📄 জান্নাতীদের পায়খানা-প্রসাবের প্রয়োজন হবে না। ঘাম ও ঢেঁকুরের মাধ্যমে সব হজম হয়ে যাবে
৬. জান্নাতীদের পায়খানা পেশাবের প্রয়োজন দেখা দিবে না, তাদের খাদ্যনালী ঘাম ও ঢেকুরের মাধ্যমে সব হজম হয়ে যাবে। জান্নাতীরা নিশ্বাস ত্যাগ করার ন্যায় প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর প্রশংসা করবে।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَأْكُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ فِيهَا وَيَشْرَبُونَ وَلَا يَتَغَوَّطُونَ وَلَا يَتَمَخَّطُونَ وَلَا يَبُولُونَ وَلَكِنْ طَعَامُهُمْ ذَلِكَ جُشَاءُ كَرَشْحِ الْمِسْكِ يُلْهَمُونَ التَّسْبِيحَ وَالتَّحْمِيدَ كَمَا تُلْهَمُونَ النَّفَسَ .
জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ বলেছেন, জান্নাতীরা পানাহার করবে কিন্তু শুধু ফেলবে না এবং পায়খানা পেশাবও করবে না। না নাকে পানি আসবে। সাহাবাগণ আরয করল, তাহলে তাদের খাবার শেষ কি হবে? তিনি উত্তরে বললেন : ঢেকুর ও ঘামের মাধ্যমে তা হজম হবে। জান্নাতীরা এমনভাবে আল্লাহর প্রশংসা ও তাসবীহ পাঠ করবে যেমন তারা শ্বাস প্রশ্বাস করে। (মুসলিম, আলবানী সংকলিত সিলসিলা আহাদীস সহীহা, হাদীস নং ৩৭২)
📄 জান্নাতীরা ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে না
৭. জান্নাতীরা ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে না।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ النَّوْمُ أَخُو الْمَوْتِ وَلَا يَنَامُ أَهْلُ الْجَنَّةِ .
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন, ঘুম মৃত্যুর ভাই, তাই জান্নাতীদের ঘুম হবে না। (আবু নুআইম, আলবানী সংকলিত সিলসিলা আহাদীস সহীহা, হাদীস নং ৩৬৭)
📄 সমস্ত জান্নাতীদের কাঁধ হবে ষাট হাত
৮. সমস্ত জান্নাতীদের কাঁধ হবে ষাট হাত।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فَكُلُّ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَةِ أَدَمَ طُولُهُ سِتَّوْنَ ذِرَاعًا فَلَمْ يَزَلِ الْخَلْقُ يَنْقُصُ بَعْدَهُ حَتَّى الآن .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন, জান্নাতে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তি আদম (আ)-এর ন্যায় ষাট হাত লম্বা হবে, (প্রথম মানুষ ষাট হাত ছিল) পরবর্তীতে তারা খাট হতে লাগল শেষ পর্যন্ত বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। (মুসলিম, কিতাবুল জান্না ওয়া সিফাতু নায়িমিহা)
📄 জান্নাতীদের গোঁফ-দাঁড়ি থাকবে না, বয়স ৩০-৩৩ বছরের হবে
৯. জান্নাতীদের চেহারায় দাড়ি-গোঁফ থাকবে না, জান্নাতীদের চোখ অলৌকিকভাবে লাজুক হবে। জান্নাতীদের বয়স ৩০-৩৩ বছরের মাঝামাঝি হবে।
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ (رض) أَنَّ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ يَدْخُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ جُرَدًا مَرَدًا مُكْحَلِينَ أَبْنَاءَ ثَلَاثِينَ أَوْثَلَاثِ وَثَلَاثِينَ سَنَةً .
মুয়াজ বিন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী করীম বলেছেন, জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশের সময় তাদের চেহারায় কোন দাড়ি-গোঁফ থাকবে না। চক্ষুদ্বয় লাজুক হবে। বয়স হবে ৩০-৩৩ এর মাঝামাঝি। (তিরমিযী, সিফাত আবওয়াবিল জান্না, বাব মাযায়া ফি সিন্নি আহলিল জান্না- ২/২০৬৪)