📘 জামাআতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত > 📄 যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে সালাতে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হবে

📄 যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে সালাতে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হবে


আবূ মূসা (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
(মসজিদ হতে) যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে সালাতে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে সালাত আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে অধিক, যে একাকী সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। (সহীহ বুখারী ৬৫১)

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ)..... উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
আমি জনৈক লোক সম্পর্কে জানি যার বাড়ী অপেক্ষা কারো বাড়ী মসজিদ থেকে অধিক দূরে ছিল বলে আমার জানা নেই। জামা'আতের সাথে কোন ওয়াক্তের সালাত আদায় করা তিনি ছাড়তেন না। উবাই ইবনু কাব বলেনঃ তাকে বলা হলো অথবা (বর্ণনাকারী আবূ উসমান নাহদীর সন্দেহ) আমি বললামঃ যদি তুমি একটি গাধা কিনে নাও এবং তার পিঠে আরোহণ করে রাতের অন্ধকারে এবং রোদের মধ্যে সালাত আদায় করতে আসো তাহলে তো বেশ ভালই হয়। এ কথা শুনে সে বললঃ আমার বাড়ী মসজিদের পাশে হোক তা আমি পছন্দ করি না। আমি চাই মসজিদে হেঁটে আসা এবং মাসজিদ থেকে ঘরে আমার পরিবার-পরিজনের কাছে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ আমার জন্য (আমলনামায়) লিপিবদ্ধ হোক। তার এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ তা'আলা তোমার জন্য অনুরূপ সাওয়াবই একত্রিত করে রেখেছেন। (সহীহ মুসলিম ৬৬৩)

📘 জামাআতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত > 📄 জীবনের সকল গুনাহ মাফ

📄 জীবনের সকল গুনাহ মাফ


হারুন ইবনু সাঈদ আল আইলী ..... উসমান (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম হুমরান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ
একদিন উসমান ইবনু আফফান খুব উত্তমরূপে ওযু করে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ওযু করতে দেখেছি যে, সে অতি যত্ন করে ওযু করলেন। অতঃপর তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অনুরূপ ওযু করে সালাতের জন্যে মসজিদের দিকে যায় এবং তার মসজিদে যাওয়া যদি সালাত ব্যতীত অন্য কোন কারণে না হয় তবে তার অতীত জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (সহীহ মুসলিম ২৩২)

📘 জামাআতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত > 📄 ইহরামধারী হাজ্জীর সমান সওয়াব

📄 ইহরামধারী হাজ্জীর সমান সওয়াব


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি ফরয সালাতের জন্য অযু করে নিজ ঘর থেকে বের হবে, সে একজন ইহরামধারী হাজ্জীর সমান সাওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি চাশতের সালাত আদায় করার জন্য বের হবে, সে একজন 'উমরাহকারীর সমান সাওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত সালাত আদায়ের পর থেকে আরেক ওয়াক্ত সালাত আদায়ের মধ্যবর্তী সময়ে কোন বাজে কথা বা কাজ করবে না, তাকে ইল্লিন-এ লিপিবদ্ধ করা হবে (অর্থাৎ তার মর্যাদা সুউচ্চ হবে)। (সুনান আবু দাউদ ৫৫৮)

বলা বাহুল্য, যে ব্যক্তি স্বগৃহে ওযু করে ফরয নামায আদায় করার জন্য প্রত্যহ্ ৫ বার মসজিদে যায় এবং সে তাতে ঐ বিশাল সওয়াবের আশা রাখে, সে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন ৫টি করে; অর্থাৎ বছরে প্রায় ১৮০০টি হজ্জ করার সওয়াব লাভ করে! আর ৬০ বছরের জীবনে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার বার হজ্জ করা হয় একজন মসজিদ-ভক্ত নামাযীর! অতএব অনায়াসে সে ৬০ বছরেই যেন ১০৮০০০ বছরের জীবন লাভ করে থাকে। বরং এত বছর বাঁচলেও সে হয়তো প্রত্যেক বছর হজ্জ করতে সক্ষম হবে না। কিন্তু জামাআতের ঐ নামায তাকে এত দীর্ঘ জীবন দান করে থাকে।

📘 জামাআতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত > 📄 পাপরাশি দূর ও মর্যাদা বৃদ্ধি

📄 পাপরাশি দূর ও মর্যাদা বৃদ্ধি


ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ).... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেন অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযু করা, মসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা... (সহীহ মুসলিম ২৫১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00