📘 যাদের ইবাদত কবুল হয় না > 📄 বেনামাযীর সৎকর্ম

📄 বেনামাযীর সৎকর্ম


রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বেনামাযী হয়ে আল্লাহর কাছে যাবে তার অন্যান্য সৎকাজকে আল্লাহ গ্রহণ করবেন না। (তাবারানী)
নামায ত্যাগ কুফরী। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফির ও মুসলমানের মধ্যে পার্থক্য হিসেবে নামাযকে উল্লেখ করেছেন। কোন ব্যক্তি মুসলমান হবার সাথে সাথে তার উপর নামায ফরয হয়ে যায় অন্যথায় তার মুসলমানিত্ব বজায় থাকে না। কুরআন মাজীদে মহান আল্লাহ তা'আলা বহুবার নামাযের নির্দেশ প্রদান করেছেন। এই মহান নির্দেশ যারা অমান্য করে তাদের ঈমানের দনাবী নিঃসন্দেহে মিথ্যা। কারো বেনামাযী হওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, তার অন্তর ঈমানশূন্য, দুনিয়াপূজা ও অহঙ্কারপূর্ণ। বেনামাযী ব্যক্তি আল্লাহ ও রসূলের প্রতি ঈমানের মৌলিক স্বীকৃতি দিলেও তার কর্ম তাকে কুফরী বা কাফিরের অন্তর্ভুক্ত করে দেয়। [প্রাসঙ্গিক বক্তব্য দেখুন ১৩-১৪ পৃষ্ঠার, (ক)]
তবে এখানে মূল কথা হচ্ছে রসূল সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উল্লেখিত হাদীসটি যাতে তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে, বেনামাযীর কোন সৎকর্মই আল্লাহ তা'আলা গ্রহণ করবেন না।
উল্লেখ্য বেনামাযী কারা বা উক্ত হাদীসের বিধানে কারা শামিল হবে এতেও কিছু সংশয় দেখা দিয়েছে। কেননা, বর্তমানে কয়েক ধরনের বেনামাযী দেখা যাচ্ছে।
(১) যারা জীবনে নামায পড়েছে কিনা সন্দেহ।
(২) শুধু জুমু'আর নামায আর ঈদের নামায। এদের ব্যাপারে একদল উলামার মত হলো এরা বেনামাযীর মধ্যেই শামিল হবে। কেননা সপ্তাহে ৭ দিনে ৩৫ ওয়াক্ত ফরয নামাযের মধ্যে মাত্র এক ওয়াক্ত নামাযে সাড়া দিয়েছে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য। তাই এদের কেউ মারা গেলে এদের জানাযা পড়া ঠিক নয় এবং মুসলমানের কবরস্থানেও এদেরকে কবর দেয়া ঠিক হবে না। কারণ এরা দীনের সাথে ঠাট্টা করেছে এবং কুফরী অবস্থায় মারা গেছে। সেজন্য এদের কোন সৎকর্ম গৃহীত হবার কথা নয়।
(৩) বারো মাসে একমাস ও একদিন অর্থাৎ শুধু রামাযান মাস এবং শবেবরাত নামক বিদ'আতী আমলের দিনটিতে। এদের ব্যাপারে বক্তব্য হলো, সে যদি আল্লাহর দরবারে এই বলে তাওবাহ করে যে, সে আর নামায ছাড়বে না তাহলে উত্তম। আর যদি প্রতি বছরই এভাবে রামাযানের পর নামায ছেড়ে দেয়া ফ্যাশন হয়ে দাঁড়ায় তবে এর পরিণতি আরো ভয়াবহ। নামায ছেড়ে দেয়া অবস্থায় মারা গেলে সে কুফরীর উপর মারা যাবে। আর শবেবরাত? সে রাতকে নির্দিষ্ট করে ইবাদত সম্পূর্ণ বিদ'আত। এমন ব্যক্তির ইবাদত দু'টি কারণে কবুল হবে না। (ক) সে বিদ'আতী এবং (খ) ৩৬৪ দিনে মোট ১৮২০ ওয়াক্ত নামায পরিত্যাগকারী।
উল্লেখিত ব্যক্তিদের যদি বেনামাযীর মধ্যে শামিল না করে অনিয়মিত নামাযী বা নামাযের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনকারীও বলা হয় তবুও হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী তাদের পরিণাম খুবই ভয়াবহ।
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত বা যথাযথভাবে নামায আদায় করে না, তার ঐ নামায পরকালে নূর, দলিল বা নাজাতের উপকরণ তো হবেই না বরং তার হাশর হবে ফেরাউন, কারুন, হামান ও উবাই ইবনু খালফের সাথে। (আহমাদ, বাইহাকী, দারেমী)
লক্ষণীয় যে, একজন বেনামাযী তার ব্যবহার যদিও ভাল হয় বা সে একজন ভাল মানুষ হিসেবে অনেকের কারছে সুপরিচিত কিন্তু সে তো একজন ঈমানদার নয়। অতএব তার সকল ভাল কাজই যে বরবাদ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে যদি নামায পড়ে তাহলে তার অপরাধ ক্ষমা ও সৎকর্ম কবুল হবার সুযোগ রয়েছে।
আসলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী আইন বাস্তবায়িত হলে বেনামাযীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হতো। ফলে ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি আইনের চাপ এবং শাস্তির ভয়ে বেনামাযী খুঁজে পাওয়া যেত না। আজ দুর্ভাগ্য আল্লাহর আইন সমাজে বাস্তবায়িত নেই বলেই মুসলিম পরিচয় বহনকারীদের বিশেষ করে নামাযের ব্যাপারে এ করুণ অবস্থা।

