📄 শহীদের জন্য জান্নাতী হুরের আগমন
২০. আবু হুরাইরা রা. বলেন,
ذُكِرَ الشُّهَدَاءُ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ فَقَالَ: لَا تَجِفُ الْأَرْضُ مِنْ دَمِهِ حَتَّى تَبْتَدِرَهُ زَوْجَتَاهُ كَأَنَّهُمَا ظِئْرَانِ أَضَلَّنَا فَصِيلَهُمَا فِي بَرَاجٍ مِنَ الْأَرْضِ بَيْدَاءَ، وَفِي يَدِ كُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا حُلَةٌ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
"রাসুল ﷺ-এর নিকট শহীদগণের আলোচনা করা হলো। তিনি বললেন, শহীদের রক্তে রঞ্জিত জমিন শুকিয়ে যাওয়ার আগেই দুজন স্ত্রী (জান্নাতী হুর) তার জন্য এমন ব্যাকুল হয়ে ছুটে আসে যেভাবে ধূসর মরুভূমিতে হারানো শাবক ফিরে পেয়ে মা উটনী ছুটে আসে। এ সময় তাদের দুজনের হাতে এক প্রস্থ করে (জান্নাতী) কাপড় থাকে, যা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মাঝে থাকা সকল কিছু হতে উত্তম।"
২১. আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনি উমাইর লাইসী রহ. বলেন,
إِذَا الْتَقَى الصَّفَانِ أَهْبَطَ اللهُ الْحُورَ الْعِينَ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْইয়া، فَإِذَا رَأَيْنَ الرَّجُلَ يَرْضَيْنَ مَقْدَمَهُ، قُلْنَ: اللَّهُم ثَبِّتْهُ. فَإِنْ نَكَصَ احْتَجَبْنَ مِنْهُ، وَإِنْ هُৱ قُتِلَ نَزَلْنَ إِلَيْهِ، فَمَسَحَنَ عَنْ وَجْهِهِ التَّرَابَ، وَقُلْنَ : اللَّهُم عَفْرُ مَنْ عَفَرَهُ، وَتَرَبُ مَنْ تَرَبَهُ
"(যুদ্ধের ময়দানে) যখন দুই দল মুখোমুখি হয় তখন আল্লাহ তাআলা জান্নাত হতে ডাগরনয়না হুরদের দুনিয়ার আসমানে (প্রথম আসমানে) নামিয়ে দেন। তারা যখন কোনো মুজাহিদকে এগিয়ে যেতে দেখে তখন বলে, 'হে আল্লাহ, তাকে দৃঢ়পদ রাখুন।' আর যখন সে পিছু হটে তখন তারা সেখান থেকে সরে যায়। আর যদি সে নিহত হয় তবে তারা তার নিকট নেমে এসে তার চেহারার ধুলোবালি মুছে দেয়। আর এই বলে দুআ করে যে, 'হে আল্লাহ, তাকে যে ধুলোয় মেখেছে আপনি তাকে ধূলিমলিন (অপদস্থ) করুন। তাকে যে মাটিতে লুটিয়ে দিয়েছে আপনি তাকে মাটিতে লুটিয়ে দিন (পরাস্ত করুন)।"
২২. মুজাহিদ রহ. বলেন,
كَانَ يَزِيدُ بْنُ شَجَرَةَ مِمَّا يُذْكَرُنَا فَيَبْكِي، وَيُصَدِّقُ بُكَاءَهُ بِفِعْلِهِ، وَيَقُولُ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللهِ عَلَيْكُمْ، مَا أَحْسَنَ أَثَرَ نِعْمَةِ اللَّهِ عَلَيْكُمْ فَلَوْ تَرَوْنَ مَا أَرَى مِنْ بَيْنِ أَصْفَرَ وَأَحْمَرَ وَأَبْيَضَ وَأَسْوَدَ، وَفِي الرِّجَالِ مَا فِيهَا، إِنَّ الصَّلَاةَ إِذَا أُقِيمَتْ، فُتِحَتْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ، وَأَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَأَبْوَابُ النَّارِ، فَإِذَا الْتَقَى الصَّفَانِ، فُتِحَتْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ ، وَأَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَأَبْوَابُ النَّارِ، وَزُيِّنَ الْحُورُ الْعِينُ، فَاطَّلَعْنَ، فَإِذَا أَقْبَلَ الرَّجُلُ بِوَجْهِهِ، قُلْنَ: اللَّهُم ثَبَتْهُ اللَّهُمَّ أَعِنْهُ. فَإِذَا أَدْبَرَ احْتَجَبْنَ مِنْهُ، وَقُلْنَ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ. فَانْهَكُوا وُجُوهَ الْقَوْمِ، فِدَاكُمْ أَبِي وَأُتِي، وَلَا تُخْزُوا الخُورَ الْعِينَ، فَإِذَا قُتِلَ، كَانَتْ أَوَّلُ نَفْحَةٍ مِنْ دَمِهِ تَحُطُّ عَنْهُ خَطَايَاهُ كَمَا يَحُطُ الْوَرَقُ مِنْ غُصْنِ الشَّجَرَةِ، وَتَنْزِلُ إِلَيْهِ اثْنَتَانِ فَتَمْسَحَانِ عَنْ وَجْهِهِ، وَقُلْنَ : قَدْ أَنَى لَكَ. وَقَالَ لَهُمَا: قَدْ أَنِّي لَكُمَا. ثُمَّ كُسِيَ مِائَةً حُلَّةٍ، لَوْ جَعَلَهَا بَيْنَ أَصْبُعَيْهِ لَوَسِعَتْ، لَيْسَ مِنْ نَسْجِ بَنِي آدَمَ، وَلَكِنْ مِنْ نَبْتِ الْجَنَّةِ
"ইয়াযিদ ইবনু শাজারাহ রহ. আমাদের বিভিন্ন উপদেশমূলক কথা বলতেন আর অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠতেন। তার আমল তার চোখের পানিকে সত্য বলে প্রমাণ করত (যা বলতেন তা নিজেও আমল করতেন)। তিনি বলতেন, 'হে লোকসকল, তোমরা আল্লাহ তাআলার নিআমাতসমূহের কথা স্মরণ করো। তোমাদের প্রতি তাঁর নিআমাতসমূহের ছাপ কতই-না উত্তমরূপে ফুটে উঠেছে! হলুদ, লাল, সাদা, কালো বর্ণে আর সাওয়ারির হাওদার মাঝে আমি যেসব (নিআমাত) দেখতে পাই তোমরা যদি তা দেখতে! যখন (জামাআতে) সালাত শুরু হয় তখন আসমান এবং জান্নাত ও জাহান্নামের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এমনিভাবে যখন দুটি বাহিনী মুখোমুখি হয় তখন আসমান এবং জান্নাত ও জাহান্নামের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। ডাগরনয়না হুরদের সুসজ্জিত করা হয়। অতঃপর তারা উঁকি দিয়ে দেখতে থাকে। যখন কেউ অগ্রগামী হয় তারা বলে ওঠে, 'হে আল্লাহ, তাকে দৃঢ়পদ রাখুন। হে আল্লাহ, তাকে সাহায্য করুন।' যখন কেউ পিছু হটে তারা তার দিক থেকে সরে আসে আর বলে, 'হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করে দিন।' সমাজের বিশিষ্ট লোকজন, তোমরা নিজেদের নিংড়ে দাও। আমার পিতা-মাতা তোমাদের জন্য উৎসর্গ হোক! এসব ডাগরনয়না হুরদের তোমরা অপমান কোরো না। যখন কেউ রণাঙ্গনে শহীদ হয়, তার রক্তের প্রথম ফোঁটার সাথে তার গুনাহও ঝরে পড়ে। যেমন (শীতকালে) গাছের ডাল থেকে পাতা ঝরে পড়ে। এ সময় দুজন (জান্নাতী) রমনী তার নিকট নেমে আসে। তারা তার চেহারা মুছে দিতে দিতে বলে, 'তোমার (যাওয়ার) সময় হয়েছে।' সেও তাদের বলে, 'তোমাদেরও (প্রণয়ের) সময় হয়েছে।' অতঃপর তাকে শত প্রস্থের পোশাক পরানো হয়। চাইলেই যা অনায়াসে দু-আঙুলের মাঝে (ভাঁজ করে) রাখা যায়। এই কাপড় মানুষের হাতে বোনা কাপড় নয়। জান্নাতে বোনা কাপড়।"
টিকাঃ
৩৮. সনদ দুর্বল। বর্ণনাকারীদের মধ্যে শাহর ইবনু হাওশাব রয়েছেন। মুহাদ্দিসগণ তাকে দুর্বল বলেছেন। আরও রয়েছে: সুনানু ইবনি মাজাহ, ২৭৯৮। সনদ দুর্বল।
৩৯. সনদ মাওকুফ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু আব্দির রাযযাক, ৯৫৪০।
৪০. সনদ মাওকুফ সহীহ। আরও রয়েছে: মুসান্নাফু আব্দির রাযযাক, ৯৫৩৮
📄 জান্নাতী নারীর বৈশিষ্ট্য
২৩. আনাস ইবনু মালিক রা. বলেন,
