لَهُ أَصْحَابُهُ : أَوْصِنَا. قَالَ: مَنَ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يَمُوتَ حَاجًا، أَوْ مُعْتَمِرًا، أَوْ غَازِيًا، أَوْ فِي نَقْلِ الْغَزَاةِ فَلْيَفْعَلْ، وَلَا يَمُوتَنَ تَاجِرًا، وَلَا جَابِيًا
"একবার সালমান ফারসী রা.-কে তার সঙ্গীগণ বললেন, 'আমাদের কিছু উপদেশ দিন।' তিনি বললেন, 'তোমাদের কেউ যদি হাজী, উমরাকারী, মুজাহিদ কিংবা আল্লাহর রাস্তার মুসাফিরদের মালামাল বহনকারী হিসেবে মৃত্যুবরণ করার সামর্থ্য লাভ করে তবে সে যেন তা-ই করে। কেউ যেন (শুধু) ব্যবসায়ী কিংবা কর আদায়কারী হিসেবে মৃত্যুবরণ না করে।"
টিকাঃ
২৭৫. সনদ মুরসাল। বর্ণনাকারীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য। আরও রয়েছে: সুনানু সাঈদ ইবনু মানসুর, ২৯১৯।
📄 উত্তম সঙ্গী ও প্রতিবেশী
২১৭. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, خَيْرُ الْأَصْحَابِ عِنْدَ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ، وَخَيْرُ الْجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ
"আল্লাহ তাআলার নিকট উত্তম সঙ্গী হলো সেই ব্যক্তি, যে তার (সফর)-সঙ্গীদের নিকট উত্তম। এমনিভাবে আল্লাহ তাআলার নিকট উত্তম প্রতিবেশী হলো সেই ব্যক্তি, যে তার প্রতিবেশীদের নিকট উত্তম।”
টিকাঃ
২৭৬. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: ইবনু আবিদ দুনিয়া, মাকারিমুল আখলাক, ২৮১।
📄 আখিরাতের ভাবনা
২১৮. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রা. বলেন, لَخَيْرُ أَعْمَلُهُ الْيَوْমَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ مِثْلَيْهِ فِيمَا مَضَى، لَأَنَا كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ وَهِمَتُنَا الْآخِرَةُ، وَلَا تَهُمُنَا الدُّنْيَا، وَإِنَّا الْيَوْমَ قَدْ مَالَتْ بِنَا الدُّنْيَا
"আজকের দিনে একটি নেক আমল করা আমার নিকট বিগত সময়ের দ্বিগুণ আমলের চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। রাসূল ﷺ-এর সময়ে আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল আখিরাত। দুনিয়া আমাদের ভাবনাতে ছিল না। অথচ এখন আমরা দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে গিয়েছি।”
টিকাঃ
২৭৭. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: ইমাম তাবরানী, মু'জামুল কাবীর, ১৩/২৩ [৪৩]।
📄 ফিতনা-ফাসাদের সময় যারা সৎকর্মপরায়ণ হয়
২১৯. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রা. বলেন, طُوبَى لِلْغُرَبَاءِ الَّذِينَ هُمْ صَالِحُونَ عِنْدَ فَسَادِ النَّাসِ
"সে সকল পরিচয়হীন মানুষ (গুরাবা) বড়ই সৌভাগ্যবান, যারা ফিতনা-ফাসাদের সময়ে সৎকর্মশীল থাকে।”
টিকাঃ
২৭৮. সনদ হাসান। মারফু সূত্রে সমার্থক বর্ণনা রয়েছে: ইমাম তাবরানী, মু'জামুল কাবীর, ৬/১৬৪ [৫৮৬৭]।