📘 যাদের ইবাদত কবুল হয় না > 📄 জাফরান রং ব্যবহারকারী পুরুষ

📄 জাফরান রং ব্যবহারকারী পুরুষ


قال رسول الله ﷺ : « لا يقبل الله صلواة رجل في جسده شيئ من خلوق (أبو داود مشكاة، ضعفه الباني)
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ সে ব্যক্তির নামায কবুল করেন না, যার দেহে জাফরান রঙের কিছু থাকে। (আবূ দাউদ, মিশকাত)
আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'একরাতে দু'হাত ফাটা অবস্থায় আমি আমার পরিবারের কাছে হাজির হলে তারা আমার দু'হাতে জাফরান রঙের প্রলেপ লাগিয়ে দেয়। পরদিন সকালে আমি নাবী সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে সালাম করলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি এবং মারহাবাও বলেননি বরং তিনি বলেন, তুমি ফিরে যাও এবং একে ধুয়ে ফেল। আমি তা ধুয়ে পুনরায় তার নিকট হাজির হই, কিন্তু সে রঙের কিছু তখনও অবশিষ্ট ছিল। এরপর আমি তাকে সালাম দিলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি এবং মারহাবাও বলেননি। তিনি বলেন, ফিরে যাও এবং হাত থেকে এ রং ধুয়ে ফেল। আমি ফিরে গিয়ে ধুয়ে ফেলে তাঁর কাছে এসে তাকে সালাম করি। তখন তিনি আমার সালামের জবাব দেন এবং মারহাবা বলেন। তারপর তিনি বলেন, ফেরেশতারা কাফিরের জানাযা, জাফরান রং ব্যবহারকারী ও অপবিত্র লোকদের নিকট আসে না। তবে তিনি নাপাক অবস্থায় অযু করার পর পানাহার করতে ও নিদ্রা যেতে অনুমতি দিয়েছেন। (আবূ দাউদ)
আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রাঃ) বলেন, নাবী সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পরিধানে জাফরান রং এর দু'খানা কাপড় দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মা' কি এগুলি পড়তে বলেছে? আমি বললাম, আমি কাপড়খানা ধুয়ে ফেলব? তিনি বললেন বরং জালিয়ে ফেল। অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন, এগুলো কাফিরদের পোশাক সুতরাং এসব পোশাক পড়বে না। (সহীহ মুসলিম)

