📘 ইসলামিক ম্যানারস > 📄 শোক প্রকাশ

📄 শোক প্রকাশ


যদি আপনি আপন কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিতজনের জন্য শোক প্রকাশ করতে চান, তাহলে ভিকটিমের জন্য দুআ করুন। এটা খুবই উত্তম একটি আমল। উম্মে সালামা রা.-এর স্বামী যখন ইন্তেকাল করেন, তখন উম্মে সালামাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য রাসূল সা. একটি দুআ পাঠ করেছিলেন। মুসলিম শরিফে এই হাদিসটি উল্লিখিত রয়েছে। রাসূল সা. বলেছিলেন, “হে আল্লাহ! আপনি আবু সালামাহকে ক্ষমা করে দিন। তাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মাঝে শামিল করুন। যে পরিবারকে তিনি দুনিয়ায় রেখে গেলেন আপনি তাদের অভিভাবক হয়ে যান। হে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক! আমাদের সবাইকে এবং আবু সালামাহকে আপনি ক্ষমা করে দিন। তাকে কবরে শাস্তি দান করুন এবং সেখানে তার বসবাসকে আলোকিত করে দিন।"

মৃত ব্যক্তির পরিজন যারা সেই মুহূর্তগুলো খুবই কষ্টে পার করছেন তাদের সাথে এমনভাবে কথা বলুন- যাতে তাদের কষ্ট লাঘব হয়, তারা ধৈর্যধারণে উদ্বুদ্ধ হয়। তারা যেন অনুধাবন করতে পারে যে, আমরা সবাই এই পৃথিবীতে ক্ষণিকের অতিথি আর পরকালীন জীবনটাই চিরস্থায়ী।

এই প্রসঙ্গে, কুরআনের কিছু আয়াত, রাসূল সা.-এর কিছু হাদিস এবং আমাদের সোনালি যুগের কীর্তিমান মানুষদের শোক প্রকাশের কিছু ঘটনাকে আমরা উদাহরণ হিসেবে সামনে নিয়ে আসতে পারি। যেমন : কুরআন মাজিদে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেন,

“সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই কাছে ফিরে যাব। তারাই সেসব লোক, যাদের প্রতি তাদের রবের পক্ষ থেকে সালত ও রহম বর্ষিত হয়। আর তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।” সূরা বাকারা: ১৫৫-১৫৭

আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদে আরও বলেন,

“প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণভাবে সবকিছুর প্রতিদান পাবে। তারপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই হবে সফলকাম।" সূরা আলে ইমরান : ১৮৫

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আরও বলেন,

“যা কিছু আছে সবই বিলীন হয়ে যাবে, বাকি থাকবে কেবল তোমার মহামর্যাদাবান, মহানুভব প্রভুর সত্তা।" সূরা রহমান : ২৬-২৭

রাসূল সা.-এর কিছু হাদিস এই মর্মে উল্লেখ করা যায়। সহিহ মুসলিম ও ইবনে মাজাহ-র বর্ণনানুযায়ী, রাসূল সা. প্রায়শই দুআ করতেন, “হে আল্লাহ! আমার ওপর নির্ধারিত বিপদের বিনিময়ে আমাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন। আমি যা হারিয়েছি, তার পরিবর্তে আমার জন্য আরও ভালো প্রতিদান নির্ধারণ করুন।" ইবনে মাজাহ : ১৫৯৮

আমাদের পূর্বসূরি কীর্তিমান মনীষীদের শোকপ্রকাশের ধরনও এক্ষেত্রে উল্লেখ করা যায়। সাইয়িদুনা উমর ইবনে খাত্তাব রা. প্রায়শই বলতেন, “প্রতিদিনই আমরা খবর পাই, অমুক অমুক ব্যক্তি মারা গেছেন। কোনো একদিন এমনও বলা হবে, উমর মারা গেছে।"

