📄 কাফেরের আফসোস হায় আমি যদি রাসূলের কথা মানতাম
৮. আরো একটি আফসোস! হায়! আমি যদি রাসূলের কথা শ্রবণ করতাম, হায়! আমি যদি অমুক ও অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।
يَا لَيْتَنِي اتَّخَذْتُ مَعَ بَعضُ الظَّالِمُ عَلَى يَدَيْهِ يَقُولُ الـ ويوم بعض يه الرَّسُولِ سَبِيلاً يَا وَيْلَتَى لَيْتَنِي لَمْ أَتَّخِذْ فُلَانًا خَلِيلاً لَقَدْ أَضَلَّنِي عَنِ الذِّكْرِ بَعْدَ إِذْ جَاءَنِي وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِلْإِنْسَانِ خَدُولاً .
যালিম ব্যক্তি সেদিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে: হায় আমি যদি রাসূলের সাথে সৎ পথ অবলম্বন করতাম! হায় দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম! আমাকে তো সে বিভ্রান্ত করেছিল আমার নিকট উপদেশ পৌঁছার পর। শয়তান তো মানুষের জন্য মহা প্রতারক। (সূরা ফোরকান ২৭-২৯)
📄 কাফেরের আফসোস : হায় আমি যদি রাসূলের কথা অনুসরণ করতাম
৯. আগুনে জ্বলার পর কাফের আকাঙ্ক্ষা করবে যে, হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুসরণ করতাম।
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ يَقُولُونَ يَا لَيْتَنَا أَطَعْنَا اللَّهَ وأَطَعْنَا الرَّسُولاً .
যেদিন তাদের মুখমণ্ডল অগ্নিতে উলট-পালট করা হবে, সেদিন তারা বলবে, হায়! আমরা যদি আল্লাহকে মানতাম ও রাসূলকে মানতাম! (সূরা আহযাব-৬৬)
📄 কাফের স্বীয় কৃতকর্ম স্বীকার করে বের হতে আফসোস
১০. স্বীয় গুনাহর কথা স্বীকার করার পর জাহান্নাম থেকে বের হওয়ার জন্য নিষ্ফল আফসোস।
قَالُوا رَبَّنَا آمَنَّنَا اثْنَتَيْنِ وَأَحْيَيْتَنَا اثْنَتَيْنِ فَاعْتَرَفْنَا بِذُنُوبِنَا فَهَلْ إِلَى خُرُوجٍ مِّنْ سَبِيلٍ ذَلِكُمْ بِأَنَّهُ إِذَا دُعِيَ اللَّهُ وَحْدَهُ كَفَرْتُمْ وَإِنْ يُشْرَكَ بِهِ تُؤْمِنُوا فَالْحُكْمُ لِلَّهِ الْعَلِيِّ الْكَبِيرِ .
তারা বলবে: হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাদেরকে প্রাণীহীন অবস্থায় রেখেছেন এবং দু'বার আমাদেরকে প্রাণ দিয়েছেন। আমরা আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি, এখন বের হওয়ার কোন পথ মিলবে কি?
তোমাদের এ পার্থিব শান্তি তো এ জন্য যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হতো তখন, তোমরা তাঁকে অস্বীকার করতে এবং আল্লাহর শরীক স্থির করা হলে তোমরা তা বিশ্বাস করতে। বস্তুত সমুচ্চ মহান আল্লাহরই সমস্ত কর্তৃত্ব"। (সূরা মু'মিন-১১-১২)
📄 পাপী ব্যক্তি মুক্তি চাইবে সব কিছু জিম্মায় রেখে
১১. পাপী ব্যক্তি নিজের সন্তান, স্ত্রী, ভাই, আত্মীয়-স্বজন এমনকি পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টিকে জাহান্নামে দিয়ে হলেও সেখান থেকে সে নিজে বাঁচতে চাইবে কিন্তু তার এ আফসোস পূর্ণ হবে না।
يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بَنِيْهِ وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنْجِيهِ كَلَّا إِنَّهَا لَظَى نَزَّاعَةٌ لِلشَّوَى .
তাদেরকে করা হবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর, অপরাধী সেই দিনের শান্তি পরিবর্তন করে দিতে চাইবে সন্তান-সন্তুতিতে। তার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে, তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠিকে যারা তাকে আশ্রয় দিত এবং পৃথিবীর সকলকে, যাতে এ মুক্তিপণ তাকে মুক্তি দেয়। না কখনো নয়, এটা তো লেলিহান অগ্নি, যা পাত্র থেকে চামড়া খসিয়ে দিবে। (সূরা মায়ারিজ- ১১-১৬)