📄 বেহেশতের নদীসমূহ
জান্নাতে বিভিন্ন প্রকার নদী থাকবে। (১) দুধের নদী থাকবে যার স্বাদ কখনও পরিবর্তন হওয়ার নয়। (২) মদের নদী প্রবাহিত হবে। তবে তা দুনিয়ার মদের মত নয়। তা হবে অত্যন্ত সুস্বাদু। জান্নাতের শরাব পান করার পর মাথা ব্যথা, নেশা বা বমি হবেনা যা দুনিয়ার মদ পান করার পর হয়ে থাকে; বরং তা পান করার পর শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। (৩) জান্নাতে আরও থাকবে পরিচ্ছন্ন খাঁটি মধুর নহর যা আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের জন্যে তৈরী করে রাখা হয়েছে। (৪) পরিস্কার পানির নদীও থাকবে সেখানে।
📄 হাউজে কাউছারের বর্ণনা
বেহেশতের মধ্যে থাকবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাউজের পানি হবে দুধের চেয়ে সাদা, মধুর চেয়ে মিষ্টি এবং তার সুঘ্রাণ হবে কস্তুরীর চেয়েও অধিক পবিত্র। আকাশের তারকার সমপরিমাণ তার পেয়ালার সংখ্যা হবে। যে ব্যক্তি একবার তা থেকে পান করবে চিরদিনের জন্যে তার পিপাসা মিটে যাবে।
📄 জান্নাতীদের পানাহার
আপনি যদি জান্নাতীদের খাদ্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন তবে জেনে নিন তাদের খাদ্য হবে তাদের পছন্দ মত ফলমূল এবং রুচী সম্মত পাখীর গোশত। তাদের পানীয় হবে তাসনিমের পানি এবং কপূর ও আদার রস মিশ্রিত শরবত। তাদের পানাহারের পাত্রগুলো হবে সোনা ও রূপার তৈরী। তবে তার রং হবে পানপাত্রের রঙ্গের মত। তারা পানাহার করবে; কিন্তু প্রস্রাব-পায়খানার প্রয়োজন হবেনা। শরীর থেকে এমন ঘাম বের হবে যার সুগন্ধ হবে কস্তুরীর সুঘ্রাণ থেকেও উত্তম।
📄 জান্নাতীদের পোষাকের বর্ণনা
তাঁদেরকে রেশমের পোষাক ও স্বর্ণের অলংকার পরিধান করানো হবে। তাদের বিছানাও হবে মোটা রেশমের তৈরী।