📄 মুয়াজ বিন জাবাল (রা)-এর জাহান্নামের ভয়ে কান্না
৬. মুয়াজ বিন জাবাল (রা) জাহান্নামের কথা স্মরণ করে অধিক পরিমাণে কাঁদতে লাগলেন।
بَكَى مُعَادٌ (رضى) بُكَاءً شَدِيدًا فَقِيلَ لَهُ مَا يُبْكِيْكَ؟ فَقَالَ لأنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ قَبَضَ قَبْضَتَيْنِ فَجَعَلَ وَاحِدَةٌ فِي الْجَنَّةِ وَالْأُخْرَى فِي النَّارِ فَأَنَا لَا أَدْرِى مِنْ أَيِّ الْفَرِيقَيْنِ أَكُونُ
মুয়াজ বিন জাবাল (রা) অধিক পরিমাণে কান্নাকাটি করলেন, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল আপনি কেন কাঁদতেছেন? মুয়াজ (রা) বলল: আল্লাহ তায়ালা তাঁর উভয় মুষ্টি সমস্ত সৃষ্টি দিয়ে পূর্ণ করে তার এক মুষ্টি নিক্ষেপ করলেন জাহান্নামে, আর এক মুষ্টি জান্নাতে, আমি জানিনা যে, আমার স্থান কোথায় হবে।
নোট: উল্লেখ্য রাসূল ইরশাদ করেছেন: আল্লাহ তা'আলা জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন এবং এ উভয়ের জন্যই ভিন্ন ভিন্ন লোকও সৃষ্টি করেছেন। (মুসলিম)
📄 আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা) জাহান্নামের ভয়ে কান্না করতেন
৭. আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা)-এর জাহান্নামীদের পানি প্রার্থনার কথা স্মরণ হলে কান্নাকাটি করতে লাগলেন।
সামীর রিয়াহি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরশাদ করেছেন: আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা) ঠাণ্ডা পানি পান করে কাঁদতে লাগলেন এবং অধিক পরিমাণে কাঁদলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কেন এত কাঁদতেছেন? আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা) বললেন: আমার কুরআন মাজীদের আলোচ্য আয়াতটি স্মরণ হল তাদের ও তাদের কামনার মাঝে অন্তরাল করা হয়েছে, আর আমি জানি যে, জাহান্নামীরা ঐ সময়ে শুধু একটি জিনিসিই প্রার্থনা করবে আর তা হল পানি। কেননা আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন: জাহান্নামীরা জান্নাতীদের নিকট আবেদন করবে যে সামান্য পানি আমাদেরকে ঢেলে দাও বা তোমাদেরকে আল্লাহ যে রিযিক দিয়েছে তা থেকে আমাদেরকে কিছু দাও। (হুলইয়াতুল আওলিয়া, ২/৩৩৩)
📄 সাঈদ বিন যোবাইর (রা) জাহান্নামের স্মরণে কখনো হাসতেন না
৮. সাঈদ বিন যোবাইর (রা) জাহান্নামের স্মরণে কখনো হাসতেন না।
হাজ্জাজ সাঈদ বিন যুবাইর (রা) কে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করল, আমি শুনতে পেলাম যে তুমি নাকি কখনো হাস না! যুবাইর (রা) বললেন: আমি কি করে হাসব অথচ জাহান্নামকে উদ্দীপিত করা হয়েছে, লোহার বেড়ী প্রস্তুত করা হয়েছে, জাহান্নামের ফিরিশতারা প্রস্তুত হয়ে আছে। (সাফওয়াতুস সাফওয়া- ৩/৩৩৩)
📄 কোন ঈমানদার পুলসিরাত পারের পূর্বে নির্ভয় হবে না
৯. কোন ঈমানদার পুলসিরাত পার হওয়ার পূর্বে নির্ভয় হতে পারবে না।
قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ (رض) إِنَّ الْمُؤْمِنَ لَا يَشْكُنْ رَوْعُهُ حَتَّى يَتْرُكَ جَسرَ جَهَنَّمَ وَرَاءَه .
মুয়াজ বিন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি ইরশাদ করেছেন: মু'মিন ব্যক্তি পুরসিরাত অতিক্রম করার পূর্ব পর্যন্ত নির্ভয় হতে পারবে না। (আল ফাওয়ায়েদ, ১৫২)