📄 'আমল ও দু'আ কবুলের জন্য নাবী ইবরাহীম ও ইসমাঈল (আঃ)-এর প্রার্থনা
وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ * رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمِ
“আর স্মরণ কর, যখন ইবরাহীম ও ইসমাঈল কাবা গৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল তখন তারা দু'আ করেছিলো: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ হতে এটা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি অতিশয় শ্রবণকারী মহাজ্ঞানী।” (সূরা আল-বাকারা ১২৭)
رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ
“হে আমার পালনকর্তা! আমাকে নামায কায়িমকারী বানিয়ে দিন এবং আমার সন্তানদের মধ্য হতেও। হে আমাদের পালনকর্তা! আমার প্রার্থনা কবুল করুন।” (সূরা ইবরাহীম ৪০)
📄 পরম দয়ালু আল্লাহ
আল্লাহ রাব্বুল 'আলামীন স্বীয় বান্দার প্রতি পরম দয়ালু ও মেহেরবান। বান্দার ইবাদত গ্রহণ করতে এবং গুনাহগারের তাওবাহ কবুল করতে তিনি পছন্দ করেন। তাইতো নিজেকে বান্দার আহ্বানে সাড়া দানকারী হিসেবে উপস্থাপন করে বলেছেন,
أَدْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ
"তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো।” (সূরা মু'মিন ৬০)
أَجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِي
“যখনই কোন প্রার্থনাকারী আমার কাছে প্রার্থনা করে আমি তার প্রার্থনা কবুল করে নেই।" (সূরা আল-বাকারা ১৮৬)
তথাপিও কুরআন-সুন্নাহর নিরিখে এমন কতগুলো ত্রুটি আমাদের সম্মুখে উপস্থাপিত হলো যার বর্তমানে আল্লাহ তা'আলা বান্দার ইবাদত ও দু'আকে অসন্তুষ্ট চিত্তে বর্জন করবেন। অতএব এ থেকে পরিত্রাণের পথ অবশ্যই বের করতে হবে। আর তা হলো ইবাদত ও দু'আ কবুলের অন্তরায়গুলো থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখা এবং যদি কারোর দ্বারা ঐরূপ ত্রুটি সংগঠিত হয়ে যায় তবে অবিলম্বে খাঁটি মনে তাওবাহ করে সংশোধন হয়ে যাওয়া। কুরআনুল কারীমেও এ কথাই বলে দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন,
فَأَمَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَعَسَى أَنْ يَكُونَ مِنَ الْمُفْلِحِينَ
“তবে যে তাওবাহ করে, ঈমান আনে এবং নেক কাজ করে আশা করা যায় সে সফলকাম হবে।" (সূরা কাসাস ৬৭)
فَمَنْ تَابَ مِنْ بَعْدِ ظُلْمِهِ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ اللَّهَ يَتُوبَ عَلَيْهِ
"আর যে স্বীয় যুলুমের পর তাওবাহ করে এবং সংশোধিত হয় আল্লাহ তার তাওবাহ কবুল করেন।" (সূরা আল-মায়িদা ৩৯)
হে আল্লাহ! আমাদেরকে মকবুল ইবাদত করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)
সমাপ্তির দু'আ