📘 যাদের ইবাদত কবুল হয় না > 📄 যে মহিলা খুশবু লাগিয়ে বাইরে বা মাসজিদে যায়

📄 যে মহিলা খুশবু লাগিয়ে বাইরে বা মাসজিদে যায়


عن أبي هريرة قال لقيته امراة وجد منها ريح الطيب ولذيلها اعصار ، فقال : يا امة الجبار جئت من المسجد قالت نعم قال وتطيبت قالت نعم قال اني سمعت حبى ابا القاسم ﷺ يقول : «لا تقبل صلوة امرأة تطيبت لهذا المسجد حتى ترجع فتغسل غسلها من الجنابة»
(ابو داود - صححه الباني، مسلم)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: একদা আমার সাথে এক মহিলার দেখা হয়, যার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছিল এবং তার (পাতলা) কাপড়ও বাতাসে উড়ছিল। তখন আমি তাকে বলি, হে বেহায়া মহিলা! তুমি কি মাসজিদ থেকে আসছো? সে বলে হ্যাঁ। তিনি বলেন, তুমি কি খুশবু ব্যবহার করেছো? সে বলল, হ্যাঁ। তখন আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আমি আমার প্রিয় আবুল কাসিম রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: যে মহিলা খুশবু লাগিয়ে এ মাসজিদে আসে, তার নামায কবুল হয় না, যতক্ষণ না সে ফিরে গিয়ে নাপাকীর গোসলের ন্যায় গোসল করে। (অর্থাৎ এমন উত্তমরূপে গোসল করে যাতে তার দেহে কোন সুগন্ধি না থাকে।) (আবূ দাউদ: অনুচ্ছেদ-বাইরে যাওয়ার সময় মহিলাদের খুশবু লাগানো, আলবানী একে সহীহ বলেছেন, মুসলিম)
قال رسول الله ﷺ ايما إمراة أصابت بخورا فلا تشهدن معنا العشاء» (ابو داود - صححه الباني، مسلم)
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে মহিলা লোবান (এক জাতীয় খুশবু) ইত্যাদি দিয়ে খুশবু ব্যবহার করবে সে যেন আমাদের সাথে 'ইশার নামায আদায়ের জন্য উপস্থিত না হয়। (আবূ দাউদ- আলবানী একে সহীহ বলেছেন, মুসলিম)
[ স্ত্রী স্বামীকে খুশি করার জন্য রং ও খুশবু ব্যবহার করতে পারবে। ]

