📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 সালাত আদায়কারী, সিয়াম পালনকারী, সতী ও স্বীয় স্বামীর আনুগত্যশীল নারী জান্নাতে প্রবেশ করবে

📄 সালাত আদায়কারী, সিয়াম পালনকারী, সতী ও স্বীয় স্বামীর আনুগত্যশীল নারী জান্নাতে প্রবেশ করবে


৮. নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারী, রমযানে সিয়াম সাধনাকারিণী, সতী, স্বীয় স্বামীর আনুগত্যশীল নারী জান্নাতের আট দরজার মধ্য থেকে যে কোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَحَصَّنَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا قِيلَ لَهَا ادْخُلِي الْجَنَّةَ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ مَا شِئْتَ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাযথভাবে আদায় করে, রমযানে রোযা রাখে, লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে, স্বীয় স্বামীর অনুগত থাকে, শেষ বিচারের দিন তাকে বলা হবে, জান্নাতের যে দরজা দিয়ে খুশি তা দিয়ে তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর। (ইবনে হিব্বান, আলবানীর সম্পাদিত সহীহ আল জামে' আস্সাগীর, ৩য় খণ্ড, হাদীস নং ৬৭৩)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 যার অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৩ জন সন্তান মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতের প্রবেশ করবে

📄 যার অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৩ জন সন্তান মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতের প্রবেশ করবে


৯. তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মৃত্যুতে ধৈর্যধারণকারী ব্যক্তি জান্নাতের আটটি দরজার যে কোনো একটি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ (رض) عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَمُوتُ لَهُ ثَلَاثَةٌ مِّنَ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغَ الْحِنْتَ إِلَّا تَلَقُّوهُ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ الثَّمَانِيَةِ مِنْ أَيُّهَا شَاءَ دَخَلَ .
আনাস বিন মালেক (রা) নবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যে মুসলমান ব্যক্তির তিনজন নাবালেগ সন্তান মৃত্যুবরণ করল (আর সে তাতে সবর করল) সে জান্নাতের আট দরজাতেই তাদের সাক্ষাৎ পাবে এবং এর যে দরজা দিয়ে খুশি তা দিয়েই সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। (সুনানে ইবনে মাযাহ, কিতাবুল জানায়েয, বাব মাযায়া ফী সাওয়াবি মান অসীবা লিওয়ালেদিহি- ১/১৩০৩)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়

📄 সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়


১০. সোম ও বৃহস্পতিবার দিন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ : تُفْتَحُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْإِثْنَيْنِ وَيَوْمَ الْخَمِيسِ فَيُغْفَرُ لِكُلِّ عَبْدٍ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا إِلَّا رَجُلٌ كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ شَحْنَاءُ فَيُقَالُ أَنْظُرُوا هذَيْنِ حَتَّى يَصْطَلِحًا .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন: সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া হয় এবং ঐ সকল ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হয়, যে আল্লাহর সাথে শিরক করে নি। কিন্তু ঐ ব্যক্তি ব্যতীত যে তার জন্য কোন ভাইয়ের সাথে হিংসা রাখে। (তাদের উভয়ের প্রসঙ্গে) ফেরেশতাকে বলা হয় যে, তাদের জন্য অপেক্ষা কর যাতে তারা পরস্পরে মিলিত হয়ে যায়। (মুসলিম, কিতাবুল বির ওয়া সিলা, বাব সাহানা)

📘 জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা > 📄 রামাদান মাসে জান্নাতের দরজা খোলা থাকে

📄 রামাদান মাসে জান্নাতের দরজা খোলা থাকে


১১. রমযানে পূর্ণ মাসব্যাপী জান্নাতের আট দরজা খোলা থাকে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (رض) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ فُتِحَتْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ .
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: যখন রমযান আসে তখন আকাশের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানকে জিঞ্জিরাবদ্ধ (শিকল দিয়ে বেধে রাখা) করা হয়। (মুত্তাফাকুন আলাইহি, আল লু'লু' ওয়াল মারজান, প্রথম খণ্ড হাদীস নং ৬৫২)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00