📄 জান্নাতীদের পানাহার
আপনি যদি জান্নাতীদের খাদ্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন তবে জেনে নিন তাদের খাদ্য হবে তাদের পছন্দ মত ফলমূল এবং রুচী সম্মত পাখীর গোশত। তাদের পানীয় হবে তাসনিমের পানি এবং কপূর ও আদার রস মিশ্রিত শরবত। তাদের পানাহারের পাত্রগুলো হবে সোনা ও রূপার তৈরী। তবে তার রং হবে পানপাত্রের রঙ্গের মত। তারা পানাহার করবে; কিন্তু প্রস্রাব-পায়খানার প্রয়োজন হবেনা। শরীর থেকে এমন ঘাম বের হবে যার সুগন্ধ হবে কস্তুরীর সুঘ্রাণ থেকেও উত্তম।
📄 জান্নাতীদের পোষাকের বর্ণনা
তাঁদেরকে রেশমের পোষাক ও স্বর্ণের অলংকার পরিধান করানো হবে। তাদের বিছানাও হবে মোটা রেশমের তৈরী।
📄 জান্নাতের প্রশস্ততা
আপনি যদি বেহেশতের প্রশস্ততা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে জেনে নিন যে, বেহেশতের দরজার দুই কপাটের মধ্যখানের প্রশস্ততা হবে চল্লিশ বছরের রাস্তা। বেহেশতের ছাদের উচ্চতা হবে আকাশে উদীয়মান নক্ষত্রের দূরত্বের সমান।
📄 জান্নাতীদের বয়স
বেহেশতবাসীদের বয়স হবে ৩৩বছর। তাদের মুখে কোন দাঁড়ি- মোচ থাকবেনা। তাদের যৌবন শেষ হবে না এবং পোষাকও পুরাতন হবেনা।
তাদের প্রথম দলটির চেহারা হবে পূর্ণিমার রাত্রির চাঁদের মত উজ্জ্বল। দৈর্ঘ্য ও শরীরের গঠন হবে মানব জাতির পিতা আদম (আঃ) এর সমান।