আমিরুল মুমিনিন উমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ. বলতেন, “আদম সন্তান মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তার আসল ঠিকানায় পৌঁছে যায়, শিকড়ের আরও গভীরে তার ঠাঁই হয়।”

প্রখ্যাত তাবেয়ি হাসান বসরি রহ. বলে গেছেন, “হে আদম সন্তান, তোমরা হলে কিছু দিনের সমষ্টি। একটি দিন চলে যাওয়া মানে, তোমার থেকেই কিছু অংশ চলে যাওয়া। আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, বিশ্বাসী ব্যক্তিদের স্থায়ী ঠিকানা হলো জান্নাত।”

হাসান বসরির ছাত্র মালিক বিন দিনার রহ. বলতেন, “আল্লাহকে যারা ভয় করে তাদের জন্য শেষ বিচারের দিনই হবে উৎসবের দিন।”

শোক প্রকাশ নিয়ে এতগুলো কথা বললাম। কেননা, আমি নিজেই কঠিন পরিস্থিতিগুলোতে অনেককে অনর্থক কথা বলতে শুনেছি। তারা সহানুভূতি প্রকাশ করার নামে এমন সব কথা বলেন, যা কষ্টকর সেই ক্ষণগুলোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। শোকাহত অন্তরগুলো এমনিতেই কষ্টে ও বিপর্যয়ের মধ্যে ডুবে থাকে। তাই শোকগ্রস্ত লোকদের সাথে কথা বলার জন্য যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক বিষয়াবলিই নির্বাচন করুন।

শোকার্ত পরিবারগুলো আল্লাহ তায়ালার রহমত পাওয়ার আশায় উজ্জীবিত হয়ে উঠবেন- এরকম কথা বলুন। মানসুর বিন জাজান রহ. বলেন, “দুঃখ ও কষ্ট মানুষের জন্য উত্তম প্রতিদান নিয়ে আসে। বিপদে ধৈর্য ধরলে বান্দার জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার।”

হাসান বসরি রহ. সব সময়ই বলতেন, "কষ্টের সময় একদিন শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এই সময়ে আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা হারিয়ে যে পাপগুলো করি, সেগুলো ঠিকই টিকে থাকবে।”

যদি আপনি আপন কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিতজনের জন্য শোক প্রকাশ করতে চান, তাহলে ভিকটিমের জন্য দুআ করুন। এটা খুবই উত্তম একটি আমল। উম্মে সালামা রা.-এর স্বামী যখন ইন্তেকাল করেন, তখন উম্মে সালামাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য রাসূল সা. একটি দুআ পাঠ করেছিলেন। মুসলিম শরিফে এই হাদিসটি উল্লিখিত রয়েছে। রাসূল সা. বলেছিলেন, “হে আল্লাহ! আপনি আবু সালামাহকে ক্ষমা করে দিন। তাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মাঝে শামিল করুন। যে পরিবারকে তিনি দুনিয়ায় রেখে গেলেন আপনি তাদের অভিভাবক হয়ে যান। হে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক! আমাদের সবাইকে এবং আবু সালামাহকে আপনি ক্ষমা করে দিন। তাকে কবরে শাস্তি দান করুন এবং সেখানে তার বসবাসকে আলোকিত করে দিন।"

মৃত ব্যক্তির পরিজন যারা সেই মুহূর্তগুলো খুবই কষ্টে পার করছেন তাদের সাথে এমনভাবে কথা বলুন- যাতে তাদের কষ্ট লাঘব হয়, তারা ধৈর্যধারণে উদ্বুদ্ধ হয়। তারা যেন অনুধাবন করতে পারে যে, আমরা সবাই এই পৃথিবীতে ক্ষণিকের অতিথি আর পরকালীন জীবনটাই চিরস্থায়ী।

