📄 জান্নাতীরা যা কামনা করবে সাথে সাথেই তা পূর্ণ হবে
১০. জান্নাতীরা যা কামনা করবে তা সাথে সাথেই পূর্ণ হবে।
عَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِيِّ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الْمُؤْمِنُ إِذَا اشْتَهَى الْوَلَدَ فِي الْجَنَّةِ كَانَ حَمْلُهُ وَوَضْعُهُ فِي سَاعَةٍ وَاحِدَةٍ كَمَا يَشْتَهِي .
আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন, মু'মিন ব্যক্তি জান্নাতে যদি সন্তান কামনা করে তাহলে মুহূর্তের মধ্যেই গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব হয়ে যাবে। (ইবনে মাযাহ, কিতাবুয্যহদ, বাব সিফাতুল জান্না- ২/৩৫০০)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَوْمًا يُحَدِّثُ وَعِنْدَهُ رَجُلٌ مِّنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ إِنَّ رَجُلاً مِّنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ اسْتَأْذَنَ رَبَّهُ فِي الزَّرْعِ فَقَالَ لَهُ أَلَسْتَ فِيمَا شِئْتَ؟ قَالَ بَلَى وَلَكِنِّي أَحَبُّ أَنْ أَزْرَعَ قَالَ فَبَذَرَ فَبَادَرَ الطَّرْفُ نَبَاتَهُ وَاسْتَوَاهُ وَاسْتَحْصَادَهُ فَكَانَ أَمْثَالَ الْجِبَالِ فَيَقُولُ اللهُ تَعَالَى دُونَكَ يَابْنَ آدَمَ فَإِنَّهُ لَا يَشْبَعُكَ شَيْئً فَقَالَ الْأَعْرَابِيُّ وَاللَّهِ لَا تَجِدُهُ إِلَّا قُرَيْشًا أَوْ أَنْصَارِيًّا فَإِنَّهُمْ أَصْحَابُ زَرْعٍ وَأَمَّا نَحْنُ فَلَسْنَا بِأَصْحَابِ الزَّرْعِ فَضَحِكَ النَّبِيُّ ﷺ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী করীম একবার তাঁর সাহাবীদের সাথে কথা বলছিলেন আর তাঁর পাশে একজন গ্রাম্য লোক বসা ছিল, তিনি বললেন: জান্নাতীদের মধ্যে এক ব্যক্তি তার প্রভুর নিকট কৃষি কাজ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবে। আল্লাহ বলবেন: তুমি যা চাচ্ছ তা কি তোমার নিকট নেই? জান্নাতী বলবে, কেন সবই আছে, কিন্তু কৃষি কাজ আমার পছন্দনীয়, তাই আমি তা করতে চাই। তখন ঐ ব্যক্তি জমিনে বীজ বপন করবে, মুহূর্তের মধ্যেই তা ফলে আসবে এবং কাটার উপযুক্ত হয়ে যাবে। বরং পাহাড় সমান ফসল হয়ে যাবে। তখন আল্লাহ বলবেন: হে আদম সন্তান! এখন খুশি হও, তোমার পেট কোন কিছুতেই ভরবে না। গ্রাম্য লোকটি বলল: আল্লাহর কসম! এ লোকটি অবশ্যই কোরাইশ বা আনসারদের মধ্য থেকে হবে, কেননা তারাই কৃষিকাজ করে, আমরা কখনো কৃষি কাজ করি না। রাসূলুল্লাহ একথা শুনে মুচকি হাসলেন। (বুখারী, কিতাবুল মাযরায়া)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ﷺ هَلْ نَصِلُ إِلَى نِسَائِنَا فِي الْجَنَّةِ؟ فَقَالَ إِنَّ الرَّجُلَ لَبَصِلُ فِي الْيَوْمِ إِلَى مِائَةِ عَدْرَاء .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ কে জিজ্ঞেস করা হল যে, আমরা কি জান্নাতে আমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন করব? তিনি বললেন: এক ব্যক্তি প্রতিদিন একশ কুমারী নারীর নিকট গমন করবে। (আবু নু'আইম, আলবানী সংকলিত সিলসিলা আহাদীস সহীহা, ১ম খণ্ড হাদীস নং ১০৮৭)
📄 আদম সন্তানদের মধ্যে জান্নাতীর হার হাজারে ১ জন
১১. আদম সন্তানদের মধ্যে জান্নাতী ও জাহান্নামীর হার হাজারে মাত্র একজন জান্নাতে প্রবেশ করবে, বাকি ৯৯৯ জন যাবে জাহান্নামে।
عنْ أَبِي سَعِيدِ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَا آدَمُ فَيَقُولُ : لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ قَالَ يَقُولُ أَخْرِجْ بَعْثَ النَّارِ قَالَ وَمَا بَعْثُ النَّارِ؟ قَالَ مِنْ كُلِّ أَلْفِ يَسْعُ مِائَةِ وتسعَةٌ وَتَسْعِيْنَ، قَالَ فَذَاكَ حِيْنَ يَشِيبُ الصَّغِيرُ وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمَلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سَكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ قَالَ فَاشْتَدَّ ذَالِكَ عَلَيْهِمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَأَيْنَ ذَاكَ الرَّجُلُ : فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبْشِرُوا فَإِنَّ مِنْ يَأْجُوجَ وَمَا جُوجَ الْفًا وَمِنْكُمْ رَجُلٌ .
আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেন: (কিয়ামতের দিন) আল্লাহ বলবেন, হে আদম! আদম (আ.) বলবে: হে আল্লাহ! আমি তোমার আনুগত্যে উপস্থিত, আর সমস্ত কল্যাণ তোমার হাতেই, তখন আল্লাহ বলবেন: সৃষ্টির মধ্য থেকে জাহান্নামীদেরকে পৃথক কর। আদম বলবে: জাহান্নামীদের সংখ্যা কত? আল্লাহ বলবেন: এক হাজারের মধ্যে ৯৯৯ জন। নবী করীম বলেন: এটা ঐ সময় যখন বাচ্চা বৃদ্ধ হয়ে যাবে, আর গর্ভধারিণীদের গর্ভপাত হয়ে যাবে, আর তুমি লোকদেরকে দেখে বেহুঁশ বলে মনে করবে, অথচ তারা বেহুঁশ নয়, বরং আল্লাহর আযাব এত কঠিন হবে যে, লোকেরা হুঁশ জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন: একথা শুনে সাহাবাগণ পেরেশান হয়ে গেল, আর বলতে লাগল, হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমাদের মধ্যে এমন সৌভাগ্যবান কে হবে যে জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন: আশান্বিত হও। ইয়া'জুজ মা'জুজের সংখ্যা এত বেশি হবে যে, ৯৯৯ জন তাদের মধ্য থেকে হবে আর অবশিষ্ট একজন তোমাদের মধ্য থেকে। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাব বয়ান কাউনু হাযিহিল উম্মা নিসফ আহলিল জান্না)
জান্নাতীদের দুই-তৃতীয়াংশ মুহাম্মদ-এর উম্মত আর বাকি এক-তৃতীয়াংশ হবে সমস্ত নবীদের উম্মত।
عَنْ بَرِيدَةَ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَهْلُ الْجَنَّةَ عِشْرُونَ وَمِائَةَ صَفٌّ ثَمَانُونَ مِنْهَا مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ وَأَرْبَعُونَ مِنْ سَائِرِ الْأُمَمِ .
বুরাইদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেন: জান্নাতীদের একশ বিশটি কাতার হবে, যার মধ্যে আশি কাতার হবে মুহাম্মদ-এর উম্মত। আর বাকি চল্লিশ কাতার হবে অন্যান্য উম্মত। (তিরমিযী, আবওয়াবুল জান্না, বাব মাযায় কাম সফ আহলিল জান্না-২/২০৬৫)
📄 জান্নাতীদের অর্ধেক হবে মুহাম্মদ (সা)-এর উম্মত
১২. জান্নাতীদের অর্ধেক সংখ্যক হবে মুহাম্মদ-এর উম্মত।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ (رض) قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَّا تَرْضُونَ أَنْ تَكُونُوا رَبَعَ اَهْلِ الْجَنَّةِ قَالَ فَكَبَرْنَا ثُمَّ قَالَ إنِّي لَا رُجُوا أَنْ تَكُونُوا شَطْرُ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَسَأُخْبِرُكُمْ عَنْ ذَلِكَ مَا الْمُسْلِمُونَ فِي الْكَفَّارِ إِلَّا كَشَعْرَةِ بَيْضَاءُ فِي نُورِ أَسْوَدُ أَوْ كَشَعَرَةٍ سَوْدَاءِ فِي نُورِ أَبْيَضُ .
আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেন, তোমরা কি এতে খুশি নও যে, জান্নাতীদের এক-চতুর্থাংশ তোমাদের মধ্য থেকে হবে? একথা শুনে আমরা আনন্দে আল্লাহু আকবার বললাম। অতপর রাসূলুল্লাহ্ বললেন : তোমরা কি এতে খুশি নও যে, জান্নাতীদের অর্ধেক তোমরা হবে? আমরা আনন্দে আবারো আল্লাহু আকবার বললাম। আবার রাসূলুল্লাহ বললেন : আমি আশা করছি যে, জান্নাতীদের অর্ধেক তোমরা হবে, আর এর কারণ এই যে, কাফেরদের তুলনায় মুসলমানদের সংখ্যা এমন যেমন কাল চুল বিশিষ্ট এক শরীরে একটি সাদা চুল, বা সাদা চুল বিশিষ্ট শরীরে একটি কাল চুল। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাব বয়ান কাওনু হাযিহিল উম্মা নিসফ আহlিল জান্না)
নোট :- প্রথম হাদীসে রাসূলুল্লাহ জান্নাতীদের মধ্যে উম্মতে মুহাম্মদীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ হবে বলেছেন আর পরবর্তী হাদীসে বলেছেন অর্ধেক, মূলত উভয় হাদীসের মাধ্যমে জান্নাতে উম্মতে মুহম্মাদীর সংখ্যাধিক্য বুঝানোই উদ্দেশ্য। (আল্লাহ্ ই এ ব্যাপারে ভালো জানেন)
মুহাম্মদ-এর উম্মতের মধ্যে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে ও বিনা শাস্তিতে জান্নাতে যাবে।
📄 প্রত্যেক হাজারের সাথে আরো এক হাজার লোক জান্নাতে যাবে
১৩. প্রত্যেক হাজারের সাথে আরো এক হাজার করে (অর্থাৎ ৪৯ লক্ষ) লোক মুহাম্মদ-এর উম্মতের মধ্য থেকে জান্নাতে যাবে।
এতদ্ব্যতীত আল্লাহ তিন লুফ পূর্ণ (যার সংখ্যা একমাত্র আল্লাহ্ ই ভালো জানেন) মানুষ ও উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্য থেকে জান্নাতে যাবে।
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ (رض) يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ وَعَدَنِي رَبِّي أَنْ يَدْخُلَ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعِينَ الْفَالَا حِسَابَ وَلَا عَذَابَ ، مَعَ كُلِّ أَلْفِ سَبْعُونَ أَلْفًا وَثَلَاثَ حَثِيَاتِ مِنَ حَثِيَاتِ رَبِّي .
আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ বলেছেন : আমার প্রতিপালক আমার সাথে ওয়াদা করেছেন যে, আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে ও শাস্তিহীনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। আর এ প্রত্যেক হাজারের সাথে আরো সত্তর হাজার লোক জান্নাতে যাবে। এর সাথে আরো আল্লাহ্র তিন লুফপূর্ণ লোক জান্নাতে যাবে। (তিরমিযী, আবওয়াব সিফাতিল কিয়ামা, বাবা মাযয়া ফিশশাফায়া- ২/১৯৮৪)
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ (رض) أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعُونَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ قَالُوا مَنْ هُمْ يَا رَسُولَ الله الله قَالَ هُمُ الَّذِينَ لا يَسْتَرْقُونَ وَلَا يَتَطَيَّرُونَ وَلَا يَكْتَرُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ فَقَامَ عُكَّشَةٌ فَقَالَ أَدْعُ اللَّهَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَنْ تَجْعَلَنِي مِنْهُمْ قَالَ أَنْتَ مِنْهُمْ .
ইমরান বিন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ঐ সৌভাগ্যবানরা কারা? তিনি বললেন: তারা ঐ সমস্ত লোক যারা কোন দিন (অসুস্থতার কারণে) কোন চিকিৎসা বা ঝাড় ফুঁকের বা ছেঁক দেয়ার ব্যবস্থা করে নি। বরং তারা শুধু তাদের রবের ওপর ভরসা করে থাকে। উক্বাশা (রা) বললেন: হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য দোয়া করুন আমিও যেন তাদের একজন হতে পারি। নবী করীম বললেন: তুমি তাদের একজন। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাব দলীল আলা দুখুল ত্বয়েফা মিনাল মুসলিমীন আল জান্না বিগাইরি হিসাব)
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ (رض) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ عُرِضَتْ عَلَى الْأُمِّمُ فرَأَيْتُ النَّبِيَّ وَمَعَهُ الرَّهَيْطُ وَالنَّبِيُّ وَمَعَهُ الرَّجُلُ وَالرَّجُلانِ وَالنَّبِيُّ ولَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ إِذْ رُفِعَ لِي سَوَادٌ عَظِيمٌ فَظَنَنْتُ إِنَّهُمْ أُمَّتِي فَقِيلَ لِي هَذَا مُوسَى وَقَوْمُهُ وَلَكِنِ انْظُرْ إِلَى الْأُفُقِ الْآخَرِ فَنَظَرْتُ فَإِذَا سَوَادٌ عَظِيمٌ فَقِيلَ لِي هَذِهِ أُمَّتُكَ مَعَهُ سَبْعُونَ الْفًا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ حِسَابٍ وَلَا عَذَابٍ .
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) নবী করীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার সামনে বিভিন্ন নবীর উম্মতদেরকে পেশ করা হল, কোন কোন নবী এমন ছিল যাদের সাথে দশজন লোকও ছিল না। আবার কোন কোন নবীর সাথে এক বা দুজন লোক ছিল, আবার কোন কোন নবীর সাথে কোন লোকই ছিল না। এমতাবস্থায় আমার সামনে এক বিশাল জনসমুদ্র আসল, আমি ভাবলাম, তারা আমার উম্মত, কিন্তু আমাকে বলা হল যে এ হল মূসা (আ) এবং তাঁর উম্মত। আমাকে বলা হল আপনি আকাশের এক দিকে লক্ষ্য করুন, আমি দেখতে পেলাম সেখানেও এক বিশাল জনসমুদ্র। অতঃপর আমাকে বলা হল আপনি আকাশের অন্য দিকে লক্ষ্য করুন, আমি দেখলাম সেখানেও এক বিশাল জনসমুদ্র। তখন আমাকে বলা হল- এরা হল আপনার উম্মত। যাদের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে এবং শাস্তিহীনভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাব দলীল আলা দুখুল ত্বয়েফা মিনাল মুসলিমীন আল জান্না বিগাইরি হিসাব)