غَدْوَةً فِي سَبِيلِ اللهِ أَوْ رَوْحَةً خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَقَابُ قَوْسٍ أَوْ قِيدُ أَحَدِكُمْ فِي الْجَنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ اطلَعَتْ إِلَى الْأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا، وَلَمَلَاتِ الْأَرْضَ طِيبًا، وَلَنَصِيفُهَا خَيْرُ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
"আল্লাহর রাস্তায় এক সকাল অথবা এক বিকাল দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। তোমাদের কারও জান্নাতে একটি ধনুক বা সমপরিমাণ জায়গা লাভও দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও উত্তম। জান্নাতের কোনো নারী যদি দুনিয়াতে উঁকি দেয় তবে এতদুভয়ের মধ্যবর্তী স্থান আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠবে আর পুরো দুনিয়া সুগন্ধীতে মৌ মৌ করে উঠবে। তার উড়নাও দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।"
২৪. সাঈদ ইবনু আমীর রহ. বলেন,
لَوْ أَنَّ خَيْرَةً مِنْ خَيْرَاتٍ حِسَانٍ اطَّلَعَتْ مِنَ السَّمَاءِ لَأَضَاءَتْ لَهَا الْأَرْضُ، وَلَقَهَرَ ضَوْءُ وَجْهِهَا الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ، وَلَنَصِيفٌ تُكْسَاهُ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فيهَا. وَقَالَ لِامْرَأَتِهِ: وَلَأَنْتِ أَحَقُّ أَنْ أَدَعَكِ لَهُنَّ مِنْ أَنْ أَدَعَهُنَّ لَكِ
"অপরূপা কল্যাণময়ীদের (হুরদের) মধ্য হতে একজন কল্যাণময়ী যদি আসমান হতে জমিনের দিকে উঁকি দেয় তাহলে পুরো দুনিয়া আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠবে। তার চেহারার উজ্জ্বলতা চাঁদ ও সূর্যকে (আলোকে) ম্লান করে দেবে। তার পরিধেয় উড়নাটিও দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।” অতঃপর তিনি তার স্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলেন, "নিঃসন্দেহে তাদের জন্য তোমাকে ত্যাগ করা যায়। কিন্তু তোমার জন্য কিছুতেই তাদের ত্যাগ করা যায় না।"
টিকাঃ
৪১. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সহীহ বুখারী, ৬৫৬৮।
৪২. সনদ মাওকুফ সহীহ। আরও রয়েছে: আবু নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া, ১/২৪৪১।
📄 শহীদের বাসস্থান
২৫. মুত্তালিব ইবনু হানতাব রহ. বলেন,
إِنَّ لِلشَّهِيدِ غُرْفَةٌ كَمَا بَيْنَ صَنْعَاءَ وَالْجَابِيَةِ، أَعْلَاهَا الدُّرُّ وَالْيَاقُوتُ، وَجَوْفُهَا الْمِسْكُ وَالْكَافُورُ قَالَ: فَتَدْخُلُ عَلَيْهِ الْمَلَائِكَةُ بِهَدِيَةٍ مِنْ رَبِّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فَمَا تَخْرُجُ حَتَّى يَدْخُلُ عَلَيْهِ مَلَائِكَةُ آخَرُونَ مِنْ بَابٍ آخَرَ بِهَدِيَةٍ مِنْ رَبِّهِمْ
"শহীদের জন্য এমন একটি বাগানবাড়ি থাকবে যার ব্যাপ্তি হবে (ইয়ামানের) সানআ শহর হতে (সিরিয়ার) জাবিয়াহ পর্যন্ত। যার ওপরিভাগ মুক্তো ও ইয়াকৃত পাথরে নির্মিত হবে। আর ভেতরটা থাকবে মিশক ও কপূরে পূর্ণ (সুবাসিত)। সেখানে একদল ফেরেশতা আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তার জন্য উপঢৌকন নিয়ে আসবেন। তারা বিদায় না হতেই অন্য দরজা দিয়ে মহান রবের উপঢৌকন নিয়ে আরেকদল ফেরেশতা এসে হাজির হবেন।"
টিকাঃ
৪৩. সনদ মাওকুফ সহীহ।
📄 শাহাদাতের তামান্না