এই প্রসঙ্গে, কুরআনের কিছু আয়াত, রাসূল সা.-এর কিছু হাদিস এবং আমাদের সোনালি যুগের কীর্তিমান মানুষদের শোক প্রকাশের কিছু ঘটনাকে আমরা উদাহরণ হিসেবে সামনে নিয়ে আসতে পারি। যেমন : কুরআন মাজিদে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেন,

“সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই কাছে ফিরে যাব। তারাই সেসব লোক, যাদের প্রতি তাদের রবের পক্ষ থেকে সালাত ও রহম বর্ষিত হয়। আর তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।” সূরা বাকারা: ১৫৫-১৫৭

আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদে আরও বলেন,

“প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণভাবে সবকিছুর প্রতিদান পাবে। তারপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই হবে সফলকাম।" সূরা আলে ইমরান : ১৮৫

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আরও বলেন,

“যা কিছু আছে সবই বিলীন হয়ে যাবে, বাকি থাকবে কেবল তোমার মহামর্যাদাবান, মহানুভব প্রভুর সত্তা।" সূরা রহমান : ২৬-২৭

রাসূল সা.-এর কিছু হাদিস এই মর্মে উল্লেখ করা যায়। সহিহ মুসলিম ও ইবনে মাজাহ-র বর্ণনানুযায়ী, রাসূল সা. প্রায়শই দুআ করতেন, “হে আল্লাহ! আমার ওপর নির্ধারিত বিপদের বিনিময়ে আমাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন। আমি যা হারিয়েছি, তার পরিবর্তে আমার জন্য আরও ভালো প্রতিদান নির্ধারণ করুন।" ইবনে মাজাহ : ১৫৯৮

আমাদের পূর্বসূরি কীর্তিমান মনীষীদের শোকপ্রকাশের ধরনও এক্ষেত্রে উল্লেখ করা যায়। সাইয়িদুনা উমর ইবনে খাত্তাব রা. প্রায়শই বলতেন, “প্রতিদিনই আমরা খবর পাই, অমুক অমুক ব্যক্তি মারা গেছেন। কোনো একদিন এমনও বলা হবে, উমর মারা গেছে।"

আমিরুল মুমিনিন উমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ. বলতেন, “আদম সন্তান মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তার আসল ঠিকানায় পৌঁছে যায়, শিকড়ের আরও গভীরে তার ঠাঁই হয়।”

প্রখ্যাত তাবেয়ি হাসান বসরি রহ. বলে গেছেন, “হে আদম সন্তান, তোমরা হলে কিছু দিনের সমষ্টি। একটি দিন চলে যাওয়া মানে, তোমার থেকেই কিছু অংশ চলে যাওয়া। আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, বিশ্বাসী ব্যক্তিদের স্থায়ী ঠিকানা হলো জান্নাত।”

হাসান বসরির ছাত্র মালিক বিন দিনার রহ. বলতেন, “আল্লাহকে যারা ভয় করে তাদের জন্য শেষ বিচারের দিনই হবে উৎসবের দিন।”

শোক প্রকাশ নিয়ে এতগুলো কথা বললাম। কেননা, আমি নিজেই কঠিন পরিস্থিতিগুলোতে অনেককে অনর্থক কথা বলতে শুনেছি। তারা সহানুভূতি প্রকাশ করার নামে এমন সব কথা বলেন, যা কষ্টকর সেই ক্ষণগুলোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। শোকাহত অন্তরগুলো এমনিতেই কষ্টে ও বিপর্যয়ের মধ্যে ডুবে থাকে। তাই শোকগ্রস্ত লোকদের সাথে কথা বলার জন্য যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক বিষয়াবলিই নির্বাচন করুন।

শোকার্ত পরিবারগুলো আল্লাহ তায়ালার রহমত পাওয়ার আশায় উজ্জীবিত হয়ে উঠবেন- এরকম কথা বলুন। মানসুর বিন জাজান রহ. বলেন, “দুঃখ ও কষ্ট মানুষের জন্য উত্তম প্রতিদান নিয়ে আসে। বিপদে ধৈর্য ধরলে বান্দার জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার।”

