📘 ইসলামিক ম্যানারস > 📄 একজন রোগী কীভাবে নিজের অবস্থা বর্ণনা করবেন

📄 একজন রোগী কীভাবে নিজের অবস্থা বর্ণনা করবেন


একজন রোগীর কাছে কেউ যদি শারীরিক অবস্থা জানতে চায়, তা হলে সর্বাগ্রে সেই অসুস্থ মানুষটির উচিত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তারপর তার অবস্থা বর্ণনা করা। যদি এই পথে না গিয়ে রোগী সরাসরি অভাব-অভিযোগ শুরু করে, তা হলে মনে হতে পারে যে, রোগী আল্লাহর ফয়সালার বিরুদ্ধেই অভিযোগ করছেন। রাসূল সা. এবং তাঁর সাহাবিগণ তো বটেই এমনকি তাবেয়িগণও এই রীতিরই অনুসরণ করেছেন।

আবদুর রহমান আত তাবিবের জীবনীগ্রন্থতেও এই ধরনের অনুশীলনের তথ্য পাওয়া যায়। আবদুর রহমান আত তাবিব ছিলেন ইমাম আহমাদ এবং বিশর আল হাফির ব্যক্তিগত চিকিৎসক। আবদুর রহমান বলেন, “একবার ইমাম আহমাদ ও বিশর আল হাফি একইসাথে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদেরকে একই স্থানে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছিল। যখন আমি বিশরকে দেখতে গেলাম এবং তাঁর অবস্থা জানতে চাইলাম, তিনি প্রথম আল্লাহকে ধন্যবাদ জানালেন। তারপর তিনি বললেন, 'আমি শরীরের অমুক স্থানে ব্যথা অনুভব করছি।' এরপর আমি যখন ইমাম আহমাদকে দেখতে গেলাম এবং জানতে চাইলাম, তিনি কেমন বোধ করছেন। উত্তরে ইমাম আহমাদ রহ. বললেন, 'আমাদের ভাই বিশর তো আরও অসুস্থ।' আমি যখন আবার সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর অবস্থা জানতে চাইলাম, তখন তিনিও প্রথম আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন এবং তারপর নিজের অবস্থা জানালেন।"

ইবনে সিরিন রহ.-এর বর্ণনানুযায়ী, “যদি কেউ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তারপর তার অভিযোগ বর্ণনা করে, তা হলে এটা আর অভিযোগ থাকে না; বরং বিষয়টি এমন হয় যে, বান্দা তার রব আল্লাহ তায়ালার একটি ফয়সালার বর্ণনা দিচ্ছেন।”

উপরোক্ত বর্ণনাগুলোর আলোকে দেখা যাচ্ছে যে, একজন রোগীর সবার আগে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত এবং তারপর অভিযোগগুলো প্রকাশ করা উচিত। এমনটা হলে আল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার দায় বান্দার ওপর পড়বে না।

একজন রোগীর কাছে কেউ যদি শারীরিক অবস্থা জানতে চায়, তা হলে সর্বাগ্রে সেই অসুস্থ মানুষটির উচিত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তারপর তার অবস্থা বর্ণনা করা। যদি এই পথে না গিয়ে রোগী সরাসরি অভাব-অভিযোগ শুরু করে, তা হলে মনে হতে পারে যে, রোগী আল্লাহর ফয়সালার বিরুদ্ধেই অভিযোগ করছেন। রাসূল সা. এবং তাঁর সাহাবিগণ তো বটেই এমনকি তাবেয়িগণও এই রীতিরই অনুসরণ করেছেন।
আবদুর রহমান আত তাবিবের জীবনীগ্রন্থতেও এই ধরনের অনুশীলনের তথ্য পাওয়া যায়। আবদুর রহমান আত তাবিব ছিলেন ইমাম আহমাদ এবং বিশর আল হাফির ব্যক্তিগত চিকিৎসক। আবদুর রহমান বলেন, “একবার ইমাম আহমাদ ও বিশর আল হাফি একইসাথে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদেরকে একই স্থানে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছিল। যখন আমি বিশরকে দেখতে গেলাম এবং তাঁর অবস্থা জানতে চাইলাম, তিনি প্রথম আল্লাহকে ধন্যবাদ জানালেন। তারপর তিনি বললেন, 'আমি শরীরের অমুক স্থানে ব্যথা অনুভব করছি।' এরপর আমি যখন ইমাম আহমাদকে দেখতে গেলাম এবং জানতে চাইলাম, তিনি কেমন বোধ করছেন। উত্তরে ইমাম আহমাদ রহ. বললেন, 'আমাদের ভাই বিশর তো আরও অসুস্থ।' আমি যখন আবার সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর অবস্থা জানতে চাইলাম, তখন তিনিও প্রথম আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন এবং তারপর নিজের অবস্থা জানালেন।"
ইবনে সিরিন রহ.-এর বর্ণনানুযায়ী, “যদি কেউ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তারপর তার অভিযোগ বর্ণনা করে, তা হলে এটা আর অভিযোগ থাকে না; বরং বিষয়টি এমন হয় যে, বান্দা তার রব আল্লাহ তায়ালার একটি ফয়সালার বর্ণনা দিচ্ছেন।”
উপরোক্ত বর্ণনাগুলোর আলোকে দেখা যাচ্ছে যে, একজন রোগীর সবার আগে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত এবং তারপর অভিযোগগুলো প্রকাশ করা উচিত। এমনটা হলে আল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার দায় বান্দার ওপর পড়বে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00