📘 ইসলামিক ম্যানারস > 📄 ফুল পাঠানো এবং কুরআনখানি

📄 ফুল পাঠানো এবং কুরআনখানি


এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকেই মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে ফুল নিয়ে যায় এবং কফিনের ওপর পুষ্পস্তবক প্রদান করে সম্মান জানায়। এমনকি মৃত ব্যক্তির বাসাতেও ফুল পাঠায়। এই ফুলগুলো তারা সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশের অংশ হিসেবেই এভাবে প্রেরণ করেন। তবে ইসলাম এই ধরনের কার্যক্রম অনুমোদন করে না। কারও জানাজায় ফুল নিয়ে যাওয়া বা মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ফুল পাঠানোর নিয়ম ইসলামে নেই। এগুলো সবই অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যা পরিহার করা উচিত। যারা এই কাজগুলো করেন, তারা এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ন্যূনতম পুরস্কার বা প্রতিদানও পাবে না। বরং এই ধরনের গর্হিত কাজ করার দায়ে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

আরেকটি বাজে চর্চা ইদানীং শুরু হয়েছে। তা হলো মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মাননা জানানো, এগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা, যেই গাড়িতে করে কফিন বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে তাও সম্প্রচার করা, মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের অডিও রেকর্ড ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলো হওয়া অনুচিত। মৃত ব্যক্তির জানাজা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ভেতর গাম্ভীর্যতা, নম্রতা, আল্লাহর জিকির এবং দুআর উপস্থিতি থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর কিছু নয়। মৃতদেহের পাশে কোনো বিষাদের সুর বাজানো উচিত নয় কিংবা কোনো বিশেষ স্লোগান তোলারও কোনো প্রয়োজন, নেই। এই বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকার সতর্কতামূলক বার্তা ব্যাপক পরিমাণে মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকেই মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে ফুল নিয়ে যায় এবং কফিনের ওপর পুষ্পস্তবক প্রদান করে সম্মান জানায়। এমনকি মৃত ব্যক্তির বাসাতেও ফুল পাঠায়। এই ফুলগুলো তারা সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশের অংশ হিসেবেই এভাবে প্রেরণ করেন। তবে ইসলাম এই ধরনের কার্যক্রম অনুমোদন করে না। কারও জানাজায় ফুল নিয়ে যাওয়া বা মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ফুল পাঠানোর নিয়ম ইসলামে নেই। এগুলো সবই অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যা পরিহার করা উচিত। যারা এই কাজগুলো করেন, তারা এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ন্যূনতম পুরস্কার বা প্রতিদানও পাবে না। বরং এই ধরনের গর্হিত কাজ করার দায়ে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

আরেকটি বাজে চর্চা ইদানীং শুরু হয়েছে। তা হলো মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মাননা জানানো, এগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা, যেই গাড়িতে করে কফিন বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে তাও সম্প্রচার করা, মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের অডিও রেকর্ড ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলো হওয়া অনুচিত। মৃত ব্যক্তির জানাজা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ভেতর গাম্ভীর্যতা, নম্রতা, আল্লাহর জিকির এবং দুআর উপস্থিতি থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর কিছু নয়। মৃতদেহের পাশে কোনো বিষাদের সুর বাজানো উচিত নয় কিংবা কোনো বিশেষ স্লোগান তোলারও কোনো প্রয়োজন, নেই। এই বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকার সতর্কতামূলক বার্তা ব্যাপক পরিমাণে মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00