হাসান বসরি রহ. সব সময়ই বলতেন, "কষ্টের সময় একদিন শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এই সময়ে আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা হারিয়ে যে পাপগুলো করি, সেগুলো ঠিকই টিকে থাকবে।”

📘 ইসলামিক ম্যানারস > 📄 ফুল পাঠানো এবং কুরআনখানি

📄 ফুল পাঠানো এবং কুরআনখানি


এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকেই মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে ফুল নিয়ে যায় এবং কফিনের ওপর পুষ্পস্তবক প্রদান করে সম্মান জানায়। এমনকি মৃত ব্যক্তির বাসাতেও ফুল পাঠায়। এই ফুলগুলো তারা সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশের অংশ হিসেবেই এভাবে প্রেরণ করেন। তবে ইসলাম এই ধরনের কার্যক্রম অনুমোদন করে না। কারও জানাজায় ফুল নিয়ে যাওয়া বা মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ফুল পাঠানোর নিয়ম ইসলামে নেই। এগুলো সবই অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যা পরিহার করা উচিত। যারা এই কাজগুলো করেন, তারা এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ন্যূনতম পুরস্কার বা প্রতিদানও পাবে না। বরং এই ধরনের গর্হিত কাজ করার দায়ে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

আরেকটি বাজে চর্চা ইদানীং শুরু হয়েছে। তা হলো মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মাননা জানানো, এগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা, যেই গাড়িতে করে কফিন বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে তাও সম্প্রচার করা, মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের অডিও রেকর্ড ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলো হওয়া অনুচিত। মৃত ব্যক্তির জানাজা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ভেতর গাম্ভীর্যতা, নম্রতা, আল্লাহর জিকির এবং দুআর উপস্থিতি থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর কিছু নয়। মৃতদেহের পাশে কোনো বিষাদের সুর বাজানো উচিত নয় কিংবা কোনো বিশেষ স্লোগান তোলারও কোনো প্রয়োজন, নেই। এই বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকার সতর্কতামূলক বার্তা ব্যাপক পরিমাণে মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকেই মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে ফুল নিয়ে যায় এবং কফিনের ওপর পুষ্পস্তবক প্রদান করে সম্মান জানায়। এমনকি মৃত ব্যক্তির বাসাতেও ফুল পাঠায়। এই ফুলগুলো তারা সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশের অংশ হিসেবেই এভাবে প্রেরণ করেন। তবে ইসলাম এই ধরনের কার্যক্রম অনুমোদন করে না। কারও জানাজায় ফুল নিয়ে যাওয়া বা মৃত ব্যক্তির বাড়িতে ফুল পাঠানোর নিয়ম ইসলামে নেই। এগুলো সবই অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যা পরিহার করা উচিত। যারা এই কাজগুলো করেন, তারা এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে ন্যূনতম পুরস্কার বা প্রতিদানও পাবে না। বরং এই ধরনের গর্হিত কাজ করার দায়ে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

আরেকটি বাজে চর্চা ইদানীং শুরু হয়েছে। তা হলো মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মাননা জানানো, এগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা, যেই গাড়িতে করে কফিন বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে তাও সম্প্রচার করা, মাইকে কুরআন তিলাওয়াতের অডিও রেকর্ড ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলো হওয়া অনুচিত। মৃত ব্যক্তির জানাজা ও অন্যান্য কার্যক্রমের ভেতর গাম্ভীর্যতা, নম্রতা, আল্লাহর জিকির এবং দুআর উপস্থিতি থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর কিছু নয়। মৃতদেহের পাশে কোনো বিষাদের সুর বাজানো উচিত নয় কিংবা কোনো বিশেষ স্লোগান তোলারও কোনো প্রয়োজন, নেই। এই বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকার সতর্কতামূলক বার্তা ব্যাপক পরিমাণে মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00