২৬. আনাস ইবনু মালিক রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন,
مَا مِنْ نَفْسٍ تَمُوتُ لَهَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ يَسُرُّهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا، وَلَهَا الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا إِلَّا الشَّهِيدُ؛ لِمَا يَرَى مِنْ فَضْلِ الشَّهَادَةِ، فَيَتَمَنَّى أَنْ يَرْجِعَ فَيُقْتَلَ مَرَّةً أُخْرَى
"কোনো ব্যক্তি যখন এমন অবস্থায় মারা যায় যে, আল্লাহর নিকট তার জন্য কল্যাণ (উত্তম বিনিময়) রয়েছে, তখন তাকে দুনিয়ার সবকিছু দিলেও সে দুনিয়ায় ফিরে আসতে আগ্রহী হবে না; একমাত্র শহীদ ব্যতীত। সে শাহাদাতের মর্যাদা দেখার কারণে আবার দুনিয়ায় ফিরে এসে আল্লাহর পথে শহীদ হবার তামান্না প্রকাশ করবে।"
২৭. আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন,
لَوْلَا أَنْ أَشُقَ عَلَى أُمَّتِي أَوْ قَالَ عَلَى النَّاسِ لَأَحْبَبْتُ أَنْ لَا أَتَخَلَّفَ عَنْ سَرِيَّةٍ تَخْرُجُ فِي سَبِিলِ اللهِ، وَلَكِنْ لَا أَجِدُ مَا أَحْمِلُهُمْ عَلَيْهِ، وَلَا يَجِدُونَ مَا يُتَحَمِّلُونَ عَلَيْهِ، وَلَشَقَ عَلَيْهِمْ أَنْ يَتَخَلَّفُوا بَعْدِي ، أَوْ نَحْৱهُ. وَلَوَدِدْتُ أَنِّي أُقَاتِلُ فِي سَبِيلِ اللهِ فَأُقْتَلَ، ثُمَّ أَحْيَا ثُمَّ أُقْتَلَ، ثُمَّ أَحْيَا ثُمَّ أُقْتَلَ
"যদি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে আমি কোনো সেনা অভিযান থেকে পিছিয়ে থাকতাম না। কিন্তু আমি তো (সকলের জন্য) সাওয়ারি সংগ্রহ করতে পারছি না, যার ওপর আমি তাদের আরোহণ করাতে পারি। আর তারাও আরোহণ করার মতো যথেষ্ট সাওয়ারি জোগাড় করতে পারছি না। আর তাদের জন্য এটা কষ্টদায়ক হবে যে, তারা আমার পেছনে পড়ে থাকবে। (বর্ণনাকারী বলেন,) কিংবা তিনি এমন কিছু বলেছেন। (রাসূল ﷺ আরও বলেন,) আমি তো এটাই কামনা করি যে, আমি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করব এবং শহীদ হয়ে যাব, অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে এবং আমি আবার শহীদ হব। অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে।"
২৮. আনাস ইবনু মালিক রা. হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন,
مَا مِنْ أَحَدٍ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يُحِبُّ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا وَأَنَّ لَهُ مَا عَلَى الْأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا الشَّهِيدُ، فَإِنَّهُ يَتَمَنَّى أَنْ يَرْجِعَ فَيُقْتَلَ عَشْرَ مَرَاتٍ
"জান্নাতে প্রবেশের পর আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে না, যদিও দুনিয়ার সকল জিনিস তাকে দেয়া হয়। একমাত্র শহীদ ব্যতীত; সে দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে যেন দশ বার শহীদ হয়। "
টিকাঃ
৪৪. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সহীহ বুখারী, ২৭৯৫; সহীহ মুসলিম, ১৮৭৭।
৪৫. সনদ সহীহ। কিছুটা ভিন্ন শব্দে রয়েছে: সহীহ বুখারী, ২৯৭২।
৪৬. সনদ সহীহ। আরও রয়েছে: সহীহ বুখারী, ২৮১৭; সহীহ মুসলিম, ১৮৭৭।