📘 ইসলামিক ম্যানারস > 📄 ঘুম থেকে উঠার পরে যা করণীয়

📄 ঘুম থেকে উঠার পরে যা করণীয়


আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “তোমাদের কেউ ঘুম হতে জেগে উঠলে অজুর পাত্রে হাত দেওয়ার আগে হাত ধুয়ে নেবে। কেননা, তার জানা নেই যে, তার হাত কোথায় রাত্রি যাপন করেছে।” বুখারি : ১৬২, মুসলিম : ২৭৮

উম্মুল মুমিনিন আয়িশা রা. বলেন, “নবি সা. যখনই ঘুম থেকে জাগতেন, অজুর পূর্বে মিসওয়াক করতেন।”

হযরত মুআয ইবনু জাবাল রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, “যে মুসলিম রাতে পাক-পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর যিকর করে ঘুমিয়ে যায়, তারপর রাতেই জেগে উঠে আল্লাহর নিকট কল্যাণ কামনা করে, আল্লাহ তাকে (দুনিয়া ও আখিরাতে) অবশ্যই কল্যাণ দান করেন।” আবু দাউদ : ৫০৪২

শারিক আল হাওযানি রহ. বর্ণনা করেন, “আমি উম্মুল মুমিনিন আয়িশা রা.-এর নিকট গিয়ে প্রশ্ন করেছি, 'রাসূলুল্লাহ সা. রাত্রে ঘুম থেকে সজাগ হওয়ার পর কোন বিষয় দিয়ে ইবাদত আরম্ভ করতেন?' তখন আয়িশা রা. বললেন, 'তুমি আমাকে এমন বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছ, যা তোমার পূর্বে আমাকে কোনো লোক জিজ্ঞেস করেনি। তিনি রাত্রে ঘুম থেকে জেগে উঠার পর প্রথম দশবার আল্লাহু আকবার পাঠ করতেন। আলহামদু লিল্লাহ বলতেন দশবার। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী পাঠ করতেন দশবার। সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস পাঠ করতেন দশবার। আসতাগফিরুল্লাহ পাঠ করতেন দশবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করতেন দশবার। আর দশবার পড়তেন এ দুআ, আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন যীকিদ দুনইয়া ওয়া যীকি ইয়াওমিল কিয়ামাহ। এরপর তিনি (তাহাজ্জুদের) সালাত আরম্ভ করতেন।" আবু দাউদ : ৫০৮৫

ঘুমের আগে কোনো নামাজ বাদ গেলে বা ঘুমের কারণে কোনো নামাজ না পড়তে পারলে ঘুম থেকে উঠেই সেই নামাজগুলো পড়ে নেওয়া জরুরি। আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিতর না পড়ে ঘুমিয়ে গেল বা তা পড়তে ভুলে গেল, সে যেন ভোরবেলা অথবা যখন তার স্মরণ হয় তখন তা পড়ে নেয়।" আবু দাউদ : ১৪৩১, তিরমিযি: ৪৬৫

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “তোমাদের কেউ ঘুম হতে জেগে উঠলে অজুর পাত্রে হাত দেওয়ার আগে হাত ধুয়ে নেবে। কেননা, তার জানা নেই যে, তার হাত কোথায় রাত্রি যাপন করেছে।” বুখারি : ১৬২, মুসলিম : ২৭৮

উম্মুল মুমিনিন আয়িশা রা. বলেন, “নবি সা. যখনই ঘুম থেকে জাগতেন, অজুর পূর্বে মিসওয়াক করতেন।”

হযরত মুআয ইবনু জাবাল রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, “যে মুসলিম রাতে পাক-পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর যিকর করে ঘুমিয়ে যায়, তারপর রাতেই জেগে উঠে আল্লাহর নিকট কল্যাণ কামনা করে, আল্লাহ তাকে (দুনিয়া ও আখিরাতে) অবশ্যই কল্যাণ দান করেন।” আবু দাউদ : ৫০৪২

শারিক আল হাওযানি রহ. বর্ণনা করেন, “আমি উম্মুল মুমিনিন আয়িশা রা.-এর নিকট গিয়ে প্রশ্ন করেছি, 'রাসূলুল্লাহ সা. রাত্রে ঘুম থেকে সজাগ হওয়ার পর কোন বিষয় দিয়ে ইবাদত আরম্ভ করতেন?' তখন আয়িশা রা. বললেন, 'তুমি আমাকে এমন বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছ, যা তোমার পূর্বে আমাকে কোনো লোক জিজ্ঞেস করেনি। তিনি রাত্রে ঘুম থেকে জেগে উঠার পর প্রথম দশবার আল্লাহু আকবার পাঠ করতেন। আলহামদু লিল্লাহ বলতেন দশবার। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী পাঠ করতেন দশবার। সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস পাঠ করতেন দশবার। আসতাগফিরুল্লাহ পাঠ করতেন দশবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করতেন দশবার। আর দশবার পড়তেন এ দুআ, আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন যীকিদ দুনইয়া ওয়া যীকি ইয়াওমিল কিয়ামাহ। এরপর তিনি (তাহাজ্জুদের) সালাত আরম্ভ করতেন।" আবু দাউদ : ৫০৮৫

ঘুমের আগে কোনো নামাজ বাদ গেলে বা ঘুমের কারণে কোনো নামাজ না পড়তে পারলে ঘুম থেকে উঠেই সেই নামাজগুলো পড়ে নেওয়া জরুরি। আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিতর না পড়ে ঘুমিয়ে গেল বা তা পড়তে ভুলে গেল, সে যেন ভোরবেলা অথবা যখন তার স্মরণ হয় তখন তা পড়ে নেয়।" আবু দাউদ : ১৪৩১, তিরমিযি: ৪৬৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00