📄 মৃত্যুর পরও সাওয়াব অব্যাহত থাকবে
১৭৯. উবাদাহ ইবনু সামিত রা. বলেন, লাইসা মির রাজুলিন ইয়ুখরিজু নাফসাহু ইল্লা রাআ মানযিলাহু ক্বাবলা আন ইয়ুখরিজা নাফসাহু, গাইরিল মুরাবিতি ইয়াজরী আলাইহি আজরুহু। আউ ক্বলা: রিযক্বহু মা কানা মুরাবিতান।
"প্রাণবায়ু বের হওয়ার পূর্বে প্রত্যেকেই মৃত্যুপরবর্তী তার ঠিকানা দেখতে পায়। তবে আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির বিষয়টি ভিন্ন। কেননা, তার আমলনামা অব্যাহত থাকে। অথবা তিনি বলেছেন যে, তার রিজিক অব্যাহত থাকে।”²³⁶
টিকাঃ
২৩৬. সনদ দুর্বল। বর্ণনাকারী ইবনু রবীআহ হলেন ইবনু লাহিয়া। তিনি দুর্বল রাবী।
📄 আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণকারীর আমলনামা অব্যাহত থাকবে
১৮০. উকবা ইবনু আমীর রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, কুল্লু মাইয়্যিতিন ইয়ুখতামু আ’লা আমালিহি ইল্লাল্লাযী ইয়ামুতু ফী সাবীলিল্লাহি, ফাইন্নাহু ইয়াজরী আলাইহি আজরু আমালিহি হাত্তা ইউবআ’সা।
"প্রতিটি মৃত ব্যক্তিকেই তার আমলের ওপর মোহরাঙ্কিত করে দেয়া হয় (ব্যক্তিগত কোনো আমলের সুযোগ থাকে না)। তবে আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির বিষয়টি ভিন্ন। পুনরুত্থানের আগপর্যন্ত তার আমলনামা অব্যাহত থাকবে।”²³⁷
টিকাঃ
২৩৭. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসনাদু আহমাদ, ১৭৩৫৯।
📄 কিয়ামাতের দিন যে নিরাপদ থাকবে
১৮১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রা. হতে বর্ণিত, ফীমান ইয়ামুতু মুরাবিতান: আন্নাহু ইয়ামানু মিনাল ফাযা’ইল আকবারি ইয়াওমাল ক্বিয়ামাতি।
"তিনি আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী সম্পর্কে বলেন, 'সে কিয়ামাতের দিন চরম ভয়ভীতি হতে নিরাপদ থাকবে।”²³⁸
১৮২. আবু সালিহ হিমসী রা. বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ইয়াবআ’সুলাহু আযযা ওয়া জাল্লা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাতি আক্বওয়ামান ইয়ামুররূনা আ’লাল সিরোয়াতি কাহাইআতির রীহি, লাইসা আলাইহিম হিসাবুন ওয়ালা আ’যাবুন। ক্বলু: ওয়া মান হুম ইয়া রাসূলাল্লাহ? ক্বলা: আক্বওয়ামুন ইয়ুদরিকুহুম মাউতুহুম ফীর রিবাত্বি।
"কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাআলা একদল লোককে ওঠাবেন, যারা বাতাসের গতিতে পুলসিরাত পার হয়ে যাবে। তাদের কোনো হিসাব এবং শাস্তির ব্যাপার থাকবে না। সাহাবাগণ বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, তারা কারা?' রাসূল ﷺ বললেন, 'সীমান্তে পাহারারত অবস্থায় যাদের মৃত্যু হয়েছে।”²³⁹
টিকাঃ
২৩৮. সনদ হাসান। আরও রয়েছে: ইমাম বুখারী, তারীখুল কাবীর, ৪/৩২৪।
২৩৯. সনদ দুর্বল। বর্ণনাকারী বাশশার ইবনু সাঈদ সম্পর্কে প্রয়জনীয় তথ্য পাওয়া যায় না।
📄 ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্ত পাহারার ফজিলত
১৮৩. মাকহুল শামী রহ. বলেন, আন্না কা’বাবনা উজরোতা, কানা মুরাবিতান বিআর্ডহি ফারিছা, ফামাররা বিহি সালমানু, ফাক্বলা: মা লাকা হাহুনা? ক্বলা: ক্বাদিমনু মুরাবিতান। ক্বলা: আফালা উখবিরুকা বিশাইয়িন সামি’তুহু মির রাসূলিল্লাহি ﷺ ইয়াকুনু লাকা আওনান আ’লা রিবাত্বিকা? ক্বলা: কুলতু বালা রহিমাকাল্লাহু. ক্বলা: ক্বলা রাসূলুল্লাহি ﷺ: রিবাত্বু ইয়াওমিন ফী সাবীলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা খাইরুম মিন সোয়ামি শাহরিন ওয়া ক্বিয়ামিহি, ওয়া মান মাতা মুরাবিতান ফী সাবীলিল্লাহি আযযা ওয়া জাল্লা উজীরা মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি, ওয়া যারা আলাইহি আমালুহুল্লাযী কানা ইয়া’মালু ইলা ইয়াওমিল ক্বিয়ামাতি।
"কা'আব ইবনু উযরাহ রা. পারস্যের ভূখণ্ডে (ইসলামী) সীমান্ত পাহারায় নিযুক্ত ছিলেন। সালমান ফারসী রা. তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তাকে বললেন, 'এখানে কী করছ?' কা'আব রা. বললেন, 'সীমান্ত পাহারা দিতে এসেছি।' সালমান রা. বললেন, 'আমি কি রাসূল ﷺ-এর একটি হাদীস শোনাব? যা তোমার সীমান্ত পাহারায় অনুপ্রেরণা জোগাবে?' কা'আব বললেন, 'আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। অবশ্যই শোনান।' সালমান রা. বললেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এক দিন আল্লাহ তাআলার পথে সীমান্ত পাহারা দেওয়া একাধারে এক মাস রোযা রাখা এবং রাতে সালাত আদায় হতেও উত্তম। এই কাজে লিপ্ত থাকাবস্থায় যে ব্যক্তি মারা যাবে তাকে কবরের বিপর্যয়কর পরিস্থিতি হতে মুক্তি দেওয়া হবে এবং সে যেসব আমল করত কিয়ামত পর্যন্ত তার আমল চলমান থাকবে।"²⁴⁰
টিকাঃ
২৪০. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সুনানু তিরমিযী, ১৬৬৫।