📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 নবীদের নেতা মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন

📄 নবীদের নেতা মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন


১. নবীগণের নেতা মুহাম্মদ আল্লাহর শাস্তির ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকতেন।
قُلْ إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ مَّنْ يُصْرَفْ عَنْهُ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمَهُ وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْمُبِينُ -
তুমি বল আমি আমার পালনকর্তার অবাধ্য হলে আমি মহা বিচারের দিনের মহা শাস্তির ভয় করছি, সে দিন যার ওপর হতে শাস্তি প্রত্যাহার করা হবে তার প্রতি আল্লাহ বড়ই অনুগ্রহ করবেন, আর এটাই হচ্ছে প্রকাশ্য মহাসাফল্য। (সূরা আন'আম, ১৫-১৬)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 সকল নবী বলবে-আমাকে নিরাপত্তা দিন

📄 সকল নবী বলবে-আমাকে নিরাপত্তা দিন


২. জাহান্নামের ওপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় নবীগণ বলতে থাকবে যে হে আল্লাহ আমাকে নিরাপত্তা দিন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ وَيُضْرَبُ الصِّرَاطُ بَيْنَ ظَهْرِى جَهَنَّمَ فَاكُونُ أَنَا وَأُمَّتِي أَوَّلَ مَنْ يُجِيزُهَا وَلَا يَتَكَلَّمُ يَوْمَئِذٍ إِلَّا الرُّسُلُ ... وَمِنْهُمُ الْمُخَرْدَلُ أَوِ الْمُجَازِي أَوْ نَحْوَهُ الْحَدِيثُ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরশাদ করেছেন: জাহান্নামের ওপর পুলসিরাত নির্মিত হবে, আমি এবং আমার উম্মতই সর্বপ্রথম তা অতিক্রম করব, সে দিন রাসূলগণ ব্যতীত আর কেউ কথা বলবে না, আর রাসূলগণও শুধু বলতে থাকবে, “হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদে রাখ হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপদে রাখ”। আর জাহান্নামে সা'দানের কাঁটার মত হুক থাকবে, তোমরা কি সা'দান গাছের কাঁটা প্রত্যক্ষ করেছো? সবাই বলল: হ্যাঁ। হে আল্লাহর রাসূল! রাসূল বললেন, সে হুকগুলো সা'দান বৃক্ষের কাঁটার মতো হবে। তবে তার বিরাটত্ব সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। ঐ হুকগুলো লোকদেরকে তাদের আমল অনুযায়ী ছোবল দিবে। তাদের মধ্যে কতিপয় থাকবে ঈমানদার, যারা তাদের নেক আমলের কারণে রক্ষা পেয়ে যাবে। আর কতিপয় বদ-আমলের কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। কতিপয়কে টুকরো টুকরো করে দেয়া হবে, আর কতিপয়কে পুরষ্কার দেয়া হবে বা অনুরূপ কথা বলা হয়েছে। (বোখারী, কিতাবুল তাউহীদ; বাব কাওলিল্লাহি তায়ালা ওয়া উজুহুই ইয়াওমা ইযিন নাযিরা ইলা রাব্বiহা নাযিরা)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 জাহান্নামের ভয়ানক আওয়াজ শুনে সকল নবী নিরাপত্তা চাইবে

📄 জাহান্নামের ভয়ানক আওয়াজ শুনে সকল নবী নিরাপত্তা চাইবে


৩. জাহান্নামের ভয়ানক আওয়াজ শ্রবণ করে সমস্ত ফেরেশতা এবং নবীগণ এমনকি ইবরাহীম (আ) আল্লাহর নিকট নিরাপত্তার জন্য আবেদন করবে।

عَنْ عُبَيْدِ ابْنِ عُمَيْرٍ (رض) فِي قَوْلِهِ تَعَالَى سَمِعُوا لَهَا تَغَيَّظًا وَزَفِيرًا قَالَ ....... وَيَقُولُ رَبِّ لَا أَسْأَلُكَ الْيَوْمَ إِلَّا نَفْسِي .
ওবাইদ বিন উমাইর (রা) আল্লাহর বাণী "তারা শুনতে পারবে জাহান্নামের ক্রুদ্ধ গর্জন” তাফসীরে ইরশাদ করেছেন: যখন জাহান্নাম রাগে গর্জন করতে থাকবে, তখন সমস্ত নৈকট্য অর্জনকারী ফিরিশতা, মর্যাদাবান নবীগণ, এমনকি ইবরাহীম (আ) হাঁটুর ওপর ভর করে বসে আল্লাহর নিকট আবেদন করতে থাকবে যে, হে আমার পালনকর্তা! আজ আমি তোমার নিকট একমাত্র আমার জীবনের নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। (ইবনে কাসীর, ৩/৪১৫)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 তাহাজ্জুদে রাসূল (সা) বারবার যে আয়াত পড়তেন

📄 তাহাজ্জুদে রাসূল (সা) বারবার যে আয়াত পড়তেন


৪. তাহাজ্জুদ সালাতে রাসূল শাস্তি প্রসঙ্গে একটি আয়াত বারবার তিলাওয়াত করতে করতে রাত পার করে দিতেন।

عَنْ أَبِي زَرِّ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ حَتَّى أَصْبَحَ بِآيَةٍ الْحَكِيمُ . الْآيَةُ إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ
আবু যার গিফারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক রাতে রাসূল তাহাজ্জুদ আদায়রত ছিলেন এবং সকাল পর্যন্ত একটি আয়াতই তেলাওয়াত করেছেন। (আর তা হল "আপনি যদি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন তবে, ওরাতো আপনার বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন তবে আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (ইবনে মাজাহ, কিতাব ইকামাতুল সালা; বাব মাযাআ ফিল কিরাআতি ফি সালাতিললাইল- ১/১১১০)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00