📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস অন্যকে না দানকারী

📄 নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস অন্যকে না দানকারী


২৬. কোন অনাবাদী এলাকায় নিজের প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও মুসাফিরকে পানি না দানকারী, পার্থিব স্বার্থে রাষ্ট্রনায়কের নিকট বাইয়াত গ্রহণকারী জাহান্নামী হবে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ثَلاث لا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ وَلَا يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ رَجُلٌ عَلَى فَضْلِ مَاءٍ بِالْفَلَاةِ يَمْنَعْهُ مِنْ ابْنِ السَّبِيلِ وَرَجُلٌ بَايَعَ رَجُلاً سِلْعَةً بَعْدَ الْعَصْرِ فَخَلَفَ لَهُ بِاللَّهِ لَا خُذِهَا لِكَذَا وَكَذَا فَصَدَّقَهُ وَهُوَ عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ وَرَجُلٌ بَايَعَ إِمَامًا لَا يُبَايِعُهُ إِلَّا لِدُنْيَا فَإِنْ أَعْطَاهُ مِنْهَا وَفَا وَإِنْ لَمْ يُعْطِهِ لَمْ يَفِ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন: তিন প্রকার লোকের সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি। ১. কোন ব্যক্তির নিকট প্রয়োজন অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও মরুভূমিতে অন্য লোকদেরকে পানি নেয়া থেকে বাধা দেয়। ২. যে ব্যক্তি আসরের পর আল্লাহর নামে এ বলে কসম করে মাল বিক্রি করল যে, এ মাল আমি এ মূল্যে খরিদ করেছি, আর ক্রেতাও তা বিশ্বাস করে ক্রয় করল, অথচ সে এ দামে তা ক্রয় করে নাই। ৩. যে ব্যক্তি পার্থিব স্বার্থে কোন রাষ্ট্রনায়কের নিকট বাইয়াত করল, যদি তাকে কিছু দেয়া হয় তাহলে সে তা পূর্ণ করে, আর কিছু না দিলে সে তা পূর্ণ করে না। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাব বায়ান গিলজ তাহরিমিল ইসবাল ওয়া বায়ান আস সালাসা আল্লাযিনা লা ইয়ুকাল্লিমুহুমল্লাহু ইয়ামুল কিয়ামা)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 লাগামহীন বক্তব্য দানকারী ব্যক্তি জাহান্নামী

📄 লাগামহীন বক্তব্য দানকারী ব্যক্তি জাহান্নামী


২৭. লাগামহীন বক্তব্য দানকারী ব্যক্তিও জাহান্নামী হবে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ إِنَّ الْعَبْدَ يَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ يَنْزِلُ بِهَا فِي النَّارِ أَبْعَدَ مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَبَيْنَ الْمَغْرِبِ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছেন, কখনও কখনও বান্দা তার মুখ দিয়ে এমন কোন কথা বলে ফেলে যার মাধ্যমে সে পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্বের চেয়েও জাহান্নামের অধিক গভীরে গিয়ে পৌঁছে। (মুসলিম, কিতাবুযযুহদ; বাব হিফজুল লিসান)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 কসম করে অপরের হক নষ্টকারী জাহান্নামী

📄 কসম করে অপরের হক নষ্টকারী জাহান্নামী


২৮. কসম করে অপরের হক নষ্টকারীও জাহান্নামী হবে।
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ (رض) أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ امْرِ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ فَقَدْ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ وَحَرَّمَ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنْ كَانَ شَيْئًا يَسِيرًا قَالَ وَإِنَّ قَضِيبًا مِنْ أَرَاكَ .
আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি কসম করে কোন মুসলমানের হক নষ্ট করল, আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব করে দেন। এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি সামান্য কিছুও হয়? তিনি বললেন: যদি বাবলা গাছের একটি শাখাও হয় তবুও। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান বাব ওয়ায়িদি মান ইকতাতায়া হাক্কুল মুসলিম)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 টাখনুর নিচে জামা, প্যান্ট ও লুঙ্গি পরিধানকারী জাহান্নামী

📄 টাখনুর নিচে জামা, প্যান্ট ও লুঙ্গি পরিধানকারী জাহান্নামী


২৯. পায়জামা, সেলওয়ার ও লুঙ্গি ইত্যাদি টাখনুর নিচে পরিধানকারী জাহান্নামী হবে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رضى) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ مِنَ الْإِزَارِ فَفِي النَّارِ .
আবু হুরাইরা (রা) নবী কারীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরশাদ করেছেন, লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে যাবে তা জাহান্নামী হবে। (বোখারী, কিতাবুত তাহারা বাব গাসলুল আরাকিব)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00