📘 যাদের ইবাদত কবুল হয় না > 📄 যে জাতি নিজ হাতে কামানো আযাবে পতিত হয়

📄 যে জাতি নিজ হাতে কামানো আযাবে পতিত হয়


فسمعته يقول : «يأيها الناس إن الله عزوجل يقول مروا بالمعروف وانهو عن المنكر من قبل ان تدعوني فلا أجيبكم وتسألوني فلا أعطيكم وتستنصروني فلا أنصروكم» (احمد، ابن ماجة، حسنه الباني)
আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, একদা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে আসলেন। তখন তাঁর মুখমণ্ডল দেখে মনে হলো যে, কোন জিনিস যেন তাকে আঘাত করেছে। অতঃপর তিনি অযু করলেন এবং বের হয়ে গেলেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি কাউকেও কিছু বললেন না। আমি হুজরার ভেতর থেকেই তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমি শুনতে পেলাম, তিনি বলছেন- হে লোক সমাজ! আল্লাহ তা'আলা নিশ্চয় বলেছেন যে, "তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ হতে লোকদের বিরত রাখবে সেই অবস্থা সৃষ্টির পূর্বে যখন তোমরা আমাকে ডাকবে কিন্তু আমি তাতে সাড়া দেব না, তোমরা আমার নিকট চাইবে কিন্তু আমি তোমাদেরকে দেব না। তোমরা আমার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে, কিন্তু আমি তোমাদের সাহায্য করবো না”। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনু মাজাহ- আলবানী একে হাসান বলেছেন)
عن حذيفة بن اليمان عن النبي قال : «والذي نفسي بيده لتأمرن بالمعروف ولتنهون عن المنكر او ليوشكن الله ان يبعث عليكم عقابا منه ثم تدعونه فلا يستجاب لكم» (ترمزی، وحسنه)
হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে এবং অন্যায়ের প্রতিরোধ করবে। নতুবা অবিলম্বে আল্লাহ তোমাদের উপর তাঁর আযাব নাযিল করবেন। তখন তোমরা তাঁর কাছে দু'আ করলেও তিনি তোমাদের সেই দু'আ কবুল করবেন না। (তিরমিযী, ইমাম তিরমিযী একে হাসান বলেছেন)
عن حذيفة بن اليمان قال قال رسول الله ﷺ : «التأمرن بالمعروف ولتنهون عن المنكر ولتحاضن على الخير او ليسحتنكم الله جميعا بعذاب أو ليؤمرن عليكم شراركم ثم يدعوا خياركم فلا يستجاب لهم» (مسند أحمد)
হুযাইফা বিন ইয়ামান (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের প্রতিরোধ করবে। অন্যথায় আল্লাহ তা'আলা যে কোন আযাবে তোমাদের সকলকে ধ্বংস করে দিবেন কিংবা তোমাদের মধ্য হতে সর্বাধিক পাপাচারী অন্যায়কারী জালিম লোকদেরকে তোমাদের উপর শাসনকর্তা নিযুক্ত করে দিবেন। এমতাবস্থায় তোমাদের মধ্যকার সৎ লোকেরা আল্লাহর কাছে মুক্তি লাভের জন্য দু'আ করবে কিন্তু তখন তা কবুল করা হবে না। (মুসনাদে আহমাদ)
কুরআন হাদীসে বর্ণিত নির্দেশাবলী মেনে চলার আহ্বান ও নিষিদ্ধ তথা নাফরমানী কাজের নিষেধ ও প্রতিরোধ করার দায়িত্ব আল্লাহ তা'আলা সর্বস্তরের মুসলমানের জন্য বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন। এটা এমনি একটি দায়িত্ব যা বাস্তবায়নে অলসতা, উদাসীনতা ও অনীহা প্রকাশ কোন জাতির ভাগ্যে করুণ পরিণতি ডেকে আনার জন্য যথেষ্ট। যে দেশের রাষ্ট্র নায়ক, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণ 'সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ প্রতিরোধে ব্যর্থ, যেখানে হত্যা, সন্ত্রাস, চুরি, চাঁদাবাজী, সুদ, ঘুষ, যিনা, ব্যভিচারী, জীবনের নিরাপত্তার হুমকি, অর্থনৈতিক দূরবস্থা, পারিবারিক কোন্দল, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশ্বাসঘাতকতা, সামাজিক বিশৃঙ্খলা, অসৎ লোকের নেতৃত্ব কর্তৃত্ব, বন্যা, খড়া, মহামারি প্রভৃতি আযাব তাদেরকে চারদিক থেকে অক্টোপাসের মত ঘিরে ধরবে। ঠিক এমনি মুহূর্তে অশান্তির আগুনে জর্জরিত অতিষ্ঠ মানবের আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করাটাই স্বাভাবিক কিন্তু এ তো নিজেদের হাতের কামাই। ঐরূপ অবস্থার জন্য তো নিজেরাই দায়ী। তাই এরূপ অবস্থায় দু'আ কিভাবে কাজে লাগবে? অথচ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টির ব্যাপারে আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, "মানুষ কোন অত্যাচারীকে অত্যাচার করতে দেখেও তার দু'হাত চেপে ধরে তাকে প্রতিহত না করলে অচিরেই আল্লাহ তা'আলা তাদের সকলকে তাঁর ব্যাপক আযাবে নিক্ষিপ্ত করবেন"- (তিরমিযী, তিনি একে সহীহ বলেছেন)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00